উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে বৃক্ষরোপন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে বৃক্ষরোপন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

admin June 21, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশর উন্নয়নের দরকার কিন্তু এর সঙ্গে পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্ব দেওয়াও জরুরি। প্রতিটি উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে বৃক্ষরোপন ও জলাধার নির্মাণেও গুরুত্ব দিতে হবে। আমরা এ ব্যাপারে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছি। যাতে আমাদের পরিবেশ সংরক্ষিত থাকে।


বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০১৯ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠান তিনি এসব কথা বলেন।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা জানি বৈশ্বিক উষ্ণায়ন আমাদের ওপর আসবে। এর জন্য আমরা দায়ী না, আমরা ভুক্তভোগী। এর প্রতিকারের ব্যবস্থা আমরা নিতে শুরু করেছি। এর জন্য ফান্ডও তৈরি করা হয়েছে।


বিদেশ থেকে এ ব্যাপারে খুব একটা সহায়তা পাওয়া যায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্যারিসে পরিবেশ বিষয়ে একটা চুক্তি হয়েছে, আশা করি ভবিষ্যতে এর সহায়তা পাওয়া যাবে।


পরিবেশ দূষণে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা নিজেরা আর ক’দিন থাকবো। কিন্তু আমাদের বংশধররা যেন সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে, টিকে থাকতে পারে, সেজন্য শতবর্ষব্যাপী ডেল্টা প্ল্যান নিয়ে কাজ করছি।


প্রধানমন্ত্রী সবাইকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রত্যেকেই নিজের কর্মস্থল ও বাসস্থানে গাছ লাগাবেন। বনজ, ফলজ, ভেষজ গাছ লাগাবেন। ছেলে-মেয়েদেরও বৃক্ষরোপণ শেখাতে হবে। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, পরিচর্যাও করতে হবে। প্রত্যেকে নিজের এলাকায় যতো ইচ্ছে গাছ লাগাবেন। এতে কয়েকবছর পর টাকাও পাওয়া যায়, বছর বছর ফল পেলেও খুশি লাগে।


এসময় শেখ হাসিনা আজিমপুর গার্লস স্কুলে পড়ার সময় বান্ধবীদের সঙ্গে নিয়ে গাছ লাগানোর স্মৃতিচারণও করেন।


সুন্দরবন রক্ষণাবেক্ষণে সরকারের কর্মসূচির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন। এই বন রক্ষণাবেক্ষণে ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছি। সুন্দরবনের পরিবেশ রক্ষায় রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বড় ভূমিকা রয়েছে। কারণ বনে বেশি বাঘ থাকলে অনেকে ভেতরে গিয়ে বনের ক্ষতিকর কিছু করার সাহস পায় না।


তিনি বলেন, সুন্দরবনকে রক্ষায় নদীর লবণাক্ততা দূর করতে হবে। লবণাক্ততা দূর হলে হোগলা বন বেড়ে যায়। আর হোগলা বনে বাঘের বিচরণ বেড়ে যায়। নদীর নাব্যতা বাড়ানোরও কাজ করা হচ্ছে।


সরকারপ্রধান এসময় বলেন, মানবিক কারণে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হলেও ধ্বংস হয়ে গেছে পাহাড়ি বনাঞ্চল।

বাড়ছে জন্মহার-অপরাধ, সাথে বাড়ছে রোহিঙ্গা সংকট

বাড়ছে জন্মহার-অপরাধ, সাথে বাড়ছে রোহিঙ্গা সংকট

admin June 21, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস। বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের অমানবিক অবস্থানের প্রতি আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দের সচেতনতা সৃষ্টির জন্য পালন করা হয়। যুদ্ধ, জাতিগত সন্ত্রাসের কারণে বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ছয় কোটি মানুষ শরণার্থী। এটি এযাবৎ কালের শরণার্থী সংখ্যার সর্বোচ্চ রেকর্ড।


বাংলাদেশেও জাতিগত সন্ত্রাসের শিকার হয়ে মিয়ানমার থেকে আশ্রয় নিয়েছে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থী। রাখাইন থেকে বাংলাদেশে নতুন রোহিঙ্গা শরণার্থীর স্রোত শুরু হয় ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট। এরপর থেকে সাত লাখ ২০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ঠাঁই নেয় বাংলাদেশে।


আগে থেকেই এ দেশে ছিল বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা। লাখ লাখ রোহিঙ্গা এখন বাংলাদেশের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানিয়েছে যে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, পটুয়াখালীসহ ৫০ জেলায় এখন রোহিঙ্গাদের অবস্থান রয়েছে।


এদিকে রোহিঙ্গাদের ভরণপোষণ, নিরাপত্তা ও উগ্রপন্থি তৎপরতায় জড়িয়ে পড়া ঠেকানো নিয়ে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেও নিজ দেশে তাদের প্রত্যাবাসন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন দেশের আর্থিক সহায়তাও কমে আসছে। ফলে রোহিঙ্গাদের নিয়ে সংকট আরো গভীরতর হচ্ছে।


রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সমন্বয় গ্রুপ আইএসসিজির কর্মকর্তা সৈকত বিশ্বাস বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে চরম ক্ষতির শিকার হয়েছে স্থানীয় লোকজন। তাদের পুনর্বাসনে ব্যাপক কর্মসূচি নিতে হবে। এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের দ্বারা পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। টাকার অঙ্কে এই ক্ষতি নিরূপণ করা যাবে না।


রোহিঙ্গাদের নিয়ে এরকম নানা উদ্বেগের মধ্যেই আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব শরণার্থী দিবস। দিবস উপলক্ষে উখিয়া ও টেকনাফের কয়েকটি রোহিঙ্গা শিবিরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। চলতি বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘স্টেপস উইথ রিফিউজিস’ বা ‘শরণার্থীদের সঙ্গে পথচলা’।


শরণার্থী দিবসে উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পের ২ নম্বর ব্লক থেকে একটি র‌্যালি বের করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে ওই ক্যাম্পে আলোচনা সভা, খেলাধুলাসহ রয়েছে নানা কর্মসূচি। রোহিঙ্গাদের জন্য অন্যতম বড় দাতা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলারের এসব কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।


তবে এসব কর্মসূচিতে রোহিঙ্গাদের তেমন উৎসাহ নেই। নিজ দেশের বাইরে এভাবে অনিশ্চিত জীবনযাত্রায় রোহিঙ্গারাও হতাশ। রোহিঙ্গার জন্য তহবিল সংকটে এখানে কর্মরত আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও উদ্বিগ্ন। তহবিল বরাদ্দের জন্য বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে অব্যাহতভাবে ধরনা দিয়ে যাচ্ছে তারা।


কক্সবাজারে ইউএনএইচসিআরের কর্মকর্তা মারিন ডিন জানিয়েছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১১ লাখ রোহিঙ্গার জন্য যে বরাদ্দ রয়েছে, তা দিয়ে আগামী তিন মাস পর্যন্ত খাবার ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা দেওয়া সম্ভব হবে। এ সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা পাওয়া না গেলে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসবে। চলতি বছর রোহিঙ্গাদের জন্য ৯২ কোটি ডলার সাহায্য চেয়েছে জাতিসংঘ।


বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির এখন কক্সবাজারে। এ জেলায় চার দফায় ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। তবে এখন এখানে ঠিক কত রোহিঙ্গা অবস্থান করছে, তার সঠিক হিসাব পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন সংস্থা ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দিচ্ছে।


জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র জোসেফ ত্রিপুরা বলেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা এখন ৯ লাখ ১০ হাজার।


তবে বুধবার জেনেভা থেকে প্রকাশিত ইউএনএইচসিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে এখন অবস্থান করছে ৯ লাখ ছয় হাজার ৬০০ রোহিঙ্গা।


শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, বর্তমানে নতুন ও পুরনো মিলিয়ে উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় ১০ লাখের মতো রোহিঙ্গা রয়েছে।


এদিকে, বহিরাগমন বিভাগ ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, নতুন ও পুরনো মিলিয়ে উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় ১১ লাখ ১৮ হাজার ৫৫৪ রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক নিবন্ধন করা হয়েছে। তবে বর্তমানে সে কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।


সর্বশেষ রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘ তিন বছর হতে চলছে। মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে দেড় বছর আগে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে অনিশ্চয়তা ক্রমে বাড়ছে। দিন যতই গড়াচ্ছে বিশ্বের বিশাল এই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়ছে অস্থিরতা। বাড়ছে খুনখারাবি থেকে শুরু করে নানা অপরাধ। স্থানীয় লোকজনও ধৈর্য হারাচ্ছে।


রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একাধিক অপরাধী গ্রুপও সক্রিয় হয়েছে। কক্সবাজার জেলা পুলিশের এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত ১০ মাসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ২৭টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উদ্ধার হয়েছে ১৬টি অস্ত্র। উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ মাদক।


কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন জানান, বিশাল রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখা পুলিশের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দেড় হাজার সদস্য রাত-দিন ব্যস্ত রয়েছেন রোহিঙ্গাদের সালিশ বিচার করতে। এখানে পুলিশ সদস্যদের কষ্টের সীমা নেই।


এদিকে উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে রোহিঙ্গা ছেলেমেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ব্যাপক হারে বাল্যবিয়ে ঠেকাতে কোনো সংস্থার পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। এ অবস্থায় এখানে শিশু জন্মহারও অস্বাভাবিক বেশি। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জন্মহার কত- এ নিয়ে কোনো সংস্থার পক্ষ থেকে জরিপ নেই। তবে বেসরকারি একটি সংস্থার মতে, এখানে প্রতিবছর অর্ধলক্ষ শিশু জন্ম হচ্ছে।


প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ৫৫/৭৬ ভোটে অনুমোদিত হয় যে, ২০০১ সালে থেকে জুন মাসের ২০ তারিখ আন্তর্জাতিক শরণার্থী দিবস হিসেবে পালন করা হবে। এ কারণে এ দিনটি বাছাই করা হয় যে, ১৯৫১ সালে অনুষ্ঠিত শরণার্থীদের অবস্থান নির্ণয় বিষয়ক একটি কনভেনশনের ৫০ বছর পূর্তি হয় ২০০১ সালে।


২০০০ সাল পর্যন্ত আফ্রিকান শরণার্থী দিবস নামে একটি দিবস বিভিন্ন দেশে পালিত হয়ে আসছিলো। জাতিসংঘ পরবর্তীকালে নিশ্চিত করে যে, অর্গানাইজেশন অফ আফ্রিকান ইউনিটি বা ওএইউ পরবর্তীকালে ২০ জুনকে আফ্রিকান শরণার্থী দিবস-এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিকভাবে শরণার্থী দিবস হিসেবে পালন করতে সম্মত হয়েছে।

ডিআইজি মিজানের সম্পদ ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ

ডিআইজি মিজানের সম্পদ ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ

admin June 21, 2019

অসাধু উপায়ে অর্জিত সম্পদ বা সম্পত্তির বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তা বেহাত হয়ে যাওয়ার আশংকা আছে বলে ডিআইজি মিজানুর রহমানের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে।


বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক মঞ্জুর মোরশেদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেন।


এর আগে গত ১২ জুন পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমানের সম্পদ অনুসন্ধানে দায়িত্ব দেয়া হয় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক মঞ্জুর মোরশেদকে।


ঘুষগ্রহণ ও তথ্য পাচারের অভিযোগে আগের অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করার পর এই নিয়োগ দেয়া হয়।


প্রসঙ্গত, ‘তুলে নিয়ে বিয়ে করলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার!’ শিরোনামে ৭ জানুয়ারি যুগান্তরে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে বহুল আলোচিত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়।


‘এক সংবাদপাঠিকার জীবনও বিষিয়ে তুলেছেন ডিআইজি মিজান’ শিরোনামে পরদিন ৮ জানুয়ারি আরও একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করে।


এরপর নানা জল্পনা-কল্পনা শেষে বিতর্কিত এই ডিআইজি মিজানকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়।


এদিকে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত বিতর্কিত ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বিপুল অংকের অবৈধ সম্পদের খোঁজ পায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সরকারের দুর্নীতিবিরোধী তৎপরতা থামাতে গোপন বৈঠকে বিমানের দুর্নীতিবাজরা!

সরকারের দুর্নীতিবিরোধী তৎপরতা থামাতে গোপন বৈঠকে বিমানের দুর্নীতিবাজরা!

admin June 20, 2019

সম্প্রতি বিমানের যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সিবিএ নেতাকে বহিষ্কার, ওএসডি ও বদলি করা হয়েছে তাদেরকে অবিলম্বে পুনর্বহাল করতে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টিতে গোপন বৈঠক করেছে বিমানের দুর্নীতিবাজরা। উদ্দেশ্য সরকারের দুর্নীতিবিরোধী তৎপরতা থামিয়ে দেয়া। এ জন্য তারা তহবিল গঠন করে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। খবর দৈনিক যুগান্তরের।


গোয়েন্দা সংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে যুগান্তর জানাচ্ছে, গেল মঙ্গলবার রাতে উত্তরায় একত্রিত হয়ে বৈঠক করে তারা। বৈঠকে নেতৃত্ব দিয়েছেন খোদ বিমানেরই এক প্রভাবশালী কর্মকর্তা, যিনি দীর্ঘদিন বিদেশে থেকে সম্প্রতি দেশে ফিরে এসেছেন। তার নেতৃত্বে বিমান শ্রমিক লীগ, বিমান সিবিএ ও বিমান পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) ১০-১২ জন প্রভাবশালী নেতা উপস্থিত ছিলেন।


এ ছাড়া জনসংযোগ বিভাগের সাবেক একজন কর্মকর্তা এবং ঢাকার বাইরে বদলি হওয়া ৯ কর্মকর্তা-কর্মচারী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।


জানা গেছে, বৈঠকে সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বিভিন্ন অভিযোগে বিমানের যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সিবিএ নেতাকে বহিষ্কার, ওএসডি ও বদলি করা হয়েছে তাদেরকে অবিলম্বে পুনর্বহাল করতে মন্ত্রণালয়ের ওপর চাপ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত হয়েছে।


যদি মন্ত্রণালয় তাতে রাজি না হয়, তাহলে বাপা ও সিবিএ মিলে আগামী হজ ফ্লাইট চলাকালে বড় ধরনের আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে দু’দফায় বৈঠকের স্থান বদল করেও তারা গোয়েন্দা নজরদারি এড়াতে পারেনি।


গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে বুধবার সরকারের উচ্চপর্যায়ে এ বিষয়ে প্রাথমিক রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেয়া সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম-পরিচয়ও উল্লেখ করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ও বিষয়টি অবগত হয়েছে।


বৈঠকে কারা উপস্থিত ছিলেন এবং কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে সে ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ও জানতে পেরেছে। একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, বৈঠকে অংশ নেয়া ব্যক্তিদের মধ্যে গোয়েন্দা সংস্থার নিজস্ব সোর্স থাকায় ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের বিষয়টি জানা সম্ভব হয়েছে।


গোয়েন্দা সূত্র যুগান্তরকে জানায়, মূলত তারা বিমানের দুর্নীতিবিরোধী প্রক্রিয়ার সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের যারা সম্পৃক্ত তাদেরকে অন্যত্র বদলি করার মিশন বাস্তবায়ন করতে চান। তারা মনে করেন, বিমান সচিবসহ এ বিষয়ে তৎপর কয়েকজন কর্মকর্তাকে সরিয়ে দিতে পারলেই সবকিছু দফারফা হয়ে যাবে। তখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষে আর শক্ত মনিটরিং ও ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হবে না।


এ ছাড়া বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে- যেসব গণমাধ্যমে বিমানের অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশিত হচ্ছে তাদেরকে নানাভাবে বয়কট করা হবে। ইতিমধ্যে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে যেসব কর্মকর্তাকে দুর্নীতির অভিযোগে ওএসডি, বদলি কিংবা সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে সেসব আদেশ বাতিল করে তাদেরকে স্বপদে পুনর্বহাল করা হবে।


এর পেছনে কলকাঠি নাড়ছেন বিমানের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। যিনি প্রায় এক মাস বিদেশে অবস্থান করে সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন।


সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ষড়যন্ত্রকারী এ অংশটি এহেন ঘটনার অবতারণা করে রীতিমতো প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাকে চ্যালেঞ্জ করছে। কেননা, প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা, সাহস ও উৎসাহ দেয়া এবং এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জোরদার মনিটরিং ব্যবস্থার কারণে ইতিমধ্যে বিমানের টিকিটিং দুর্নীতিসহ ঘাটে ঘাটে দুর্নীতি জালিয়াতি অনেকাংশে কমে এসেছে।

এখন পর্যন্ত ওসি মোয়াজ্জেমের যতো কুকীর্তি প্রকাশ পেলো

এখন পর্যন্ত ওসি মোয়াজ্জেমের যতো কুকীর্তি প্রকাশ পেলো

admin June 20, 2019

সোনাগাজী মডেল থানার সাবেক ওসি (বরখাস্ত) মোয়াজ্জেম হোসেনের নানা কুকীর্তি বিষয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছেন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ভুক্তভোগীরা। মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সখ্য, থানা এলাকায় দালাল সিন্ডিকেট, চাঁদা আদায়ের জন্য ক্যাশিয়ার নিয়োগ, মাদক মামলা দিয়ে নিরীহ জনগণকে জেলহাজতে প্রেরণ, সব ধরনের ছোট বড় যানবাহন থেকে মাসহারা আদায়সহ সকল ধরনের অপকর্মে নিজেকে ডুবিয়ে রেখেছিলেন বিতর্কিত ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন।


সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাউদ্দৌলার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মামলা করার পর নুসরাত জাহান রাফির পাশে দাঁড়াননি সোনাগাজী মডেল থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন (বরখাস্ত)। উল্টো রাফির পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে হেনস্তা করেছিলেন তিনি।


রাফির শ্লীলতাহানির ঘটনার পর জেরা করার নামে তাকে হয়রানি করে মোবাইল ফোনে সেই দৃশ্য ধারণ করেছিলেন ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন। এরপর ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি ছড়িয়ে দেন।


অনুসন্ধান চালিয়ে জানা গেছে, অধ্যক্ষ সিরাউদ্দৌলাকে অভিযোগ থেকে রেহাই দিতে ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চেয়েছিলেন ওসি মোয়াজ্জেম। এ কারণে রাফির শরীরে আগুন দেওয়ার পরও তিনি ঘটনাটিকে আত্মহত্যার চেষ্টা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন। এবং এ ঘটনাটি আত্মহত্যার চেষ্টা বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছিলেন।


রাফিকে ওসির জিজ্ঞাসাবাদের ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, ওসির বিব্রতকর প্রশ্নে রাফি লজ্জায় পড়ে। নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে রাফি কেঁদে কেঁদে বলে, আলিম প্রথম বর্ষে পড়ার সময় তার গায়ে হাত দেয় একজন (নূর উদ্দিন)। অধ্যক্ষ সিরাজ পিয়নের মাধ্যমে তাকে ডাকেন। এরপর শরীরে হাত দেয়। ওসি রাফিকে তখন বলেন, ‘হাত দেওয়ার চেষ্টা করেছে?’ রাফি বলে, ‘না, দিয়েছেন। ’ ওসি তখন বলেন, ‘তুমি নিজে গেছ?’


এদিকে স্থানীয় ভুক্তভোগীরা বলছেন, সিরাজকে রক্ষা করতে তাঁর সহযোগীদের পক্ষ নিয়ে বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলন দমন করতে চেষ্টা করেছিলেন ওসি মোয়াজ্জেম। সোনাগাজীতে ১৫ মাস ওসি থাকা অবস্থায় চাঁদাবাজি ও অপকর্মের সিন্ডিকেট তৈরি করেছিলেন তিনি। এর আগে তিনি ফেনীর ছাগলনাইয়া ও সদর থানায় ওসি ছিলেন। ছাগলনাইয়া থানায়ও অভিযোগ ওঠায় তাঁকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। সেখানে সোনার বার উদ্ধার করে গায়েব করে ফেলার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে।


ছাগলনাইয়ার সাংবাদিক নূরুজ্জামান সুমন বলেন, ২০১২ সালে ছাগলনাইয়ার কাশিপুর গ্রামের একটি বাড়িতে মামলার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ ওঠে। ওই বাড়ি থেকে সপ্তম শ্রেণিতে পড়া ১৩ বছরের এক শিশুকে আটক করে ১৮ বছর বলে গ্রেপ্তার দেখায়। অভিযোগটি প্রমাণিত হওয়ায় ওসিকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়।


সোনাগাজী শহরের রিকশাচালক মোশারফ হোসেন ও জয়নাল আবদিন ওসি মোয়াজ্জেম দুর্নীতির বিষয়ে বলেন, সোনাগাজী শহরে ব্যাটারিচালিত প্রতিটি রিকশার কাছ থেকে মাসে ২০০ টাকা করে চাঁদা নিতেন ওসি মোয়াজ্জেম। দরিদ্র রিকশাচালকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবাদ করেছিলেন পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকন। তখন ওসি সাফ জানিয়ে দেন, টাকা না দিলে রিকশা চলবে না। রিকশাচালকরা এতে ক্ষুব্ধ হয়ে একদিন ধর্মঘটও ডেকেছিল। শেষে উপায় না পেয়ে টাকা দিয়েই রিকশা চালু করে তারা।


সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে সরকারি খাতে ৫০০ টাকা জমা দেওয়ার পরও ২ হাজার ৭০০ টাকার বেশি দেওয়ার নিয়ম চালু করেছিলেন ওসি মোয়াজ্জেম। তিনি নিজেই নিতেন ১ হাজার। বাকি টাকা পুলিশ সুপার ও অন্য অফিসাররা ভাগ-বাটোয়ারা করে নিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।


উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের পোল্ট্রি ব্যবসায়ী মো. শামিম বলেন, ২০১৮ সালে কোরবানির ঈদের ২দিন আগে ওসি মোয়াজ্জেমের নির্দেশে আমাকে কোনো ধরনের অভিযোগ ছাড়া অন্যায়ভাবে একদিন থানায় আটকে রেখে মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে আপনার পরিবারের সদস্যদের নিকট ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা আদায় করেন।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির এক সদস্য জানায়, উপজেলায় প্রতি মাসে একটি আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হলেও ওসি মোয়াজ্জেম কখনো সে সভায় অংশগ্রহণ করতেন না।


তৎকালীন সময় ওসি মোয়াজ্জেমের নির্দেশে একজন সহকারী উপ-পরিদর্শক সে সভায় অংশগ্রহণ করতেন। এ নিয়ে একাধিকবার উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সভায় বাকবিতণ্ডাও হয়েছিল।


সোনাগাজীর উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের নুরুল আমিন ও আবদুল মান্নান জানান, মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে ওসি মোয়াজ্জেম গত জানুয়ারি মাসে তাদের নিকট থেকে জোর করে দুই লাখ টাকা করে আদায় করেছে।


সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের মনগাজী বাজারের ব্যবসায়ী নূর ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ওসি মোয়াজ্জেম আমাকে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার মিথ্যা অজুহাতে দুইদিন থানায় আটকে রেখে আমার পরিবারের সদস্যদের নিকট থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা আদায় করেন।


এছাড়াও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওসি মোয়াজ্জেমের নির্দেশে তার নিয়োগপ্রাপ্ত ক্যাশিয়ার কনস্টেবল আবুল খায়ের মাদক ব্যবসায়ী, যানবাহন, ইটভাটা, করাতকল, বাজার ব্যবসায়ী, বালুমহল, মৎস্য আড়ৎসহ সমগ্র থানা এলাকা থেকে চাঁদা উঠিয়ে তাকে এনে দিতেন।


নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, কোনো বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটলে ওসি মোয়াজ্জেম থানায় মামলা নিতে চাইতেন না। ভুক্তভোগীরা খুব বেশি বিরক্ত করলে তিনি ডাকাতির ঘটনা চুরির মামলা হিসাবে রজু করতেন। সূত্র: কালের কণ্ঠ

আমের ব্যবসা করছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৫ নেতা

আমের ব্যবসা করছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের ৫ নেতা

admin June 20, 2019

মুহাম্মদ রাশেদ খানসহ বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের পাঁচজন যুগ্ম আহ্বায়ক আমের ব্যবসা শুরু করেছেন। রাজশাহীর বাঘা উপজেলা থেকে আম সংগ্রহ করে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে পৌঁছে দিচ্ছেন তারা।


‘আমাদের দেখ, তোমরাও শেখ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে ব্যবসা করছেন বলে জানালেন রাশেদ।


তিনি বলেন, ব্যবসায়ের পাশাপাশি আমরা একটা বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে এই কাজে নেমেছি। ছাত্রছাত্রী থাকা অবস্থায় বা চাকরির চেষ্টারত অবস্থায় কর্মব্যস্ত থাকার দৃষ্টান্ত তৈরির জন্য আমরা এটা করছি। আমাদের দেখে যেন শিক্ষার্থীরা বোঝে, অলস বসে না থাকে নিজেদের খরচ নিজেরা চালাতে পারে, এমন কিছু না কিছু যেন করতে থাকে। প্রথমবারের মতো বুধবার ২০ মণ আম দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠিয়েছি। আরও অর্ডার হাতে রয়েছে।


রাশেদ ছাড়াও এ ব্যবসায় জড়িত সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের অপর চার যুগ্ম আহ্বায়ক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এ পি এম সুহেল, ইডেন কলেজের লুৎফন্নাহার লুমা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবুল বাশার ও ঢাকা কলেজের আরিফ হোসেন।


আমের মান যাচাইয়ের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে রাশেদ বলেন, যারা রাসায়নিকমুক্ত আম করেন আমরা সেখান থেকেই আম সংগ্রহ করছি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের কর্মী নাফিউল ইসলাম তাঁদের নিজের বাগানসহ অন্যান্য ভালো লোকের বাগান থেকে আম বাছাই করে দিচ্ছেন। ঢাকা থেকে আমাদের আবুল বাশার ও আরিফ হোসেন সেখানে গিয়ে অবস্থান করে কাজ করছেন।

লালমনিরহাটে মেছো বাঘ আটক, কামড়ে আহত ২

লালমনিরহাটে মেছো বাঘ আটক, কামড়ে আহত ২

admin June 20, 2019

লালমনিরহাট প্রতিনিধি
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বুধবার দুপুরে একটি মেছো বাঘকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। এসময় মেছো বাঘের কামড়ে দুইজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের শফিকুল ও মফিজুল। এরা দুইজনই ওই গ্রামের মামুন মিয়ার ছেলে।


হাতিবান্ধার দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের শিয়ালটারী এলাকার বাঁশঝাড় থেকে মেছো বাঘটিকে আটক করা হয়। মেছো বাঘটি দৈর্ঘ্য এক হাত, ওজন প্রায় আড়াই কেজি। বাঘটি সুস্থ আছে।


বাঘের কামড়ে আহত শফিকুল বলেন, দুপুরে বাঁশঝাড়ে মেছো বাঘটিকে ওই এলাকার কয়েক জন দেখতে পায়। পরে তাদের চিৎকারে আমিসহ স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে মেছো বাঘটি আটকের চেষ্টা করলে আমাকে ও আমার ভাই মফিজুলকে কামড় দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে স্থানীয়রা ধাওয়া করে বাঘটিকে আটক করে।


এ সময় হাতীবান্ধার ইউএনও সামিউল আমিনকে খবর দেয়া হয়। তিনি বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে রংপুর চিড়িয়াখানায় খবর দেয়া হয়েছে তারা এসে বাঘটি নিয়ে যাবেন।

রমেকে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন জা-এর দেয়া গরম পানিতে দগ্ধ সাবিনা

রমেকে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন জা-এর দেয়া গরম পানিতে দগ্ধ সাবিনা

admin June 20, 2019

স্টাফ রিপোর্টার:
রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে জা-এর দেওয়া মরিচের গুড়া মেশানো গরম পানিতে দগ্ধ সাবিনা বেগম (৩০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ দিন ধরে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। ঘটনাটি ঘটেছে ১১ জুন সকালে গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষিটারী ইউনিয়নের পূর্ব মান্দ্রাইন গ্রামে। এ ঘটনায় মামলা হলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।


পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার লক্ষিটারী ইউনিয়নের পূর্ব মান্দ্রাইন গ্রামে জমি সংক্রান্ত জের ধরে সাবিনা নামের এক গৃহ বধুকে মুখ ও বুকে গরম পানি ঢেলে দিয়ে পুড়িয়ে ঝলসে দিয়েছে পাষণ্ড জা আমেনা বেগম ওরফে ময়না বুড়ি।


