বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-সব লিংক
news- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১ : ইংল্যান্ড বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-২ : পাকিস্তান বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-৩ : নিউজিল্যান্ড বনাম শ্রীলঙ্কা
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-৪ : আফগানিস্তান বনাম অস্ট্রেলিয়া
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-৫ : বাংলাদেশ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-৬ : ইংল্যান্ড বনাম পাকিস্তান
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-৭ : আফগানিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কা
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-৮ : ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-৯ : বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১০ : অস্ট্রেলিয়া বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১১ : পাকিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কা
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১২ : ইংল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১৩ : আফগানিস্তান বনাম নিউজিল্যান্ড
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১৪ : অস্ট্রেলিয়া বনাম ভারত
কাউনিয়ায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ও ছাত্র যুব ঐক্য পরিষদের কাউন্সিল
কাউনিয়া রংপুর হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদকাউনিয়া প্রতিনিধি, রংপুর:
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ও ছাত্র যুব ঐক্য পরিষদ শাখার কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার বিকালে কাউনিয়া মহিলা কলেজে উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ছাত্র যুব ঐক্য পরিষদের আয়োজনে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ছাত্র যুব ঐক্য পরিষদ শাখার সম্মেলন জেলা ছাত্র যুব ঐক্য পরিষদ সভাপতি প্রহলাদ বর্মনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন- জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শ্রী বনমালী পাল।
এসময় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র বর্মন, জেলা সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার রায়, মহানগর পুজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি সুব্রত সরকার মুকুল, উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ হেমন্ত বর্মন, সহ-সভাপতি শ্যামল কুমার রায়, প্রচার সম্পাদক সঞ্চয় রায়, দেবত্তর সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক দূর্গা সিংহ, কার্যকারী সদস্য শরণ কুমার রায় প্রমুখ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলার হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্ঠ্রান ঐক্য পরিষদ ও পুজা উদযাপন পরিষদের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীবৃন্দ।

দ্বিতীয় অধিবেশনে সর্বস্মতিক্রমে জীবন কুমার সিংহকে সভাপতি ও মানিক চন্দ্র বর্মনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৪ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমল সরকার টিপু।
আবারও বিয়ে করলেন এমপি শিবলী সাদিক
দিনাজপুর বিয়ে লাইফস্টাইল শিবলী সাদিকরংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
আবারও বিয়ে করলেন দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক। শনিবার রাতে এমপির নিজ বাসভবন স্বপ্নপুরীতে পারিবারিকভাবে এ বিয়ে সম্পন্ন হয়। এটি তার দ্বিতীয় বিয়ে।
এর আগে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ক্লোজআপওয়ান খ্যাত সালমার সঙ্গে তার প্রথম বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল। সালমা-শিবলীর সংসারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়
গত শনিবার দিবাগত রাতে নিজ নির্বাচনী এলাকা হাকিমপুর উপজেলার সিপি রোড নিবাসী বাবু মল্লিকের তৃতীয় সন্তান খাদিজা শিমুর সঙ্গে এমপি শিবলী সাদিকের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
এমপির নিজ বাসভবন নবাবগঞ্জ উপজেলার স্বপ্নপুরীতে এ বিয়ের অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও আত্মীয়-স্বজন, তার নির্বাচনী এলাকার ৪টি উপজেলার (নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট, বিরামপুর ও হাকিমপুর) আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
২০১১ সালে জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী ক্লোজআপ ওয়ান খ্যাত কুষ্টিয়ার মেয়ে মৌসুমি আক্তার সালমার সঙ্গে পারিবারিকভাবেই শিবলী সাদিকের প্রথম সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর লালনকন্যা খ্যাত সালমা ও তৎকালীন নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান বর্তমানে দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলীর ঘরে আসে একমাত্র কন্যাসন্তান স্নেহা।
২০১৬ সালে এমপি শিবলী সাদিক ও কন্ঠ শিল্পী সালমার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। কিন্তু একমাত্র কন্যা শিবলী সাদিকের সঙ্গেই রয়েছে। এমপি শিবলী সাদিক পরম স্নেহে আগলে ধরে রাখেন কন্যা স্নেহাকে।
বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১৪ : অস্ট্রেলিয়া বনাম ভারত
ভিডিও দেখতে স্ক্রল করে নিচে ⇓ যান অথবা এখানে ক্লিক করুন
বিশ্বকাপ ডেস্ক:
০৯ জুন ২০১৯, রবিবার, কেনিংটন ওভাল। বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসরের ১৪তম ম্যাচ। খেলা শুরুর পর অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মধ্যে তুমুল লড়াই চললো। শেষে বিরাট কোহলির দল টিম ইন্ডিয়া ৩৬ রানে হারিয়ে টানা দুই জয় তুলে নেয়। এটি ছিল বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় খেলা। এরআগে লন্ডনের কেনিংটন ওভালে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ভারতের সংগ্রহ ৩৫২ রান।
