কৃষকদের কাছ থেকে আরও আড়াই লাখ টন ধান কেনার সিদ্ধান্ত

কৃষকদের কাছ থেকে আরও আড়াই লাখ টন ধান কেনার সিদ্ধান্ত

admin June 12, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
দাম পড়ে যাওয়ার কৃষকদের কাছ থেকে আরও আড়াই লাখ মেট্রিক টন বোরো ধান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান। কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন।


খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এবার বোরোর ফলন ‘অনেক উদ্বৃত্ত’ হয়ে গেছে। দেশের খাদ্য গুদামগুলোর ধারণ ক্ষমতা ১৯ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন। আর এখন গুদামে আছে ১৪ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশষ্য। গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী দিক নির্দেশনা দিয়েছেন, আমরা আরও আড়াই লাখ মেট্রিক টন ধান কৃষকের কাছ থেকে কিনব। এতেও বাজার না উঠলে (ধানের) পরিমাণ আরও বাড়াব, যেন কৃষক নায্যমূল্য পান।


এই আড়াই লাখ টনের বাইরে প্রয়োজনে আরও এক বা দুই লাখ মেট্রিক টন ধান কৃষকের কাছ থেকে কেনা হবে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী রাজ্জাক। এবছর বোরো মৌসুমে সরকার ১০ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, দেড় লাখ টন আতপ চাল এবং দেড় লাখ টন বোরো ধান এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। ঠিক হয়, ২৫ এপ্রিল থেকে প্রতিকেজি ধান ২৬ টাকা এবং প্রতি কেজি চাল ৩৬ টাকায় কিনবে সরকার। কিন্তু সরকারিভাবে ধান-চাল ক্রয় শুরু হতে দেরির কারণে ফড়িয়ারা সেই সুযোগ নেয়। তারা ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করলে ধান নিয়ে অসহায় অবস্থায় পড়েন কৃষকরা। উৎপাদন খরচ না ওঠায় অসন্তোষ থেকে পাকা ধানে কৃষকের আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।


এই পরিস্থিতিতে কৃষকদের বাঁচাতে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে মন্ত্রণালয়কে বেশি ধান কেনার ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করে খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। পাশাপাশি চাল আমদানি নিরুৎসাহিত করতে শুল্ক বাড়ানো হয়।


খাদ্যমন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত কৃষকের কাছ থেকে ৩০ হাজার টন বোরো ধান কেনা হয়েছে। এক লাখ ২০ হাজার টন ধান কেনা এখনও বাকি আছে। আরও দেড় লাখ টন ধান কেনার সিদ্ধান্ত হওয়ায় এবার সব মিলিয়ে মোট চার লাখ টন বোরো ধান কৃষকের কাছ থেকে কিনবে সরকার।

ডিআইজি মিজানের ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার দুদক কর্মকর্তার

ডিআইজি মিজানের ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার দুদক কর্মকর্তার

admin June 12, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
পুলিশের উপ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার কথা অস্বীকার করে দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির বলেছেন- ‘সব বানোয়াট’। মঙ্গলবার দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণে জর্জরিত বাছির বলেন, যে অভিযোগ করেছে তাকে (ডিআইজি মিজান) প্রমাণ করতে বলুন। চালানোর অভিযোগ ওঠায় গত বছরের জানুয়ারিতে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মিজানকে। এর চার মাস পর তার সম্পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক; এক হাত ঘুরে সেই অনুসন্ধানের দায়িত্ব পান এনামুল বাছির।


সেই অনুসন্ধান চলার মধ্যেই ডিআইজি মিজান রোববার দাবি করেন, তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা বাছির। এর সপক্ষে তাদের কথপোকথনের কয়েকটি অডিও ক্লিপ একটি টেলিভিশনকে দেন তিনি। ওই অডিও প্রচার হওয়ার পর দেশজুড়ে শুরু হয় আলোচনা। এই পরিস্থিতিতে গত সোমবার তদন্ত কমিটি গঠনের পাশাপাশি বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করে দুদক। তবে ঘুষ দেওয়াও যে ফৌজদারি অপরাধের মধ্যে পড়ে, সে কথাও মনে করিয়ে দেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।


ডিআইজি মিজান বলেন, সব জেনেশুনেই তিনি কাজটি করেছেন ‘বাধ্য হয়ে’। তিনি যে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত, তা প্রমাণ করতে, তাকে ফাঁসানোর জন্য করেছি এবং নিজের সেইফটির জন্য করেছি। মঙ্গলবার দুদক কার্যালয়ে নিজের কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের তোপে পড়ে দুদক পরিচালক বাছির অসহায় ভঙ্গিতে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি দপ্তর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও সাংবাদিকরা তাকে ঘিরে ধরে ঘুষের অভিযোগ নিয়ে বার বার প্রশ্ন করতে থাকেন।


এক পর্যায়ে সাংবাদিকরা ওই অডিওর বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এটা বানোয়াট একটা অভিযোগ। আপনারা যত প্রকারের এক্সপার্ট নিয়ে পারেন প্রমাণ করেন। যেইভাবে পারেন প্রমাণ করেন। তাকে প্রমাণ নিয়ে আসতে বলেন। মিথ্যার কোনো প্রমাণ থাকে না। ডিআইজি মিজান মিথ্যা অভিযোগ করে থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেবেন কিনা- সেই প্রশ্ন বাছিরকে করেন সাংবাদিকরা। এই দুদক কর্মকর্তা উত্তরে বলেন, আমার নিজেরই চাকরি নাই। মামলা করবো কি? মামলার প্রশ্ন অবান্তর।


