বাজেট ২০১৯-২০: সুবিধা বাড়লো বিদেশ থেকে সোনা আনায়

বাজেট ২০১৯-২০: সুবিধা বাড়লো বিদেশ থেকে সোনা আনায়

admin June 14, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বিদেশ থেকে সোনা আনার ক্ষেত্রে আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে বাড়তি সুবিধা পাবেন যাত্রীরা। এজন্য শুল্ক সুবিধা দিতে ‘ব্যাগেজ রুলস-এ পরিবর্তন আনা হয়েছে।


বৃহস্পতিবার ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল। বর্তমানে প্রতি ভরি সোনা আনার ক্ষেত্রে ৩ হাজার টাকা শুল্ক দিতে হয়। আগামী অর্থবছরে এটি ভরিপ্রতি ২ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে বিদ্যমান অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।


ব্যাগেজ রুলসের বিদ্যমান শর্ত অনুযায়ী, অবশ্যই যাত্রীদের বিদেশ থেকে আনা সোনা বার বা স্বর্ণপি- হতে হবে। একজন যাত্রী একসঙ্গে ১২টির বেশি সোনার বার আনতে পারবেন না। বর্তমানে একজন যাত্রী সর্বোচ্চ ১০০ গ্রাম সোনার গয়না বিনা শুল্কে আনতে পারেন।


এছাড়া শুল্ক দিয়ে সর্বোচ্চ ২৩৪ গ্রাম বা ২০ ভরি ওজনের সোনার বার আনতে পারেন। এই শর্ত অপরিবর্তিত রেখে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাজেট ২০১৯-২০: দাম বাড়ছে স্মার্টফোনের

বাজেট ২০১৯-২০: দাম বাড়ছে স্মার্টফোনের

admin June 14, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
এবারের বাজেটে স্মার্টফোনের আমদানি শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে স্মার্টফোন আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ, যা বাজেটে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এতে স্মার্টফোনের দাম বেড়ে যাবে।


একই সঙ্গে ফিচার ফোনের দাম কমবে। ‘সমৃদ্ধির সোপানে বাংলাদেশ, সময় এখন আমাদের’ শিরোনামে প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা।


বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার কিছু পরে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। এরপর বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট এটি।


অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়, আইসিটি খাতের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ সেলুলার ফোন উৎপাদন ও সংযোজনে রেয়াতি সুবিধা প্রদানের কারণে স্থানীয় পর্যায়ে ৫-৬টি সেলুলার ফোন উৎপাদন ও সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।


এ খাতে বিদ্যমান সুবিধা অব্যাহত রেখে সেলুলার ফোন উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কতিপয় যন্ত্রাংশের আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক হ্রাসের প্রস্তাব করছি। আমদানি পর্যায়ে ফিচার ফোন ও স্মার্টফোনে বর্তমানে ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক প্রযোজ্য রয়েছে।


ফিচার ফোন কম দামের বলে নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষ ব্যবহার করে। স্মার্টফোন ব্যবহার করে উচ্চবিত্তরা। তাই স্মার্টফোনে ২৫ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।


এর মধ্যে ট্রানজিস্টরের শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে ১ শতাংশ, ক্রিস্টাল ডায়োডস ৫ শতাংশ থেকে ১ শতাংশ, চার্জার কানেক্টর পিন ২৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ, সিম স্লট ইজেক্টর পিন ২৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।


অর্থমন্ত্রী বলেছেন, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৯ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। আইসিটি খাতের সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়ার কথা বলেন তিনি।

বাজেট ২০১৯-২০: আবার এমপিওভুক্ত হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

বাজেট ২০১৯-২০: আবার এমপিওভুক্ত হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

admin June 14, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
দীর্ঘ প্রায় নয় বছর বন্ধ থাকার পর আবার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় এমপিওভুক্তির কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল অসুস্থ থাকায় বাজেটের এই অংশটি পড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


এমপিওভুক্ত হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা প্রতি মাসে বেতন-ভাতা বাবদ সরকারি অংশ (মূল বেতন ও কিছু ভাতা) পেয়ে থাকেন। এজন্য বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সব সময় এমপিওভুক্তির জন্য সরকারের কাছে মুখাপেক্ষী হয়ে থাকে।


সর্বশেষ ২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। এরপর থেকেই এমপিওভুক্তির দাবিতে নন-এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন করে আসছেন।


আন্দোলনের মুখে গত বছরের জুলাইয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এমপিওভুক্তির জন্য বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ জারি করে। এরপর গত আগস্টে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন নেওয়া হয়। মোট ৯ হাজার ৬১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবেদন করে। যাচাইয়ে এমপিও নীতিমালার সব শর্ত পূরণ করে যোগ্য প্রতিষ্ঠান হয়েছে ২ হাজার ৭৬২ টি। কিন্তু অর্থের অভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এমপিওভুক্তির ঘোষণা দিতে পারছিল না। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে টাকা চাওয়া হয়। তাতে মোট ১ হাজার ২৪৭ কোটি টাকার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়। এমন পরিপ্রেক্ষিতে এমপিওভুক্তির ঘোষণা এল।


শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত অংশের বাজেট বক্তৃতার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য একটি সুসংবাদ দিয়ে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর আমি প্রথমে আলোকপাত করতে চাই। দীর্ঘদিন আমাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নানাবিধ কারণে এমপিওভুক্তি কার্যক্রমটি বন্ধ ছিল। এবারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা এমপিওভুক্তি কার্যক্রমের জন্য এ বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান রাখা হয়েছে।


শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রমতে, খুব শিগগির নতুন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেওয়া হবে। তবে তা কার্যকর হবে আগামী ১ জুলাই থেকে। এখন শেষ পর্যায়ের যাচাই-বাছাই চলছে। এছাড়াও বাজেট বক্তৃতায় মানসম্মত শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।


এতে বলা হয়, বর্তমানে ২৮টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ (মূলত শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়) শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। আগামী অর্থবছরে এ বাবদ বরাদ্দ মোট বাজেটের ১৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এবং মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।

বাজেট ২০১৯-২০: শিশুদের জন্য বরাদ্দ হচ্ছে ৮০ হাজার ২০০ কোটি টাকা

বাজেট ২০১৯-২০: শিশুদের জন্য বরাদ্দ হচ্ছে ৮০ হাজার ২০০ কোটি টাকা

admin June 14, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট জাতীয় বাজেটে শিশুদের জন্য ৮০ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বরাদ্দ জাতীয় বাজেটের শতকরা ১৫ দশমিক ৩৩ শতাংশ। গত অর্থবছরে শিশুদের জন্য বরাদ্দের পরিমাণ ছিলো ৬৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।


বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় বলেন, নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নারীর সম্পৃক্তির বিচারে বাংলাদেশ দ্রুত উন্নতি লাভ করেছে। জেন্ডার বৈষম্য হ্রাসে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ বর্তমানে শীর্ষ অবস্থানে আছে।


