ঠাকুরগাঁওয়ে ৮ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

ঠাকুরগাঁওয়ে ৮ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

admin June 23, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মোহাম্মদপুর গিলাবাড়ীতে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ব্যাপারে শুক্রবার রাতে ভিকটিমের বাবা ঠাকুরগাঁও সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।


অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গিলাবাড়ি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের ভূট্টাক্ষেতে শুকনো ভুট্টার খড়ি সংগ্রহ করতে যায়। এসময় একই এলাকার মোহাম্মদ মোতালেবের ছেলে সবুজ ও তার সঙ্গী সাইফুল, বাবুসহ বেশ কয়েকজন ছাত্রীটিকে জোর করে ভুট্টাক্ষেতের ভেতর নিয়ে প্রথমে সবুজ ধর্ষণ করে। পরে তার অন্য সঙ্গীরাও ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।


এ সময় প্রতিবেশি কালু ও ওসমান পাওয়ার টলি নিয়ে পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। মেয়েটির চিৎকারে তারা ঘটনা বুঝতে পেরে ধর্ষকদের ধাওয়া করেন। এসময় বখাটে সবুজ ও তার সঙ্গীরা পাল্টা তাদের ওপর চড়াও হয়। এতে গুরুতর আহত হন কালু ও ওসমান। বর্তমানে তারা আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।


এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি (তদন্ত) চিত্ত রঞ্জন রায় জানান, ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে ধর্ষকসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

দাদিকে বেঁধে মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণ

দাদিকে বেঁধে মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণ

admin June 23, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
মৌলভীবাজারে ঘরের মধ্যে দাদিকে বেঁধে রেখে উঠানে নিয়ে মাদ্রাসাছাত্রীকে (১২) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত ১৫ জুন রাতে সদর উপজেলার কাগাবলা ইউনিয়নে অথানগিরি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।


মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আলমগীর হোসেন ঘটনান সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ধর্ষণের শিকার ওই মাদ্রাসাছাত্রীর মা বাদী হয়ে দু’জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।


মামলার আসামিরা হলেন- জাহিদ মিয়া (৩০) ও রাব্বি মিয়া (২৮)। ভুক্তভোগী ওই কিশোরী স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।


ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রীর মা জানান, গত ১৫ জুন মেয়েকে দাদির কাছে রেখে আত্মীয়র বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। ওইদিন গভীর রাতে দাদির পাশে ঘুমিয়েছিল ওই কিশোরী। এ সময় অভিযুক্ত জাহিদ মিয়া ও রাব্বি মিয়া টিনের বেড়া কেটে ঘরে ঢুকে। পরে ওই কিশোরী ও তার দাদিকে বেঁধে ফেলে তারা। পরে তারা ঘর থেকে বের করে উঠানে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ করে।


এসময় ওই কিশোরীর মুখ বেঁধে রাখে তারা। এক পর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে ওই কিশোরী। ভোরবেলা জ্ঞান ফেরার পর দাদির বাঁধন খুলে মাকে ফোন করে জানায় সে। বর্তমানে ভুক্তভোগী ওই মাদ্রাসা ছাত্রী মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।


মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো.ইমরান হোসেন জানান, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।


এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসামি রাব্বীর চাচা খুরশেদ মিয়া ও স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন। এছাড়া ধর্ষণের শিকার ওই মাদ্রাসাছাত্রীর পরিবারকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকিও দেয়া হচ্ছে।

জাতীয় পার্টি ঘুরে দাঁড়িয়েছে -জিএম কাদের

জাতীয় পার্টি ঘুরে দাঁড়িয়েছে -জিএম কাদের

admin June 23, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
জাতীয় পার্টির (জাপা) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, জাতীয় পার্টি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় পার্টি এখন অনেক বেশি শক্তিশালী এবং সুশৃঙ্খল।


তিনি বলেন, জাতীয় পার্টিকে সাধারণ মানুষের আস্থার পার্টিতে পরিণত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। আর এ কারণেই পার্টির তৃণমূল নেতা-কর্মীদের প্রাণবন্ত রাখতে দায়িত্বশীল সব নেতারা এক হয়ে কাজ করবেন।


শনিবার সকালে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্যদের যৌথসভায় তিনি একথা বলেন। কাদের বলেন, যারা জাতীয় পার্টির জন্য নিবেদিতভাবে কাজ করবে তাদের নেতৃত্বের বিকাশে যথাযথ মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হবে। দেশ ও মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অটুট রাখতে সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।


সভায় জাপার মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দল গোছানোর এখনই প্রকৃত সময়। কোন আসনে কে নির্বাচন করবে, তা এখনই নির্ধারণ করে সম্ভাব্য প্রার্থীর নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে।


তিনি বলেন, যারা জাতীয় পার্টির নেতৃত্ব দেবেন তাদের তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানে সমৃদ্ধ হতে হবে। তাদের কাছে তৃণমূলের সব তথ্য থাকতে হবে। আগামী ২৪ থেকে ২৭ জুন অনুষ্ঠেয় বিভাগীয় সাংগঠনিক সভা সফল করতে সবার প্রতি আহবান জানান রাঙ্গা। জাপার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর কাদেরের আহŸানে এটাই প্রথম প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্যদের যৌথসভা।


সভায় চলমান রাজনীতির মূল্যায়ন এবং আগামী দিনে জাপার পথচলার বিভিন্ন কর্মকৌশল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দলকে আরো শক্তিশালী করতে উপস্থিত প্রেসিডিয়াম সদস্যরা খোলামেলা আলোচনা করেন এবং শীর্ষ নেতাদের পরামর্শ দেন।


সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, আবুল কাশেম, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, অ্যাডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, সালমা ইসলাম এমপি, সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুল মান্নান, মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, মো. আজম খান, সোলায়মান আলম শেঠ, আতিকুর রহমান আতিক, সফিকুল ইসলাম সেন্ট, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, পীরজাদা শাহজাদা আল মনির, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, মো, মিজানুর রহমান, সৈয়দ দিদার বখত, কাজী মামুনুর রশিদ, জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, নাজমা আখতার এমপি, আবদুস সাত্তার মিয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, এমরান হোসেন মিয়া, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. রুস্তম আলী ফরাজী, আদেলুর রহমান ও উপদেষ্টা অধ্যক্ষ রওশন আরা মান্নান প্রমুখ।