সব রেকর্ড আছে, দাবি ডিআইজি মিজানের: দুর্নীতি দমন কমিশনের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট বললেও অভিযোগকারী ডিআইজি মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তার কাছে সব রেকর্ড আছে। কমিশন থেকে ডাকা হলে তিনি তা উপস্থাপন করবেন। মঙ্গলবার দুপুরে বেইলি রোডের বাসায় সাংবাদিকদের এসব কথা জানান পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত ডিআইজি মিজানুর রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে ডিআইজি মিজানুর রহমান বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন কমিটি করে অডিওটির সত্যতা যাচাই করুক, সংশ্লিষ্ট কমিশনে পাঠাক। এই ভোকালটা ওঁর (এনামুল বাছিরের) কিনা দেখুক। তাহলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।


অডিও ফাঁসের বিষয়ে তিনি বলেন, নিজেকে সেভ করার জন্য এটা করেছি। আমার কাছে সব রেকর্ড আছে। আমাকে যখন ডাকবে তখন সব দেখাবো। কেন তিনি ঘুষ দিয়েছেন -এই প্রশ্নের উত্তরে মিজানুর রহমান বলেন, বিভিন্নভাবে আমাকে প্রেশার ক্রিয়েট করে। বারবার দেখা করতে চায়। আমি দেখা করলাম। যখন দেখলাম যে এই লোকটা নিজেই দুর্নীতিবাজ, তখন সেটা তো প্রমাণ করতে হবে। আমি এই বিষয়টাই প্রমাণ করেছি। আমি ব্যাংক থেকে টাকা উঠিয়েছি। আমার স্বজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছি তার সব তথ্য আছে। আমি যথাসময়ে অনুসন্ধান কমিটিকে প্রমাণ দেবো।


দুদকের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি কমিশনের কাছে অন্যায় কিছু চাচ্ছি না। আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার চাচ্ছি। ওঁরা যদি সেটা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমাকে আইনি আশ্রয় নিতে হবে। আমি আশা করবো তদন্ত কর্মকর্তা কোনও রাগ-অনুরাগের বশবর্তী হয়ে নয়, স্বাধীন নিরপেক্ষ কমিশনের একজন সদস্য হিসেবে আমার ওপর জাস্টিস অ্যাপ্লাই করবেন। জিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছিলেন দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির।


অনুসন্ধানকালে তিনি কয়েক দফায় ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন ডিআইজি মিজানুর রহমান। তিনি একটি অডিও ফাঁস করেন। যেখানে ডিআইজি মিজান ও এনামুল বাছিরের কথোপকথন রয়েছে। এ অভিযোগের পর কমিশন থেকে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশে এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ঘুষ লেনদেনের বিষয়ে আলাদা তদন্ত হবে বলে রোববার সাংবাদিকদের জানান দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

নেত্রকোণায় কুপিয়ে মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা, যুবক আটক

নেত্রকোণায় কুপিয়ে মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা, যুবক আটক

admin June 12, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
নেত্রকোণার সদর উপজেলায় দা দিয়ে কুপিয়ে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে; এ ঘটনায় এক জড়িত অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।


উপজেলা সাকুয়া এলাকায় মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা বলে নেত্রকোণা মডেল থানার ওসি তাজুল ইসলাম জানান। নিহত উপজেলার গন্ধবপুর গ্রামের বিষ্ণু বর্মণ (৬০)। আটক তাসকিন (৩০) ওই এলাকার এমএ ওয়াহেদের ছেলে।


ওসি বলেন, দুপুরে বিু বাড়িতে একা বসে ছিলেন। এ সময় তাসকিন তার বাড়িতে ঢুকে দা দিয়ে কুপিয়ে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে বিুকে হত্যা করে।


ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাকুয়া বাজার এলাকা থেকে তাসকিনকে আটক করে বলে জানান ওসি। এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি দা ও রক্তমাখা শার্ট জব্দ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে নেত্রকোণা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা: রাস্তায় মৎস্যজীবীরা

সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা: রাস্তায় মৎস্যজীবীরা

admin June 12, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
সাগরে মাছ ধরায় ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারের দাবিতে সীতাকুণ্ডে রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখিয়েছে মৎস্যজীবীদের একটি সংগঠন। মঙ্গলবার দুপুরে শাহ আমানত সেতু এলাকায় সোনালী যান্ত্রিক মৎস্য শিল্প সমবায় সমিতির ২০ মিনিটের সড়ক অবরোধ কর্মসূচির সময় সেতু ও আশপাশের এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। এর আগে গত রোববার উত্তর চট্টলা উপক‚লীয় জলদাস সমবায় কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে জেলেরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন।


মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ফিশারিঘাট এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে কয়েকশ মানুষ শাহ আমানত সেতু এলাকায় অবস্থান নেয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সোনালী যান্ত্রিক মৎস্য শিল্প সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বাবুল সরকার। বক্তব্য দেন সমিতির নেতারা। সমাবেশে আমিনুল ইসলাম বলেন, অন্য বছর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা ছিল না। এটা নতুন করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বুঝিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। আমরা ৭২ ঘণ্টা সময় দিচ্ছি। দাবি না মানলে, আবার আমরা রাজপথে নামব। মৎস্যজীবীদের সবার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আন্দোলন করা হবে।


দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা ভাসান জাল ব্যবহার করি। আমাদের জালে ছোট মাছ ধরা পড়ে না। তাই এই নিষেধাজ্ঞায় আমাদের অন্তর্ভূক্ত করা অযৌক্তিক। ইলিশের প্রজনন মৌসুমেও ২২ দিন মাছ ধরা বন্ধ থাকে, সেটা আমরা মেনে নিয়েছি। আষাঢ় মাসে ইলিশ ধরার মৌসুম শুরু। এখন আমাদের সব বোট বসে আছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে চাল বরাদ্দের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই বরাদ্দ আমাদের মৎস্যজীবীরা নেবে না। এতে তাদের পরিবার চলবে না।