জানা যায়, গত ১১ জুন সকালে বাড়ি সংলগ্ন সাবিনা বেগমের স্বামী গোলাম রব্বানীর বসতভিটায় লাগানো বিভিন্ন প্রজাতির ৭/৮ টি গাছ দা দিয়া কোপাইয়া ও ভাঙতে থাকে ময়নাবুড়ি ও তার স্বামী তরিক মিয়া । সাবিনা বেগম তাদের বাধা-নিষেধ করলে ময়নাবুড়ি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে সাবিনা বেগম কে বাঁশ দিয়ে বুকে পিঠে, হাতে-পায়ে ও মাথায় আঘাত করে। সাবিনা বেগম মাথা চাপিয়া মাটিতে পড়িয়া যায়। সে সময় ময়না বুড়ি তার বাড়িতে গিয়ে উনুনে থাকা ফুটন্ত গরম পানি মধ্যে মরিচের গুড়ো মিশিয়ে সাবিনা বেগমের মুখে ও বুকে ছুড়ে দেয়। এতে সাবিনার মুখ ও বুক দগ্ধ হয়ে ঝলসে যায়।


এ সময় ময়না বুড়ি ও তার স্বামী সাবিনা বেগম কেগলা চেপে হত্যার চেষ্টা করে। সাবিনা আত চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে তিনি তাকে উদ্ধার করে। এদিকে ময়না বুড়ি ও তার স্বামী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। সাবিনা অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি এখন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।


সাবিনার ভাই প্রতিবন্ধি সাইদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার পর পরেই পুলিশ মামলা নিলেও আসামী গ্রেফতার বা আমার বোন সাবিনার কোন খোঁজ নেয়নি পুলিশ। তিনি আরও বলেন, আমি এক প্রতিবন্ধী। আমিই আমার পরিবারের বোঝা। তার উপর আমার সুস্থ্য বোনকে আমেনা বেগম ওরফে ময়না বুড়ি পরিকল্পিতভাবে মুখ ও বুকে গরম পানির সাথে মরিচের গুড়ো মিশিয়ে ছুড়ে দিয়ে ঝলসে দিয়েছে। তাকে এখন কে দেখবে? তার উপর তার ছোট ছোট ২ টি মেয়ে রিতু ও রিশা মনি তাদের কি হবে। প্রতিবন্ধি ভাইয়ের আর্তনাদে রংপুর মেডিকেল কলেজের আকাশ বাতাস যেন ভারি হয়ে গেছে।


সাবিনা বেগমের ছোট শিশু রিতুমনি (১০) বলেন, আমার মাকে আমার চাচী ময়না বুড়ি আমার সামনে মরিচ মিশানো গরম পানি মুখে ঢেলে দেয়। তখন আমার মা যন্ত্রণায় চিৎকার করতে থাকে। আমি আমার মায়ের যারা এ অবস্থা করেছে আমি তার বিচার চাই।


রংপুর মেডিকেলের বার্ন ইউনিটের বিভাগীয় প্রধান ডাক্তার মারুফুল ইসলাম জানান, সাবিনার শরীরের ২৮ ভাগ পুড়ে গেছে। তাকে সুস্থ্য করার আমরা যথাসাধ্য চেষ্ঠা করছি। তবে তার মুখের অবস্থা আগের মত ফিরানো যাবেনা।


তদন্তকারী অফিসার আবু বক্কর ফকরুল আলম জানান ঘটনাটি তদন্ত করছি। আসামীকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে গংগাচড়া থানার ও সি সুশান্ত কুমার সরকার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগ পেয়ে মামলা নেয়া হয়েছে। তদন্ত এবং আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

টেন্ডার ছাড়াই পীরগাছা ভূমি অফিসের ৫ লাখ টাকার গাছ কর্তন, রাতের আধারে হরিলুট

টেন্ডার ছাড়াই পীরগাছা ভূমি অফিসের ৫ লাখ টাকার গাছ কর্তন, রাতের আধারে হরিলুট

admin June 20, 2019

পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি
রংপুরের পীরগাছায় ইউনিয়ন ভূমি অফিসের শতবর্ষী বিভিন্ন প্রজাতির ৫টি মূল্যবান গাছ কর্তন করে আত্মসাত করার পায়তারার অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম নীতিকে তোয়াক্কা না করে টেন্ডার ছাড়াই গাছগুলো কর্তন করায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।


এদিকে কর্তন করা গাছগুলো সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার যোগসাজসে একটি মহল রাতের আধারে হরিলুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করছেন এলাকাবাসী।


জানা যায়, উপজেলা সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিস সংলগ্ন শতবর্ষী একটি আম, দুটি রেইন্ট্রিসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৫টি গাছ গত শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত কর্তন করা হয়। ওই গাছগুলোর মূল্য প্রায় পাঁচ লাখ টাকা বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) যোগসাজসে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন সহকারি ভূমি কর্মকর্তা (তহশীলদার) গাছগুলো কর্তন করেন। বর্তমানে গাছের গুল ও কান্ডগুলো আত্মসাতের উদ্দেশ্যে গোপনে বিক্রি করা হলেও ডালপালাগুলো পড়ে থাকতে দেখা যায়। সরকারী নিয়ম নীতিকে তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছা মতো আত্মসাতের উদ্দেশ্যে শতবর্ষী গাছগুলো কেটে ফেলায় এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।


ভূমি অফিস সংলগ্ন বাসিন্দা আব্দুর রহিমসহ অনেকে বলেন, বিনা টেন্ডারে শতবর্ষী ৫টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। ইউনিয়ন সহকারি ভূমি কর্মকর্তা বকুল মিয়া গাছগুলো কাটার পর কোন পরিমান না করেই রাখেন এবং রাতের আধারে গাছের গুলগুলো তহসিলদার বকুল মিয়ার বিশ্বস্ত লোকজন হরিলুট করে নিয়ে যায়। এসময় এলাকাবাসী বাধা দেবার চেষ্টা করলেও বকুল মিয়ার লোকজন তাদের নানা ভয়ভীতি দেখান । ফলে শতবর্ষী গাছগুলো কর্তনের মাধ্যমে বৃক্ষ নিধন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


পীরগাছা সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশীলদার বকুল মিয়া বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গাছগুলো কাটা হয়েছে।


পীরগাছা বন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সেকেন্দার আলী জানান, সরকারি জমির গাছ কাটতে বা বিক্রি করতে হলে বন বিভাগের পূর্ব অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু ওই গাছগুলো কাটা ও বিক্রির ব্যাপারে বন বিভাগের কাছে কোনো ধরনের অনুমতি নেয়া হয়নি।


পীরগাছা উপজলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাত আরা ফেরদৌস বলেন, উপজেলা ভূমি অফিস নির্মাণের জন্য গাছগুলো কর্তন করা হয়েছে।


এ ব্যাপারে পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমীন প্রধান বলেন, গাছ কর্তনের বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি আমি দেখছি।