লালমনিরহাটে রেললাইনের পাশ থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার

লালমনিরহাটে রেললাইনের পাশ থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার

admin June 23, 2019

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় রেললাইনের পাশে সদ্য প্রসব করা এক নবজাতকের লাশ পড়ে রয়েছে।


শনিবার সকালে লালমনিরহাট বুড়িমারী রেল রুটের আদিতমারী স্টেশনের সেনপাড়া এলাকায় ওই নবজাতকের লাশ পড়ে থাকতে দেখে যায়।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আদিতমারী সেনপাড়া এলাকায় বুড়িমারী লালমনিরহাট রেল লাইনের পাশে একটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পরে সেই ব্যাগের ভেতর একটি নবজাতকের লাশ দেখে থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে আদিতমারী থানা পুলিশ লালমনিরহাট রেলওয়ে থানায় বিষয়টি অবহিত করে। ব্যাগের ভেতর রক্তাক্ত কিছু কাপড়ও রয়েছে।


আদিতমারী থানা ওসি সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে কেউ নবজাতকের লাশটি ব্যাগে করে এনে ট্রেন থেকে এখানে ফেলে গেছে। রেলওয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে লাশ উদ্ধার করবে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

বায়ু দূষণ: দেশে প্রতিবছর পৌনে ২ লাখ মানুষের মৃত্যু

বায়ু দূষণ: দেশে প্রতিবছর পৌনে ২ লাখ মানুষের মৃত্যু

admin June 23, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বায়ু দূষণের কারণে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় এক লাখ ৭৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। এশিয়ায় এ সংখ্যা প্রায় ২৬ লাখ। আর বিশ্বজুড়ে প্রতি ৮ জনের মধ্যে ১ জনের মৃত্যুর কারণ এই বায়ু দূষণ। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শনিবার আয়োজিত এক সেমিনারে পরিবেশ আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা এমনটা জানিয়েছেন।


‘আসুন, বায়ু দূষণ রোধ করি’ স্লোগানে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পরিবেশ অধিদপ্তর মিলনায়তনে ‘বায়ু দূষণ ও করণীয়’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), ওয়াটার কিপার্স বাংলাদেশ, ইকো সোসাইটিসহ ১০টি পরিবেশবাদী সংগঠন এ সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেসরকারি স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান।


তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ও পশ্চিম প্যাসিফিক অঞ্চলের তিনজনের মধ্যে দুইজনের মৃত্যু বায়ু দূষণ জনিত কারণে। প্রতি বছর এশিয়ায় মৃত্যু হয় প্রায় ২৬ লাখ মানুষের। বিশ্বে ৮ জনের মধ্যে একজনের মৃত্যুর কারণও এটি। আর শুধু বাংলাদেশেই প্রতিবছর মারা যায় প্রায় এক লাখ ৭৫ হাজার মানুষ। এছাড়াও যে ১০ টি রোগের কারণে বাংলাদেশে বেশি মানুষের মৃত্যু হয় তার মধ্যে পাঁচটিই বায়ু দূষণ জনিত রোগ।


তিনি বলেন, পাকিস্তানের পর সবচেয়ে বায়ু দূষিত দেশ বাংলাদেশ, আর দিল্লির পর দূষিত শহর ঢাকা। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন শহুরে জনগণ এবং শিশু, দারিদ্র্য এবং বয়স্ক নাগরিকেরা। বাপা’র সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আবদুল মতিন বলেন, চীনের একটি নীতি ছিল যে, আগে উন্নয়ন করি পরে দূষণ সামলাবো। সরকার এমন কোনো নীতিই বাংলাদেশের জন্য নিচ্ছে কিনা সন্দেহ হচ্ছে। উন্নয়ন করতে গিয়ে আমরা পরিবেশকে দূষিত করে ফেলছি। তবে চীন সেটা কাটিয়ে উঠতে পারলেও আমরা পারবো না। তাই এমন নীতি হবে আমাদের জন্য আত্মঘাতী।


কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পগুলোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে কয়লাকে বলা হয় ‘ডার্টি ফুয়েল’। বিদেশি বিশেষজ্ঞরা গ্রাফ দিয়ে দেখিয়ে গেছেন, রামপালের ফলে যে বায়ু দূষিত হবে সেটি ঢাকা, নরসিংদীসহ কলকাতাও পৌঁছাবে। আমরা সরকারকে দেখিয়েছি যে, আমাদের দেশে কয়লা ও পরমাণুভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র দরকার নেই। তবুও সরকার তা শুনছে না।


প্রখ্যাত কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদের সভাপতিত্বে বাপা’র সহ সভাপতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হক বলেন, পরিবেশ রক্ষার দায় সবচেয়ে বেশি সরকারের। কারণ ব্যক্তি পর্যায় থেকে সরকারের পদক্ষেপে অথবা দূষণকারী ব্যক্তি পর্যায়ের কর্মকাÐে সরকারের নির্লিপ্ততার জন্যই পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।


সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেলের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তারা ছিলেন না। সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. এ কে এম রফিক আহম্মদ পরিবেশ সুরক্ষায় নিজ অধিদপ্তরের নানান পদক্ষেপ তুলে ধরেন।


তিনি বলেন, পরিবেশ ও বায়ু দূষণের বিভিন্ন সোর্স আমরা চিহ্নিত করেছি এবং সেগুলোকে আইনের আওতায় এনেছি। আগে বায়ু দূষণের সবচেয়ে বড় সোর্স ছিল ইট ভাটা। এখন সেটি নেই। এখন হচ্ছে যানবাহন ও কারখানা। প্রায় ৭১ শতাংশ ইট ভাটাকে আমরা পরিবেশবান্ধব করেছি অথবা কম দূষণের তালিকায় নামিয়ে আনতে পেরেছি। দেশের ৩৩টি জেলায় এখন পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যালয় আছে, প্রতিটি জেলায় পরিবেশ আদালত আছে। তবে এটা ঠিক যে, আমাদের আরও কাজ করার আছে।


সভায় অন্যান্যের মাঝে বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন। এর আগে অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামানের লেখা ‘সমসাময়িক পরিবেশ ভাবনা’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