বাকলিয়া থানার ওসি মো. নেজাম উদ্দিন জানান, মৎস্যজীবীরা ১৫ মিনিটের মত সড়কে ছিল। পরে তাদের আশ্বস্ত করে সরিয়ে দেওয়া হয়। আন্দোলনকারীরা সরে যাওয়ার পর বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সড়কে যানজট লেগে ছিল। এ সময় শাহ আমানত সেতুর ওপর যানবাহনের লম্বা লাইন সৃষ্টি হয়। দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে আসা যাত্রীরা অনেকে হেঁটে সেতু পার হন। গত ২০ মে থেকে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। আগামি ২৩ জুলাই পর্যন্ত সব ধরনের নৌযানের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।


বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রজনন মৌসুমে ডিমওয়ালা মাছ ও কাঁকড়াসহ কঠিন আবরণযুক্ত জলজ প্রাণীর (ক্রাস্টাসিয়ান্স) জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং মাছের মজুদ সংরক্ষণ, সুষ্ঠু ও সহনশীল আহরণ নিশ্চিত করার স্বার্থে ২০১৫ সাল থেকে প্রতিবছর এ সময় মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। তবে ২০১৫ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা ছিল ৪৫ দিন। এ বছর তা বাড়িয়ে ৬৫ দিন করা হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালককে কারণ দর্শানোর নোটিশ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালককে কারণ দর্শানোর নোটিশ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের

admin June 12, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
একজন পরিচালককে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ করে সাময়িক বরখাস্ত করার অভিযোগে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজালকে কারণ দর্শাতে বলেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। দুর্নীতির অভিযোগে কেন সাময়িক বরখাস্ত করা হবে না এবং তার নিয়োগ কেন বাতিল করা হবে না- সাত কার্যদিবসের মধ্যে তার জবাব দিতে বলা হয়েছে মহাপরিচালককে। পাশাপাশি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদ ও মার্কেট বিভাগের পরিচালক মুহাম্মদ মহীউদ্দিন মজুমদারকে সাময়িক বরখাস্ত করার আদেশও বাতিল করা হয়েছে।


গত ৩০ মে মহীউদ্দিন মজুমদারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিলেন মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল। গত রোববার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব (সংস্থা) মো. জিয়া উদ্দিন ভ‚ঞা বলেন, ক্ষমতা বহির্ভূত, বেআইনি, অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে করা সাময়িক বরখাস্তের আদেশটি বাতিল করা হল। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজালের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে নিয়োগ, পদোন্নতি, ক্রয় কার্যক্রমসহ নানা কাজে দুর্নীতির অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।


এছাড়া তার বিরুদ্ধে কিছু ‘সুর্নিদিষ্ট’ অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে দুদক গত ৭ মে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায়। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদ ও মার্কেট শাখার পরিচালক মুহাম্মদ মহীউদ্দিন মজুমদারের বিরুদ্ধে কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্মসচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি করা হয়েছিল। সেসব অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার যৌক্তিকতা নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে। ওই বরখাস্তের আদেশ বাতিল করতে গত ৩ জুন ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন মহীউদ্দিন। সেই আবেদনের পর সাময়িক বরখাস্তের আদেশ পর্যালোচনা করে কিছু ‘অনিয়ম’ এবং ‘বেআইনি’ বিষয় নজরে আসে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।


সেখানে বলা হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরস ধর্ম প্রতিমন্ত্রী। মহীউদ্দিন মজুমদারকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশের ব্যাপারে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। এ ছাড়া ওই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার আগে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মৌখিক সম্মিতিও নেওয়া হয়নি। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগও মহীউদ্দিন মজুমদার পাননি। এ কারণে মহাপরিচালকের দেওয়া সাময়িক বরখাস্তের আদেশটি ‘বে-আইনি, অসৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও অকার্যকর’ বলে চিঠিতে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হিসেবে যোগ দেন জুডিসিয়াল সার্ভিসের সাবেক কর্মকর্তা সামীম মোহাম্মদ আফজাল। মন্ত্রণালয়ের চিঠি ও অভিযেগের বিষয়ে কথা বলতে বেশ কয়েক বার তাকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মুহাম্মদ মহীউদ্দিন মজুমদার বলেন, মহাপরিচালক ‘নিজের দোষ ঢাকতেই’ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিলেন।


গত বছর অক্টোবরে বায়তুল মোকাররমের একটি পিলার ভেঙে একটি দোকান বড় করা হয়। এ বিষয়ে ব্যব্স্থা নেওয়ায় মহাপরিচালক ক্ষুব্ধ হন। ওই ঘটনায় আমি থানায় জিডি করি, ওই দোকান বন্ধ করে দিই। ওই দোকানদার দুদিন পর তালা খুলে ফেলে। পরে আবার আমি পুলিশ আনাই। সেই দোকানদার আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।


মহীউদ্দিন মজুমদার বলেন, ওই ঘটনার পর তিনি চারটি ফাইল তৈরি করে মহাপরিচালকের কাছে দেন। কিন্তু তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। পরে মে মাসে এ বিষয়ে পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর নজরে আসে। ডিজি মহোদয় তখন বলেন, তার কাছে এ বিষয়ে কোনো ফাইল যায়নি। তখন আমি বলি চারটি ফাইল তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে তিনি আমার ওপর ক্ষুব্ধ। আমি দুর্নীতি করে থাকলে সেটার জন্য যথাযথ নিয়ম আছে। বিচারের আগে তো আমাকে মৃত্যুদণ্ড দিতে পারেন না।

আদালত স্থানান্তর: খালেদার রিটের শুনানি নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশ

আদালত স্থানান্তর: খালেদার রিটের শুনানি নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশ

admin June 12, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
নাইকো দুর্নীতি মামলার আদালত স্থানান্তরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে খালেদা জিয়ার করা রিট আবেদনের শুনানি হবে হাই কোর্টের নিয়মিত বেঞ্চে। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের অবকাশকালীন হাই কোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এই আদেশ দেয়। এ সময় খালেদা জিয়ার পক্ষে আদালতে ছিলেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও মওদুদ আহমদ; রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা।


নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদার বিচারের জন্য বিশেষ আদালত পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কারাগার থেকে সরিয়ে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়ার সরকারি আদেশের বিরুদ্ধে গত ২৬ মে হাই কোর্টে এই রিট আবেদন করা হয়। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের অবকাশকালীন হাই কোর্ট বেঞ্চ ওই রিট আবেদনের শুনানিতে নাইকো মামলা আমলে নেওয়ার আদেশ এবং আদালত স্থানান্তরের গেজেটের কপি হলফনামা আকারে জমা দিতে বলেছিল খালেদার আইনজীবীদের। এর ধারাবাহিকতায় এ জে মোহাম্মদ আলী মঙ্গলবার নাইকো মামলা আমলে নেওয়ার আদেশের কপি হলফনামা আকারে জমা দেন।


কিন্তু আদালত স্থানান্তরের গেজেটের কপি পাননি জানিয়ে বলেন, এ বিষয়ে বিশদ শুনানি প্রয়োজন। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ সময় বলেন, আজ এই ভ্যাকেশন বেঞ্চের শেষ কার্যদিবস। আপনাদের অবস্থান স্পষ্ট করুন। মওদুদ আহমদ এ সময় বলেন, চাইলে আপনারা রুল দিতে পারেন। পরে আদালত এই রিট মামলা শুনানির জন্য হাই কোর্টের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানোর আদেশ দেয়। নিয়ম অনুযায়ী এই বেঞ্চের আদেশসহ মামলার নথি এখন হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় যাবে। আদালতের নিয়মিত বেঞ্চের কার্যক্রম শুরু হলে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা কোনো একটি বেঞ্চে তা শুনানির জন্য উপস্থাপন করবেন।


আদেশের পর বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী মওদুদ সাংবাদিকদের বলেন, এটা (আদালত স্থানান্তর) এখন বিচারাধীন বিষয়। সুতরাং এর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিচারিক আদালতে মামলার কার্যব্ক্রম চলতে পারে না। অন্যদিকে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা বলেন, এটা সাবজুডিস মেটার কীভাবে, রুলও তো হয়নি। বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত না হলে কোনো মামলার বিচারই বন্ধ থাকে না। আমি মনে করি বিচারিক কার্যক্রম চলতে কোনো বাধা নেই।


তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা ইতোমধ্যে আগের আদালতে দুই দিন শুনানি করেছেন। অথচ তারা এটা তারা উচ্চতর আদালতে গোপন করেছেন। দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়াকে রাখা হয়েছিল পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন সড়কের পরিত্যক্ত কারাগারে। তার বিরুদ্ধে নাইকোসহ অন্য কয়েকটি মামলার বিচারও সেখানেই চলছিল। চিকিৎসার জন্য তাকে গত ১ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


পরে সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়, সুস্থ হলে খালেদাকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হবে। এরপর খালেদার বিচারে আদালত স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত জানিয়ে মে মাসের মাঝামাঝি গেজেট জারি হলে প্রথমে উকিল নোটিস পাঠিয়ে পরে হাই কোর্টে আসেন খালেদার আইনজীবীরা। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর হাতে তুলে দিয়ে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি করার অভিযোগে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় নাইকো দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক।


খালেদা জিয়া ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক মন্ত্রী মওদুদ আহমদ, সাবেক প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, সাবেক সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভ‚ঁইয়া এবং নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ। ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। মামলাটি বর্তমানে অভিযোগ গঠনের শুনানি পর্যায়ে আটকে আছে।

আন্দোলনের মুখে বিএসএমএমইউতে মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত

আন্দোলনের মুখে বিএসএমএমইউতে মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত

admin June 12, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে চিকিৎসকদের আন্দোলনের মুখে মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।


বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া মঙ্গলবার বলেন, ভাইভা স্থগিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে সিন্ডিকেট বোর্ডে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিএসএমএমইউতে ১৮০ জন মেডিকেল কর্মকর্তা ও ২০ জন ডেন্টাল চিকিৎসক নিয়োগে ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত ২০ মার্চ।
পরীক্ষায় অংশ নেন আট হাজার ৫৫৭ জন চিকিৎসক। কিন্তু ১২ মে নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরপরই তাতে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ শুরু করেন শতাধিক চিকিৎসক।


তাদের অভিযোগ, ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে নজিরবিহীন অনিয়ম হয়েছে। উপাচার্য ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ তাদের স্বজনদের নিয়োগ দিতে ফলাফল টেম্পারিং করা হয়েছে। ঈদের পর গত ৯ জুন আন্দোলনকারীদের কয়েকজন উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের লাঠিপেটার শিকার হন বলে অভিযোগ ওঠে।


আন্দোলনকারীরা ভাষ্য, ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কিনা, তা জানতেই তারা সেখানে গিয়েছিলেন। তবে ওইদিন চিকিৎসকদের লাঠিপেটার কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছেন উপাচার্য। পুলিশের পক্ষ থেকেও অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।

পীরগঞ্জে মোবাইল ফোন তুলতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে নিহত ২

পীরগঞ্জে মোবাইল ফোন তুলতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে নিহত ২

admin June 12, 2019

স্টাফ রিপোর্টার:
রংপুরের পীরগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে গিয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে; এ ঘটনায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও একজন। উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের বড়ঘোলা গ্রামে গত সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে পীরগঞ্জ থানার ওসি শরেস চন্দ্র দাস জানান।


মৃতরা হলেন- বড়ঘোলা গ্রামের মসের উদ্দিনের ছেলে দুলু মিয়া ও প্রতিবেশী আজহার আলীর ছেলে এনামুল হক। এ ঘটনায় আহত শাহীন মিয়াকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।


রামনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহীদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর বলেন, দুলু মিয়া রাতে টয়লেটে যায়। এ সময় অসাবধানতায় তার হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যায়। ফোনটি উদ্ধার করতে একটি বাঁশ বেয়ে সেপটিক ট্যাংকে নামেন দুলু। এরপর অনেকক্ষণ পর্যন্ত দুলুর কোনো সাড়া না পেয়ে এনামুল ট্যাংকে নামেন।


একপর্যায়ে দুই জনের সাড়া না পেয়ে শাহীনও নামেন সেপটিক ট্যাংকে। পরে স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তিনজনকে উদ্ধার করেন বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান জানান।


ওসি বলেন, এর মধ্যে সেপটিক ট্যাংকে শ্বাসকষ্টে এনামুলের মৃত্যু হয় এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে দুলু মারা যান।

গাইবান্ধায় সাবেক সাংসদ লিটন হত্যায় কাদের খানের যাবজ্জীবন

গাইবান্ধায় সাবেক সাংসদ লিটন হত্যায় কাদের খানের যাবজ্জীবন

admin June 11, 2019

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যার ঘটনায় করা অস্ত্র মামলায় সাবেক এমপি ও অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আবদুল কাদের খানকে পৃথক দুটি ধারায় একটিতে যাবজ্জীবন ও অপরটিতে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।


মঙ্গলবার গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


তিনি জানান, সকালে মামলার একমাত্র আসামি জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি আবদুল কাদের খানকে কারাগার থেকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়।তার উপস্থিতিতেই আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচারক।


২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের উত্তর শাহবাজ মাস্টারপাড়ায় নিজ বাসভবনের সামনে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।


লিটন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার ছোট বোন ফাহমিদা বুলবুল কাকলী পর দিন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা করেন।


২০১৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় সাবেক এমপি ও অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আবদুল কাদের খানকে বগুড়ার নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে কাদের খানের দেয়া তথ্যানুযায়ী তার বাড়ির উঠানের মাটির নিচ থেকে ছয় রাউন্ড গুলি ও একটি পিস্তল উদ্ধার করে পুলিশ।


মামলার তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৫ এপ্রিল তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে লিটন হত্যা মামলায় সাবেক এমপি (অব.) কর্নেল ডা. আবদুল কাদের খানকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি গাইবান্ধা জেলা কারাগারে রয়েছেন।

নুসরাত হত্যা: ১৬ আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ৫ জনকে অব্যাহতি

নুসরাত হত্যা: ১৬ আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ৫ জনকে অব্যাহতি

admin June 11, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার শুনানির প্রথম দিনে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতারকৃত ৫ আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে নুসরাত হত্যাকাণ্ডের ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ এ আদেশ দেন।


নুসরাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ঘটনার পর বিভিন্ন সময়ে তাদের গ্রেফতার করেছিল পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তবে অভিযোগপত্রে (চার্জশিট) তাদের নাম উল্লেখ করা হয়নি।


অব্যাহতিপ্রাপ্তরা হলেন নুসরাতের সহপাঠী আরিফুল ইসলাম, যুবলীগ কর্মী নূর হোসেন হোনা ও মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, প্রাক্তন ছাত্র ব্যাংক কর্মকর্তা কেফায়াত উল্লাহ জনি এবং প্রাক্তন ছাত্র ও ছাত্রলীগ কর্মী সাইদুল ইসলাম।


জেলা জজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের সরকারী কৌঁসুলি (এপিপি) হাফেজ আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘তাদের নাম চার্জশিটে না থাকায় মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।’


এর আগে একই আদালত পিবিআইয়ের দাখিল করা ১৬ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে দেয়া চার্জশিট আমলে নেন। আগামী ২০ জুন চার্জ গঠনের দিন ধার্য করা করা হয়েছে।


এপিপি হাফেজ আহমেদ আরও জানান, ‘নুসরাত হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন, কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, প্রভাষক আবসার উদ্দিন, মো. শামিম, ইফতেখার উদ্দিন, নূর উদ্দিন জামিন চাইলে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’


বিভিন্ন সময়ে এ মামলায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা, নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, উম্মে সুলতানা পপি, কামরুন নাহার মনি, জাবেদ হোসেন, আবদুর রহিম ওরফে শরীফ, হাফেজ আবদুল কাদের ও জোবায়ের আহমেদ, এমরান হোসেন মামুন, ইফতেখার হোসেন রানা ও মহিউদ্দিন শাকিলসহ ১২ জন আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।


প্রসঙ্গত, গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে একই মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাতকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন নুসরাতের মা শিরিন আক্তার। ভয়ভীতি দেখানোর পরও মামলাটি তুলে না নেয়ায় গত ৬ এপ্রিল পরীক্ষার হল থেকে কৌঁশলে ডেকে নিয়ে মাদ্রাসার ছাদের উপর সিরাজ উদদৌলার সহযোগীরা নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত।


এ ঘটনায় তার বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ১০ এপ্রিল মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে দায়িত্ব দেন আদালত। ২৯ মে ফেনীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম জাকির হোসাইনের আদালতে মামলার এজাহারভুক্ত ৮ জনসহ ১৬ জনকে আসামি করে ৮০৮ পৃষ্ঠার চার্জশিট দাখিল করেন পিবিআই কর্মকর্তারা।

এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেল খেলাপি ঋণ

এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেল খেলাপি ঋণ

admin June 11, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৮৭৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এর ফলে প্রথমবারের মতো অবলোপনের হিসাব বাদে খেলাপি ঋণ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল। এর আগে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত খেলাপি ঋণ ছিল ৯৩ হাজার ৯১১ কোটি টাকা।


চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) দেশে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৬ হাজার ৯৬২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এছাড়া গত ডিসেম্বর পর্যন্ত অবলোপনের মাধ্যমে ব্যাংকের হিসাবের খাতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে নীট ৪০ হাজার ১০১ কোটি টাকা। এ ঋণ যোগ করলে দেশে খেলাপি ঋণের প্রকৃত পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৭৪ কোটি টাকা।


ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, ডিসেম্বরের চূড়ান্ত হিসাব তৈরির আগে ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের বিভিন্ন নিয়মে ছাড় দিয়ে ঋণ পুনঃ তফসিল করেছে। এ ছাড়া জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেও অনেকে ঋণ পুনঃ তফসিল করেছিলেন। ওই সময়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়মিত করা হয়। এসব ঋণ এখন নতুন করে খেলাপি হয়ে পড়েছে। যে কারণে খেলাপি ঋণ বেড়ে গেছে।


জানা যায়, মহাজোট সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় ২০০৯ সালের শুরুতে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। আর এখন তা বেড়ে হলো প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ১০ বছর ৩ মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৪ গুণ।


এটা বাংলাদেশ ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক তথ্য। তবে ব্যাংক কর্মকর্তারাই বলছেন, প্রকৃত খেলাপি ঋণ আরও অনেক বেশি। অনেক ব্যাংক বড় অঙ্কের ঋণ আদায় করতে পারছে না, আবার তা খেলাপি হিসেবেও চিহ্নিত করছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকও এতে নজর দিচ্ছে না। এ ছাড়া শেয়ারবাজারের অজুহাতে প্রতিবছরই ব্যাংকগুলো নানা ছাড় নিচ্ছে। এতে খেলাপি ঋণের প্রকৃত তথ্যও বেরিয়ে আসছে না। পাওয়া যাচ্ছে না ব্যাংকগুলোর প্রকৃত চিত্র।

ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের তোপের মুখে বিএনপি

ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের তোপের মুখে বিএনপি

admin June 11, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সিদ্ধান্তকে পাশ কাটিয়ে দলীয় একক সিদ্ধান্তে দলের পাঁচ জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য শপথ নেওয়ায় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের তোপের মুখে পড়েছেন বিএনপির নেতারা। সোমবার রাজধানীর উত্তরায় জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রবের বাসায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে সংসদে না যাওয়ার বিষয়ে জোটের সিদ্ধান্ত পাশ কাটিয়ে সংসদে যোগদান করায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।


তবে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, এসময়ে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়- সংসদে যোগদানের বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে কোনো ভুল বোঝাবুঝি থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে নিরসন করা হবে।


সূত্রটি আরো জানায়, বৈঠকে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে দলের পাঁচজন এমপির শপথ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চান। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে রবসহ অন্যান্য নেতারাও জোটের সিদ্ধান্তের বাইরে শপথ নেওয়ার সমালোচনা করেন। তারা এ বিষয়ে বিএনপির কাছে সঠিক ব্যাখ্যাও দাবি করেন।


তবে যেহেতু এ শপথ গ্রহণে বিএনপির সঙ্গে গণফোরাম সম্পৃক্ত রয়েছে, তাই আগামী বৈঠকে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের সামনে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


এসময় কাদের সিদ্দিকীকে ঐক্যফ্রন্ট থেকে বের না হওয়ার জন্য ঐক্যফ্রন্টরে পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়। তিনি আগামী বৈঠক থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে সবাইকে আশ্বস্ত করেন।


প্রসঙ্গত, গত ৯ মে ঐক্যফ্রন্টের সাতজন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের শপথ নেওয়ার সঠিক ব্যাখ্যা না পেলে জোটে থাকবেন না বলে ঘোষণা দেন কাদের সিদ্দিকী।

বৃষ্টি: বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ মাঠে গড়ানো নিয়ে শঙ্কা

বৃষ্টি: বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ মাঠে গড়ানো নিয়ে শঙ্কা

admin June 11, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বিশ্বকাপে মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার মোকাবিলায় নামছে বাংলাদেশ। ব্রিস্টলে বিকাল সাড়ে ৩টায় শুরু হবে ম্যাচটি। টানা দুই ম্যাচ হারায় তাই এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প দেখছেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।


তবে এই ম্যাচে বড় শঙ্কার নাম বৃষ্টি। ব্রিস্টলে আগের ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছিল। স্থানীয় আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে আগামীকাল বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার ম্যাচেও বৃষ্টির শঙ্কা আছে দিনজুড়ে। দুর্ভাবনায় তাই দুই দলই।


এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বলেন, ‘ম্যাচ হওয়া খুবই প্রয়োজন। আগের দুই ম্যাচের একটিতে জিততে পারলে হয়তো এতটা প্রয়োজন হতো না। এখন খুবই প্রয়োজন ম্যাচ হওয়া। আমরা চাচ্ছি ম্যাচটা যেন হয়। আশা করছি পুরো ম্যাচ হবে। ম্যাচ না হলে আমাদের সমীকরণ অনেক কঠিন হয়ে যাবে।’


দেখুন বিশ্বকাপ ম্যাচগুলোর হাইলাইটস:


[accordions title="হাইলাইটস"]
[accordion title="বাংলাদেশ ম্যাচ" load="show"]

[/accordion]
[accordion title="সব ম্যাচ" load="hide"]

[/accordion]
[/accordions]

এদিকে তিন ম্যাচ শেষে শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের চেয়ে এক পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছে। এই মাঠেই পাকিস্তানের বিপক্ষে তাদের সবশেষ ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছিল। তবে বাংলাদেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ শ্রীলঙ্কা কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে ছিলেন মাশরাফিদের সাবেক কোচ। বাংলাদেশ সম্পর্কে তাঁর ভালো জানা।


অবশ্য সর্বশেষ দেখায় এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে বিশ্বকাপে আগের তিন দেখায় একটিতেও জিততে পারেনি লাল-সবুজের দল। আগামীকাল কি হয় সেটাই এখন দেখার।


বিশ্বকাপের শেষ চারে ওঠার লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জিততেই হবে বাংলাদেশকে। চলমান বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে আসর শুরু করেছিল বাংলাদেশ। সে ম্যাচে তারা জিতেছিল ২১ রানে। অবশ্য পরের দুই ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে লড়াই করে হারলেও তৃতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হারে লাল-সবুজের দল।

ওসি মোয়াজ্জেম কোথায়?