পীরগাছায় ইয়াবাসহ ছাত্রলীগ নেতা আটক

পীরগাছায় ইয়াবাসহ ছাত্রলীগ নেতা আটক

admin June 20, 2019

পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি:
রংপুরের পীরগাছায় ইয়াবাসহ ছাত্রলীগ নেতাকে আটক আটক করেছে পুলিশ। গতকাল রাতে ওই ছাত্রলীগ নেতাসহ দুজনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুল ইসলাম নাজমুল (২২) ও সুজা (২০)।


পীরগাছা থানার ওসি রেজাউল করিম জানান, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুল ইডলাম নাজমুল (২২) ও সুজা (২০) নামের অপর এক যুবককে উপজেলা সংলগ্ন বটতলী থেকে ইয়াবাসহ আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৭ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।


অপরদিকে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি রবিউল ইসলামকে (৩৫) মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। রবিউল উপজেলার জগজীবন গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে।


পুলিশ জানায়, রবিউল ইসলাম নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে তার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।


ওসি রেজাউল করিম বলেন, বুধবার আটককৃতদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

কুড়িগ্রামে ইউপি চেয়ারম্যানের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ-সমাবেশ

admin June 20, 2019

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
আওয়ামী লীগ দলীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যের উপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


বুধবার দুপুরে কুড়িগ্রাম শহরে বিক্ষোভ মিছিল শেষে শহীদ মিনার চত্ত্বরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলা ও ঘোগাদহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে এ কর্মসূচী পালিত হয়।


সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কাদের, যাত্রাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর, ঘোগাদহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহসভাপতি সুবত আলী, যুবলীগ সভাপতি এনামুল হক মাষ্টার প্রমুখ।



বক্তারা বলেন, গত ১৭ জুন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা পরিষদে ঘোগাদহ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম এবং ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ আইন শৃংখলা কমিটির সভায় আসেন।


সভা শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আমান উদ্দিন মঞ্জুর লোকজন তাদের উপর নৃশংস হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। বর্তমানে ঐ ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।


আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করা না হলে আরো কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেন বক্তারা।

কোপা আমেরিকা: ভেনেজুয়েলার কাছে বড় হোঁচট খেল ব্রাজিল

কোপা আমেরিকা: ভেনেজুয়েলার কাছে বড় হোঁচট খেল ব্রাজিল

admin June 19, 2019

প্রথম থেকেই প্রতিপক্ষকে চাপে রেখেছিল। দখলেও ছিল বল। একের পর এক আক্রমণ হচ্ছিল প্রতিপক্ষের জালে। কিন্তু সেই আক্রমণ কার্যকরী ছিল না। ফলে যা হওয়ার তাই হলো। ব্রাজিলের মত দলকে আটকে দিল ভেনেজুয়েলা।


বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে সালভাদরে কোপা আমেরিকার ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচটি হয়। এতে মুখোমুখি হয় ব্রাজিল ও ভেনেজুয়েলা। ম্যাচটি ড্র হওয়ায় ভেনেজুয়েলার কাছে পয়েন্ট হারিয়েছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। তবে ‘এ’ গ্রুপের টেবিলে প্রথমে আছে ব্রাজিল।


ব্রাজিল তিনবার ভেনেজুয়েলার জালে বল জড়ালেও তিনটি গোলই বাদ দিয়ে দেয় ম্যাচ রেফারি। একবার ফাউল, একবার অফসাইড এবং শেষবার অপরিষ্কার এক কারণে গোল বাতিল করে দেওয়া হয়।


নেইমারকে ছাড়াই কোপার নবম শিরোপার মিশন শুরু করে ব্রাজিল। বলিভিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে সূচনাটা দারুণ করলেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখেতে পারেনি কৌতিনহো-ফিরমিনোরা। তবে এখন পর্যন্ত পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে আটবারের কোপা চ্যাম্পিয়নরা। দুই ম্যাচে একটি জয় ও ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট রেখেছে ঝুলিতে।


শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় সাও পাওলোতে গ্রুপ পর্বের পরের ম্যাচে পেরুর মুখোমুখি হবে ব্রাজিল।

তিস্তায় আকস্মিক পানি বৃদ্ধি: লালমনিরহাটে বন্যার কবলে কয়েক গ্রামের মানুষ

তিস্তায় আকস্মিক পানি বৃদ্ধি: লালমনিরহাটে বন্যার কবলে কয়েক গ্রামের মানুষ

admin June 19, 2019

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার তিস্তা নদীতে আকস্মিকভাবে পানিবৃদ্ধি হয়েছে। ফলে মহিষখোচা ইউনিয়নের তিস্তার চরাঞ্চলসহ ৫টি গ্রামের প্রায় ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।


গ্রামগুলো হচ্ছে- দ্বীপচর, দক্ষিণবালাপাড়া, গোবরধন, চন্ডিমারী ও কুটিরপাড়। সেই সঙ্গে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও।


সরেজমিন উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের তিস্তা বেষ্টিত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, তিস্তা নদীতে আকস্মিকভাবে পানিবৃদ্ধি পেয়েছে। এলাকাবাসী জানান, মঙ্গলবার রাত থেকে হঠাৎ করে তিস্তা নদীতে পানি বাড়তে থাকে। আর সকাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকের বাড়ি-ঘরে পানি উঠতে থাকে।


শুধু তাই নয়,পানি বৃদ্ধির ফলে গোবরধন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোবরধন এম. এইচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গোবরধন হায়দারীয়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পানি উঠায় বিপাকে পড়তে হয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের।


মহিষখোচা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান মতি ইত্তেফাককে জানান, আকস্মিকভাবে তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের দ্বীপচরের প্রায় ৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে চরাঞ্চলের লোকজনের বেঁচে থাকার একমাত্র সম্বল বাদাম, ভুট্টাসহ উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।


গোবরধন বাহাদুরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আফজাল হোসেন বলেন, হঠাৎ করে নদীতে পানিবৃদ্ধি হয়েছে। ফলে তিনি পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে রয়েছেন। একই কথা জানালেন আজল মিয়াও।


গোবরধন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম জানান, বিদ্যালয়টি পানিবন্দি হওয়ায় শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন বলেও জানান।


মহিষখোচা ইউপি চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন চৌধুরী ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হওয়ার কথা দাবি করে বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পানিবন্দি পরিবারের খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে।


উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মফিজুল ইসলাম জানান, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে পানিবন্দি পরিবারের তালিকা ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করার জন্য বলা হয়েছে।


আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসাদুজ্জামান বলেন, পানিবন্দি পরিবারের খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে।

অভিযানে গিয়ে নকল ‘ম্যাজিস্ট্রেট’ ধরা খেল আসল ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে

অভিযানে গিয়ে নকল ‘ম্যাজিস্ট্রেট’ ধরা খেল আসল ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে

admin June 19, 2019

প্রায় এক বছর ধরে বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন মোহাম্মদ বিন জহির সুমন ভূইয়া। নিজেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানাও আদায় করতেন তিনি। কিন্তু তিনি আসলে ম্যাজিস্ট্রেট নন।


মঙ্গলবার (১৮ জুন) গুলশান এভিনিউ’র চিটাগাংবুল নামের একটি রেসটুরেন্টে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করতে গিয়ে অবশেষে আসল ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে নিজেই গ্রেফতার হয়েছেন নকল ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব।


জানা গেছে, ওই রেস্টুরেন্টে গিয়ে তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। কিন্তু তার চালচলনে সন্দেহ হয় রেস্টুরেন্ট কর্মকর্তাদের।


