মিয়ানমারের মুসলিমবিরোধী বৌদ্ধ বিন লাদেন’র বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

মিয়ানমারের মুসলিমবিরোধী বৌদ্ধ বিন লাদেন’র বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

admin June 09, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
মসজিদকে তিনি বর্ণনা করেন "শত্রুর ঘাঁটি" হিসেবে, তার কাছে মুসলিমরা হচ্ছে "পাগলা কুকুর", মুসলিমদের বিরুদ্ধে তার অভিযোগ "তারা চুরি করে ও বর্মী মহিলাদের ধর্ষণ করে" এবং "গণহারে জন্ম দিয়ে তারা খুব দ্রুত নিজেদের বিস্তার ঘটাচ্ছে।"


তার নাম আশিন উইরাথু। বিশ্বের সবচেয়ে বিতর্কিত বৌদ্ধ ভিক্ষু তিনি। মিয়ানমারে কর্তৃপক্ষ বছরের পর বছর ধরে তাকে রক্ষা করার পাশাপাশি তাকে সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছে। আর একারণেই তিনি মুসলিমদের বিষয়ে দিনের পর দিন এরকম বিদ্রূপাত্মক ও নিন্দাজনক বক্তব্য দিতে সক্ষম হচ্ছেন।


কিন্তু সম্প্রতি তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার-জয়ী ও মিয়ানমারের ডিফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সু চিকে আক্রমণ করার পর দেশটির কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে তিনি তার সীমা ছাড়িয়ে গেছেন এবং এখন তার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।



কিন্তু বিতর্কিত এই বৌদ্ধ ভিক্ষু আসলে কে?


যেভাবে শুরু:
আশিন উইরাথু প্রথম আলোচনায় আসেন ২০০১ সালে যখন তিনি মুসলিমদের মালিকানাধীন ব্যবসা ও দোকানপাট বয়কট করার জন্যে প্রচারণা শুরু করেন।


এরকম একটি প্রচারণা শুরু করার পর ২০০৩ সালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিচারে তার ২৫ বছরের সাজা হয়েছিল। কিন্তু তাকে পুরো সাজা খাটতে হয়নি। সাত বছর পর সরকারের ঘোষিত সাধারণ ক্ষমায় তিনি ২০১০ সালে কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন।


কিন্তু উইরাথুর জেল-জীবন তার মধ্যে কোন পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি, বরং মিয়ানমারের সংখ্যালঘু মুসলিমদের বিরুদ্ধে তিনি তার বিদ্বেষমূলক বক্তব্য অব্যাহত রাখেন।


আশিন উইরাথু তার বক্তব্য বিবৃতিতে বৌদ্ধদের শৌর্য বীর্যের কাহিনী তুলে ধরেন, তার সাথে মিশিয়ে দেন জাতীয়তাবাদের নেশাও।


সাংবাদিকদের সাথে যখন উইরাথু কথা বলেন তখন তিনি খুব শান্তভাবে তাদের প্রশ্নের জবাব দেন ঠিকই, কিন্তু তিনি যখন সভা সমাবেশে বা জনসভায় বক্তব্য রাখেন তখন তিনি অত্যন্ত আবেগপূর্ণ হয়ে উঠেন।


তার কথার প্রতিটি বাক্যে ছড়িয়ে থাকে মুসলমানদের প্রতি ঘৃণা। মিয়ানমারের বিদ্যমান মুসলিম-বিদ্বেষে তার এসব বক্তব্য আরো উস্কানি জোগাতে সাহায্য করে।


মুসলিম পুরুষরা যাতে বৌদ্ধ নারীদের বিয়ে করতে না পারে সেজন্যে একটি আইন তৈরিতেও অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন উইরাথু। ওই আইনে মুসলিম পুরুষের সাথে বৌদ্ধ নারীর বিয়ে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।


"কোন সাপ ছোট হলেও সেটাকে খাটো করে দেখার কিছু নেই। মুসলিমরা ওই সাপের মতো," বলেন তিনি।


ফেসবুকে নিষিদ্ধ:
মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াতে এক পর্যায়ে আশিন উইরাথু সোশাল মিডিয়াও ব্যবহার করতে শুরু করেন। তিনি বলতে থাকেন যে মিয়ানমারে মুসলিম জনসংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকার কারণে বৌদ্ধ সংস্কৃতি হুমকির মুখে পড়েছে।


এরই এক পর্যায়ে ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাকে নিষিদ্ধ করে। ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয় যে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করেই তার এসব বিদ্বেষমূলক পোস্ট।


উইরাথু তখন বিকল্প হিসেবে অন্যান্য সোশাল মিডিয়া ব্যবহারের কথা ঘোষণা করেন।


তিনি বলেন, "ফেসবুক যখন আমার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়, আমি তখন ইউটিউবের উপর নির্ভর করি। আবার ইউটিউব যেহেতু খুব বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে না, সেহেতু আমার জাতীয়তাবাদী কাজ অব্যাহত রাখার জন্যে আমি টুইটার ব্যবহার করবো।"


রুশ সোশাল মিডিয়া এবং নেটওয়ার্কিং সাইট ভিকের মাধ্যমেও তিনি তার অনেক ভিডিও শেয়ার করে থাকেন।


কিন্তু শুধু যে ফেসবুকই তাকে নিষিদ্ধ করেছে তা নয়, এবছরের এপ্রিলে প্রতিবেশী ও বৌদ্ধ অধ্যুষিত দেশ থাইল্যান্ডে তার ধর্মীয় বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু থাই কর্তৃপক্ষ তাতে বাধ সেধেছে।