মুসলিম বিশ্বে এমনকি যুক্তরাষ্ট্র, চীনের মতো উন্নত দেশগুলো থেকে জেন্ডার বৈষম্য হ্রাসের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে আছে। জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে নারীদের অংশগ্রহণ এবং নারী-পুরুষের সমান অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আমরা অঙ্গিকারবদ্ধ।


শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে সরকার কার্যক্রম নিয়েছে। একইসঙ্গে নারীর প্রতি সহিংসতার প্রতিকার ও প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদারসহ সব ক্ষেত্রে নারীবান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে সরকারের কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।


তিনি বলেন, আগামী অর্থবছরে ৪৪টি মন্ত্রণালয়/বিভাগের নারীদের জন্য বরাদ্দ সম্বলিত জেন্ডার বাজেট পেশ করা হলো। শিশুদের প্রতি বিনিয়োগ বাড়ানো সরকারের একটি অগ্রাধিকার। এবারের বাজেটের আকার ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৮ দশমিক ১ শতাংশ। এবারের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ লাখ ২০ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকা।


বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা। বাজেটে ঘাটতি দাঁড়াবে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ শতাংশ। ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক ঋণ ৬৮ হাজার ১৬ কোটি টাকা, অভ্যন্তরীণ উৎস হতে ৭৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক থেকে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য ব্যাংক বহির্ভূত খাত থেকে নেওয়া হবে ৩০ হাজার কোটি টাকা।


এবারের বাজেটে বড় আকারের ব্যয় মেটাতে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ১৩ দশমিক ১ শতাংশের সমান। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আদায় করবে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, এনবিআর বহির্ভূত কর আদায় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। কর ছাড়া আদায় বা প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৩৭ হাজার ৭১০ কোটি টাকা। বিদায়ী অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য হচ্ছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা


নতুন বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩৮ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা বেশি ধরা হয়েছে। এটি অর্থমন্ত্রী হিসেবে মুস্তফা কামালের প্রথম বাজেট। আর বাংলাদেশের ৪৮তম, আওয়ামী লীগ সরকারের টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর চলতি মেয়াদের প্রথম ও টানা ১১তম বাজেট এবং সব মিলিয়ে ১৯তম বাজেট। এটি সংসদে পাস হবে ৩০ জুন।

বাজেট ২০১৯-২০: বাড়ছে ভোজ্য তেলের দাম

বাজেট ২০১৯-২০: বাড়ছে ভোজ্য তেলের দাম

admin June 14, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে সয়াবিন, পামঅয়েল, সূর্যমুখী ও সরিষার তেলের উপর স্থানীয় ও আমদানি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদের বাজেট উপস্থাপনকালে এ প্রস্তাব করা হয়।


দীর্ঘদিন যাবত সয়াবিন, পামঅয়েল, সূর্যমুখী ও সরিষার তেল শুল্ক অব্যাহতি পেয়ে আসছিল। সয়াবিন, পামঅয়েল, সূর্যমুখী ও সরিষার তেলের উপর স্থানীয় ও আমদানি শুল্ক আরোপ করা হলে এসব পণ্যের দাম বাড়বে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


এবারের বাজেটের আকার ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৮ দশমিক ১ শতাংশ। এবারের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ লাখ ২০ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা।

বাজেট ২০১৯-২০: মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ৫.৫ শতাংশ

বাজেট ২০১৯-২০: মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ৫.৫ শতাংশ

admin June 14, 2019
রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৫.৫ শতাংশের মধ্যে আটকে রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের জন্য পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি নির্ধারণ করা ছিল ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। প্রসঙ্গত, চলতি অর্থবছর বাজেটের আকার চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। সে হিসাবে বাজেটের আকার বাড়ছে ৫৮ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা বা ১৩ শতাংশ।

নতুন বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তিন লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল তিন লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। এই হিসাবে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা বাড়ছে ৩৮ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা।

কোপা আমেরিকা ২০১৯ -এর সময়সূচি

admin June 14, 2019

১৫ জুন ২০১৯, শনিবার ব্রাজিলের সাও পাওলোতে পর্দা উঠছে এবারের কোপা আমেরিকার। ব্রাজিল ও বলিভিয়া ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়াবে আসরটি। বরাবরের মতো এবারও ১২টি দল অংশ নিচ্ছে। ল্যাতিন আমেরিকার ১০টি দেশের সঙ্গে এবং এশিয়া থেকে কাতার ও জাপান অতিথি দল হিসেবে অংশ নিচ্ছে। তিন গ্রুপে ভাগ হয়ে অংশ নিবে দলগুলো।



কোন গ্রুপে কারা রয়েছে-


গ্রুপ এ: ব্রাজিল, বলিভিয়া, ভেনেজুয়েলা ও পেরু।
গ্রুপ বি: আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া, প্যারাগুয়ে ও কাতার।
গ্রুপ সি: চিলি, ইকুয়েডর, জাপান ও উরুগুয়ে।



কোপা আমেরিকা-ব্রাজিল ২০১৯ সময়সূচি:


(বাংলাদেশ সময়)

গ্রুপ এ:


১৫ জুন – সাও পাওলো – ব্রাজিল-বলিভিয়া : ১৫ জুন সকাল ৬ টা ৩০
১৬ জুন – পোর্তো অ্যালেগ্রি – ভেনিজুয়েলা-পেরু : রাত ১ টা
১৯ জুন – রিও ডি জেনিরো – বলিভিয়া-পেরু : রাত ৩ টা ৩০
১৯ জুন – সালভাদর – ব্রাজিল-ভেনিজুয়েলা : সকাল ৬ টা ৩০
২৩ জুন – বেলো হরিজন্তে – বলিভিয়া-ভেনিজুয়েলা : রাত ১ টা
২৩ জুন – সাও পাওলো – পেরু-ব্রাজিল : রাত ১ টা



গ্রুপ বি:


১৬ জুন – সালভাদর – আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া : রাত ৪ টা
১৭ জুন – রিও ডি জেনিরো – প্যারাগুয়ে-কাতার : রাত ১ টা
২০ জুন – বেলো হরিজন্তে – আর্জেন্টিনা-প্যারাগুয়ে : সকাল ৬ টা ৩০
২০ জুন – সাও পাওলো – কলম্বিয়া-কাতার : ৩ টা ৩০
২৪ জুন – পোর্তো অ্যালেগ্রি – কাতার-আর্জেন্টিনা : রাত ১ টা
২৪ জুন – সালভাদর – কলম্বিয়া-প্যারাগুয়ে : রাত ১ টা



গ্রুপ সি:


১৭ জুন – বেলো হরিজন্তে – উরুগুয়ে-ইকুয়েডর : রাত ৪ টা
১৮ জুন – সাও পাওলো – জাপান-চিলি : ভোর ৫ টা
২১ জুন – পোর্তো অ্যালেগ্রি – উরুগুয়ে-জাপান : ভোর ৫ টা
২২ জুন – সালভাদর – ইকুয়েডর-চিলি : ভোর ৫ টা
২৫ জুন – বেলো হরিজন্তে – ইকুয়েডর-জাপান : ভোর ৫ টা
২৫ জুন – রিও ডি জেনিরো – চিলি-উরুগুয়ে : ভোর ৫ টা



কোয়ার্টার ফাইনাল: 


ম্যাচ-১.  গ্রুপ এ চ্যাম্পিয়ন - গ্রুপ বি/সি তৃতীয় ২৮ জুন, সকাল ৬ টা ৩০
ম্যাচ-২. গ্রুপ এ রানার্স আপ - গ্রুপ বি রানার্স আপ ২৯ জুন, রাত ১ টা
ম্যাচ-৩. গ্রুপ বি চ্যাম্পিয়ন - গ্রুপ সি রানার্স আপ ২৯ জুন ভোর ৫ টা
ম্যাচ-৪. গ্রুপ সি চ্যাম্পিয়ন - গ্রুপ এ/বি তৃতীয় ৩০ জুন, রাত ১ টা

সেমিফাইনাল:


কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ-১ জয়ী বনাম ম্যাচ-৩ জয়ী : ৩ জুলাই, সকাল ৬ টা ৩০
কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ-২ জয়ী বনাম ম্যাচ-৪ জয়ী : ৪ জুলাই, সকাল ৬ টা ৩০

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী প্লে অফ: ৭ জুলাই


সেমি ফাইনাল-১ পরাজিত বনাম সেমি ফাইনাল-২ পরাজিত :  ৭ জুলাই, রাত ১ টা

ফাইনাল: ৮ জুলাই, রাত ২ টা


copa america 2019 fixture
বাজেট ২০১৯-২০: প্রণোদনা বাড়লো পোশাক খাতে

বাজেট ২০১৯-২০: প্রণোদনা বাড়লো পোশাক খাতে

admin June 14, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
তৈরি পোশাকের চারটি খাত ৪ শতাংশ রফতানি প্রণোদনা পেয়ে আসছিল। আগামী অর্থবছর থেকে বাকি সব খাতের জন্য এক শতাংশ রফাতনি প্রণোদনা প্রস্তাব করা হয়েছে।


আর এজন্য নতুন অর্থবছরের বাজেটে আরও দুই হাজার ৮২৫ কোটি টাকার বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়।


বৃহস্পতিবার স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে এসব প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।


অর্থমন্ত্রী বলেন, এখন তৈরি পোশাকের চারটি খাত ৪ শতাংশ রফতানি প্রণোদনা পাচ্ছে। আমি আগামী অর্থবছর থেকে তৈরি পোশাকের বাকি সব খাতের জন্য এক শতাংশ রফতানি প্রণোদনা প্রস্তাব করছি।

বাজেট ২০১৯-২০: খরচ বাড়ছে মোবাইলে কথা বলার

বাজেট ২০১৯-২০: খরচ বাড়ছে মোবাইলে কথা বলার

admin June 14, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বাজেটে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর আরও ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে মোবাইল ফোনে কথা বলায় খরচ বাড়বে। আগে কথা বলার ওপর সম্পূরক শুল্ক ছিল ৫ শতাংশ। আরও ৫ শতাংশ বাড়িয়ে তা ১০ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় এই প্রস্তাব করা হয়েছে।


বাজেট বক্তৃতায় মোবাইল ফোনের সিম/রিম কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে প্রদত্ত সেবার বিপরীতে সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ হতে বৃদ্ধি করে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করার কথা বলা হয়েছে। বর্তমানে মোবাইল ফোনে কথার বলার ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ১ শতাংশ সারচার্জ আরোপ করা আছে। যাতে করে গ্রাহককে মোবাইলে কথা বলতে হলে সরাসরি ২২ শতাংশ কর দিতে হয়। আরও ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ হওয়ায় তা হবে ২৭ শতাংশর কিছু বেশি।


মোবাইল কোম্পানির আয়কর বাড়ছে আড়াই গুণ: নতুন অর্থবছরের মোবাইল কোম্পানির বার্ষিক মোট আয়ের (টার্নওভার) উপর নূন্যতম কর আড়াই গুণের বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল।


অর্ধমন্ত্রী বলেন, বাস্তবতা বিবেচনা করে সব ধরনের কোম্পানি করের হার অপরিবর্তিত রাখা হলেও মোবাইল কোম্পানির বার্ষিক টার্নওভারের উপর নূন্যতম কর দশমিক ৭৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি। এখন পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির বিদ্যমান করহার ২৫ শতাংশ এবং অতালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য এই হার ৩৫ শতাংশ।


এছাড় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান (মার্চেন্ট ব্যাংক ছাড়া) জন্য ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ কর এবং অতালিকাভুক্ত ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য ৪০ শতাংশ করপোরেট কর বহাল আছে। মার্চেন্ট ব্যাংকের জন্য ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ এবং সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুলসহ সকল প্রকার তামাকজাত পণ্য প্রস্তুতকারী কোম্পানির জন্য ৪৫ শতাংশ কর।


তালিকাভুক্ত মোবাইল ফোন কোম্পানি ৪০ শতাংশ ও অতালিকাভুক্ত মোবাইল ফোন কোম্পানি ৪৫ শতাংশ কর দেয়। এই করপোরেট করহার বহাল রাখার পক্ষে যুক্তি তুলে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কোম্পানি হ্রাসকৃত করহার ও কর অব্যাহতি সুবিধা ভোগ করছে।


এসব বিষয় বিবেচনায় নিলে করপোরেট করের কার্যকর হার ৫ শতাংশেরও কম। এছাড়া গতবার ব্যাংক কোম্পানির কর হার আড়াই শতাংশ কমানো হয়েছিল, যার ফলে রাজস্ব আহরণ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

বাজেট ২০১৯-২০: ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকার নতুন এডিপি

বাজেট ২০১৯-২০: ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকার নতুন এডিপি

admin June 14, 2019

নিউজবিডি ডেস্ক:
২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে যোগান দেওয়া হবে ১ লাখ ৩০ হাজার ৯২১ কোটি টাকা। বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৭১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।


বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব কথা জানান। নতুন এডিপিতে মোট প্রকল্প রাখা হয়েছে ১ হাজার ৫৬৪টি। এর মধ্যে কারিগরি সহায়তা প্রকল্প ১১৬টি, জেডিসিএফ প্রকল্প ১টি, স্বায়ত্বশাসিত সংস্থার নিজস্ব প্রকল্প রয়েছে ৮৯টি এবং বিনিয়োগ প্রকল্প রয়েছে ১ হাজার ৩৫৮টি। অন্যদিকে সমাপ্তর জন্য নির্ধারিত প্রকল্প ধরা হয়েছে ৩৫৫টি। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) প্রকল্প ৬২টি। বৈদেশিক সাহায্যপ্রাপ্তির সুবিধার্থে বরাদ্দহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প ২৪২টি এবং বরাদ্দহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প রয়েছে ১ হাজার ৪৫টি। বরাদ্দসহ অনুমোদিত নতুন প্রকল্প ৪১টি।