ব্যাট করতে নেমে শিখর ধাওয়ান করলেন সেঞ্চুরি। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিরা করলেন হাফ সেঞ্চুরি। হার্দিক পান্ডিয়া, মহেন্দ্র সিং ধোনি কিংবা লোকেশ রাহুলরা ব্যাট হাতে বইয়ে দিয়েছেন চার-ছক্কার ঝড়। সব মিলিয়ে ভারতীয় সমর্থকদের জন্য ছিল এক উপভোগ্য ম্যাচ।
কোহলিদের ছুঁড়ে দেয়া ৩৫৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া থেমেছে ৩১৬ রানে। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকার কারণে, শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি তারা।
দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার আর অ্যারোন ফিঞ্চ মিলে শুরুটা ভালোই করেছিলেন। দু’জন মিলে ৬১ রানের জুটি গড়েন। ৩৫ বলে ৩৬ রান করে ফিঞ্চ রানআউট হয়ে যান। এতেই বিপদ শুরু হয় অস্ট্রেলিয়ার। তবে ডেভিড ওয়ার্নার আর স্টিভেন স্মিথ মিলে গড়েন ৭২ রানের দারুণ এক জুটি।
বিশ্বকাপের অন্যান্য হাইলাইটস:
[accordions title="হাইলাইটস"]
[accordion title="বাংলাদেশ ম্যাচ" load="show"]
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-৫ : বাংলাদেশ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-৯ : বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১২ : ইংল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ
[/accordion]
[accordion title="সব ম্যাচ" load="hide"]
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১ : ইংল্যান্ড বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-২ : পাকিস্তান বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-৩ : নিউজিল্যান্ড বনাম শ্রীলঙ্কা
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-৪ : আফগানিস্তান বনাম অস্ট্রেলিয়া
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-৫ : বাংলাদেশ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-৬ : ইংল্যান্ড বনাম পাকিস্তান
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-৭ : আফগানিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কা
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-৮ : ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-৯ : বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১০ : অস্ট্রেলিয়া বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১১ : পাকিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কা
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১২ : ইংল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১৩ : আফগানিস্তান বনাম নিউজিল্যান্ড
- বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১৪ : অস্ট্রেলিয়া বনাম ভারত
[/accordion]
[/accordions]
অস্ট্রেলিয়ার 'ধীর নীতির' কারণে ওয়ার্নারের রানের গতি ছিল খুবই স্লো। ৮৪ বল খেলে তিনি করেছেন মাত্র ৫৬ রান। ৫টি বাউন্ডারি মারলেও কোনো ছক্কার মার নেই তার ব্যাটে।
ভুবনেশ্বর কুমারের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফিরে যান ৭০ বলে ৬৯ রান করা স্মিথ। উসমান খাজা করেন ৩৯ বলে ৪২ রান। ম্যাক্সওয়েল মাঠে নেমেই ঝড় তোলার চেষ্টা করেন। ১৪ বলে ২৮ রান সে ইঙ্গিতই দিচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় স্পিনের সামনে ধরাশায়ী হন তিনি। ইয়ুজবেন্দ্র চাহালের বলে ক্যাচ দিতে বাধ্য হন।
এদিকে মার্কাস স্টোইনিজ শূন্য রানে আউট হলেও উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান অ্যালেক্স ক্যারে দারুণ ব্যাটিং করেন। মাত্র ২৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩৫ বলে তিনি অপরাজিত থেকে যান ৫৫ রান করে। বাকি ব্যাটসম্যানরা ছিলেন কেবল আসা-যাওয়ার মিছিলে।
ভারতীয় পেসার ভুবনেশ্বর কুমার এবং জসপ্রিত বুমরাহ নেন ৩টি করে উইকেট। ২ উইকেট নেন ইয়ুজবেন্দ্র চাহাল। দুটি হলো রানআউট।
India vs Australia Match Highlights:
[embed]https://www.youtube.com/watch?v=gkWHGy70jIg[/embed]
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ভারত: ৫০ ওভারে ৩৫২/৫ (রোহিত ৫৭, ধাওয়ান ১১৭, কোহলি ৮২, পান্ডিয়া ৪৮, ধোনি ২৭, রাহুল ১১*, কেদার ০*; কামিন্স ১০-০-৫৫-১, স্টার্ক ১০-০-৭৪-১, কোল্টার-নাইল ১০-১-৬৩-১, ম্যাক্সওয়েল ৭-০-৪৫-০, জ্যাম্পা ৬-০-৫০-০, স্টয়নিস ৭-০-৬২-২)
অস্ট্রেলিয়া: ৫০ ওভারে ৩১৬ (ওয়ার্নার ৫৬, ফিঞ্চ ৩৬, স্মিথ ৬৯, খাওয়াজা ৪২, ম্যাক্সওয়েল ২৮, স্টয়নিস ০, কেয়ারি ৫৫*, কোল্টার-নাইল ৪, কামিন্স ৮, স্টার্ক ৩, জ্যাম্পা ১; ভুবনেশ্বর ১০-০-৫০-৩, বুমরাহ ১০-১-৬১-৩, পান্ডিয়া ১০-০৬৮-০, কুলদীপ ৯-০-৫৫-০, চেহেল ১০-০-৬২-২, কেদার ১-০-১৪-০)
ফল: ভারত ৩৬ রানে জয়ী
ম্যান অব দা ম্যাচ: শিখর ধাওয়ান
বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১৩ : আফগানিস্তান বনাম নিউজিল্যান্ড
ভিডিও দেখতে স্ক্রল করে নিচে ⇓ যান অথবা এখানে ক্লিক করুন
বিশ্বকাপ ডেস্ক:
০৮ জুন ২০১৯, শনিবার, টন্টন। ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১৩তম ম্যাচ। এদিন আফগানিস্তানকে হারিয়ে টানা তিন ম্যাচ জয় লুফে নেয় কিউইরা। প্রথমে টস জিতে ফিল্ডিং নেয় নিউজিল্যান্ড। জিমি নিশাম ও লকি ফার্গুসনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে তারা ৪১.১ ওভারে ১৭২ রানে অলআউট করে তারা আফগানিস্তানকে। কেন উইলিয়ামসনের অপরাজিত হাফসেঞ্চুরিতে ৩২.১ ওভারে ৩ উইকেটে ১৭৩ রান করে ব্ল্যাক ক্যাপরা।
হযরতউল্লাহ জাজাই ও নুর আলী জাদরানের ৬৬ রানের উদ্বোধনী জুটিতে শুভ সূচনা হয়েছিল আফগানদের। কিন্তু স্কোরবোর্ডে এই রান থাকতেই তিন ব্যাাটসম্যানকে বিদায় করে নিউজিল্যান্ড। জাজাই ৩৪ ও নুর ৩১ রানে আউট হন।
হাশমতউল্লাহ শহীদীর ৫৯ রানের ইনিংসে শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং লজ্জা এড়ায় আফগানিস্তান। এছাড়া আফতাব আলম (১৪) কেবল দুই অঙ্কের ঘরে রান করেন। নিশাম ১০ ওভারে ৩১ রান দিয়ে নেন ৫ উইকেট, চারটি পান ফার্গুসন।