মাদ্রাসার চেয়ে সাধারণ শিক্ষায় পড়ুয়ারাই জঙ্গিবাদে বেশি জড়িত

মাদ্রাসার চেয়ে সাধারণ শিক্ষায় পড়ুয়ারাই জঙ্গিবাদে বেশি জড়িত

admin June 23, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
পুলিশ সদর দপ্তর পরিচালিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মাদ্রাসার চেয়ে সাধারণ শিক্ষায় পড়ুয়ারাই জঙ্গিবাদে বেশি জড়িত। শনিবার রাজধানীর ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত ‘প্রিভেন্টিং টেরোরিজম অ্যান্ড এক্সট্রিমিজম থ্রু কমিউনিটি এনগেইজমেন্ট’ শীর্ষক সেমিনারে পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. মনিরুজ্জামান এ তথ্য জানান।


ধারণা করা হয়, সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় পড়ুয়াদের চেয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে জঙ্গিবাদের চর্চা বেশি হয়। কিন্তু সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তর পরিচালিত এক গবেষণা প্রতিবেদন বলছে ভিন্ন কথা। এতে দেখা গেছে মাদ্রাসার চেয়ে সাধারণ শিক্ষায় পড়ুয়ারাই জঙ্গিবাদে বেশি জড়িত।


প্রতিবেদনে বলা হয়, জঙ্গিবাদে জড়িতদের ৫৬ শতাংশই সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষিত, অন্যদিকে জঙ্গিবাদে জড়িতের মধ্যে ২২ শতাংশ এসেছে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় থেকে।


পুলিশ সদর দপ্তর এই গবেষণাটি চালায় ২৫০ জন ব্যক্তির ওপর, যারা ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে জঙ্গিবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক হয়েছেন।


ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আটককৃতদের ৫৬ শতাংশই সাধারণ শিক্ষা ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসেছে আর মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসেছে ২২ শতাংশ। এছাড়া বাকি ২২ শতাংশ ছিল অশিক্ষিত অথবা ইংরেজি মাধ্যম থেকে আসা।


অন্যদিকে ৮০ শতাংশই ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে প্রভাবিত হয়েছে, বাকি ২০ শতাংশ ছিল বন্ধু অথবা পরিচিতদের দ্বারা প্রভাবিত, যোগ করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।


তিনি আরো বলেন, অতএব মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের চরমপন্থী করছে কিনা তা নিয়ে আমাদের চিন্তিত হওয়ার দরকার নেই, যেহেতু আমাদের কাছে আটকৃতদের অধিকাংশই এসেছে সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে।


মনিরুজ্জামান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একা জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বন্ধ করতে পারবে না। দীর্ঘমেয়াদের জন্য জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি; যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আলেম-ইমাম ও সামাজিক কমিউনিটির অংশগ্রহণ প্রয়োজন। আমাদের উচিত বিভিন্ন ধরণের মৌলবাদবিরোধী কার্যক্রম শুরু করা।


অনুষ্ঠানের বক্তারা বলেন, জঙ্গিবাদ রুখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের কাজটি করে যাচ্ছে। কিন্তু এটিই যথেষ্ঠ নয়, কারণ কেবল পুলিশের অভিযান দিয়ে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ সম্ভব নয়। বক্তারা আরও বলেন, যেহেতু ৮০% জঙ্গিই ইন্টারনেটের দ্বারা প্রভাবিত, তাই একটি শক্তিশালী মনিটরিং ব্যবস্থাও গড়ে তোলা প্রয়োজন।

শ্যালিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা পুত্রের, লজ্জায় পিতার আত্মহত্যা

শ্যালিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা পুত্রের, লজ্জায় পিতার আত্মহত্যা

admin June 23, 2019

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় শ্যালিকাকে ধর্ষণ শেষে হত্যার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল কবির জানান, গতকাল ভোরে অষ্টগ্রামে এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মো. নাইম ইসলাম (২৭) সদর উপজেলার নাটাই ইউনিয়নের শালগাঁও গ্রামের বসু মিয়ার ছেলে।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নাইমের বাড়ি থেকে তার শ্যালিকা তামান্নার লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর থেকে নাইম পলাতক ছিলেন।


এদিকে ছেলের অপকর্মের কারণে লজ্জায় আত্মহত্যা করেছে নাঈম ইসলামের পিতা বসু মিয়া (৫০)। শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার গোসাইপুর গ্রাম থেকে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত বসু মিয়া জেলার সদর উপজেলার নাটাই (দক্ষিণ) ইউনিয়নের শালগাঁও গ্রামের মলাই মিয়ার ছেলে।


গত ২০ জুন বসু মিয়ার ছেলে নাঈম ইসলাম (২৭) তার শ্যালিকা তামান্না আক্তারকে (১৫) ধর্ষণের পর হত্যা করে।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, ছেলের ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হওয়ার ভয়ে বসু মিয়া বাড়ি ছেড়ে গোসাইপুর গ্রামের তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে চলে আসেন। ঘটনাটি নিয়ে তিনি হতাশায় ভুগছিলেন।


প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ভোরে আত্মীয়ের বাড়ির পাশে একটি গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বসু মিয়া।


উলে­খ্য, নাঈম তার বাবা বসু মিয়ার সঙ্গে জেলা শহরের সড়ক বাজারে নৈশপ্রহরীর কাজ করেন। গত ১৭ জুন শ্যালিকা তামান্নাকে খবর দিয়ে বাড়িতে আনেন নাঈম।


বুধবার রাতে বসু মিয়া কাজে গেলেও নাঈম যাননি। নাঈমের স্ত্রী স্মৃতি কাজে না যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে নাঈম জানান তিনি সকালে ঢাকা থেকে তার মাকে আনতে যাবেন।


রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাঈম আমের জুস নিয়ে তার মেয়ে জান্নাতকে খাওয়ান। জুস খেয়ে জান্নাত ঘুমিয়ে পড়ে। এরপর তামান্নাকেও জুস খেতে বললে তামান্না জুস না খাওয়ায় স্মৃতি সেই জুস খান। জুস খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতি অচেতন হয়ে পড়েন।


সকালে ঘুম থেকে ওঠে তামান্নাকে ডাক দিলেও সে কোনো সাড়া দেয়নি। এরপর তামান্নার কাছে গিয়ে দেখেন তার শরীর রক্তাক্ত।


খবর পেয়ে গ্রামের এক সর্দার বাড়িতে আসলে নাঈম পালিয়ে যান। নাঈম ধর্ষণের পর তামান্নাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেন স্ত্রী স্মৃতি।