ভুল বোঝাবুঝি:
উল্কার মতো তার এই জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির কারণে ভুগতে হয়েছে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীকে। তাদের সংখ্যা মিয়ানমারের মোট জনসংখ্যার পাঁচ শতাংশ।


যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনেও উইরাথুকে চিত্রিত করা হয় একজন সন্ত্রাসী হিসেবে।


২০১৩ সালের জুলাই মাসে ম্যাগাজিনটির একটি সংখ্যার প্রচ্ছদে তার একটি ছবি ছাপিয়ে তাতে লেখা হয়: "এক বৌদ্ধ সন্ত্রাসীর মুখ।"


"ভুল বুঝে আমাকে আক্রমণ করা হচ্ছে। আমার মনে হয় এক দল লোক আছে যারা আমার বদনাম করার জন্যে মিডিয়াকে অর্থ দিচ্ছে। আর এটা তো নিশ্চিত যে মুসলিমরাই অনলাইন মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে," বিবিসিকে ২০১৩ সালে একথা বলেন তিনি।


আশিন উইরাথুর উপর একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করা হয় ২০১৫ সালে। ওই ডকুমেন্টারিতে তাকে বর্ণনা করা হয় একজন "বৌদ্ধ বিন লাদেন" হিসেবে।


কিছু কিছু পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যমও খুব দ্রুতই তার এই নামটি লুফে নেয়। তবে উইরাথু বলেন, এরকম তুলনা তার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।


আশ্বিন উইরাথু বলেন যে তিনি সহিংসতাকে ঘৃণা করেন। "আমি খুব খারাপভাবেও এর জবাব দিতে চাই না," বলেন তিনি।


জাতিসংঘের সাথে বিরোধ:
একান্ন বছর বয়সী উইরাথু বিতর্কের মধ্যেই বেঁচে আছেন এবং বেশিরভাগ বিতর্ক তিনি নিজেই সৃষ্টি করেছেন।


মিয়ানমারের সংখ্যালঘু মুসলিমদের দুঃখ দুর্দশা অনুসন্ধান করে দেখতে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ইয়াংগি লী-কে ২০১৫ সালে যখন সেদেশে পাঠানো হয়েছিল উইরাথু তখন তাকে একজন 'দুশ্চরিত্রা' ও 'বেশ্যা' হিসেবে গাল দিয়েছিলেন।


রাখাইনের গণহত্যায় সামরিক বাহিনীর শীর্ষস্থানীয় জেনারেলদের ভূমিকা কী ছিল সেটা খতিয়ে দেখতে গতবছরেই আহবান জানানো হয়েছিলে জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে। আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত বা আইসিসির পক্ষ থেকে প্রাথমিক এক তদন্তের সূচনা হওয়ার পরই এই আহবান জানানো হয়েছিল।


মিয়ানমার সরকার জাতিসংঘের এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে এবং বৌদ্ধ ভিক্ষু উইরাথু তখন পাল্টা আক্রমণ চালাতে শুরু করেন।


গত বছরের অক্টোবর মাসে তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেছিলেন, "আইসিসি যেদিন এখানে আসবে, সেদিনই উইরাথু বন্দুক হাতে তুলে নেবে।"


রোহিঙ্গা সঙ্কট:
রাখাইন রাজ্যে ২০১২ সালে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা শুরু হওয়ার জন্যে আশ্বিন উইরাথুর সমর্থকদের ব্যাপকভাবে দায়ী করা হয়। এর পরই সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।


এবিষয়ে ২০১৭ সালে ব্রিটিশ সংবাদপত্র গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উইরাথু বলেছিলেন, "অং সান সু চি বাঙালিদের সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি তাকে বাধা দিয়েছি।"


বর্মী জাতীয়তাবাদীরা রোহিঙ্গা মুসলিমদেরকে প্রায়শই বাঙালি বলে উল্লেখ করে থাকে। রোহিঙ্গাদেরকে বহিরাগত বোঝাতেই তাদেরকে বাঙালি বলা হয়।


ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসির বিরুদ্ধে উইরাথু অভিযোগ আনেন যে ওই দলটি গোপনে মুসলিম এজেন্ডাকে সমর্থন দিচ্ছে।


বৌদ্ধ ধর্ম:
মিয়ানমারে কোন রাষ্ট্রীয় ধর্ম নেই। তবে দেশটিতে বৌদ্ধ ধর্মের প্রচণ্ড প্রভাব রয়েছে। দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯০ শতাংশই বৌদ্ধ।


দেশটিতে কর্তৃপক্ষ শতাব্দীর পর শতাব্দী কাল ধরে বৌদ্ধ আশ্রমকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছিল। কিন্তু এর অবসান ঘটে ঊনবিংশ শতকে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে।


ইরাবতী ও অন্যান্য নদীর কারণে অত্যন্ত উর্বর এই দেশের ভূমি। বৌদ্ধ আশ্রমগুলোও প্রচুর কৃষিজমির মালিক। ফলে দেশটিতে গড়ে উঠেছে অগণিত সুদৃশ্য বৌদ্ধ মন্দির।


মিয়ানমারের রয়েছে সামরিক শাসনের দীর্ঘ ইতিহাস। দেশটির সৈন্য সংখ্যা চার লাখেরও বেশি।