ছোট লক্ষ্যে নেমে প্রথম বলেই মার্টিন গাপটিল ফিরে যান। আফতাবের বলে রানের খাতা না খুলে বিদায় নেন এই ওপেনার। নিউজিল্যান্ডের ৪১ রানে এই ডানহাতি পেসার ফেরান কলিন মুনরোকে (২২)।
এরপর রস টেলরের সঙ্গে উইলিয়ামসনের জুটিতে সহজ জয়ের পথে এগোতে থাকে কিউইরা। যদিও টেলরকে আক্ষেপে পুড়তে হয়। ৪৮ রানে আফতাবের কাছে বোল্ড হন বাংলাদেশের বিপক্ষে দারুণ ইনিংস খেলা এই ব্যাটসম্যান।
৮৯ রানের জুটি ভাঙার পর আর পেছনে ফিরতে হয়নি নিউজিল্যান্ডকে। উইলিয়ামসন ও টম ল্যাথামের ৪৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় তারা। ৯৯ বলে ৯ চারে ৭৯ রানে অপরাজিত ছিলেন উইলিয়ামসন। ১৩ রানে খেলছিলেন ল্যাথাম। এ নিয়ে বিশ্বকাপের তিন ম্যাচের সবগুলো জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে নিউজিল্যান্ড।
Afghanistan vs New Zealand Match Highlights:
[embed]https://www.youtube.com/watch?v=mg7TXaet_yY[/embed]
সংক্ষিপ্ত স্কোর
আফগানিস্তান ১৭২ (৪১.১ ওভার)
শহীদী ৫৯, জাজাই ৩৪, নূর আলী ৩১
নিশাম ৩১/৫, ফার্গুসন ৩৭/৪
নিউজিল্যান্ড ১৭৩/৩ (৩২.১ ওভার)
উইলিয়ামসন ৭৯*, টেলর ৪৮, মুনরো ২২
আফতাব ৪৫/৩
ফল: নিউজিল্যান্ড ৭ উইকেটে জয়ী
ভারতের কাছে ৩৬ রানে হারলো অস্ট্রেলিয়া
2019 Cricket World Cup ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ Cricket World Cup england vs bangladesh ICC Cricket World Cup অস্ট্রেলিয়া খেলাধুলা ভারতরংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মধ্যে তুমুল লড়াই চললো। শেষে বিরাট কোহলির দল টিম ইন্ডিয়া ৩৬ রানে হারিয়ে টানা দুই জয় তুলে নিল। এটি ছিল বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় খেলা। এরআগে লন্ডনের কেনিংটন ওভালে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ভারতের সংগ্রহ ৩৫২ রান।
ব্যাট করতে নেমে শিখর ধাওয়ান করলেন সেঞ্চুরি। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিরা করলেন হাফ সেঞ্চুরি। হার্দিক পান্ডিয়া, মহেন্দ্র সিং ধোনি কিংবা লোকেশ রাহুলরা ব্যাট হাতে বইয়ে দিয়েছেন চার-ছক্কার ঝড়। সব মিলিয়ে ভারতীয় সমর্থকদের জন্য ছিল এক উপভোগ্য ম্যাচ।
কোহলিদের ছুঁড়ে দেয়া ৩৫৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া থেমেছে ৩১৬ রানে। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকার কারণে, শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি তারা।
দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার আর অ্যারোন ফিঞ্চ মিলে শুরুটা ভালোই করেছিলেন। দু’জন মিলে ৬১ রানের জুটি গড়েন। ৩৫ বলে ৩৬ রান করে ফিঞ্চ রানআউট হয়ে যান। এতেই বিপদ শুরু হয় অস্ট্রেলিয়ার। তবে ডেভিড ওয়ার্নার আর স্টিভেন স্মিথ মিলে গড়েন ৭২ রানের দারুণ এক জুটি।
অস্ট্রেলিয়ার 'ধীর নীতির' কারণে ওয়ার্নারের রানের গতি ছিল খুবই স্লো। ৮৪ বল খেলে তিনি করেছেন মাত্র ৫৬ রান। ৫টি বাউন্ডারি মারলেও কোনো ছক্কার মার নেই তার ব্যাটে।
ভুবনেশ্বর কুমারের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফিরে যান ৭০ বলে ৬৯ রান করা স্মিথ। উসমান খাজা করেন ৩৯ বলে ৪২ রান। ম্যাক্সওয়েল মাঠে নেমেই ঝড় তোলার চেষ্টা করেন। ১৪ বলে ২৮ রান সে ইঙ্গিতই দিচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় স্পিনের সামনে ধরাশায়ী হন তিনি। ইয়ুজবেন্দ্র চাহালের বলে ক্যাচ দিতে বাধ্য হন।
এদিকে মার্কাস স্টোইনিজ শূন্য রানে আউট হলেও উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান অ্যালেক্স ক্যারে দারুণ ব্যাটিং করেন। মাত্র ২৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩৫ বলে তিনি অপরাজিত থেকে যান ৫৫ রান করে। বাকি ব্যাটসম্যানরা ছিলেন কেবল আসা-যাওয়ার মিছিলে।
ভারতীয় পেসার ভুবনেশ্বর কুমার এবং জসপ্রিত বুমরাহ নেন ৩টি করে উইকেট। ২ উইকেট নেন ইয়ুজবেন্দ্র চাহাল। দুটি হলো রানআউট।
দারিদ্রতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি: প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় শেখ হাসিনা হাইলাইটদারিদ্রতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন আমাদের বড় সমস্যা দারিদ্রতা। এই দারিদ্রতা দূর করতে সকলের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জাপান, সৌদি আরব ও ফিনল্যান্ডে ১১ দিনের সফর সম্পর্কে জানাতে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ রবিবার বিকেল পাঁচটা ৭ মিনিটে তিনি বক্তব্য শুরু করেন। এর আগে গতকাল শনিবার সকালে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
ত্রিদেশীয় সফরের উদ্দেশ্যে গত ২৮ মে প্রথমে জাপান যান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সৌদি আরব ও ফিনল্যান্ড যান তিনি। ফিনল্যান্ডে পাঁচ দিনের সফর শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় হেলসিংকি থেকে দেশের উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। এ সময় সুইডেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান। দেশে ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রী দোহায় কিছুক্ষণ যাত্রাবিরতি করেন।
প্রধানমন্ত্রী শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন, পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, সংশ্লিষ্ট সচিববৃন্দ এবং উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।
পরে প্রধানমন্ত্রী গণভবনে পৌঁছলে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতারা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। জাপানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ২৫০ কোটি ডলারের ৪০তম অফিসিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিসট্যান্স (ওডিএ) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ‘দ্য ফিউচার অব এশিয়া’ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি সেখানে তার সম্মানে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন এবং জাপানের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন। এ ছাড়া গুলশানের হলি আর্টিজানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত জাপানি নাগরিকদের পরিবার এবং জাইকা সভাপতি শিনিচি কিতাওকা পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী ৩১ মে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ওআইসির ১৪তম সম্মেলনে যোগদান করেন। প্রধানমন্ত্রী পবিত্র ওমরাহ পালন ও মহানবী হযরত মোহাম্মদের (সা) রওজা মোবারক জিয়ারত করেন। এর পর ৩ জুন ফিনল্যান্ড যান তিনি। সেখানে তিনি ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সউলি নিনিয়েস্তোর সঙ্গে বৈঠক করেন এবং তার সম্মানে অল ইউরোপীয় আওয়ামী লীগ ও ফিনল্যান্ড আওয়ামী লীগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন।