জানা গেছে, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পদ্মা সেতু ও পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ প্রকল্পের গুরুত্ব বিবেচনায় পরিবহন খাতে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ৫২ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির ২৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। এরপর রয়েছে বিদ্যুৎ খাত। এ খাতে ২৬ হাজার ১৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা মোট এডিপির ১২ দশমিক ৮৩ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভৌত পরিকল্পনা, পানি সরবরাহ ও গৃহায়ন খাত। এ খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির ১২ শতাংশ। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মূল এডিপিতে বরাদ্দ রয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। সে তুলনায় নতুন অর্থবছরের এডিপির আকার বেড়েছে ১৭ দশমিক ১৮ শতাংশ। এছাড়া মাঝপথে এ অর্থবছরের বরাদ্দ কমিয়ে সংশোধিত এডিপিতে ধরা হয় ১ লাখ ৬৭ হাজার কোটি টাকা।


সংশোধিত এডিপির তুলনায় নতুন এডিপিতে বরাদ্দ বেড়েছে ২১ দশমিক ৩৯ শতাংশ। তবে মন্ত্রণালয় হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগে সর্বোচ্চ ২৯ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে শিক্ষা ও ধর্ম খাতে চতুর্থ সর্বোচ্চ বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২১ হাজার ৩ ৭৯ কোটি ১২ লাখ টাকা, যা এডিপির ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ। বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ ১৭ হাজার ৫৪১ কোটি ২৬ লাখ টাকা, যা এডিপির ৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ।


পল্লী উন্নয়ন ও পল্লী প্রতিষ্ঠান খাতে ১৫ হাজার ১৫৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা (বা ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ), স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জনসংখ্যা ও পরিবারকল্যাণ খাতে ১৩ হাজার ৫৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা (বা ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ), কৃষি খাতে ৭ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা (বা ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ), পানিসম্পদ খাতে ৫ হাজার ৬৫২ কোটি ৯০ লাখ টাকা (বা ২ দশমিক ৭৯ শতাংশ), জনপ্রশাসন খাতে ৫ হাজার ২৪ কোটি টাকা (বা ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ) বরাদ্দ প্রস্তাব করা হচ্ছে।


আগামী এডিপিতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ ২৯ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ ২৬ হাজার ১৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ২৫ হাজার ১৬৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।


পর্যায়ক্রমে বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রথম ১০ নম্বরে থাকা মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো হচ্ছে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ১৫ হাজার ৯০৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, রেলপথ মন্ত্রণালয় ১২ হাজার ৫৯৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ৯ হাজার ৯৩৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ৯ হাজার ২৭০ কোটি টাকা, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকশিক্ষা বিভাগ ৮ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা, সেতু বিভাগ ৮ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ৬ হাজার ২৫৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা খসড়া বরাদ্দ ধরা হয়েছে।


উল্লেখ্য গত ২১ মে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এনইসি সভায় সভাপতিত্ব করেন এনইসি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাজেট ২০১৯-২০: মূল্য বাড়ছে ও কমছে যেসব পণ্যের

বাজেট ২০১৯-২০: মূল্য বাড়ছে ও কমছে যেসব পণ্যের

admin June 14, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটে বেশকিছু পণ্য ও সেবায় বাড়তি কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে কিছু পণ্যের দাম বাড়তে পারে। এছাড়া বেশকিছু পণ্য ও সেবায় কর অব্যাহতি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ফলে কর অব্যাহতি পাওয়া পণ্যের দাম কমতে পারে। বৃহস্পতিবার ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তব্য রাখার সময় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এই প্রস্তাব করেন। বিকেল ৩টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।


যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে: অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তব্যে যানজট নিসরনে গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, লরি, থ্রি হুইলার, অ্যাম্বুলেন্স ও স্কুলবাস ছাড়া সব গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, রুট পারমিট, ফিটনেস সনদ ও মালিকানা সনদ গ্রহণ ও নবায়নে নিয়মিত চার্জের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের খরচ বাড়বে। বাজেট বক্তৃতায় চার্টার্ড বিমান ও হেলিকপ্টারে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণের প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।


এছাড়া ৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছে আইসক্রিমে। তিনি মোবাইল ফোনের সিম ও রিম কার্ডের ওপর শুল্ক ৫ থেকে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন। প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি তৈজসপত্র আমদানিতে মূসক আরোপ করা হয়েছে।


দেশীয় শিল্প রক্ষায় যে সব পণ্যের আমদানি শুল্ক-কর বাড়ানো হয়েছে, সেগুলো হলো- অপরিশোধিত চিনি, পরিশোধিত চিনি। প্রাকৃতিক মধুর আমদানি শুল্ক ১০ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। অলিভ ওয়েল আমদানি শুল্ক ১০ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। ওভেন, বিভিন্ন ধরনের কুকার, কুকিং প্লেট, গ্রিলার, রোস্টারের সম্পূরক শুল্ক ০ থেকে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। সয়াবিন তেল, পাম ওয়েল, সান ফ্লাওয়ার তেল, সরিষার তেলের আমদানি পর্যায়ের ওপর মূসক আরোপ করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় টিভি ও অনলাইনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সরবরাহকারী জ্যোতিষী ও ঘটকালি সেবার ওপর স্থানীয় পর্যায়ে এবং টেলিকম খাতে আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করেছেন।


এছাড়া সোনা ও রূপার অলঙ্কার, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, লঞ্চের এসি কেবিন, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট, ইনডেনটিং, আসবাবপত্র, পরিবহন ঠিকাদার, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবার ওপর খরচ বাড়বে। এর বাইরে সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুলসহ সব ধরনের তামাক পণ্য, আমদানি করা গুঁড়ো দুধ, গুঁড়া মসলা, টমেটো কেচাপ, চাটনি, ফলের জুস, টয়লেট টিস্যু, টিউবলাইট, চশমার ফ্রেম, সিআর কয়েল, জিআই তার, তারকাঁটা, স্ক্রু, ব্লেড, ট্রান্সফরমার, সানগ্লাস, রিডিং গ্লাস, মোবাইল কল, এলপি গ্যাস, চিনি, আমদানি করা পার্টিকাল বোর্ড, আমদানি করা সব ধরনের টায়ার ও স্মার্টফোনের দামও বাড়তে পারে। এছাড়া বাড়তে পারে আমদানি করা মোটরসাইকেলের দামও।


যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে: অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাব অনুযায়ী, ক্যানসার প্রতিরোধক ওষুধ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামালে কর অব্যাহতি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ফলে ক্যানসার প্রতিরোধক ওষুধের দাম কমতে পারে। এছাড়া অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থায় ব্যবহৃত উপকরণের শুল্ক কমানো হয়েছে।


একইভাবে পাউরুটি, বনরুটি, হাতে তৈরি কেক প্রতি কেজি ১৫০ টাকা পর্যন্ত মূসক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাব অনুযায়ী, দেশে উৎপাদিত মোটরসাইকেলের দাম কমবে।


এছাড়া কৃষি যন্ত্রপাতি পাওয়ার রিপার, পাওয়ার টিলার অপারেটেড সিডার, কম্বাইন্ড হারভেস্টর, লোরোটারি টিলার, লিস্ট পাম্পের স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে মূসক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ফলে এসব পণ্যের দাম কমবে।

২০১৯-২০ অথর্বছরের ৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ

admin June 14, 2019

নিউজবিডি ডেস্ক:
‘সমৃদ্ধ আগামীর’ প্রত্যাশা সামনে রেখে আওয়ামী লীগের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বছরে পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট জাতীয় সংসদের সামনে উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। নতুন অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত এই ব্যয় বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের ১৮ শতাংশ বেশি।


বৃহস্পতিবার বিকালে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের এই বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর ওই প্রস্তাবে সই করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।


অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল তার প্রথম বাজেটে খরচের যে হিসাব ধরেছেন, তা বাংলাদেশের মোট জিডিপির ১৮.১ শতাংশের সমান। আর বিদায়ী অর্থবছরে সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের দিয়ে যাওয়া বাজেটের আকার ছিল ২০১৭-১৮ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের ২৫ শতাংশ বেশি এবং জিডিপির ১৮.৩ শতাংশের সমান।


এবার সোয়া পাঁচ লাখ কোটি টাকার বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হচ্ছে ২ লাখ ১১ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা, যা বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত উন্নয়ন বাজেটের প্রায় ২২ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার দুই লাখ দুই হাজার ৭২১ কোটি টাকা। এরইমধ্যে এডিপি অনুমোদন করা হয়েছে। এবার পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে তিন লাখ ১০ হাজার ২৬২ কোটি টাকা, যা বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত অনুন্নয়ন বাজেটের চেয়ে ১৬ শতাংশের বেশি। এর মধ্যে ৬০ হাজার ১০৯ কোটি টাকা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধেই যাবে, যা মোট অনুন্নয়ন ব্যয়ের ১৯ শতাংশের বেশি।




[caption id="" align="aligncenter" width="720"]প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।[/caption]

কামাল আশা করছেন, নতুন অর্থবছরের সম্ভাব্য ব্যয়ের ৭২ শতাংশ তিনি রাজস্ব খাত থেকে পাবেন। তার প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব খাতে আয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। এই অঙ্ক বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের ১৯ শতাংশের বেশি। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে কর হিসেবে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা আদায় করা যাবে বলে আশা করছেন কামাল। ফলে এনবিআরের কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ছে ১৬.২৮ শতাংশ।


গতবারের মত এবারও সবচেয়ে বেশি কর আদায়ের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে, এক লাখ ২৩ হাজার ৬৭ কোটি টাকা। এই অঙ্ক বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১৭.২১ শতাংশের মত। বিদায়ী অর্থবছরের বাজেটে ভ্যাট থেকে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ধরা ছিল ১ লাশ ১০ হাজার ৫৫৪ কোটি টাকা। লক্ষ্য পূরণ না হওয়ায় সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে ১ লাখ ৪ হাজার ৭৯৭ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়। আয়কর ও মুনাফার উপর কর থেকে ১ লাখ ১৩ হাজার ৯১২ কোটি টাকা রাজস্ব পাওয়ার আশা করা হয়েছে এবারের বাজেটে। বিদায়ী সংশোধিত বাজেটে এর পরিমাণ ছিল ৯৫ হাজার ১৬৭ কোটি টাকা।


এছাড়া নতুন বাজেটে আমদানি শুল্ক থেকে ৩৬ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা, সম্পূরক শুল্ক থেকে ৪৮ হাজার ১৫৩ কোটি টাকা, রপ্তানি শুল্ক থেকে ৫৪ কোটি টাকা, আবগারি শুল্ক থেকে ২ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা এবং অন্যান্য কর ও শুল্ক থেকে ১ হাজার ৬৭৭ কোটি টাকা আদায়ের পরিকল্পনা করেছেন অর্থমন্ত্রী। এছাড়া বৈদেশিক অনুদান থেকে ৪ হাজার ১৬৮ কোটি টাকা পাওয়া যাবে বলে কাজেট প্রস্তাবে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, রাজস্ব আদায় বাড়াতে তিনি এবার নতুন কোনো কর আরোপ করছেন না। বরং করের আওতা বাড়িয়ে তিনি রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে চান।


বিদায়ী অর্থবছরের মূল বাজেটে মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছিল ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা, আদায় সন্তোষজনক না হওয়ায় তা সংশোধন করে ৩ লাখ ১৬৬১২ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার ছিল ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। সংশোধনে তা ৪ লাখ ৪২ হাজার ৫৪১ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। অর্থমন্ত্রী সংসদের সামনে যে বাজেট প্রস্তাব তুলে ধরেছেন, তাতে আয় ও ব্যয়ের হিসাবে সামগ্রিক ঘাটতি থাকছে প্রায় এক লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ শতাংশের সমান।


অর্থনীতিবিদরা বাজেট ঘাটতির এই পরিমাণকে গ্রহণযোগ্য সীমার মধ্যেই ধরেন। এই ঘাটতি পূরণে অর্থমন্ত্রীর সহায় অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক ঋণ। তিনি আশা করছেন, বিদেশ থেকে ৬৩ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ খাত থেকে ৭৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা ঋণ করে ওই ঘাটতি মেটানো যাবে। এই বাজেট বাস্তবায়ন করতে পারলে মূল্যস্ফীতি ৫.৫ শতাংশের মধ্যে আটকে রেখেই ৮.২০ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি পাওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায়।

পুলিশ সুপার পদে ২১ কর্মকর্তাকে বদলি

পুলিশ সুপার পদে ২১ কর্মকর্তাকে বদলি

admin June 14, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
পুলিশ সুপার পদে ২১ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (তেজগাঁও) বিপ্লব কুমার সরকারকে রংপুর জেলায় বদলি করা হয়েছে। এছাড়া সিটিটিসির উপ-কমিশনার মহিবুল ইসলাম খানকে কুড়িগ্রাম ও মোহাম্মদ ইউসুফ আলীকে পঞ্চগড় জেলায় বদলি করা হয়েছে।