কিন্তু বৌদ্ধ ভিক্ষুর সংখ্যা তার চাইতেও অনেক বেশি। ধারণা করা হয় তাদের সংখ্যা কমপক্ষে পাঁচ লাখ। সামাজিকভাবেও তাঁরা শক্তিশালী, কারণ তাদের রয়েছে সামাজিক প্রভাব, প্রতিপত্তি এবং মর্যাদা।


মা বা থা
মুসলিমবিরোধী ও জাতীয়তাবাদী একটি দল গঠনের সাথেও জড়িত ছিলেন আশিন উইরাথু। গ্রুপটির নাম ছিল ৯৬৯।


এই দলের সমর্থকরা বলছেন, নামের প্রথম ৯ হচ্ছে বুদ্ধের নয়টি বিশেষ গুণ, ৬ হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মের ছ'টি বিশেষ অনুশিক্ষা এবং শেষ ৯ হচ্ছে সংঘের নয়টি বিশেষ গুণ।


কিন্তু বাস্তবে এই ৯৬৯ গ্রুপটি মুসলমানদের বিরুদ্ধেই প্রচারণা চালাতে থাকে।


পরে দলটি রাষ্ট্রীয়ভাবেও সমর্থন পেতে শুরু করে এবং ২০১৩ সালে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট থিন সেইন প্রকাশ্যে এই গ্রুপটির আন্দোলন এবং ওই আন্দোলনের সবচেয়ে প্রখ্যাত নেতা উইরাথুকে সমর্থন দেন। উইরাথুকে তিনি উল্লেখ করেন "বুদ্ধের সন্তান" হিসেবে।


এর কিছুদিন পরেই উইরাথু মা বা থা নামের আরো একটি সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিতে পরিণত হন।


দলটির এই নামের অর্থ বার্মার দেশপ্রেমিক সমিতি। এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয় ২০১৪ সালে। তারপর হু হু করে এর জনপ্রিয়তা বাড়তে শুরু করে। এক সময় সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে সংগঠনটি এবং এক পর্যায়ে ২০১৭ সালে এটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।


কিন্তু মান্দালায় মা সোয়ে ইয়েন আশ্রম থেকে উইরাথু কোন ধরনের বাধা ছাড়াই প্রচারণা অব্যাহত রাখেন।


তার অফিসে তিনি এমন কিছু ছবি স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করতে থাকেন যেগুলোতে, তার ভাষায়, মুসলিমদের সহিংসতার কিছু চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।


গেরুয়া পোশাক পরিহিত উইরাথু বিবিসিকে ২০১৩ সালে যে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, তাতে তিনি কখনো মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ব্যাপারে অনুশোচনা প্রকাশ করেন নি।


বরং তিনি বলেন, "মুসলিমরা যখন দুর্বল থাকে শুধু তখনই তারা ভালো আচরণ করে। কিন্তু যখন তারা শক্তিশালী হয়ে উঠে তখন তারা নেকড়ে কিম্বা শৃগাল হয়ে যায়, তার পর তারা দল বেঁধে অন্যান্য প্রাণীদের উপর আক্রমণ করে।"


"মুসলিমরা নিজেদের ছাড়া আর কাউকে মানুষ হিসেবে গণ্য করে না। তারা খ্রিস্টান ও হিন্দুদেরকেও আক্রমণ করে। আসলে তারা সবাইকে আক্রমণ করে। আপনি যদি এটা বিশ্বাস না করেন তাহলে আপনার পরমাণু প্রযুক্তি তালেবানকে দিয়ে দেখুন কী হয়, আপনার দেশ খুব শ্রীঘ্রই হারিয়ে যাবে," বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন তিনি।


ব্যাপক প্রভাব:
উইরাথু প্রায়শই বিদেশে ভ্রমণ করেন এবং শ্রীলঙ্কায় বদু বালা সেনা বা বিএসএস নামের একটি গ্রুপের সাথে রয়েছে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।


মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংস প্রচারণা চালিয়ে এই গ্রুপটিও কুখ্যাতি অর্জন করেছে।


"আজ বৌদ্ধ ধর্ম বিপদে পড়েছে। আমরা যদি এই বিপদ সঙ্কেত শুনতে পাই তাহলে আমাদের সবাইকে একসাথে হাত ধরতে হবে," ২০১৪ সালে কলম্বোর এক সমাবেশে বলেছিলেন উইরাথু।


কিন্তু তার এই ব্যাপক জনপ্রিয়তা মিয়ানমারের আশ্রমগুলোতে তখন আর ভালোভাবে গৃহীত হয়নি। সরকার সমর্থিত সংঘ কাউন্সিল ২০১৭ সালে তার ধর্মীয় বক্তব্য রাখার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।


কিন্তু তিনি আসল বিপদে পড়তে শুরু করেন যখন তিনি মিয়ানমারের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিকে আক্রমণ করেন, তার পর থেকেই।


সু চি-কে আক্রমণ:
"তিনি ফ্যাশনেবল কাপড় পরেন, মেকাপ দেন, হাই হিল জুতা পরেন এবং বিদেশিদের দিকে নিজের নিতম্ব নাড়িয়ে হেঁটে যান," মিয়ানমারের ডিফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সু চির দিকে ইঙ্গিত করে উইরাথু একথা বলেন এপ্রিল মাসের এক সমাবেশে।


এছাড়াও মে মাসে দেওয়া এক ভাষণে সরকারের এক সদস্যের বিষয়ে তিনি বলেন যে ওই ব্যক্তি "একজন বিদেশীর সাথে ঘুমাচ্ছেন।"