ঠাকুরগাঁওয়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে কিশোরের লাশ ধামাচাপার চেষ্টা
ঠাকুরগাঁও লাশ উদ্ধারঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় একটি প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স থেকে (১৭) নামে এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার ভোরে ঠাকুরগাঁও-বালিয়াডাঙ্গী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হৃদয় সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের বানিয়া মন্দিরপাড়া গ্রামের সত্যেন রায়ের ছেলে।
ঠাকুরগাঁও সদর থানার উপপরিদর্শক ভূষণ চন্দ্র বর্মণ জানান, ভোরে সদর উপজেলায় প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স থেকে হৃদয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁও-বালিয়াডাঙ্গী মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় ওই কিশোরের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মরদেহ প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে গুম করার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে ধারণ করা হচ্ছে।
তবে দুর্ঘটনা ও লাশ গোপন করার কারণ অনুসন্ধানে পুলিশ মাঠে নেমেছে বলে জানান উপপরিদর্শক।
একসঙ্গে ৪ সন্তানের জন্ম দিলেন গাইবান্ধার দুলালী
Gaibandha গাইবান্ধা সাঘাটাগাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধায় একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দিলেন প্রসূতি দুলালী বেগম। শনিবার সন্ধ্যায় শহরের গাইবান্ধা ক্লিনিকে অস্ত্রপাচারের মাধ্যমে দুই ছেলে ও দুই মেয়ে সন্তান প্রসব করেন তিনি।
দুলালী বেগম জেলার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের শিমুল তাইড় গ্রামের ভ্যানচালক শাহ্ আলম মিয়ার স্ত্রী।
শাহ আলম জানান, আল্লাহ্ তায়ালা আমাকে এক সঙ্গে চার সন্তান দান করেছেন। আমি খুব খুশি। আমি সকলের কাছে আমার সন্তানদের জন্য দোয়া প্রার্থী।
গাইবান্ধা ক্লিনিকের দায়িত্বরত চিকিৎসক একরাম হোসেন জানান, মা ও চার সন্তান সবাই সুস্থ আছে।
ত্রিদেশীয় সফর বিষয়ে আজ সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় শেখ হাসিনা হাইলাইটরংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
জাপান, সৌদি আরব ও ফিনল্যান্ডে ১২ দিনের সফর নিয়ে রোববার (৯ জুন) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, বিকেল পাঁচটায় গণভবনে এই সংবাদ সম্মেলন শুরু হবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শনিবার সকালে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্কি থেকে কাতার এয়ারলাইনসের একটি বিমান স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে কাতারের রাজধানী দোহার উদ্দেশে হেলসিঙ্কি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। বিমানটি কাতারের স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫০ মিনিটে দোহা হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। দোহায় যাত্রা বিরতির পর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে শনিবার ভোরে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন।
এই সফরে ২৮ মে জাপানের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। টোকিওতে ‘দ্য ফিউচার অব এশিয়া’ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর সফরে বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য জাপানের সঙ্গে আড়াইশ কোটি ডলারের উন্নয়ন সহায়তা চুক্তি হয়। জাপান সফর শেষে ওআইসির চতুর্দশ সম্মেলনে যোগ দিতে ৩০ মে শেখ হাসিনা সৌদি আরবে যান। সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পর ওমরাহ পালন করেন তিনি, জিয়ারত করেন মহানবীর (স.) রওজা। সৌদি আরব থেকে গত ৩ জুন ফিনল্যান্ড যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী।
ছারপোকা মারার বিষ খেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বগুড়া শিক্ষাঙ্গনরংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
ছারপোকা মারার বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অর্থনীতি বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাসেল হোসাইন।
শনিবার বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।
জানা যায়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আ ফ ম কামাল উদ্দিন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রাসেল হোসাইন বেশ কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। তবে ঈদের ছুটি কাটাতে বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় নিজ বাড়িতে যান তিনি। সেখানেই গতকাল শুক্রবার (৭ জুন) রাতে ছারপোকা মারার বিষ খায় রাসেল।
তার পরিবারের সদস্যরা টের পেয়ে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে শনিবার রাসেলের মৃত্যু হয়।
রাসেলের ফেসবুকের টাইমলাইনে গিয়ে দেখা যায়, শুক্রবার রাত ১১টা ৩৯ মিনিটে তিনি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘কাউকে কোনো কষ্ট দিয়ে থাকলে মাফ করে দিয়েন’।
রাজবাড়ীতে স্কুলছাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ
পুড়িয়ে হত্যা রাজবাড়ী সারাদেশরংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