ঢাকা উত্তর সিটির করপোরেশনের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন, বেলা ৩টায় গুলশান এভিনিউর একটি রেস্টুরেন্ট থেকে মোহাম্মদ বিন জহির সুমন ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।


তিনি ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিট্রেট সারোয়ার পরিচয় দিয়ে রেস্টুরেন্ট ম্যানেজারের কাছে ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। রেস্টুরেন্ট ম্যানেজার ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ারকে জানালে সাজিদ আনোয়ারের ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে গ্রেফতার করেন।

মোবাইল ব্যাংকিং: ব্যালেন্স দেখতে পয়সা গ্রাহকদের দিতে হবে না

মোবাইল ব্যাংকিং: ব্যালেন্স দেখতে পয়সা গ্রাহকদের দিতে হবে না

admin June 19, 2019

মোবাইলভিত্তিক আর্থিক সেবায় (এমএফএস) হিসাবের ব্যালান্স দেখার জন্য গ্রাহকদের কোনো খরচ হবে না। প্রতি বার ব্যালেন্স দেখার জন্য যে ৪০ পয়সা খরচ হবে তা বহন করতে হবে সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে এ সংক্রান্ত এক নির্দেশনা জারি করা হয়।


বিটিআরসির নির্দেশনায় বলা হয়, বিকাশ, রকেট, শিওরক্যাশ ও নগদের মতো মুঠোফোন ভিত্তিক আর্থিক সেবায় (এমএফএস) ব্যালান্স দেখতে গ্রাহককে কোনো টাকা গুনতে হবে না।


এতে আরো বলা হয়, গত ১৩ জুন যে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে গ্রাহকের ওপর নতুন করে চার্জ আরোপের কোনো সুযোগ নেই।


এর আগে, গত ১৩ জুন এ সংক্রান্ত বিটিআরসি’র ওই নির্দেশনায় বলা হয়, একটি আর্থিক লেনদেন ৯০ সেকেন্ডের মধ্যে সম্পন্ন হলে মুঠোফোন অপারেটররা ৮৫ পয়সা পাবে। এ ছাড়া আর্থিক লেনদেন ছাড়া অন্য কাজের জন্য প্রতিবার ৪০ পয়সা দিতে হবে। উল্লেখ্য, আর্থিক লেনদেন ছাড়া গ্রাহকরা মূলত ব্যালেন্স দেখার কাজই করেন।


তবে, নির্দেশনায় আর্থিক লেনদেন ব্যতীত অন্য কাজের জন্য নির্ধারিত ৪০ পয়সা গ্রাহক নাকি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দেবে সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। এর প্রেক্ষিতে আজকের এই নির্দেশনার মাধ্যমে এই ধোঁয়াশা দূর করলো বিটিআরসি।

কোপা আমেরিকা: আজ সকাল ৬ টায় খেলবে ব্রাজিল-ভেনেজুয়েলা

কোপা আমেরিকা: আজ সকাল ৬ টায় খেলবে ব্রাজিল-ভেনেজুয়েলা

admin June 19, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ কোপা আমেরিকায় আজ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে হট ফেবারিট ব্রাজিল। ঘরের মাঠ সালভাদরের ফন্তে নোভায় নেইমারবিহীণ তিতের দলের প্রতিপক্ষ ভেনেজুয়েলা। বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ছটায় শুরু হবে ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচটি। পা মচকে নেইমার নেই দেশের মাটিতে কোপা আমেরিকায়।


তবে প্রথম ম্যাচে সেই অভাব বুঝতে দেয়নি ব্রাজিল দলের আক্রমনভাগ। নেইমারের জায়গায় খেলতে নামা তরুণ রিশার্লিসনের সঙ্গে অভিজ্ঞ রবের্তো ফিরমিনো, চিয়াগো সিলভা ও ফিলিপে কৌতিনিয়োরার চমৎকার বোঝাপড়ায় ৩-০’তে উদ্বোধনী ম্যাচ জেতে তিতের দল।


গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিকদের সামনে আজ অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল ভেনেজুয়েলা। যাদের বিপক্ষে সর্বশেষ ছয় ম্যাচের চারটি জিতে অন্য দুটি ড্র করেছে বিশ্বকাপে রেকর্ড পাঁচবার আর দক্ষিণ আমেরিকার চ্যাম্পিয়নশিপে তৃতীয় সর্বাধিক আটবার শিরোপা জেতা ব্রাজিল।


বিশ্বকাপে এখনো খেলার সুযোগ তৈরি করতে না পারা ভেনেজুয়েলা ‘এ’ গ্রুপে ১০ জনের দল হয়েও আটকে দেয় পেরুর জয়। ব্রাজিলের বিপক্ষে ২৪ ম্যাচে ২০০৮ সালে একবারই জয়ের দেখা পায় ক্যারিবিয়ান দেশটি।


ব্রাজিল-ভেনেজুয়েলা ম্যাচ দেখবেন যে চ্যানেলে: এই ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে সনি ইএসপিন প্লাস ও বেইন স্পোর্টস চ্যানেলে।

ইংল্যান্ডের কাছে দেড়শ’ রানের হার আফগানদের

ইংল্যান্ডের কাছে দেড়শ’ রানের হার আফগানদের

admin June 19, 2019

আফগানিস্তানের জন্য লক্ষ্যটা ছিল স্বপ্ন ছোঁয়ার মতো। ইংল্যান্ডের দেয়া ৩৯৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জিততে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস তৈরি করতে হতো দলটিকে। সেই বাস্তবতা উপলব্ধি করেই খেলে আফগানিস্তান। তাই জয়ের চিন্তা বাদ দিয়ে হারের ব্যবধান কমানোর লক্ষ্য নেয় তারা। সেই লক্ষ্য মোটামুটি সফল হয়েছে। শেষ পর্যন্ত আফগানিস্তান নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেটে ২৪৭ রান করে। তাই ইংল্যান্ড ১৫০ রানের বড় জয় পায়।


চলতি বিশ্বকাপে ৩৯৭ রানের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলে ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপে ইংলিশদের এটা সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এর আগে চলতি বিশ্বকাপেই বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬ উইকেটে ৩৮৬ রান করেছিল ইয়ন মরগানের নেতৃত্বাধীন দল। তবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে আফগানিস্তানের বিপক্ষে গত আসরে সর্বোচ্চ ৪১৭/৬ রানের রেকর্ড গড়া ইনিংস খেলেছে অস্ট্রেলিয়া।


মঙ্গলবার ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারে প্রথমে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ৩৯৭ রানের পাহাড় গড়ে ইংল্যান্ড। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৮ উইকেটে ২৪৭ রান তুলতে সক্ষম হয় আফগানিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন হাসমতউল্লাহ শহীদি। এছাড়া ৪৬ রান করেন রহমত শাহ। ৪৪ ও ৩৭ রান করেন সাবেক ও বর্তমান অধিনায়ক আসগর আফগান ও গুলবাদিন নাইব।


ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৯৮ রানের পাহাড় ডিঙাতে নেমে ভরকে যায়নি আফগানিস্তান। রানের পাহাড়ে চাপা পড়েও অসাধারণ ব্যাটিং করেন হাসমতউল্লাহ শহীদি ও আসগর আফগানরা। দলীয় ৪ রানে ওপেনার নুর আলী জাদরান আউট হলে দলের হাল ধরেন গুলবাদিন নাইব ও রহমত শাহ।