ব্রিটিশ একজন শিক্ষাবিদ মাইকেল এরিসের সাথে অং সান সু চি-র বিয়ে হয়েছিল। মিস সু চি যখন সামরিক বাহিনীর হাতে গৃহবন্দী তখন তার স্বামী ১৯৯৯ সালে ক্যান্সারে মারা যান।


"উইরাথু খুবই জনপ্রিয় একজন ভিক্ষু। তার অনুসারীর সংখ্যাও প্রচুর। তিনি যখন মুসলিমদের আক্রমণ করেন তখন তার অনুসারীরা খুশি হয়। কিন্তু এই উইরাথুই যখন অং সান সু চি-কে আক্রমণ করেন তখন তার জনপ্রিয়তাও ধাক্কা খায়," বলেন মিয়াত থু, ইয়াঙ্গুন স্কুল অফ পলিটিক্যাল সায়েন্স নামের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের একজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা।


ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা অং সান সু চি মিয়ানমারে পরিচিত "দ্যা লেডি" হিসেবে। কার্যত তাকে দেশটির প্রধান বলেই মনে করা হয়।


তার আনুষ্ঠানিক পদের নাম স্টেট কাউন্সিলর। প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট তার ঘনিষ্ঠ মিত্র।


মিয়ানমারের সংবিধানের কারণে অং সান সু চি কখনো দেশটির প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না কারণ তার সন্তানরা বিদেশি নাগরিক।


বেসামরিক সরকার মিস সু চির প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে এই বাধা সরিয়ে দিতে চায় কিন্তু ভিক্ষু আশিন উইরাথু সংবিধানের এই পরিবর্তনের বিরোধী।


"লোকজনের কাছে অং সান সু চির জনপ্রিয়তা প্রচুর। এমনকি অনেক কট্টরপন্থী ভিক্ষু, যারা উইরাথুর সাথে আছেন, তারাও এখন তার এই সু চি-বিরোধী অবস্থান মেনে নিতে পারবেন না," বলেন মিয়াত থু।


"উইরাথু যদি শুধু সংবিধানের পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কথা বলতেন তাহলে সরকারের পক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হতো। কিন্তু তিনি তো অং সান সু চিকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেছেন যা মানুষ ভালভাবে নেয় নি।"


তিনি বলেন, "এখন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়ে গেছে।"


কিন্তু তারপরেও আশিন উইরাথু দমবার পাত্র নন। তিনি বলেন, "তারা যদি আমাকে গ্রেফতার করতে চায়, তারা সেটা করতে পারে।"

বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১২ : ইংল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ

বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১২ : ইংল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ

admin June 09, 2019

ভিডিও দেখতে স্ক্রল করে নিচে ⇓ যান অথবা এখানে ক্লিক করুন


বিশ্বকাপ ডেস্ক:
০৮ জুন ২০১৯, শনিবার, কার্ডিফ। বিশ্বকাপের ১২তম আসরের ১২তম ম্যাচ। এদিন ম্যাচের প্রথম ইনিংসের পরই প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছিল জয়ী দলের নাম। আগে ব্যাট করে ৩৮৬ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ দাঁড় করিয়ে জয়ের বন্দরে এক পা দিয়েই রেখেছিল ইংল্যান্ড। দেখার বিষয় ছিলো এ বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কেমন জবাব দেয় বাংলাদেশ।


এ বিশাল সংগ্রহের পেছনে ছুটে ইনিংসের মাঝামাঝি পর্যন্ত ভালোই লড়েছিল টাইগাররা। চলতি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিও তুলে নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু বাকিদের কাছ থেকে সে অর্থে সমর্থন না পাওয়ায় ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের পরাজয়ের ব্যবধানটা বেশ বড়, ১০৬ রানের।


ইংল্যান্ডের করা ৩৮৬ রানের জবাবে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে সাকিব আল হাসান সেঞ্চুরি করে ১২০ রানের ইনিংস খেলেন। তবু নির্ধারিত ৫০ ওভারের ৭ বল বাকি থাকতেই ২৮০ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। ১০৬ রানের বড় ব্যবধানের জয়ে হাসিমুখে মাঠ ছেড়েছে স্বাগতিকরা।



বিশ্বকাপের অন্যান্য হাইলাইটস:


[accordions title="হাইলাইটস"]
[accordion title="বাংলাদেশ ম্যাচ" load="show"]

[/accordion]
[accordion title="সব ম্যাচ" load="hide"]

[/accordion]
[/accordions]

কার্ডিফে আজ (শনিবার) টস জিতে প্রথমে বোলিং বেছে নেয় বাংলাদেশ। স্পিন দিয়ে আক্রমণ শুরু করে টাইগাররা। সাকিব আল হাসানের ঘূর্ণিতে শুরুতে কিছুটা কোণঠাসা অবস্থায় ছিল ইংলিশরা।


প্রথম ৫ ওভারে ইংল্যান্ড তুলতে পেরেছিল মাত্র ১৫ রান। কিন্তু পরে সুদে আসলে সেটা পুষিয়ে দিয়েছেন দুই ওপেনার জেসন রয় আর জনি বেয়ারস্টো। তেড়েফুড়ে ব্যাটিং করছিলেন তারা।


কিছুতেই যেন কিছু হচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত ২০তম ওভারে এসে ১১৫ বলে গড়া ১২৮ রানের বিধ্বংসী এই জুটিটি ভাঙেন মাশরাফি। উইকেট না পড়ায় এই ওভারে রাউন্ড দ্য উইকেটে এসেছিলেন নড়াইল এক্সপ্রেস। প্রথম বলেই তাকে খেলতে গিয়ে শর্ট কভারে বল উঠে যায় বেয়ারস্টোর, বাজপাখির মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৫০ বলে ৫১ করে আউট হন বেয়ারস্টো।