রাজবাড়ীর সদর উপজেলার পাচুরিয়া ইউনিয়নে দশম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে (১৬) আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শনিবার সদর থানায় ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে প্রতিবেশি শিল্পী বেগমসহ অজ্ঞাত ৪ ব্যক্তির নামে মামলা দায়ের করেছেন।
স্কুল ছাত্রীর বাবা ফজলুর রহমান জানান, ঘটনার দিন তিনি ঢাকায় ছিলেন। খবর পেয়ে গত বৃহস্পতিবার বাড়ি এসে জানতে পারেন, কয়েকজন লোক মুখ বেঁধে তার মেয়েকে বাড়ির পাশের পাট ক্ষেতে নিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে।
তবে তিনি অভিযোগ করে বলেন, দুই লাখ টাকার জন্যে পাশের বাড়ির জাহাঙ্গীরের স্ত্রী শিল্পী বেগম তার মেয়ের ওপর এই হামলা চালিয়েছে। তাই ওই নারীকে প্রধান আসামী করে অজ্ঞাত আরো ৪ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
স্কুল ছাত্রীর বড় ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র মোঃ সোহেল ব্যাপারী জানান, পাশের বাড়ির শিল্পী বেগমকে ধরতে পারলে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে।
স্থানীয় বাসিন্দা সাথী সরকার জানান, ঘটনার দিন পাট ক্ষেতের পাশে চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে তারা এগিয়ে গিয়ে ওই স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করেন। তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং গায়ের জামা কাপড় ছেড়া ছিল।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি বলেন, এ ঘটনায় রাজবাড়ী সদর থানায় শিল্পী বেগমসহ অজ্ঞাত চার ব্যক্তির নামে একটি মামলা করা হয়েছে। স্পর্শকাতর এ বিষয়টি নিয়ে পুলিশের দুটি দল মাঠে কাজ করছে এবং আসামি ধরার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এখন কিছু বলা যাবে না। আসামিদের গ্রেপ্তারের পর মূল কারণ বলা যাবে। বর্তমানে মেয়েটি সুস্থ আছে। তাকে নিরাপত্তা দিতে সদর থানা পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এর আগে গত ২৭ মার্চ ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে আটক করে পুলিশ। পরে ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন দেয়। ১০ এপ্রিল রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান নুসরাত জাহান রাফি।
আজ এমপি হিসেবে শপথ নেবেন রুমিন
বিএনপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা রাজনীতি হাইলাইটনিউজবিডি ডেস্ক:
সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন বিএনপির সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। আজ রোববার (৯ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনের নিজ কার্যালয়ে দুপুর ১২টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী তাকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
জানা যায়, গত ২৮ মে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্ম-সচিব মো. আবুল কাসেম। জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন বিএনপির সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সাতটি আসনে জয় লাভ করে। কিন্তু দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া বাকি সবাই শপথ নিয়ে সংসদে গেছেন। এ ক্ষেত্রে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন আইন অনুযায়ী, দলটিকে একটি আসন বণ্টন করে দিয়ে নির্বাচনের তফসিল দেয় ইসি।
টেলিভিশন টকশোর পরিচিত মুখ হিসেবেই ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা পরিচিত। একাদশ জাতীয় সংসদের আগে বিএনপির মনোনয়ন চেয়ে তিনি আলোচনায় আসেন।
ভারতে ধুলিঝড়-বজ্রপাতে নিহত ২৬
ধুলিঝড় বজ্রপাত ভারতরংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
ভারতে প্রবল ধুলিঝড় ও বজ্রপাতে কমপক্ষে ২৬ জন প্রাণ হারিয়েছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে আহত হয়েছেন আরো ৫৭ জন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের বিভিন্ন অংশে এই ঝড় হয় বলে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
প্রবল ঝড়ে প্রচুর ঘর-বাড়ি ও গাছপালা ভেঙে পড়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। ঝড়ে সব থেকে বেশি ক্ষতি হয়েছে রাজ্যের মইনপুরি জেলা। রাজ্য ত্রাণ কমিশনের পক্ষ থেকে উদ্ধার কাজ চালানোর পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।
রাজ্য প্রশাসনকে ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে সবরকম সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ঝড়ে নিহতদের পরিবার প্রতি চার লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার রাজ্য ত্রাণ কমিশনারের পক্ষ থেকে এ সম্পর্কে একটি বিবৃতিও প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ধুলিঝড়ের ফলে বাড়ি ভেঙে ও প্রবল বজ্রপাতের ফলে মইনপুরি জেলায় ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃষ্টি ও ঝড়ের ফলে বিভিন্ন জায়গায় বাড়ি ও গাছ ভেঙে পড়ার কারণে জখম হয়েছেন আরো ৫৭ জন।
রাজ্যের সড়কগুলিতে গাছ ভেঙে পড়ায় বহুক্ষণ বন্ধ ছিলো যান চলাচল। বহু জায়গায় রাস্তার ধারে থাকা হোডিং ও সাইনবোর্ড খুলে পড়ে জখম হয়েছেন অনেকে।
মইনপুরির পাশাপাশি এটাহ এবং কাসগঞ্জ জেলায় প্রাণ হারিয়েছেন ছ’জন। ফারুখাবাদ ও বারাবাঁকিতে দু’জন করে চারজন। আর মোরাদাবাদ, বদায়ুঁ, পিলভিট, মথুরা, কনৌজ, সম্ভল, গাজিয়াবাদ, আমরোহা ও মাহোবা জেলায় মৃত্যু হয়েছে মোট ১০ জনের। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছায় যে লখনউ-সহ রাজ্যের নানা জায়গায় বহুক্ষণ লোডশেডিং ছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঝড় শুরুর সময় বেশিরভাগ মানুষই ঘরের মধ্যে ঘুমোচ্ছিলেন। আচমকা প্রবল ধুলোঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টি শুরু হওয়ার ফলে কাঁচা বাড়ির দেওয়াল ভেঙে পড়ায় আহত হয়েছে আরো বহু মানুষ। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন
ছুটি শেষে সরকারি অফিস খুলছে আজ
ঈদ ঈদুল ফিতর জাতীয় সরকারি অফিস হাইলাইটরংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