বদলি করা অন্য কর্মকর্তারা হলেন- ডিএমপির উপ-কমিশনার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিনকে সিলেট জেলায়, রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার আলমগীর হোসেনকে নোয়াখালী জেলায়, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার হায়াতুল ইসলামকে পিরোজপুর জেলায়, ডিবির উপ-কমিশনার খোন্দকার নুরন্নবীকে ফেনী জেলায়, নোয়াখালীর পুলিশ সুপার ইলিয়াস শরীফকে ডিএমপিতে, এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারকে ভোলা জেলায়, ভোলা জেলার পুলিশ সুপার মোকতার হোসেনকে বরিশাল মহানগরীতে, কুড়িগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মেহেদুল করিমকে এন্টি টেরোরিজম ইউনিটে, জয়পুরহাট জেলার পুলিশ সুপার রশীদুল হাসানকে রাজশাহী মহানগরীতে, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এর এআইজি মোহাম্মদ সালাম কবিরকে জয়পুরহাট জেলায়, ঝালকাঠির পুলিশ সুপার জোবায়দুর রহমানকে ডিএমপিতে, সিএমপি উপ-কমিশনার ফাতিহা ইয়াসমীনকে ঝালকাঠির জেলায়, পঞ্চগড় জেলার পুলিশ সুপার গিয়াস উদ্দিন আহমেদকে এসবিতে, সিলেট জেলার পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামানকে এসবিতে, অষ্টম এপিবিএন এর মোসফিকুর রহমানকে এসবিতে, নোয়াখালী পিটিসির মোহাম্মদ সিহাব কায়সার খানকে অষ্টম এপিবিএন এর অধিনায়ক হিসেবে, রংপুর জেলার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানকে রাজবাড়ি জেলায়, রাজবাড়ির পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলিকে ডিএমপিতে বদলি করা হয়েছে।

‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ : সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’

‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ : সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’

admin June 13, 2019

২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন শুরু করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৃহস্পতিবার ৩টার পর স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর অনুমতি নিয়ে তিনি বাজেট উপস্থাপন করতে শুরু করেন।


অসুস্থ থাকায় স্পিকারের অনুমতি নিয়ে অর্থমন্ত্রী বসে বসে বাজেট উপস্থাপন করছেন। বাজেট উপস্থাপনের আগে একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখানো হয়।


অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে সংসদ ভবনে যান অর্থমন্ত্রী। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বাজেট সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকেও অংশ নেন তিনি।


অর্থমন্ত্রী হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামালের এটি প্রথম বাজেট। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের টানা একাদশ বাজেট। আগামী ৩০ জুন এই বাজেট পাস হবে। ১ জুলাই থেকে শুরু হবে নতুন অর্থবছর।


অর্থমন্ত্রীর ভাষায় এটি হচ্ছে ‘স্মার্ট’ বাজেট। অর্থমন্ত্রী তার জীবনের প্রথম বাজেটের শিরোনাম করেছেন ‘সমৃদ্ধির সোপানে বাংলাদেশ, সময় এখন আমাদের’।


অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নে জোর দেওয়া হবে এবারের বাজেটে। আয় বৈষম্য কমাতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় নতুন উদ্যোগ থাকবে। এছাড়া প্রবাসী আয় ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বাজেটে থাকতে পারে প্রণোদনার সুখবর।


এদিকে অর্থমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, নতুন বাজেটে তিনি কর হার বাড়াতে চান না। বরং করের আওতা বাড়িয়ে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে চান।


চলতি অর্থবছরে মূল বাজেটের আকার দাঁড়ায় চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। তবে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, রাজস্ব আদায় করতে না পারা এবং উন্নয়ন প্রকল্পে পরিকল্পনা অনুযায়ী অর্থখরচ করতে না পারায় চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয় চার লাখ ৪২ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা। অর্থাৎ আগামী বাজেটের আকার সংশোধিত বাজেট থেকে ৮০ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা বেশি।

রাজশাহীতে কবরস্থ করার একদিন পর থানায় হাজির নারী!

রাজশাহীতে কবরস্থ করার একদিন পর থানায় হাজির নারী!

admin June 13, 2019

নিউজ ডেস্ক:
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় ভুট্টাক্ষেত থেকে সোমবার অজ্ঞাত এক নারীর লাশ উদ্ধারের পরদিন তাকে সনাক্ত করা হয় গোলাপি বেগম নামে। ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক গোরস্থানে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দাফন করা হয় তার লাশ। একদিন পর বুধবার সকালে গোলাপী বেগম থানায় ফিরে জানালেন তিনি মরেননি।


গোলাপি বেগম বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার পাঁচপাড়া এলাকার বাকপ্রতিবন্ধী মনির হোসেনের স্ত্রী।


বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসীন আলী জানান, গত সোমবার ভুট্টা ক্ষেত থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। তার মুখমন্ডল ছিল পোড়া মবিলে ঝলসানো। এ কারণে লাশের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারছিল না কেউ।


লাশের পাশ থেকে একটি কালো বোরকা, এক জোড়া স্যান্ডেল, একটি গুলের কোটা উদ্ধার করা হয়। পরদিন মঙ্গলবার গোলাপীর পরিবারের লোকজন থানায় এসে উদ্ধার করা আলামত দেখে ওই লাশ সনাক্ত করলে ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ লাশ তাদের কাছে হস্তান্তর করে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পারিবারিক করবস্থানে লাশ দাফনও করা হয়।


গোলাপি বেগম বলেন, গত ২৯ মে বুধবার ঈদের আগে তিনি রুস্তমপুর হাটে ৪২ হাজার টাকায় তার পালিত একটি গরু বিক্রি করেন। এই টাকা নেয়ার জন্য শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে চাপ দিতে থাকে। নিরুপায় হয়ে তিনি পরদিন বিদ্যুৎ বিল দেয়ার নাম করে ৬ বছরের সন্তানকে রেখে বাড়ি থেকে বের হয়ে রাজশাহীর এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে উঠেন।


পরে ৬ বছরের সন্তান মারুফ হোসেন ও পেটের ৫ মাসের সন্তানের কথা ভেবে বুধবার সকালে রাজশাহী থেকে থেকে তিনি মহানন্দা ট্রেনে আড়ানী স্টেশনে এসে নামেন। এ সময় স্থানীয় কিছু মানুষ তাকে চিনতে পেরে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে থানায় পাঠিয়ে দেয়া হয়।


গোলাপি বেগমের ভাসুর মাজদার রহমান বলেন, গোলাপী বেগম বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে আমি বাদী হয়ে গত ১ জুন বাঘা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি। মৃত ওই নারীর মুখে মবিল মাখানোর কারণে আমরা সঠিকভাবে লাশ চিনতে পারিনি।