এ ঘটনায় অভিযুক্ত নাঈম শনিবার ভোরে সদর থানা পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর শ্যালিকাকে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিরাট কোহলির দলকে ঘাম ঝরিয়ে ছাড়লো আফগানরা

বিরাট কোহলির দলকে ঘাম ঝরিয়ে ছাড়লো আফগানরা

admin June 23, 2019

নিউজবিডি ডেস্ক:
বিরাট কোহলির ভারতকে রীতিমতো ঘাম ঝড়িয়ে ছাড়ল আফগানিস্তান। ব্যাট-বল দুদিক থেকেই লড়াকু অবস্থানে ছিল বিশ্বকাপের অন্যতম নবীন এই প্রতিপক্ষ। বিরাট কোহলি ও কেদার যাদবের হাফসেঞ্চুরি সত্বেও ভারত ৮ উইকেটে ২২৪ রানের বেশি করতে পারেনি।


জবাব দিতে নেমে আফগানিস্তান লড়াই করেছে শেষ পর্যন্ত। তবে ভারতের অভিজ্ঞতার কাছে হার মানতে হয়েছে আফগানদের। শেষ ওভারে সামির হ্যাটট্রিকে এক বল বাকি থাকতেই আফগানিস্তান অলআউট হয়েছে ২১৩ রানে। ১১ রানের জয়ে ভারত তাই কোনোমতো সম্মান রক্ষা করে।


আশা জাগিয়েও হেরে যাওয়ায় প্রথম ছয় ম্যাচেই পয়েন্ট বঞ্চিত থাকল আফগানিস্তান। স্বাভাবিকভাবেই তাদের অবস্থান তলানিতেই থাকল। অপরদিকে ভারত পাঁচ ম্যাচ থেকে চারটিতে জয় পেয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় তারা ৯ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে তৃতীয় স্থানে। ভারতের উন্নতিতে চারে নেমে গেছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড।


২২৫ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়েও শুরু থেকেই চাপে ছিল আফগানিস্তান। শুরু থেকেই দলটির নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতন হয়। দলীয় ২০ রানে মোহাম্মদ সামির বলে হযরতুল্লাহ বোল্ড হয়ে যান। আর দলীয় ৬৪ রানে গুলবাদিন নাইবকে (২৭) ফেরান হার্দিক পান্ডে। দলীয় ১০৬ রানে পরপর দুটি উইকেট পতন হয় আফানদের। রহমত শাহ ও হাসমতউল্লাহ শাহিদী। রহমত ৩৬ ও হাসমত ২১ রান করেন।


পরবর্তী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে মোহাম্মদ নবী লড়াই করেছেন শেষ পর্যন্ত। ৫৫ বল থেকে ৫২ রানের দারুণ ইনিংস খেলে শেষ পর্যন্ত আফগানিস্তানের আশাটা তিনিই বাঁচিয়ে রাখেন। এছাড়া নাজিবুল্লাহ জাদরান ২৩ বল থেকে ২১ এবং রশিদ খান ১৬ বল থেকে ১৪ রান করেন। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ সামি নেন চার উইকেট। এর মধ্যে শেষ ওভারে তিনি হ্যাটট্রিক করেন।


এর আগে সাউদাম্পটনে টস জিতে শুরুতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। পঞ্চম ওভারে এসে দলীয় ৭ রানে রোহিত শর্মা ফিরেন রানের খাতা খোলার পরই। দলীয় ৬৪ রানে এসে ভারতের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নিলেন মোহাম্মদ নবী। কিছুটা ধীরগতিতে খেলা লুকেশ রাহুল ৫৩ বল থেকে ৩০ রান করে এ সময় আউট হন। সেই ধারাবাহিকতায় দলীয় ১২২ রানে ফিরেন বিজয় শঙ্কর। রহমত শাহের বলে এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে পড়ে মাঠ ছাড়ার আগে তিনি ৪১ বল থেকে ২৯ রান করেন।


অন্য ব্যাটসম্যানদের ধীরগিতর ব্যাটিংয়ের মধ্যেও ব্যতিক্রম ছিলেন বিরাট কোহলি। রানের চাকা ঘুরানোর চেষ্টা করেছেন। তবে মোহাম্মদ নবীর বলে রহমত শাহ’র হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরলে থামে কোহলির সেই প্রচেষ্টা। আউট হওয়ার আগে ৬৩ বল থেকে সাতটি চারের মারে ৬৭ রান করেন তিনি।


তখনও ভারতের ভরসা হিসেবে ছিলেন এমএস ধোনি। দলীয় ১৯২ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হয়ে যান তিনি। আউট হওয়ার আগে ৫২ বল থেকে ২৮ রান সংগ্রহ করেন তিনি। এরপর কেদার যাদব চেষ্টা করেছেন। ৬৮ বল থেকে ৫২ রান করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভার শেষে ভারত ৮ উইকেটে ২২৪ রান করতে সক্ষম হয়। মোহাম্মদ নবী ও গুলবাদিন নায়েব দুটি করে উইকেট নেন।

শীর্ষ ৩০০ ঋণ খেলাপির তালিকা প্রকাশ

শীর্ষ ৩০০ ঋণ খেলাপির তালিকা প্রকাশ

admin June 23, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বাংলাদেশের শীর্ষ ৩০০ ঋণ খেলাপির তালিকা সংসদে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। একই সঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানির কাছ থেকে পাঁচ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছেন, এমন ১৪ হাজার ৬১৭ জনের পূর্ণাঙ্গ তথ্যও দিয়েছেন তিনি। শনিবার সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মো. ইসরাফিল আলমের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তালিকা দেন।


শীর্ষ ১০ ঋণ খেলাপির মধ্যে আছে- চট্টগ্রামের সামানাজ সুপার অয়েল (এক হাজার ৪৯ কোটি টাকা), গাজীপুরের গ্যালাক্সি সোয়েটার অ্যান্ড ইয়ার্ন ডায়িং (৯৮৪ কোটি), ঢাকা সাভারের রিমেক্স ফুটওয়্যার (৯৭৬ কোটি), ঢাকার কোয়ান্টাম পাওয়ার সিস্টেম (৮২৮ কোটি), চট্টগ্রামের মাহিন এন্টারপ্রাইজ (৮২৫ কোটি), ঢাকার রূপালী কম্পোজিট (৭৯৮ কোটি), ঢাকার ক্রিসেন্ট লেদার ওয়্যার (৭৭৬ কোটি), চট্টগ্রামের এস এ অয়েল রিফাইনারি (৭০৭ কোটি), গাজীপুরের সুপ্রভ কম্পোজিট নিট (৬১০ কোটি), গ্রামীণ শক্তি (৬০১ কোটি)। শীর্ষ ৩০০ ঋণ খেলাপির কাছে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাওনা আছে ৫০ হাজার ৯৪২ কোটি টাকা। ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৫ কোটি টাকার বেশি ঋণ নেওয়া ১৪ হাজার ৬১৭ জনের বড় একটি অংশ ঋণ খেলাপি, যাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ এক লাখ ১৮৩ কোটি টাকা।