ঈদের ছুটি শেষে সরকারি অফিস খুলছে রোববার (৯ জুন)। এবার ৪ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত মোট পাঁচদিন ঈদের ছুটি কাটাচ্ছেন সরকারি চাকুরেরা। সেই হিসাবে আজ শনিবারই শেষ হচ্ছে ছুটি।
এক মাস রোজা পালন শেষে বুধবার (৫ জুন) সারাদেশে মুসলমানদের সবেচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার (৪, ৫ ও ৬ জুন) ছিল ঈদুল ফিতরের ছুটি। এরপর শুক্র ও শনিবার (৭ ও ৮ জুন) সাপ্তাহিক ছুটির দিন।
গ্রামের বাড়িতে থাকা প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রেল, সড়ক ও নৌপথে রাজধানী ছেড়েছেন অসংখ্য মানুষ। তাই রাজধানী এখন ফাঁকা। ঈদের পরের দিন বৃহস্পতিবার থেকেই আবার গ্রাম থেকে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন তারা।
বাড়তি ছুটি না নেয়া চাকরিজীবীরা মূলত অফিস করার জন্য শনিবারই ঢাকায় এসে উপস্থিত হবেন। তবে কেউ কেউ রোববার সকাল নাগাদ পৌঁছে অফিস ধরবেন।
শনিবার সকালে সদরঘাটে ঢাকায় ফেরা মানুষে ভিড় ছিল। একই সঙ্গে রাজধানীর বাস টার্মিনাল ও রেল স্টেশনগুলোতেও ঈদ শেষে ঢাকায় ফেরা মানুষের ভিড় রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দূর-দূরান্তে গ্রামের বাড়ি ঈদ পালন করতে যাওয়া অনেকেই রোববার অফিসে যোগ দিতে পারবেন না। তারা আরও দু’একদিন ছুটি নিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সোমবার প্রথম অফিস খুললেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি থাকবে কম। ঈদের আমেজ থাকবে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়সহ বিভিন্ন সরকারি অফিসে।
পাইলটের পাসপোর্টকাণ্ড: ইমিগ্রেশন পুলিশের এসআই বরখাস্ত
জাতীয় পাইলটের পাসপোর্টকাণ্ড শেখ হাসিনা হাইলাইটরংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনাকে বিদেশ থেকে আনতে পাইলটের পাসপোর্ট ছাড়া যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার জন্য ইমিগ্রেশন পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শনিবার বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ইসমাইল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাইলট ফজল মাহমুদ পাসপোর্ট ছাড়া কাতারে গিয়ে সেখানকার ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে আটক হন। এ ঘটনার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে চারদিকে সমালোচনা শুরু হয়। যেহেতু পাইলট ফজল মাহমুদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী উড়োজাহাজের পাইলট সেই জন্য বিষয়টি নিয়ে আলোচনা আরও বৃদ্ধি পায়।
পরে এ বিষয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের ভূমিকা নিয়েও নানা প্রশ্নে ওঠে। এ জন্য পাসপোর্ট না দেখেই পাইলট ফজল মাহমুদকে কাতারে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার ঘটনায় ইমিগ্রেশনের এসআই কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
ইসমাইল হোসেন বলেন, পাইলট ফজল মাহমুদ ইমিগ্রেশন পুলিশকে বলেছিল তার পাসপোর্ট রয়েছে। তিনি সিনিয়র পাইলট হওয়ায়, তার কথায় ইমিগ্রেশন পুলিশ বিশ্বাস করে ছেড়ে দেয়। কিন্তু তারপরও তার পাসপোর্ট না দেখে ওই পাইলটকে ইমিগ্রেশন পার করতে দেওয়ায় এসআই কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে সাবংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমরা জানতে পেরেছি পাইলট ভুল করে পাসপোর্ট নেননি। যেহেতু এটি প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান ছিল, সেহেতু পাইলটের ভুল করা উচিত হয়নি।
মিয়ানমারের মুসলিমবিরোধী বৌদ্ধ বিন লাদেন’র বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
আশিন উইরাথু বিশ্ব বৌদ্ধ বিন লাদেনরংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
মসজিদকে তিনি বর্ণনা করেন "শত্রুর ঘাঁটি" হিসেবে, তার কাছে মুসলিমরা হচ্ছে "পাগলা কুকুর", মুসলিমদের বিরুদ্ধে তার অভিযোগ "তারা চুরি করে ও বর্মী মহিলাদের ধর্ষণ করে" এবং "গণহারে জন্ম দিয়ে তারা খুব দ্রুত নিজেদের বিস্তার ঘটাচ্ছে।"
তার নাম আশিন উইরাথু। বিশ্বের সবচেয়ে বিতর্কিত বৌদ্ধ ভিক্ষু তিনি। মিয়ানমারে কর্তৃপক্ষ বছরের পর বছর ধরে তাকে রক্ষা করার পাশাপাশি তাকে সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছে। আর একারণেই তিনি মুসলিমদের বিষয়ে দিনের পর দিন এরকম বিদ্রূপাত্মক ও নিন্দাজনক বক্তব্য দিতে সক্ষম হচ্ছেন।
কিন্তু সম্প্রতি তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার-জয়ী ও মিয়ানমারের ডিফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সু চিকে আক্রমণ করার পর দেশটির কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে তিনি তার সীমা ছাড়িয়ে গেছেন এবং এখন তার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।
কিন্তু বিতর্কিত এই বৌদ্ধ ভিক্ষু আসলে কে?
যেভাবে শুরু:
আশিন উইরাথু প্রথম আলোচনায় আসেন ২০০১ সালে যখন তিনি মুসলিমদের মালিকানাধীন ব্যবসা ও দোকানপাট বয়কট করার জন্যে প্রচারণা শুরু করেন।
এরকম একটি প্রচারণা শুরু করার পর ২০০৩ সালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিচারে তার ২৫ বছরের সাজা হয়েছিল। কিন্তু তাকে পুরো সাজা খাটতে হয়নি। সাত বছর পর সরকারের ঘোষিত সাধারণ ক্ষমায় তিনি ২০১০ সালে কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন।
কিন্তু উইরাথুর জেল-জীবন তার মধ্যে কোন পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি, বরং মিয়ানমারের সংখ্যালঘু মুসলিমদের বিরুদ্ধে তিনি তার বিদ্বেষমূলক বক্তব্য অব্যাহত রাখেন।
আশিন উইরাথু তার বক্তব্য বিবৃতিতে বৌদ্ধদের শৌর্য বীর্যের কাহিনী তুলে ধরেন, তার সাথে মিশিয়ে দেন জাতীয়তাবাদের নেশাও।
সাংবাদিকদের সাথে যখন উইরাথু কথা বলেন তখন তিনি খুব শান্তভাবে তাদের প্রশ্নের জবাব দেন ঠিকই, কিন্তু তিনি যখন সভা সমাবেশে বা জনসভায় বক্তব্য রাখেন তখন তিনি অত্যন্ত আবেগপূর্ণ হয়ে উঠেন।
তার কথার প্রতিটি বাক্যে ছড়িয়ে থাকে মুসলমানদের প্রতি ঘৃণা। মিয়ানমারের বিদ্যমান মুসলিম-বিদ্বেষে তার এসব বক্তব্য আরো উস্কানি জোগাতে সাহায্য করে।