দ্বিতীয় উইকেটে তারা ৪৮ রানের জুটি গড়েন। ২৮ বলে ৩৭ রান করে ফেরেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব। এরপর তৃতীয় উইকেটে হাসমতউল্লাহর সঙ্গে ৫২ রানের জুটি গড়তেই বিপদে পড়ে যান রহমত শাহ। ৭৪ বলে ৪৬ রান করে ফেরেন তিনি।


২৪.৫ ওভারে দলীয় ১০৪ রানে তিন ব্যাটসম্যানের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন হাসমতউল্লাহ ও আসগর আফগান। চতুর্থ উইকেটে তারা ৯৪ রানের জুটি গড়েন। ৪৮ বলে তিনটি চার ও ২টি ছক্কায় ৪৪ রান করে ফেরেন সাবেক অধিনায়ক আসগর আফগান। মাত্র ৯ রানে আউট হন মোহাম্মদ নবী।


ব্যাটসম্যানদের এই আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যতিক্রম ছিলেন হাসমতউল্লাহ। ইনিসের শেষ দিকে জফরা আর্চারের গতির বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১০০ বলে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কায় ৭৬ রান করে ফেরেন হাসমত। তার বিদায়ের পর ১৩ বলে ১৫ রান করে ফেরেন নজিবুল্লাহ জাদরান। শেষ দিকে রশিদ খান ও ইকরাম আলিখিনরা দলের পরাজয়ের ব্যবধান কিছুটা কমালেও হারা এড়াতে পারেননি।


ইংল্যান্ড ৩৯৭/৬


ইয়ন মরগানের চতুর্থ দ্রুততম সেঞ্চুরি এবং জনি বেয়ারস্টো-জো রুটের ঝড়ো ফিফটিতে রানের পাহাড় গড়েছে ইংল্যান্ড। মঙ্গলবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৬ উইকেটে ৩৯৭ রানের বিশাল সংগ্রহ করে ইংলিশরা। চলতি বিশ্বকাপে এটাই দলীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।


বিশ্বকাপে এটা তাদের দলীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এর আগে চলতি বিশ্বকাপেই বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬ উইকেটে ৩৮৬ রান করেছিল ইয়ন মরগানের দল।


তবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে দলীয় সর্বোচ্চ ৪১৭/৬ রানের রেকর্ড গড়া ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়া। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে এই আফগানিস্তানের বিপক্ষেই এই রেকর্ড গড়েছিল মাইকেল ক্লার্কের নেতৃত্বাধীন দল।


মঙ্গলবার ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করে ইংল্যান্ড।আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমে রীতিমতো ব্যাটিং তাণ্ডব চালান জনি বেয়ারস্টো, ইয়ন মরগান ও জো রুট।


মাত্র ৫৭ বলে সেঞ্চুরি করেন ইংলিশ অধিনায়ক ইয়ন মরগান। তিনি ৭১ বলে ১৭টি ছক্কা ও চারটি চারের সাহায্যে ১৪৮ রান করে আউট হন। এছাড়া ৯৯ বলে ৯০ রান করেন বেয়ারস্টো। ৮২ বলে ৮৮ রান করেন জো রুট।


প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে জনি বেয়ারস্টোর সঙ্গে উদ্বোধনীতে নেমে ৯.৩ ওভারে ৪৪ রানের জুটি গড়েন জেমস ভিন্স। দৌলত জাদরানের বলে ক্যাচ তুলে দেয়ার আগে ৩১ বলে ২৬ রান করে ফেরেন জেমস ভিন্স।


ওয়ান ডাউনে ব্যাটিংয়ে নামে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা জো রুট। দ্বিতীয় উইকেটে রুটকে সঙ্গে নিয়ে ১২০ রানের জুটি গড়েন বেয়ারস্টো। এই জুটিতেই অনবদ্য ব্যাটিং করে ৬১ বলে ফিফটি পূর্ণ করে সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন তিনি।


কিন্তু ৯৯ বলে ৮টি চার ও তিন ছক্কায় ৯০ রান করে গুলবাদিন নাইবের গতির মুখে পড়ে সাজঘরে ফেরেন বেয়ারস্টো। তার বিদায়ে ২৯.৫ ওভারে ১৬৪ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ইংল্যান্ড।


এরপর তৃতীয় উইকেটে জো রুটের সঙ্গে ১৮৯ রানের জুটি গড়েন ইয়ন মরগান। আর এই জুটিতেই ৫৭ বলে শতরানের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন তিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটা চতুর্থ দ্রুততম সেঞ্চুরি।


এর আগে ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ৫০ বলে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেটার কেভিন ওব্রায়েন। ৫১ বলে সেঞ্চুরি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার তারকা ক্রিকেটার গ্ল্যান ম্যাক্সওয়েল। আর ৫২ বলে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স।


ইয়ন মরগানের মতো সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন জো রুট। গুলবাদিন নাইবের শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ৮২ বলে পাঁচটি চার ও এক ছক্বায় ৮৮ রান করে ফেরেন রুট। এর আগের ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি।


জো রুট বিদায় নেয়ার পর পরই আউট হয়ে যান ইয়ন মরগান। গুলবাদিন নাইবের তৃতীয় শিকার পরিণত হওয়ার আগে মাত্র ৭১ বলে ১৭টি ছক্কা ও ৪টি চারের সাহায্যে ১৪৮ রান করেন মরগান। শেষ দিকে মঈন আলীর ৯ বলের অপরাজিত ৩১ রানের ঝড়ো ইনিংসে ৬ উইকেটে ৩৯৭ রানের পাহাড় গড়ে ইংল্যান্ড।

কাউনিয়া উপজেলা পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

কাউনিয়া উপজেলা পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

admin June 19, 2019

মিজানুর রহমান
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলা পরিষদের ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ জুন) বীর মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুনশি অডিটোরিয়ামে এ বাজেট ঘোষণা সভা অনুষ্ঠিত হয়।


উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম মায়া’র সভাপতিত্বে বাজেট সভায় বক্তব্য রাখেন ইএএলজি প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী মাহাবুব উল ইসলাম, সহকারি কমিশনার (ভুমি) জেসমিন নাহার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আঙ্গুরা বেগম, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম প্রমূখ।


আয়োজনে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন দাতা সংস্থার প্রতিনিধি সূজানিভি মুলার, সাইদুর রহমান মোল্লা ও নাদিম রহমান।


এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ি, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ সূধীবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ১১ কোটি ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৫ শত ৬৮ টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উলফৎ আরা বেগম।


এসময় চলতি অর্থবছরের আয়-ব্যয় হিসাব পর্যালোচনা শেষে পরবর্তী ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা করা হয়।


আগামী অর্থবছরের এ বাজেটে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা, যোগাযোগ, কৃষি উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা, পয়ঃ নিস্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা, অবকাঠামো নির্মাণ ও সংস্কার, শিশু ও নারীদের অধিকার রক্ষা, খেলাধুলাসহ সামাজিক উন্নয়ন গুরুত্ব পায়।

Image Gallary

 
1 / 3
   
Caption Text
 
2 / 3
   
Caption Two
 
3 / 3
   
Caption Three