এরপর দ্বিতীয় উইকেটে জো রুটকে নিয়ে ৭৭ রানের আরেকটি জুটি গড়েন রয়। ৩২তম ওভারে এসে রুটকে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোর্ড করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ২৯ বলে রুট করেন ২১ রান।


সেঞ্চুরির পর জেসন রয় ভয়ংকর থেকে আরও ভয়ংকর হয়ে উঠছিলেন। মেহেদী হাসান মিরাজকে তো এক ওভারে টানা তিন ছক্কাও হাঁকিয়ে দিলেন। ইনিংসের ৩৫তম ওভারে মিরাজের উপর এই তাণ্ডব চালান রয়। তবে তাতে দমে যাননি টাইগার অফস্পিনার। চতুর্থ বলে ঠিকই রয়কে আউট করে দিয়েছেন। মাশরাফি বিন মর্তুজার ক্যাচ হয়ে ইংলিশ ওপেনার ফিরেছেন ১২১ বলে ১৫৩ রান করে, বিধ্বংসী এ ইনিংসে ১৪ বাউন্ডারির সঙ্গে ছিল ৫টি ছক্কার মার।


চতুর্থ উইকেটে আরেকটি বড় জুটি ইংল্যান্ডের। জস বাটলার আর ইয়ন মরগান এই জুটিতে যোগ করেন ৯৫ রান। শেষ পর্যন্ত মারকুটে বাটলারকে (৪৪ বলে ২ চার আর ৪ ছক্কায় ৬৪) বাউন্ডারিতে সৌম্য সরকারের ক্যাচ বানিয়ে ফেরান সাইফউদ্দিন।


৪৭ ওভারে বোলিংয়ে আসেন মিরাজ। চতুর্থ বলে বাউন্ডারিতে মরগান ক্যাচের মতো তুলে দিয়েছিলেন, দৌড়ে গিয়ে তামিম কোনোমতে হাত ছোঁয়ালেও ক্যাচটি তালুবন্দী করতে পারেননি। পরের বলে আবারও তুলে মারেন মরগান। এবার বাউন্ডারিতে একইভাবে দৌড়ে এসে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন সৌম্য। ৩৩ বলে ৩৫ করে ফেরেন মরগান।


 

পরের ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে আকাশে ক্যাচ তুলে দেন ৬ রান করা বেন স্টোকস। পয়েন্টে মাশরাফি ক্যাচটা মিসই করে ফেলেছিলেন, তিনবারের চেষ্টায় শেষপর্যন্ত শুয়ে বল তালুবন্দী করেন টাইগার দলপতি।


তবে ৩৪১ রানে ৬ উইকেট ফেললেও ইংল্যান্ডের রানের বান আটকে রাখা সম্ভব হয়নি। ক্রিস ওকস ৮ বলে ১৮ আর লিয়াম প্লাংকেট ৯ বলে ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন।


বাংলাদেশের পক্ষে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন এবং মেহেদী হাসান মিরাজ। মাশরাফি বিন মর্তুজা আর মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ১টি করে উইকেট।



England vs Bangladesh Match Highlights:


[embed]https://www.youtube.com/watch?v=-PQmoFGePBo[/embed]

সংক্ষিপ্ত স্কোর:


ইংল্যান্ড: ৫০ ওভারে ৩৮৬/৬ (রয় ১৫৩, বেয়ারস্টো ৫১, রুট ২১, বাটলার ৬৪, মর্গ্যান ৩৫, স্টোকস ৬, ওকস ১৮*, প্লানকেট ২৭*; সাকিব ১০-০-৭১-০, মাশরাফি ১০-০-৬৮-১, সাইফ ৯-০-৭৮-২, মুস্তাফিজ ৯-০-৭৫-১, মিরাজ ১০-০-৬৭-২, মোসাদ্দেক ২-০-২৪-০)


বাংলাদেশ: ৪৮.৫ ওভারে ২৮০ (তামিম ১৯, সৌম্য ২, সাকিব ১২১, মুশফিক ৪৪, মিঠুন ০, মাহমুদউল্লাহ ২৮, মোসাদ্দেক ২৬, সাইফ ৫, মিরাজ ১২, মাশরাফি ৪*, মুস্তাফিজ ০; ওকস ৮-০-৬৭-০, আর্চার ৮.৫-২-২৯-৩, প্লানকেট ৮-০-৩৬-১, উড ৮-০-৫২-২, রশিদ ১০-০-৬৪-১, স্টোকস ৬-১-২৩-৩)

ইংল্যান্ডের পাহাড়সম রান টপকাতে পারলো না টাইগাররা

ইংল্যান্ডের পাহাড়সম রান টপকাতে পারলো না টাইগাররা

admin June 09, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
ম্যাচের প্রথম ইনিংসের পরই প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছিল জয়ী দলের নাম। আগে ব্যাট করে ৩৮৬ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ দাঁড় করিয়ে জয়ের বন্দরে এক পা দিয়েই রেখেছিল ইংল্যান্ড। দেখার বিষয় ছিলো এ বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কেমন জবাব দেয় বাংলাদেশ।


এ বিশাল সংগ্রহের পেছনে ছুটে ইনিংসের মাঝামাঝি পর্যন্ত ভালোই লড়েছিল টাইগাররা। চলতি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিও তুলে নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু বাকিদের কাছ থেকে সে অর্থে সমর্থন না পাওয়ায় ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের পরাজয়ের ব্যবধানটা বেশ বড়, ১০৬ রানের।