আরেক এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৩৯ মাসে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৪৩ হাজার ২১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা। এ সময়ে ঋণ খেলাপির সংখ্যা বেড়েছে ৫৮ হাজার ৪৩৬ জন। সংসদ সদস্য লুৎফুন নেসা খান তার প্রশ্নে ২০০৯ সালে ঋণ খেলাপি কত ছিল ও তাদের কাছে প্রাপ্ত ঋণের পরিমাণ এবং ২০১৮ সালে ওই সংখ্যা ও অর্থের পরিমাণও জানতে চেয়েছিলেন।


তবে অর্থমন্ত্রীর উত্তরে বলা হয়, ডাটা ওয্যারহাউজ না থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি ডাটাবেইজে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরের পূর্বের তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ২০০৯ সালের ঋণের তথ্য দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে লুৎফুন নেসার প্রশ্নের জবাবে ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত ঋণ খেলাপি ও তাদের ঋণের পরিমাণ সংসদকে জানান অর্থমন্ত্রী। এ প্রশ্নের জবাবে জানানো হয়, সেপ্টেম্বর ২০১৫ সালে ঋণ খেলাপির সংখ্যা ছিল এক লাখ ১১ হাজার ৯৫৪ জন এবং তাদের কাছে ঋণের পরিমাণ ছিল ৫৯ হাজার ১০৫ কোটি টাকা। আর ডিসেম্বর ২০১৮ সালে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ খেলাপির সংখ্যা এক লাখ ৭০ হাজার ৩৯০ এবং অর্থের পরিমাণ এক লাখ ২ হাজার ৩১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা।


আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এবাদুল করিমের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে অর্থমন্ত্রী জানান, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে হতদরিদ্র কৃষকদের বিনা সুদে ঋণ দেওয়া হয়নি। অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে হতদরিদ্র কৃষকদের বিনা সুদে ঋণ দেওয়া হয়নি। ব্যাংক আমানতকারীদের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থ গ্রাহকদের মধ্যে ঋণ হিসেবে বিতরণ করে থাকে। সংগৃহীত আমানতের উপর ব্যাংকের মাধ্যমে আমানতকারীদের সুদ দিতে হয় বলে ব্যাংকের পক্ষে বিনাসুদে ঋণ বিতরণ করা সম্ভব হয় না। আওয়ামী লীগের আরেক সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরে দেশে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধরণ করা হয়েছে, যার পরিমাণ ২,৮০,০৬৩ (দুই লাখ আশি হাজার তেষট্টি) কোটি টাকা (সংশোধিত)। বিগত অর্থবছরে (২০১৭-১৮) এ লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ২,২৫,০০০ (দুই লাখ পঁচিশ হাজার) কোটি টাকা। আহরণ হয়েছে ২,০২,৩১৪.৯৪ (দুই লাখ দুই হাজার তিনশত চৌদ্দ দশমিক নয় চার) কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।


সরকার দলীয় সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে গত বছরে (জানুয়ারি ২০১৮-ডিসেম্বর ২০১৮) ছয় হাজার ১৬৩টি ঋণ হিসাবের বিপরীতে এক হাজার ১৯৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা সুদ মওকুফ করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, সব চেয়ে বেশি সুদ মওকুফ করেছে অগ্রণী ব্যাংক। এ ব্যাংকটি ২০০৮টি ঋণের বিপরীতে ৪৯৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা সুদ মওকুফ করেছে। আর বাংলাদেশ ডেভোলপমেন্ট ব্যাংক কোনও সুদ মওকুফ করেনি। অন্যান্য ব্যাংকগুলোর মধ্যে কৃষি ব্যাংক ৬৬টি ঋণ হিসাবের বিপরীতে ৪৩৫ কোটি ৯৬ লাখ, রূপালী ব্যাংক ২০৩টি ঋণ হিসাবের বিপরীতে ১৩৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা, সোনালী ব্যাংক ১৪টি ঋণ হিসাবের বিপরীতে ৭৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, জনতা ব্যাংক ২৪৭৩টি ঋণ হিসাবের বিপরীতে ৫৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ১৩৮০টি ঋণ হিসাবের বিপরীতে ৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা এবং বেসিক ব্যাংক ১৯টি ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে এক কোটি ৬৯ লাখ টাকা সুদ মওকুফ করেছে।

চরম ভোগান্তিতে রৌমারীর ১১ গ্রামের মানুষ

চরম ভোগান্তিতে রৌমারীর ১১ গ্রামের মানুষ

admin June 23, 2019

রৌমারী প্রতিনিধি
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার জিঞ্জিরাম নদীর ব্রিজ নির্মাণ শেষ না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ১১ গ্রামের ২২ হাজার মানুষ।


স্থানীয়দের অভিযোগ, ইজলামারী নামক এলাকায় জিঞ্জিরাম নদীর উপর ব্রিজটি নির্মাণে ঠিকাদারের গাফিলাতিতে ব্রিজ নির্মাণ দেরি হচ্ছে। এতে মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। একমাত্র এই ব্রিজটিই রৌমারী উপজেলার সাথে যোগাযোগের মাধ্যম ওই গ্রামগুলো।


জানা যায়, এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন স্কুল কলেজের পড়ুয়া শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে থাকেন। ইজলামারী নদীর উপর সাবেক এমপি রুহুল আমিনের সরকারী বরাদ্দ দেয়া ব্রিজটি নির্মাণ কাজে দেরি হওয়ায় যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন বড়াইবাড়ী, ঝাউবাড়ী, পুর্ব বারবান্দা, চুলিয়ারচর, বাওয়াইর গ্রাম, বকবান্দা, খেওয়ারচর, পূর্ব দুবলাবাড়ী, পাটা ধোয়াপাড়া, চর কলাবাড়ী, কলাবাড়ী, দুবলাবাড়ীসহ প্রায় ১১টি গ্রামের মানুষ।