মুসলিম পুরুষরা যাতে বৌদ্ধ নারীদের বিয়ে করতে না পারে সেজন্যে একটি আইন তৈরিতেও অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন উইরাথু। ওই আইনে মুসলিম পুরুষের সাথে বৌদ্ধ নারীর বিয়ে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
"কোন সাপ ছোট হলেও সেটাকে খাটো করে দেখার কিছু নেই। মুসলিমরা ওই সাপের মতো," বলেন তিনি।
ফেসবুকে নিষিদ্ধ:
মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াতে এক পর্যায়ে আশিন উইরাথু সোশাল মিডিয়াও ব্যবহার করতে শুরু করেন। তিনি বলতে থাকেন যে মিয়ানমারে মুসলিম জনসংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকার কারণে বৌদ্ধ সংস্কৃতি হুমকির মুখে পড়েছে।
এরই এক পর্যায়ে ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাকে নিষিদ্ধ করে। ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয় যে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করেই তার এসব বিদ্বেষমূলক পোস্ট।
উইরাথু তখন বিকল্প হিসেবে অন্যান্য সোশাল মিডিয়া ব্যবহারের কথা ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, "ফেসবুক যখন আমার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়, আমি তখন ইউটিউবের উপর নির্ভর করি। আবার ইউটিউব যেহেতু খুব বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে না, সেহেতু আমার জাতীয়তাবাদী কাজ অব্যাহত রাখার জন্যে আমি টুইটার ব্যবহার করবো।"
রুশ সোশাল মিডিয়া এবং নেটওয়ার্কিং সাইট ভিকের মাধ্যমেও তিনি তার অনেক ভিডিও শেয়ার করে থাকেন।
কিন্তু শুধু যে ফেসবুকই তাকে নিষিদ্ধ করেছে তা নয়, এবছরের এপ্রিলে প্রতিবেশী ও বৌদ্ধ অধ্যুষিত দেশ থাইল্যান্ডে তার ধর্মীয় বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু থাই কর্তৃপক্ষ তাতে বাধ সেধেছে।
ভুল বোঝাবুঝি:
উল্কার মতো তার এই জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির কারণে ভুগতে হয়েছে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীকে। তাদের সংখ্যা মিয়ানমারের মোট জনসংখ্যার পাঁচ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনেও উইরাথুকে চিত্রিত করা হয় একজন সন্ত্রাসী হিসেবে।
২০১৩ সালের জুলাই মাসে ম্যাগাজিনটির একটি সংখ্যার প্রচ্ছদে তার একটি ছবি ছাপিয়ে তাতে লেখা হয়: "এক বৌদ্ধ সন্ত্রাসীর মুখ।"
"ভুল বুঝে আমাকে আক্রমণ করা হচ্ছে। আমার মনে হয় এক দল লোক আছে যারা আমার বদনাম করার জন্যে মিডিয়াকে অর্থ দিচ্ছে। আর এটা তো নিশ্চিত যে মুসলিমরাই অনলাইন মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে," বিবিসিকে ২০১৩ সালে একথা বলেন তিনি।
আশিন উইরাথুর উপর একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করা হয় ২০১৫ সালে। ওই ডকুমেন্টারিতে তাকে বর্ণনা করা হয় একজন "বৌদ্ধ বিন লাদেন" হিসেবে।
কিছু কিছু পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যমও খুব দ্রুতই তার এই নামটি লুফে নেয়। তবে উইরাথু বলেন, এরকম তুলনা তার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
আশ্বিন উইরাথু বলেন যে তিনি সহিংসতাকে ঘৃণা করেন। "আমি খুব খারাপভাবেও এর জবাব দিতে চাই না," বলেন তিনি।
জাতিসংঘের সাথে বিরোধ:
একান্ন বছর বয়সী উইরাথু বিতর্কের মধ্যেই বেঁচে আছেন এবং বেশিরভাগ বিতর্ক তিনি নিজেই সৃষ্টি করেছেন।
মিয়ানমারের সংখ্যালঘু মুসলিমদের দুঃখ দুর্দশা অনুসন্ধান করে দেখতে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ইয়াংগি লী-কে ২০১৫ সালে যখন সেদেশে পাঠানো হয়েছিল উইরাথু তখন তাকে একজন 'দুশ্চরিত্রা' ও 'বেশ্যা' হিসেবে গাল দিয়েছিলেন।
রাখাইনের গণহত্যায় সামরিক বাহিনীর শীর্ষস্থানীয় জেনারেলদের ভূমিকা কী ছিল সেটা খতিয়ে দেখতে গতবছরেই আহবান জানানো হয়েছিলে জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে। আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত বা আইসিসির পক্ষ থেকে প্রাথমিক এক তদন্তের সূচনা হওয়ার পরই এই আহবান জানানো হয়েছিল।
মিয়ানমার সরকার জাতিসংঘের এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে এবং বৌদ্ধ ভিক্ষু উইরাথু তখন পাল্টা আক্রমণ চালাতে শুরু করেন।
গত বছরের অক্টোবর মাসে তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেছিলেন, "আইসিসি যেদিন এখানে আসবে, সেদিনই উইরাথু বন্দুক হাতে তুলে নেবে।"
রোহিঙ্গা সঙ্কট:
রাখাইন রাজ্যে ২০১২ সালে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা শুরু হওয়ার জন্যে আশ্বিন উইরাথুর সমর্থকদের ব্যাপকভাবে দায়ী করা হয়। এর পরই সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।
এবিষয়ে ২০১৭ সালে ব্রিটিশ সংবাদপত্র গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উইরাথু বলেছিলেন, "অং সান সু চি বাঙালিদের সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি তাকে বাধা দিয়েছি।"
বর্মী জাতীয়তাবাদীরা রোহিঙ্গা মুসলিমদেরকে প্রায়শই বাঙালি বলে উল্লেখ করে থাকে। রোহিঙ্গাদেরকে বহিরাগত বোঝাতেই তাদেরকে বাঙালি বলা হয়।
ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসির বিরুদ্ধে উইরাথু অভিযোগ আনেন যে ওই দলটি গোপনে মুসলিম এজেন্ডাকে সমর্থন দিচ্ছে।
বৌদ্ধ ধর্ম:
মিয়ানমারে কোন রাষ্ট্রীয় ধর্ম নেই। তবে দেশটিতে বৌদ্ধ ধর্মের প্রচণ্ড প্রভাব রয়েছে। দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯০ শতাংশই বৌদ্ধ।
দেশটিতে কর্তৃপক্ষ শতাব্দীর পর শতাব্দী কাল ধরে বৌদ্ধ আশ্রমকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছিল। কিন্তু এর অবসান ঘটে ঊনবিংশ শতকে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে।
ইরাবতী ও অন্যান্য নদীর কারণে অত্যন্ত উর্বর এই দেশের ভূমি। বৌদ্ধ আশ্রমগুলোও প্রচুর কৃষিজমির মালিক। ফলে দেশটিতে গড়ে উঠেছে অগণিত সুদৃশ্য বৌদ্ধ মন্দির।
মিয়ানমারের রয়েছে সামরিক শাসনের দীর্ঘ ইতিহাস। দেশটির সৈন্য সংখ্যা চার লাখেরও বেশি।