ইংল্যান্ডের করা ৩৮৬ রানের জবাবে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে সাকিব আল হাসান সেঞ্চুরি করে ১২০ রানের ইনিংস খেলেন। তবু নির্ধারিত ৫০ ওভারের ৭ বল বাকি থাকতেই ২৮০ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। ১০৬ রানের বড় ব্যবধানের জয়ে হাসিমুখে মাঠ ছেড়েছে স্বাগতিকরা।


কার্ডিফে আজ (শনিবার) টস জিতে প্রথমে বোলিং বেছে নেয় বাংলাদেশ। স্পিন দিয়ে আক্রমণ শুরু করে টাইগাররা। সাকিব আল হাসানের ঘূর্ণিতে শুরুতে কিছুটা কোণঠাসা অবস্থায় ছিল ইংলিশরা।


প্রথম ৫ ওভারে ইংল্যান্ড তুলতে পেরেছিল মাত্র ১৫ রান। কিন্তু পরে সুদে আসলে সেটা পুষিয়ে দিয়েছেন দুই ওপেনার জেসন রয় আর জনি বেয়ারস্টো। তেড়েফুড়ে ব্যাটিং করছিলেন তারা।


কিছুতেই যেন কিছু হচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত ২০তম ওভারে এসে ১১৫ বলে গড়া ১২৮ রানের বিধ্বংসী এই জুটিটি ভাঙেন মাশরাফি। উইকেট না পড়ায় এই ওভারে রাউন্ড দ্য উইকেটে এসেছিলেন নড়াইল এক্সপ্রেস। প্রথম বলেই তাকে খেলতে গিয়ে শর্ট কভারে বল উঠে যায় বেয়ারস্টোর, বাজপাখির মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৫০ বলে ৫১ করে আউট হন বেয়ারস্টো।


এরপর দ্বিতীয় উইকেটে জো রুটকে নিয়ে ৭৭ রানের আরেকটি জুটি গড়েন রয়। ৩২তম ওভারে এসে রুটকে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোর্ড করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ২৯ বলে রুট করেন ২১ রান।


সেঞ্চুরির পর জেসন রয় ভয়ংকর থেকে আরও ভয়ংকর হয়ে উঠছিলেন। মেহেদী হাসান মিরাজকে তো এক ওভারে টানা তিন ছক্কাও হাঁকিয়ে দিলেন। ইনিংসের ৩৫তম ওভারে মিরাজের উপর এই তাণ্ডব চালান রয়। তবে তাতে দমে যাননি টাইগার অফস্পিনার। চতুর্থ বলে ঠিকই রয়কে আউট করে দিয়েছেন। মাশরাফি বিন মর্তুজার ক্যাচ হয়ে ইংলিশ ওপেনার ফিরেছেন ১২১ বলে ১৫৩ রান করে, বিধ্বংসী এ ইনিংসে ১৪ বাউন্ডারির সঙ্গে ছিল ৫টি ছক্কার মার।


চতুর্থ উইকেটে আরেকটি বড় জুটি ইংল্যান্ডের। জস বাটলার আর ইয়ন মরগান এই জুটিতে যোগ করেন ৯৫ রান। শেষ পর্যন্ত মারকুটে বাটলারকে (৪৪ বলে ২ চার আর ৪ ছক্কায় ৬৪) বাউন্ডারিতে সৌম্য সরকারের ক্যাচ বানিয়ে ফেরান সাইফউদ্দিন।


৪৭ ওভারে বোলিংয়ে আসেন মিরাজ। চতুর্থ বলে বাউন্ডারিতে মরগান ক্যাচের মতো তুলে দিয়েছিলেন, দৌড়ে গিয়ে তামিম কোনোমতে হাত ছোঁয়ালেও ক্যাচটি তালুবন্দী করতে পারেননি। পরের বলে আবারও তুলে মারেন মরগান। এবার বাউন্ডারিতে একইভাবে দৌড়ে এসে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন সৌম্য। ৩৩ বলে ৩৫ করে ফেরেন মরগান।


পরের ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে আকাশে ক্যাচ তুলে দেন ৬ রান করা বেন স্টোকস। পয়েন্টে মাশরাফি ক্যাচটা মিসই করে ফেলেছিলেন, তিনবারের চেষ্টায় শেষপর্যন্ত শুয়ে বল তালুবন্দী করেন টাইগার দলপতি।


তবে ৩৪১ রানে ৬ উইকেট ফেললেও ইংল্যান্ডের রানের বান আটকে রাখা সম্ভব হয়নি। ক্রিস ওকস ৮ বলে ১৮ আর লিয়াম প্লাংকেট ৯ বলে ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন।


বাংলাদেশের পক্ষে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন এবং মেহেদী হাসান মিরাজ। মাশরাফি বিন মর্তুজা আর মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ১টি করে উইকেট।

টাইগারদের সামনে পাহাড়সম টার্গেট দিলো ইংল্যান্ড

টাইগারদের সামনে পাহাড়সম টার্গেট দিলো ইংল্যান্ড

admin June 09, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বিশ্বকাপে রানের রেকর্ড গড়েছে ইংল্যান্ড। জেসন রয়ের সেঞ্চুরি এবং জস বাটলার ও জনি বেয়ারস্টোর জোড়া ফিফটিতে ৬ উইকেটে ৩৮৬ রানের ইতিহাস গড়েছে ইংল্যান্ড। বিশ্বকাসের ইতিহাসে ইংলিশদের এটা দলীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এর আগে ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ৮ উইকেটে ৩৩৮ রান করে ছিল ইংল্যান্ড।