লাকাবাসি দীর্ঘদিন থেকে জিঞ্জিরাম নদীতে নৌকা কিংবা বাঁশের সাঁকো দিয়ে হাট-বাজার স্কুল,কলেজে চলাচল করছে। দীর্ঘদিনের জিঞ্জিরাম নদীর উপরব্রিজের দাবীতে ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য রুহুল আমিনের প্রচেষ্টায় এলাকার মানুষের একটিব্রিজের বরাদ্দ পাশ করেন যাহা ৪কোটি ৮২ লাখ টাকা। গত ২০১৭ সালের শেষের দিকেব্রিজটির নিমার্ণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারের গাফিলাতিতে অদ্যবধিব্রিজের নিমার্ণ কাজটি শেষ হয়নি।


এ বিষয়ে সাবেক এমপি রুহুল আমিনের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি এমপি হওয়ার পরপরেই এ এলাকার মানুষের ইজলামারী নামক এলাকায় জিঞ্জিরাম নদীর উপর দীর্ঘদিনের দাবী এবং আমার বাড়ীও তাদের সাথে। ফলে সেই সুবাদে এমপি হয়েই প্রথমেই জিঞ্জিরাম নদীর উপরব্রিজের বরাদ্দ এনে দেওয়া হয়, তা টেন্ডারের মাধ্যমে ঠিকাদার কাজটি পায়।


গত ২০১৭ সালের শেষের দিকেব্রিজ নিমার্ণ কাজটি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নসহ এলাকার জনমানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। উদ্ধোর্তন কর্তৃপক্ষের নিকট এলাকাবাসীর পক্ষে আমার দাবী যতো দ্রুত সম্ভবব্রিজটির নিমার্ণ কাজ শেষ করে এলাকার মানুষের চলাচলের ভোগান্তি নিরসন করা হউক।

দিনাজপুরের ২৯ টি ইটভাটার বিরুদ্ধে মামলা

দিনাজপুরের ২৯ টি ইটভাটার বিরুদ্ধে মামলা

admin June 23, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
ইটভাটার জাল আদেশ ও নথি তৈরির ঘটনায় উচ্চ আদালতের নির্দেশে দিনাজপুরের ২৯টি ইটভাটার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এই মামলায় ৩১ জনকে আসামি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে পার্বতীপুর মডেল থানায় এসআই আবদুল হামিদ মামলাটি দায়ের করেন। গতকাল শুক্রবার রাতে দিনাজপুরের পুলিশ সুপার সৈয়দ আবু সায়েম এ কথা জানান।


জানা যায়, গত মার্চ মাসের শেষের দিকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার হয়বতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে যমুনা ইটভাটার কারণে শ্বাসকষ্টসহ নানাবিধ সমস্যার কথা উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বরাবর চিঠি লিখেছিল দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী মাইশা মনওয়ারা মিশু। চিঠিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন এবং নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ওই শিশুর সঙ্গে কথা বলেন। পরে জেলা প্রশাসককের নির্দেশে ভাটাটি বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু পদক্ষেপ নিতে গিয়ে স্থানীয় প্রশাসন দেখে লাইসেন্স না থাকলেও উচ্চ আদালতে করা রিটের মাধ্যমে যমুনা ইট ভাটাটি চলছে।


মামলা সূত্রে জানা যায়, হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে ইটভাটা নিয়ে শিশুর উদ্বেগের খবর তুলে ধরে রিট করে রাষ্ট্রপক্ষ। রিটের চুড়ান্ত শুনানিতে দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে পাওয়া একাধিক আদেশ আদালতের নজরে আনে রাষ্ট্রপক্ষ। এ সময় ২০১৭ সালের ২৫ আক্টোবরের ২২ জন ও ২০১৮ সালের ১৯ নভেম্বরের ২৬ জন আবেদনকারীর স্বাক্ষরিত দুটি রিট আদলতের নজরে আনা হয়। এরপর আদালত সংশ্লিষ্ট শাখার সুপারকে ডেকে রিট আবেদন ও রাষ্ট্রপক্ষের দেখানো আদেশের নথি সরবরাহের জন্য মৌখিত নির্দেশ দেন।


এছাড়াও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছ থেকে ওই মামলা দুটির আদেশের নকল সংগ্রহেরও নির্দেশ দেন আদালত। পরে সংগ্রহ করা ওই মামলা দুটির আদেশের নকলের ফটোকপি যাচাই করে দেখা যায় নকলগুলো রিট শাখা থেকে সরবরাহ করা হয়নি। এতে সংশ্লিষ্টদের যে স্বাক্ষর রয়েছে তাও জাল। এ ঘটনায় গত ৩০ এপ্রিল উচ্চ আদালত ৩১টি ইটভাটার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের আদালতে হাজিররা নিশ্চিত করাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিন জেলার (দিনাজপুর, রংপুর ও নীলফামারী) পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেন।


গত ২০ মে ওই বেঞ্চ ৩১টি ইটভাটার মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করতে পুলিশ সুপারদের আদেশ দেন। এছাড়াও বিষয়টি তদন্ত করে জাল আদেশ তৈরির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি)নির্দেশ দেন। আগামি ২৫ জুনের মধ্যে আদেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।


মামলায় যেসব ইটভাটার মালিককে আসামি করা হয়েছে তারা হলেন, দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার যমুনা ব্রিকসের সত্ত্বাধিকারী হাসান শাহরিয়ার, আরবি ব্রিকসের রবিউল আলম মুন্সী, এইচবি ব্রিকসের এজেডএম রেজওয়ানুল হক, অর্নব ব্রিকসের নুর আলম ও ইব্রাহীম আলী মন্ডল, বারী ব্রিকসের ফখরুল ইসলাম শাহ, এআরবি ব্রিকসের রেজওয়ানুল হক, আরটি ব্রিকসের মো. তাশরিফুল, এসএ ব্রিকসের আমানুল্লাহ প্রামাণিক, জেএস ব্রিকসের শাহরিয়ার ইফতেখারুল আলম চৌধুরী, ফাইভ ষ্টার ব্রিকসের নজরুল ইসলাম, হক ট্রেডার্সের জিকরুল হক, মাইশা ব্রিকসের রেজাউল ইসলাম, এসপি ব্রিকসের পলাশ কুমার রায়, শফী ব্রিকসের শফিকুল ইসলাম, আজাদ ব্রিকসের আবুল কালাম আজাদ, হামিদ অ্যান্ড সন্স ব্রিকসের মোকারম হোসেন।