বাঘা থানার ওসি বলেন, এখন মৃত নারীর পরিচয় মিলছে, তার নাম দোলেনা বেগম (৩৮)। বাড়ি পাশ্ববর্তী চারঘাট উপজেলার মুক্তারপুর গ্রামের চারা বটতলায়। তার স্বামীর নাম সুরুজ মিয়া। তিনি উদ্ধার হওয়া লাশের পোশাক, স্যান্ডেল ও ছবি দেখে পুলিশকে জানিয়েছেন মৃত ওই নারী তাঁর স্ত্রী। গত এক সপ্তাহ আগে তিনি বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। এরপর থেকে বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খুঁজেও তাকে পাননি। দু’দিন আগে চারঘাট থানায় একটি জিডি করেন। সেখান থেকে তথ্য পেয়ে বাঘা থানায় এসে তাঁর স্ত্রীর ছবি দেখে তিনি লাশ সনাক্ত করেন।


বাঘা-চারঘাট সার্কেলের সিনিয়র এএসপি নুরে আলম বলেন, আমরা প্রথমে জেনেছিলোম উদ্ধার হওয়া লাশ আড়ানী পৌর এলাকার পাঁচপাড়া গ্রামের বাকপ্রতিবন্ধী মোমিনের স্ত্রী গোলাপির। কিন্তু বুধবার সকালে গোলাপি নিজ থেকে থানায় হাজির হওয়ায় জানলাম এ লাশটি সুরুজ মিয়ার স্ত্রী দোলেনার। এখন সুরুজ মিয়ার তথ্য মতে পুলিশ অগ্রসর হচ্ছে। আশা করা যায় খুব শিগগির তার হত্যার প্রকৃত রহস্য আমরা উদঘাটন করতে সক্ষম হবো।

বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১৭ : অস্ট্রেলিয়া বনাম পাকিস্তান

বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১৭ : অস্ট্রেলিয়া বনাম পাকিস্তান

admin June 13, 2019

ভিডিও দেখতে স্ক্রল করে নিচে ⇓ যান অথবা এখানে ক্লিক করুন


বিশ্বকাপ ডেস্ক:
১২ জুন ২০১৯, বুধবার, টনটন। ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১৭তম আসর। এদিন ডেভিড ওয়ার্নারের সেঞ্চুরির পরও ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে লক্ষ্যটা নাগালে রেখেছিলেন মোহাম্মদ আমির। তবে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় পেরে উঠেনি পাকিস্তান। সরফরাজ আহমেদের দলকে হারিয়ে দারুণ এক জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বিকেল সাড়ে ৩ টায় টস হেরে ৪১ রানে জিতেছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ৩০৭ রান তাড়ায় ২৬৬ রানে গুটিয়ে গেছে পাকিস্তান।


আগের ম্যাচে ওয়ানডেতে নিজের মন্থরতম ফিফটি করা ওয়ার্নার এদিন শুরু থেকে ছিলেন আক্রমণাত্মক। শুরুতে একটু ভুগছিলেন ফিঞ্চ। প্রথম পাঁচ ওভারে আমিরের দুটি ওভার মেডেন খেলেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক।


ফিঞ্চকে ভোগাচ্ছিলেন ওয়াহাব রিয়াজ। বাঁহাতি এই পেসারের বলে ২৬ রানে স্লিপে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান ডানহাতি ওপেনার। মোহাম্মদ হাফিজের বলে ৪৪ রানে তার ক্যাচ ছাড়েন সরফরাজ। ৬৩ বলে ফিফটি করার পর রানের গতি বাড়ান ফিঞ্চ।


এবারের আসরে দুবার ওয়ানডেতে নিজের মন্থর ফিফটির রেকর্ড ভাঙা ওয়ার্নার শুরু থেকে ছিলেন স্বচ্ছন্দ। বাঁহাতি এই ওপেনার পঞ্চাশ স্পর্শ করেন ৫১ বলে।


দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে ফিঞ্চকে বিদায় করে ১৪৬ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন আমির। অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক ৮৪ বলে ছয়টি চার ও চারটি ছক্কায় করেন ৮২ রান। এরপর আর তেমন কোনো জুটি গড়তে পারেনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।



বিশ্বকাপের অন্যান্য ম্যাচের হাইলাইটস:


[accordions title="হাইলাইটস"]
[accordion title="বাংলাদেশ ম্যাচ" load="show"]

[/accordion]
[accordion title="সব ম্যাচ" load="hide"]

[/accordion]
[/accordions]

এসেই বোলারদের ওপর চড়াও হয়েছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তাকে বোল্ড করার পর সেঞ্চুরিয়ান ওয়ার্নারকে থামান শাহিন শাহ আফ্রিদি। ওয়ানডেতে ১৫তম সেঞ্চুরি পাওয়া ওয়ার্নারের ১১১ বলে খেলা ১০৭ রানের ইনিংস গড়া ১১ চার ও এক ছক্কায়।


দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় থাকা উসমান খাওয়াজা ও শন মার্শকে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে বড় একটা ধাক্কা দেন আমির। সেই ধাক্কা সামাল দিয়ে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ফিঞ্চের দল। মাত্র ১৯ রানে শেষ ৫ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। তাই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে তাদের সর্বোচ্চ ৩১০ পর্যন্ত যেতে পারেনি তারা।


৪৯তম ওভারে চার বলের মধ্যে অ্যালেক্স কেয়ারি ও মিচেল স্টার্ককে ফিরিয়ে ওয়ানডেতে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট নেওয়ার খুশিতে ভাসেন আমির। অস্ট্রেলিয়া থামে ৩০৭ রানে। ৩০ রানে ৫ উইকেট নেন আমির। তরুণ পেসার আফ্রিদি ২ উইকেট নেন ৭০ রানে।


Australia vs Pakistan Match Highlights:


[embed]https://www.youtube.com/watch?v=MaqoEmrBPq8&feature=onebox[/embed]

সংক্ষিপ্ত স্কোর:


অস্ট্রেলিয়া: ৪৯ ওভারে ৩০৭ (ফিঞ্চ ৮২, ওয়ার্নার ১০৭, স্মিথ ১০, ম্যাক্সওয়েল ২০, মার্শ ২৩, খাওয়াজা ১৮, কেয়ারি ২০, কোল্টার-নাইল ২, কামিন্স ২, স্টার্ক ৩, রিচার্ডসন ১*; আমির ১০-২-৩০-৫, আফ্রিদি ১০-০-৭০-২, হাসান ১০-০-৬৭-১, ওয়াহাব ৮-০-৪৪-১, হাফিজ ৭-০-৬০-১, মালিক ৪-০-২৬-০)


পাকিস্তান: ৪৫.৪ ওভারে ২৬৬ (ইমাম ৫৩, ফখর ০, বাবর ৩০, হাফিজ ৪৬, সরফরাজ ৪০, মালিক ০, আসিফ ৫, হাসান ৩২, ওয়াহাব ৪৫, আমির ০, আফ্রিদি ১*; কামিন্স ১০-০-৩৩-৩, স্টার্ক ৯-১-৪৩-২, রিচার্ডসন ৮.৪-০-৬২-২, কোল্টার-নাইল ৯-০-৫৩-১, ম্যাক্সওয়েল ৭-০-৫৮-০, ফিঞ্চ ২-০-১৩-১)