শনিবার কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনসে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে ইংল্যান্ড। উদ্বোধনী জুটিতে ১৯.১ ওভারে ১২৮ রান করেন দুই ওপেনার জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টো। এরপর মাশরাফি বিন মুর্তজার বলে মেহেদী হাসান মিরাজের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিনত হন বেয়ারস্টো। তার আগে ৫০ বলে ৬টি চারের সাহায্যে ৫১ রান করেন তিনি।


এরপর তিনে ব্যাটিংয়ে নামা জো রুটের সঙ্গে জুটি বেঁধে ফের ৭৭ রান যোগ করেন জেসন রয়। এই জুটিতে সেঞ্চুরি করেন রয়। মোস্তাফিজুর রহমানকে বাউন্ডারি হাঁকানোর মধ্যে দিয়ে ৯২তম বলে শতরানের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন রয়।


আগের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন জো রুট। ইংল্যান্ডের এ তারকা ব্যাটসম্যানকে বড় ইনিংস গড়ার সুযোগ দেননি সাইফউদ্দিন। তার গতির বলে বোল্ড হওয়ার আগে ২৯ বলে ২১ রান করার সুযোগ পান রুট।


সেঞ্চুরির পর আগের চেয়েও বেশি আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন জেসন রয়। ৩৫তম ওভারে মিরাজের প্রথম তিন বলে তিনটি ছক্কা হাঁকান এ ইংলিশ ওপেনার। চতুর্থ বলেও বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে মাশরাফির হাতে ক্যাচ তুলে দেন।


মিরাজের অফ স্পিনে বিভ্রান্ত হওয়ার আগে ১২১ বলে ১৪টি চার ও ৫টি ছক্কায় ১৫৩ রান করেন জেসন রয়। বিশ্বকাপে এটা তার প্রথম সেঞ্চুরি। তবে ওয়ানডে ক্রিকেটে ৭৯তম ম্যাচে এটা নবম শতক।


চার নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকান জস বাটলার। আগের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা ইংলিশ এই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান এদিন ৩৩ বলে ফিফটি গড়েন। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের দ্বিতীয় শিকারে পরিনত হওয়ার আগে ৪৪ বলে চারটি ছক্কা ও দুটি চারের সাহায্যে ৬৪ রান করে ফেরেন তিনি।


ইনিংসের শেষ দিকে ব্যাটিং তাণ্ডব চালান ইংল্যান্ড অধিনায়ক ইয়ন মরগান। তাকে সাজঘরে ফেরান মিরাজ। তার অফস্পিনে সৌম্য সরকারের তালুবন্দি হওয়ার আগে ৩৩ বলে এক চার ও দুই ছক্কায় ৩৫ রান করেন মরগান।

টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে মাশরাফি বাহিনী

টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে মাশরাফি বাহিনী

admin June 08, 2019

নিউজবিডি ডেস্ক:
বিশ্বকাপের ১২তম ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। টাইগার একাদশে কোনো পরির্বন নেই। এক পরিবর্তন আছে ইংলিশ একাদশে। মঈন আলির জায়গায় ঢুকেছেন লিয়াম প্লাংকেট।


শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিধ্বস্ত করে দুর্দান্তভাবে বিশ্বকাপযাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ। তবে পরের ম্যাচেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লড়াই করে হেরে যায় টাইগাররা। ফলে ২ খেলায় ২ পয়েন্ট নিয়ে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নামছে তারা।


এ ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ টুর্নামেন্টের হট ফেবারিট ইংল্যান্ড। ২ খেলায় ২ পয়েন্ট ইংলিশদেরও। বাংলাদেশের মতো দুর্দান্ত জয় নিয়ে এবারের বিশ্বকাপ শুরু করে তারাও। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১০৪ রানের ব্যবধানে হারিয়ে শুভসূচনা করে স্বাগতিকরা। কিন্তু পরের ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে বিধ্বস্ত হয় তারা। শ্বাসরূদ্ধকর ম্যাচে ১৪ রানে হারে ইংল্যান্ড।


স্বভাবতই এ ম্যাচে জয় চায় বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড। শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেন্সে গড়াবে দুই দলের লড়াই।


বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক)ও মোস্তাফিজুর রহমান।


ইংল্যান্ড একাদশ: জনি বেয়ারস্টো, জেসন রয়, জো রুট, ইয়ন মরগান, জস বাটলার, বেন স্টোকস, আদিল রশিদ, জোফরা আর্চার, লিয়াম প্লাংকেট, ক্রিস ওকস ও মার্ক উড।

আজ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

আজ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

admin June 08, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শ্বাসরূদ্ধকর হারের পর বাংলাদেশ একাদশে বেশ কিছু জায়গা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকে মনে করেন, দলে একজন উইকেটটেকারের অভাব রয়েছে। সেটা পূরণে রুবেলকে খুব দরকার। প্রয়োজন একজন হার্ডহিটারেরও।


বাংলাদেশ একাদশে একজন উইকেট টেকিং বোলারের অভাব, কয়েকদিন ধরে এটা নিয়ে রীতিমতো ঝড় বয়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। গোটা স্কোয়াডে উইকেটটেকার একজনই। সেই রুবেল ছিলেন না গেল দুই ম্যাচের মূল একাদশে। মোস্তাফিজ-মাশরাফির বাজে ফর্ম তার অভাবটা বেশ ভালোভাবেই টের পাইয়ে দিয়েছে।