কিন্তু বৌদ্ধ ভিক্ষুর সংখ্যা তার চাইতেও অনেক বেশি। ধারণা করা হয় তাদের সংখ্যা কমপক্ষে পাঁচ লাখ। সামাজিকভাবেও তাঁরা শক্তিশালী, কারণ তাদের রয়েছে সামাজিক প্রভাব, প্রতিপত্তি এবং মর্যাদা।
মা বা থা
মুসলিমবিরোধী ও জাতীয়তাবাদী একটি দল গঠনের সাথেও জড়িত ছিলেন আশিন উইরাথু। গ্রুপটির নাম ছিল ৯৬৯।
এই দলের সমর্থকরা বলছেন, নামের প্রথম ৯ হচ্ছে বুদ্ধের নয়টি বিশেষ গুণ, ৬ হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মের ছ'টি বিশেষ অনুশিক্ষা এবং শেষ ৯ হচ্ছে সংঘের নয়টি বিশেষ গুণ।
কিন্তু বাস্তবে এই ৯৬৯ গ্রুপটি মুসলমানদের বিরুদ্ধেই প্রচারণা চালাতে থাকে।
পরে দলটি রাষ্ট্রীয়ভাবেও সমর্থন পেতে শুরু করে এবং ২০১৩ সালে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট থিন সেইন প্রকাশ্যে এই গ্রুপটির আন্দোলন এবং ওই আন্দোলনের সবচেয়ে প্রখ্যাত নেতা উইরাথুকে সমর্থন দেন। উইরাথুকে তিনি উল্লেখ করেন "বুদ্ধের সন্তান" হিসেবে।
এর কিছুদিন পরেই উইরাথু মা বা থা নামের আরো একটি সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিতে পরিণত হন।
দলটির এই নামের অর্থ বার্মার দেশপ্রেমিক সমিতি। এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয় ২০১৪ সালে। তারপর হু হু করে এর জনপ্রিয়তা বাড়তে শুরু করে। এক সময় সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে সংগঠনটি এবং এক পর্যায়ে ২০১৭ সালে এটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
কিন্তু মান্দালায় মা সোয়ে ইয়েন আশ্রম থেকে উইরাথু কোন ধরনের বাধা ছাড়াই প্রচারণা অব্যাহত রাখেন।
তার অফিসে তিনি এমন কিছু ছবি স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করতে থাকেন যেগুলোতে, তার ভাষায়, মুসলিমদের সহিংসতার কিছু চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
গেরুয়া পোশাক পরিহিত উইরাথু বিবিসিকে ২০১৩ সালে যে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, তাতে তিনি কখনো মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ব্যাপারে অনুশোচনা প্রকাশ করেন নি।
বরং তিনি বলেন, "মুসলিমরা যখন দুর্বল থাকে শুধু তখনই তারা ভালো আচরণ করে। কিন্তু যখন তারা শক্তিশালী হয়ে উঠে তখন তারা নেকড়ে কিম্বা শৃগাল হয়ে যায়, তার পর তারা দল বেঁধে অন্যান্য প্রাণীদের উপর আক্রমণ করে।"
"মুসলিমরা নিজেদের ছাড়া আর কাউকে মানুষ হিসেবে গণ্য করে না। তারা খ্রিস্টান ও হিন্দুদেরকেও আক্রমণ করে। আসলে তারা সবাইকে আক্রমণ করে। আপনি যদি এটা বিশ্বাস না করেন তাহলে আপনার পরমাণু প্রযুক্তি তালেবানকে দিয়ে দেখুন কী হয়, আপনার দেশ খুব শ্রীঘ্রই হারিয়ে যাবে," বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন তিনি।
ব্যাপক প্রভাব:
উইরাথু প্রায়শই বিদেশে ভ্রমণ করেন এবং শ্রীলঙ্কায় বদু বালা সেনা বা বিএসএস নামের একটি গ্রুপের সাথে রয়েছে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংস প্রচারণা চালিয়ে এই গ্রুপটিও কুখ্যাতি অর্জন করেছে।
"আজ বৌদ্ধ ধর্ম বিপদে পড়েছে। আমরা যদি এই বিপদ সঙ্কেত শুনতে পাই তাহলে আমাদের সবাইকে একসাথে হাত ধরতে হবে," ২০১৪ সালে কলম্বোর এক সমাবেশে বলেছিলেন উইরাথু।
কিন্তু তার এই ব্যাপক জনপ্রিয়তা মিয়ানমারের আশ্রমগুলোতে তখন আর ভালোভাবে গৃহীত হয়নি। সরকার সমর্থিত সংঘ কাউন্সিল ২০১৭ সালে তার ধর্মীয় বক্তব্য রাখার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
কিন্তু তিনি আসল বিপদে পড়তে শুরু করেন যখন তিনি মিয়ানমারের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিকে আক্রমণ করেন, তার পর থেকেই।
সু চি-কে আক্রমণ:
"তিনি ফ্যাশনেবল কাপড় পরেন, মেকাপ দেন, হাই হিল জুতা পরেন এবং বিদেশিদের দিকে নিজের নিতম্ব নাড়িয়ে হেঁটে যান," মিয়ানমারের ডিফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সু চির দিকে ইঙ্গিত করে উইরাথু একথা বলেন এপ্রিল মাসের এক সমাবেশে।
এছাড়াও মে মাসে দেওয়া এক ভাষণে সরকারের এক সদস্যের বিষয়ে তিনি বলেন যে ওই ব্যক্তি "একজন বিদেশীর সাথে ঘুমাচ্ছেন।"
ব্রিটিশ একজন শিক্ষাবিদ মাইকেল এরিসের সাথে অং সান সু চি-র বিয়ে হয়েছিল। মিস সু চি যখন সামরিক বাহিনীর হাতে গৃহবন্দী তখন তার স্বামী ১৯৯৯ সালে ক্যান্সারে মারা যান।
"উইরাথু খুবই জনপ্রিয় একজন ভিক্ষু। তার অনুসারীর সংখ্যাও প্রচুর। তিনি যখন মুসলিমদের আক্রমণ করেন তখন তার অনুসারীরা খুশি হয়। কিন্তু এই উইরাথুই যখন অং সান সু চি-কে আক্রমণ করেন তখন তার জনপ্রিয়তাও ধাক্কা খায়," বলেন মিয়াত থু, ইয়াঙ্গুন স্কুল অফ পলিটিক্যাল সায়েন্স নামের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের একজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা অং সান সু চি মিয়ানমারে পরিচিত "দ্যা লেডি" হিসেবে। কার্যত তাকে দেশটির প্রধান বলেই মনে করা হয়।
তার আনুষ্ঠানিক পদের নাম স্টেট কাউন্সিলর। প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট তার ঘনিষ্ঠ মিত্র।
মিয়ানমারের সংবিধানের কারণে অং সান সু চি কখনো দেশটির প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না কারণ তার সন্তানরা বিদেশি নাগরিক।
বেসামরিক সরকার মিস সু চির প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে এই বাধা সরিয়ে দিতে চায় কিন্তু ভিক্ষু আশিন উইরাথু সংবিধানের এই পরিবর্তনের বিরোধী।
"লোকজনের কাছে অং সান সু চির জনপ্রিয়তা প্রচুর। এমনকি অনেক কট্টরপন্থী ভিক্ষু, যারা উইরাথুর সাথে আছেন, তারাও এখন তার এই সু চি-বিরোধী অবস্থান মেনে নিতে পারবেন না," বলেন মিয়াত থু।
"উইরাথু যদি শুধু সংবিধানের পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কথা বলতেন তাহলে সরকারের পক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হতো। কিন্তু তিনি তো অং সান সু চিকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেছেন যা মানুষ ভালভাবে নেয় নি।"
তিনি বলেন, "এখন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়ে গেছে।"
কিন্তু তারপরেও আশিন উইরাথু দমবার পাত্র নন। তিনি বলেন, "তারা যদি আমাকে গ্রেফতার করতে চায়, তারা সেটা করতে পারে।"