ফল: অস্ট্রেলিয়া ৪১ রানে জয়ী


ম্যান অব দা ম্যাচ: ডেভিড ওয়ার্নার

২০১৯-২০ অর্থবছরের বিশাল বাজেট ঘোষণা হচ্ছে আজ

২০১৯-২০ অর্থবছরের বিশাল বাজেট ঘোষণা হচ্ছে আজ

admin June 13, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আজ বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করবেন। এটি দেশের ৪৮তম, আওয়ামী লীগ সরকারের ২০তম এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে মুস্তফা কামালের প্রথম বাজেট। এবারের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের চেয়ে আগামী বাজেট ১২ দশমিক ৬১ শতাংশ ও সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১৮ দশমিক ২২ শতাংশ বড়। আগামী ৩০ জুন এই বাজেট পাস হবে।


গতবছর সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছিলেন। তিনি টানা ১০বার জাতীয় বাজেট পেশ করে স্বাধীন বাংলাদেশে রেকর্ড গড়েন। ভ্যাট আইন কার্যকর ও বেকারদের জন্য ঋণ তহবিল গঠনসহ বেশ কিছু নতুন বিষয় থাকতে পারে এবারের বাজেটে।


ব্যাপক সংস্কারের প্রস্তাব করা হতে পারে ব্যাংকিংখাত, পুঁজিবাজার, সঞ্চয়পত্রসহ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে। ঘোষণা থাকতে পারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভ‚ক্তির। দেশের জনগনের ওপর নতুন কোন করচাপ তৈরি করতে চান না অর্থমন্ত্রী। এজন্য তিনি এবারের বাজেটে করজাল সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেবেন, যাতে করহার না বাড়িয়ে অতিরিক্ত রাজস্ব আহরণ করা যায়।


অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এবারের বাজেটের করহারের বিষয়ে একাধিবার বলেছেন, করের হার বাড়িয়ে কোন ধরনের করচাপ তৈরি হোক, এটা তিনি চান না। বরং করজাল সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজস্ব আয় বাড়াতে চানা।


জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য কানন কুমার রায় জানান, আগামী এক বছরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় করদাতা বাড়ানোর লক্ষে বিশেষ উদ্যোগ থাকবে এবারের বাজেটে। বেকারদের জন্য প্রথমবারের মত ‘উদ্যোক্তা তহবিল’ গঠন করা হচ্ছে। এই তহবিল গঠনের উদ্দেশ্য হলো নতুন উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এ ছাড়া রফতানি বহুমুখীকরণের লক্ষে আগামী বাজেটে বিশেষ উদ্যোগ থাকতে পারে।


অর্থমন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, তৈরি পোশাক পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে যেভাবে প্রনোদনা পেয়ে আসছে, আরো কয়েকটি পণ্যের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রনোদনা দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এদিকে,পুঁজিবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ ঋণ ব্যবস্থার প্রস্তাব থাকবে এবারের বাজেটে। প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আহরণের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৩ দশমিক ১ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত কর ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, এনবিআর-বহির্ভূত কর ১৪ হাজার ৫০০ কোটি,কর ব্যতীত প্রাপ্তি ৩৭ হাজার ৭১০ কোটি এবং বৈদেশিক অনুদানের পরিমাণ ধরা হচ্ছে ৪ হাজার ১৬৮ কোটি টাকা।


প্রস্তাবিত বাজেটের পরিচালন ব্যয় ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ১০ হাজার ২৬২ কোটি টাকা। উন্নয়ন ব্যয় ধরা হচ্ছে ২ লাখ ১১ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা। আসন্ন বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ৮ দশমিক ২ শতাংশ। এ ছাড়া নতুন বাজেটে মূল্যস্ফীতির চাপ ৫ দশমিক ৫ শতাংশে রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবিতে রংপুরে মানববন্ধন

বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবিতে রংপুরে মানববন্ধন

admin June 13, 2019

স্টাফ রিপোর্টার:
উন্নয়ন বৈষম্য দূরীকরণে আসন্ন বাজেটে অবহেলিত রংপুর বিভাগের জন্য বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে রংপুরবাসী। দাবি বাস্তবায়নে আট দফা তুলে ধরে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


বুধবার (১২ জুন) দুপুরে নগরীর কাচারি বাজারে রংপুর উন্নয়ন ফোরাম আয়োজিত সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, 'সারাদেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, রংপুর তখন বাজেট বৈষম্যের কারণে পিছিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে দরিদ্রতার অভিশাপ থেকে মুক্তি মিলছে বিভাগীয় এই অঞ্চলের। সারাদেশে দারিদ্রতার হার শতকরা ২৪ ভাগ হলেও রংপুরে এটি ৪৮ ভাগ।'


বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, 'গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থেকে দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন রংপুরের মানুষরা। এখানকার পুত্রবধূ প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, তিনজন মন্ত্রী, দুইজন প্রতিমন্ত্রী, হুইপ ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ রংপুর বিভাগের মানুষ হলেও উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার এ বিভাগ। রংপুরের খাদ্য শস্য গোটা দেশের চাহিদা মেটালেও বার বার অবহেলিতই থাকছে রংপুরের মানুষ।'


ফোরামের আহ্বায়ক সুলতান মাহমুদ টিটনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. তুহিন ওয়াদুদ, কৃষক নেতা অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী, সনাক রংপুর জেলা সভাপতি মোশফেকা রাজ্জাক, যুবলীগ নেতা আতাউজ্জামান বাবু, ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়খ রুম্মান ইসলাম, অনিন্দ্য রায়, বেলাল হোসেন প্রমুখ।


পিছিয়ে পড়া রংপুরকে সারাদেশের উন্নয়নের সাথে এগিয়ে না রাখলে দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব হবে না বলে জানান বক্তারা। এ সময় সকল বিভাগে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা, রংপুরে দুইটি সরকারি স্কুল প্রতিষ্ঠা, রংপুর থেকে ঢাকাগামী বিরতিহীন ও বুলেট ট্রেন চালু, বাজেটে রংপুরকে অগ্রাধিকার দিয়ে পর্যাপ্ত পরিমান বাজেট বরাদ্দ দেয়া, বিদেশে শ্রম রফতানিতে বৈষম্য দূর করা ও প্রণোদনা স্বাপেক্ষে রংপুরে শিল্পায়ন নিশ্চিত করারও দাবি জানানো হয়।


সমাবেশ শেষে রংপুরের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আবু তাহের মোঃ মাসুদ রানা ও জেলা প্রশাসক এনামুল হাবীবের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

Image Gallary

 
1 / 3
   
Caption Text
 
2 / 3
   
Caption Two
 
3 / 3
   
Caption Three