ফুলবাড়ী উপজেলার রহমান ব্রিকসের সত্ত্বাধিকারী এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ওরফে মিল্টন, নবী ব্রিকসের মাসুদুর রহমান চৌধুরী, এলএইচবি ব্রিকসের লোকমান হাকিম, এসবি ব্রিকসের মঞ্জুরী-ইশ-শাহাদৎ। বিরল উপজেলার এমবি ব্রিকসের মাসুদ রানা, এএম ব্রিকসের রবিউল হাসান, চিরিরবন্দর উপজেলার এনএইচ ব্রিকসের নাজমুল হুদা, আরএ ব্রিকস-১ এবং আরএ ব্রিকস-২ এর রফিকুল ইসলাম।


দিনাজপুর সদরের পিআর ব্রিকসের পলিন চন্দ্র রায়, এআর ব্রিকসের মাহফুজুল হক আনার, কাহারোল উপজেলার এএস ব্রিকসের এসএম হায়দার। নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার এনআরবি ব্রিকসের শফিকুর রহমান এবং রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার কাজী ব্রিকসের কুদরতি খুদা ও আসাদুজ্জামান।

ঠাকুরগাঁওয়ে অনুর্দ্ধ-১২ ক্রিকেট কার্নিভাল অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ে অনুর্দ্ধ-১২ ক্রিকেট কার্নিভাল অনুষ্ঠিত

admin June 23, 2019

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁওয়ে অনুর্দ্ধ-১২ ক্রিকেট কার্নিভাল-২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা ঠাকুরগাঁওয়ের আয়োজনে গতকাল শুক্রবার দিনব্যপী ঠাকুরগাঁও বড়মাঠে এ ক্রিকেট কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হপ্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলোন, জেলা প্রশাসক ঠাকুরগাঁও ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম।


এ সময় জেলা ক্রীড়া সংস্থা সাধারণ সম্পদাক মাছুদুর রহমান বাবু ঠাকুরগাঁওয়ের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।


খেলা শেষে প্রধান অতিথি বিজয়ীদের হাতে পুরুস্কার তুলে দেন।

কুড়িগ্রাম-২ আসনের এমপি পনির উদ্দিন আহমেদের নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন

কুড়িগ্রাম-২ আসনের এমপি পনির উদ্দিন আহমেদের নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন

admin June 23, 2019

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য এমপি পনির উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রামের নদী ভাঙা মানুষের জন্য তার বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে। নদী ভাঙন ঠেকাতে এবং নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে সরকার নদী খনন ও তীররক্ষা কর্মকান্ডে মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে।


এ মেগা প্রকল্পে কুড়িগ্রাম অন্যতম অবস্থানে রয়েছে। এ প্রকল্পের আওয়তায় তিস্তা, ধরলা এবং ব্রহ্মপূত্র নদের বিভিন্ন ভাঙ্গন এলাকায় নদী শাসন করা হবে।


শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় কুড়িগ্রাম-২ আসনের এমপি পনির উদ্দিন আহমেদ জেলার রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের কালিরহাট, দাড়িয়ার পাড়, এবং ছিনাই ইউনিয়নের কালুয়ার চরে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় ভাঙ্গনের শিকার অর্ধশতাধিক মানুষ তাকে জড়িয়ে ধরে কান্না জড়িত কন্ঠে নদী ভাঙনের প্রতিকার চান।


তিনি উপস্থিত নদী ভাঙা মানুষদের শীঘ্রই নদীর ভাঙন রোধে আশ্বাস দিয়ে বলেন- প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রামের নদী ভাঙা মানুষের জন্য তার বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে।


এ জন্য তিনি কুড়িগ্রামের নদী শাসনে ৭’শ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। এই বরাদ্দ বাস্তবায়ন হলে কুড়িগ্রামকে চিরদিনের জন্য নদী ভাঙন থেকে মুক্ত করা সম্ভব।


ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মোঃ মাহফুজার রহমান, উত্তরাঞ্চল-রংপুরের প্রধান প্রকৌশলী যতি প্রসাদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ, কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আরিফুল ইসলাম, রাজারহাট উপজেলা চেয়ারম্যান বাপ্পী সরওয়ার্দী, জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক নবাব আলী, সাংবাদিক রাশিদুল ইসলাম প্রমূখ।

ফুলবাড়ীতে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

ফুলবাড়ীতে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

admin June 23, 2019

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের পূর্ব শ্যামপুর গ্রামের জেলে পাড়ায়। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী বাদী হয়ে ফুলবাড়ী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন ধর্ষকের বিরুদ্ধে ।


ওই এলাকার ছয়ফুর ইসলাম ও লতিফ সরকার জানান যায়, ঝালু বিশ্বাসের মেয়ে ও গাগলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী পার্শ্ববর্তী হযরত আলীর বাড়িতে সুপারি কুড়াতে যায়। এ সময় কৌশলে জাবদুল হোসেন (৫০) ওই কিশোরীর মুখ চেপে ধরে বাড়ি সংলগ্ন পাটক্ষেতে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় তার আর্তচিৎকারে লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হলে জাবদুল পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।


জাবদুল ওই এলাকার নাড়িয়া বাজারির ছেলে। সে পাঁচ সন্তানের জনক।


এদিকে দিনভোর স্থানীয় মাতব্বরা সালিশী বৈঠক করার পর দেনদরবারে সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় বাধ্য হয়ে মামলা দায়েরের জন্য মেয়েটিকে শনিবার থানায় পাঠানো হয়।


কাশিপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আফছার হোসেন জানান এটি একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। এর উপযুক্ত বিচার হওয়ার দরকার। তা না হলে ধর্ষণের ঘটনা দিন দিন বেড়ে যাবে ।


ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার ফুয়াদ রুহানী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুড়িগ্রামে পাঠানো হয়েছে ।

কুড়িগ্রামে দিনমজুরের লাশ উদ্ধার, মৃত্যু নিয়ে রহস্য

কুড়িগ্রামে দিনমজুরের লাশ উদ্ধার, মৃত্যু নিয়ে রহস্য

admin June 23, 2019

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের পূর্ব-ধনিরাম মোহাম্মদপুর বাজার সংলগ্ন শ্বশুর বাড়ি থেকে এক দিনমজুরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।