ওসি মোয়াজ্জেম কোথায়?

admin June 11, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকার পরেও বাংলাদেশে ফেনীর আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহানকে হত্যার ঘটনায় বিতর্কিত ভূমিকার জন্যে সমালোচিত ফেনীর সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল গত ২৭ শে মে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এরপর সেই পরোয়ানার নোটিস পাওয়া নিয়ে মোয়াজ্জেমের সাবেক কর্মস্থল ফেনী এবং বর্তমান কর্মস্থল রংপুর দুই জেলার পুলিশের মধ্যে চাপান-উতর চলে।


এক পর্যায়ে বর্তমান কর্মস্থল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পাবার কথা স্বীকার করলেও, ইতিমধ্যে মোয়াজ্জেমকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানানো হয়। পুলিশ বলছে, 'অনুমতি ছাড়াই' কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন হোসেন।


এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে রোববার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানিয়েছিলেন, ওসি মোয়াজ্জেমকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসিকে গ্রেপ্তারে সরকারের দিক থেকে কোন গাফিলতি নেই। বিষয়টি নিয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে এবং প্রধানমন্ত্রীও খুবই সিরিয়াস। আমাদের পার্টির লোকও তো এখন জেলে এ ঘটনায়। এখানে সরকারের পক্ষ থেকে কোন প্রকার গাফিলতি নেই।


কিন্তু সারা বিশ্বে আলোচিত এমন একটি ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত একজন আসামি, যিনি একজন পুলিশ কর্মকর্তা তিনি কিভাবে পালিয়ে গেলেন, সে নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। অনেকেই এজন্য পুলিশের গাফিলতি এবং স্বজনপ্রীতির কারণে এমনটি ঘটেছে বলে অভিযোগ করছেন।


তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল বলছেন, মোয়াজ্জেম হোসেনকে গ্রেপ্তারে ব্যর্থতা পুলিশ বাহিনীর দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করবে। তিনি বলেন, এটা যদি পুলিশের গাফিলতি হয়, তাহলে আমাদের জন্য সেটা খুবই উদ্বেগের বিষয়। আর যদি সেটা পুলিশের অযোগ্যতার বিষয় হয়, তাহলে সেটা আরো বড় উদ্বেগের ব্যপার। কারণ অন্যায়ের প্রতিকার পাবার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর মানুষের আস্থা এতে নষ্ট হয়ে যায়।


গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর মোয়াজ্জেম আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। আগামীকাল ১১ই জুন সেই আবেদনের ওপর শুনানি হবার কথা রয়েছে। এখন সেই শুনানিতে তিনি হাজির হন কিনা, সেটাই দেখার বিষয়।


এদিকে, বাংলাদেশে ফেনীর আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহানকে হত্যার ঘটনায় ১৬জন আসামির বিরুদ্ধে দেয়া চার্জশিট আজ আমলে নিয়েছে আদালত। আগামী ২০ শে জুন এ মামলার চার্জ গঠনের দিন ধার্য করা হয়েছে। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী শাহজাহান সাজু জানিয়েছেন, আদালত নুসরাত হত্যায় গ্রেফতার ২১ জনের মধ্যে পাঁচজনকে অব্যাহতি দিয়েছে।

জুনের শেষে আবারও সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন এরশাদ

জুনের শেষে আবারও সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন এরশাদ

admin June 11, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ জুন মাসের শেষের দিকে চিকিৎসার জন্য আবারও সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন।


এরশাদের বিশেষ সহকারী ও দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অব.) খালেদ আক্তার এ তথ্য নিশ্চিত করছেন।


তিনি বলেন, ‘গত মাসের ২১ তারিখ তাকে (এরশাদ) রক্ত দেয়ার পর অবস্থা কিছুটা ভালো ছিল। বর্তমানে একটু দুর্বল হয়ে পড়েছেন। এ কারণে আবারও সিঙ্গাপুর নেয়া হচ্ছে।’


খালেদা আক্তার আরও বলেন, ‘স্যার একই অবস্থায় আছে, হুইল চেয়ার ছাড়া চলাফেরা করতে পারেন না। বয়সের কারণে কথা জড়িয়ে আসে। তবে কাউকে চিনতে সমস্যা হচ্ছে না।’


তিনি বলেন, ‘আপনারা তো ঈদের দিন দেখেছেন, এখনও সেভাবেই আছে। তার পাশে লোকজন থাকলে একটু হাশি খুশি থাকেন।’

কুমিল্লা: মেয়ের বিয়ের আগেই প্রেমিকের সঙ্গে লাপাত্তা মা!

কুমিল্লা: মেয়ের বিয়ের আগেই প্রেমিকের সঙ্গে লাপাত্তা মা!

admin June 11, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় যুবলীগ নেতা রজ্বব হোসেন রাজু (৩৮) পাশের গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী নাছির উদ্দিনের স্ত্রী রিতা আক্তারকে (৩৬) নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।


রজ্বব হোসেন রাজু আকবপুর ইউনিয়নের আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক। এই ঘটনায় তাকে তার পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রীকাইল ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী নাছির উদ্দিনের স্ত্রী রিতা আক্তারের সাথে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া প্রেম চলছিল। এরই জের ধরে ঈদুল ফিতরের পর ৬ মে রাতে দুইজন পালিয়ে যায়।


রিতা মোহাম্মদপুর আইডিয়াল কিন্ডার গার্টেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষিকা। প্রধান শিক্ষিকা পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে কিন্ডার গার্টেন স্কুলটি বন্ধ রয়েছে।