শনিবার গলায় প্লাস্টিকের রশি প্যাঁচানো শয়ন ঘরের একটি বাঁশের সঙ্গে বাঁধা নিহত ব্যক্তির দুই হাটু মাটিতে পড়ে থাকায় এটি হত্যা না আত্মহত্যা এ নিয়ে এলাকায় প্রশ্নের সৃষ্টি হয়। নিহত দিনমজুর ফুলবাড়ী উপজেলার শিমুলবাড়ি ইউনিয়নের টেপড়ির বাজার এলায়।


এলাকাবাসীর ধারনা, স্ত্রীর যন্ত্রণায় কাতর হয়ে দিনমজুর মতিয়ার রহমান আত্মহত্যার করতে পারেন অথবা তাকে মেরে লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে তার শুশুর বাড়ির লোকজন। এলাকাবাসী পুলিশের কাছে এর সঠিক তদন্ত দাবি করেছেন।


এ ব্যাপারে ফুলবাড়ী থানার ওসি খন্দকার ফুয়াদ রুহানী জানান, ঘটনাস্থলে থেকে দড়িতে ঝুলে থাকা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের সুরতহাল রির্পোট ও তদন্ত স্বাপেক্ষে বোঝা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা। পরবর্তীতে এর উপর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আক্কেলপুরে ট্রেনের সাথে সংঘর্ষে ভটভটি সংঘর্ষ, নিহত ১

আক্কেলপুরে ট্রেনের সাথে সংঘর্ষে ভটভটি সংঘর্ষ, নিহত ১

admin June 23, 2019

জয়পুরহাট প্রতিনিধি:
জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে মুরগীবাহী ভটভটি ও ট্রেনের সাথে সংঘর্ষে ১ জন নিহত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় আক্কেলপুর উপজেলাধীন রুকিন্দিপুর ইউনিয়নের কানুপুর নাপিতপাড়া রেল ক্রসিং পার হবার সময় ঘটনাটি ঘটে।

এলাকাবাসী জানায়, জয়পুরহাট সদর উপজেলার জামালপুর এলাকার মোঃ আব্দুস সালামা (৩৪) দির্ঘদিন থেকে মুরগীর ব্যবসা করে আশাকালিন অদ্যই সকালে তিলকপুর বাজার থেকে বিভিন্ন এলাকার মুরগী দোকানিদের নিকট মুরগী ডেলিভারি করে উক্ত রেলক্রসিং মুরগীবাগি ভটভটি নিয়ে পার হবার সময় চিলাহাটি থেকে ছেরে আসা রাজশাহী গামী বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের সাথে সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।


জানা গেছে, উক্ত নিহত ব্যক্তির বাড়ি পার্শবর্তী এলাকায় হওয়ায় তার স্বজনরা এসে দ্রুত লাশটি নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।


এ ব্যাপারে সান্তাহার রেলওয়ে থানা সূত্রে জানা গেছে ঘটানর সংবাদ পেয়ে সান্তাহার রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নিহতের স্বজনরা দ্রুত লাশটি নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করায় তার নাম ঠিকানা জানা সম্ভব হয়নি। পরে এ বিষয়ে একটি রির্পোট সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ সুপার এর নিকট প্রেরণ করা হয়েছে।

কাউনিয়ায় মাতলামীর প্রতিবাদ করায় কলেজছাত্রকে হাতুড়িপেটা, গ্রেফতার ৪

কাউনিয়ায় মাতলামীর প্রতিবাদ করায় কলেজছাত্রকে হাতুড়িপেটা, গ্রেফতার ৪

admin June 23, 2019

কাউনিয়া প্রতিনিধি:
রংপুরের কাউনিয়ায় তাড়ী খেয়ে প্রকাশ্যে বাজারে মাতলামীর প্রতিবাদ করায় আনোয়ার হোসেন (২৬) নামে এক কলেজ ছাত্রকে হাতুড়িপেটা করে গুরুতর আহত করেছে মাতালের সঙ্গবদ্ধ চক্র। সে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের বাহাগীলী গ্রামের আব্দুল এর জলিল পুত্র।


এ ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ রাতেই ৪ জনকে গ্রেফতার করেন।


থানা সূত্র জানায়, গত কিছু দিন থেকে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের বাহাগীলী মৌজার সিংহের কুড়া বাজারে রামনাথ গ্রামের মৃত তছলিম উদ্দিনের ছেলে শামছুল হক (৫৬) তাড়ী (এক জাতীয় মাদক) খেয়ে বাজারে প্রকাশ্যে মাতলামী করে নানা রকম অকথ্য ভাষা ব্যবহার করলে এলাকার কলেজ ছাত্র আনোয়ার হোসেন তার প্রতিবাদ করেন।


এরই জের ধরে শুক্রবার (২১ জুন) রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে আনোয়ার হোসেন সিংহের কুড়া বাজারে খরচ করতে গেলে শামছুল হক গং হাতুড়ী ও রড দিয়ে তাকে আকস্মিক আক্রমন করে গুরুতর জখম অবস্থায় মাটিতে ফেলে দিয়ে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।


এঘটনায় থানাপুলিশ শামছুল হক ও তার পুত্র তাজুল ইসলাম, একরামুল হক একরা, জহুরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেছেন। সত্যতা নিশ্চিত করে কাউনিয়া থানার ওসি (তদন্ত) সেলিমুর রহমান জানান, অন্য আসামীদের গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত আছে।

কাউনিয়ায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো উদ্বোধন

কাউনিয়ায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো উদ্বোধন

admin June 23, 2019

কাউনিয়া প্রতিনিধি:
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো শনিবার (২২ জুন) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উদ্বোধন করা হয়েছে। উপজেলার ১৪৮টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে।


ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উলফৎ আরা বেগম। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আসিফ ফেরদৌস প্রমূখ।


এবারে উপজেলায় একযোগে ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সের ২৫ হাজার ৩’শ ৯০ শিশুকে লাল এবং ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৩ হাজার ২’শ ৮৯ শিশুকে নীল ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়।

Image Gallary

 
1 / 3
   
Caption Text
 
2 / 3
   
Caption Two
 
3 / 3
   
Caption Three