প্রবাসী স্বামী ছেড়ে যাওয়া রিতা আক্তারের পরিবারে ২ মেয়ে ১ ছেলে রয়েছে। বড় মেয়ে একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। বরপক্ষ এসে তাকে দেখে পছন্দ করে গেছে। ঈদের পর তার বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করার কথা থাকলেও এখন আর এই বিয়ে হচ্ছে না।


অপরদিকে আকুবপুর ইউনিয়নের ঘোড়াশাল গ্রামের রজ্বব হোসেন রাজুর পরিবারেও তার স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। তার প্রথম স্ত্রী আত্মহত্যা করে মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে করেন। ২য় স্ত্রীর পরিবারে ২টি ছেলে সন্তান ও এক মেয়ে রয়েছে।


এ ব্যাপারে বাঙ্গরা বাজার থানা যুবলীগের আহ্বায়ক মো. নাইউম খাঁন বলেন, বিষয়টি আমরা জানার পর এক জরুরি সভা ডেকে রজ্বব হোসেন রাজুকে তার পদ থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে আকবপুর ইউনিয়নের যুবলীগের সম্মেলন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন।

বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১৬ : ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা

বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১৬ : ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা

admin June 11, 2019

ভিডিও দেখতে স্ক্রল করে নিচে ⇓ যান অথবা এখানে ক্লিক করুন



বিশ্বকাপ ডেস্ক:
১০ জুন ২০১৯, সাউদাম্পটন। বৃষ্টির কারণে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের দ্বিতীয় পরিত্যাক্ত ম্যাচ। এদিন দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলা বিকেল সাড়ে ৩ টায় শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত জয় হয় বৃষ্টিরই। প্রোটিয়া ইনিংসের অষ্টম ওভারে তুমুল বৃষ্টি নামলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর অবশেষে স্থানীয় সময় বিকাল সোয়া ৪ টায় খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এ নিয়ে এবারের আসরে দুটি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে গেল। এর আগে পাকিস্তান ও শ্রীলংকা খেলা পণ্ড হয়।


বিশ্বকাপের অন্যান্য ম্যাচের হাইলাইটস:


[accordions title="হাইলাইটস"]
[accordion title="বাংলাদেশ ম্যাচ" load="show"]

[/accordion]
[accordion title="সব ম্যাচ" load="hide"]

[/accordion]
[/accordions]

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে পরাজয়ের পর ভারতের বিপক্ষেও শোচনীয় পরাজয় বরণ করে প্রোটিয়ারা। এর আগে ইংল্যান্ডের সামনেও দাঁড়াতেই পারেনি তারা। তাই সেমিফাইনাফের স্বপ্ন টিকিয়ে রাখতে হলে এ ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না ডু প্লেসিস বাহিনীর। টুর্নামেন্টে তাদের প্রথম জয়ের আশায় এবার জল ঢেলে দিল বৃষ্টি।


আসরে দুর্দান্ত শুরু করে ক্যারিবীয়রা। নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দেয় তারা। পরের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারলেও শ্বাসরুদ্ধকর ছিল সেই লড়াই। অল্পের জন্য হেরে যায় তারা। ওই ম্যাচে বাজে আম্পায়ারিংয়ের শিকার হন গেইল-রাসেলরা। যা নিয়ে বিতর্ক চলছেই। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বোলিংয়ে শুরুটা দারুণ করে উইন্ডিজ। তাদের হার মানতে হলো বৃষ্টির কাছে।


সোমবার সাউদাম্পটনের রোজ বোলে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। ফলে আগে ব্যাট করতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে শুরুটা শুভ হয়নি প্রোটিয়াদের। দলীয় ১১ রানে শেল্ডন কটরেলের বলে ক্রিস গেইলকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন নির্ভরযোগ্য ওপেনার হাশিম আমলা। প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই কটরেলের দ্বিতীয় শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন এইডেন মার্করাম।


৭.৩ ওভারে বৃষ্টি নামলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে ২ উইকেটে ২৯ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। কুইন্টন ডি কক ১৭ ও ডু প্লেসিস শূন্য রান নিয়ে ক্রিজে ছিলেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন দুই আম্পায়ার।



South Africa vs West Indies Match Highlights:


[embed]https://www.youtube.com/watch?v=baL8V-VrCF8&feature=onebox[/embed]
কাউনিয়ায় পোস্টার ছেড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের আশঙ্কা

কাউনিয়ায় পোস্টার ছেড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের আশঙ্কা

admin June 11, 2019

কাউনিয়া প্রতিনিধি, রংপুর:
রংপুরের কাউনিয়ায় পোস্টার ছেড়াকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।


জানা যায়, উপজেলার কুটিরপাড়া এলাকার যুবলীগ নেতা ফরহাদ হোসেন সরকার নয়ন ঈদ উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি এমপি’র ছবি সম্বলিত ঈদূল ফিতরের শুভেচ্ছা জানানো একটি পোস্টার বিভিন্ন এলাকায় লাগিয়ে দেন। কিন্তু রাতে কে বা কারা সেই পোস্টার ছিড়ে ফেলে। এতে নয়ন ক্ষুব্ধ হলে দীর্ঘদিন ধরে পাল্টাপাল্টি মামলা চলে আসা কোহিনুর গং তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।


পরে এলাকাবাসী বিষয়টি সাময়িক মিটমাট করলেও এখনো উভয় পক্ষের মধ্যে চলছে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা।


নয়নের দাবি, তার পোস্টার কোহিনুর গং ছিড়েছে। অপরপক্ষে কোহিনুর বেগম দাবি করেন, আমি কেনো তার পোস্টার ছিড়তে যাবো? ওর পোস্টার ওই নিজেই ছিড়ে আমাদের দোষ দিচ্ছে।


এদিকে এলাকাবাসী বলছেন এ নিয়ে এলাকায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। যে কোন সময় সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন তারা।


বিষয়টি নিয়ে কাউনিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

Image Gallary

 
1 / 3
   
Caption Text
 
2 / 3
   
Caption Two
 
3 / 3
   
Caption Three