এখন প্রশ্ন হলো, রুবেল একাদশে ফিরলে কে বাদ পড়বেন? মোস্তাফিজ নাকি সাইফউদ্দিন? ব্যাটিংয়ের কারণে দলে থাকার ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকছেন সাইফ। এছাড়া বোলিংয়েও দারুণ ছন্দে আছেন তিনি। গেল দুই ম্যাচে তিন পেসারের মধ্যে সবচেয়ে ভালো পারফরম্যান্স তারই। সেক্ষেত্রে এ যাত্রায় কোপটা পড়তে পারে ফিজের ওপর। কাটার মাস্টার ছিটকে যেতে পারেন। দলে ঢুকতে পারেন রুবেল।


রিভার্স সুইং তারকার সঙ্গে একাদশে প্রবেশ করতে পারেন লিটন বা সাব্বিরের কেউ। কারণ গেল ম্যাচে একজন হার্ডহিটিং মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যানের অভাব বোধ করছে টাইগাররা। মিডলঅর্ডারের জন্য এগিয়ে থাকছেন সাব্বির। ডেথ ওভারে তার ঝড়ো ব্যাটিং কাজে লাগতে পারে। এজন্য জায়গা ছেড়ে দিতে হতে পারে মোহাম্মদ মিঠুনকে। এ দুটি ছাড়া আর পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।


এখন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শনিবার কেমন একাদশ নিয়ে মাঠে নামবেন টাইগাররা, সেটাই দেখার বিষয়। কার্ডিফে দুই দলের খেলা গড়াবে বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে ৩টায়। তখনই এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনা শেষ হবে।



ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ:


তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাব্বির রহমান/মোহাম্মদ মিঠুন, মোসাদ্দেক হোসেন, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মাশরাফিন বিন মুর্তজা (অধিনায়ক) ও রুবেল হোসেন/মোস্তাফিজুর রহমান।


তথ্যসূত্র: ইএসপিএন ক্রিকইনফো

ত্রিদেশীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

ত্রিদেশীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

admin June 08, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার বেলা ১১ টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।


এর আগে কাতার এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ফিনল্যান্ড সময় সন্ধ্যা ৬টায় প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে দোহার উদ্দেশে হেলসিনকি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। কাতারের রাজধানী দোহায় কিছুক্ষণের যাত্রা বিরতি করেন প্রধানমন্ত্রী।


ফিনল্যান্ডে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪ জুন ফিনিস প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্তোর সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন এবং ৫ জুন অল ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ ও ফিনল্যান্ড আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সংবর্ধনায় যোগ দেন। সৌদি আরবে তিন দিনের সফর শেষে শেখ হাসিনা গত ৩ জুন জেদ্দা থেকে হেলসিংকি পৌঁছান। সৌদি আরবে তিন দিনের সফরকালে প্রধানমন্ত্রী বাদশাহর আমন্ত্রণে মক্কায় অনুষ্ঠিত ১৪তম ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন।


এছাড়া, তিনি মক্কায় পবিত্র ওমরাহ পালন এবং মদিনায় প্রিয় নবি হজরত মুহম্মদ (স)-এর রওজা মোবারক জিয়ারত করেন। ত্রিদেশীয় সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী গত ২৮ মে জাপানের রাজধানী টোকিও যান। জাপানে চার দিন অবস্থানকালে শেখ হাসিনা ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে আড়াই হাজার বিলিয়নের দ্বিপক্ষীয় চুক্তিসহ ৪০টি ওডিএ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।


এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী ‘ফিউচার ফর এশিয়া’ বিষয়ক নিক্কেই সম্মেলনেও যোগ দেন। ওই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি জাপানের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও গোলটেবিল বৈঠক করেন। শেখ হাসিনা হলি আর্টিজান হামলায় হতাহতদের পরিবার এবং জাইকার প্রেসিডেন্ট শিনিচি কিতাওকার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।

ত্রিদেশীয় সফর শেষ: আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী

ত্রিদেশীয় সফর শেষ: আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী

admin June 08, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিনল্যান্ডে তার পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষ করে আজ শনিবার দেশে ফিরবেন। এটি ছিল তার ত্রিদেশীয় সফরের তৃতীয় ও শেষ সফর।


ফিনিস রাজধানী থেকে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য লেখক মো. নজরুল ইসলাম টেলিফোনে জানান, কাতার এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ফিনল্যান্ড সময় সন্ধ্যা ৬টায় প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে দোহার উদ্দেশে হেলসিনকি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবে।


কাতারের রাজধানী দোহায় কিছুক্ষণের যাত্রা বিরতির পর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইনন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে সেখান থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। বিমানটি আগামীকাল সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।


ফিনল্যান্ডে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪ জুন ফিনিস প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্তোর সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন এবং ৫ জুন অল ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ ও ফিনল্যান্ড আওয়ামী লীগ তার সম্মানে আয়োজিত এক সংবর্ধনায় যোগ দেন।


সৌদি আরবে তিন দিনের সফর শেষে শেখ হাসিনা গত ৩ জুন জেদ্দা থেকে হেলসিনকি পৌঁছেন। এ সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে মক্কায় অনুষ্ঠিত ১৪তম ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন।

এ ছাড়া তিনি মক্কায় পবিত্র ওমরাহ পালন এবং মদিনায় প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা মোবারক জিয়ারত করেন।


ত্রিদেশীয় সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী গত ২৮ মে জাপানের রাজধানী টোকিও যান। জাপানে চার দিন অবস্থানকালে শেখ হাসিনা ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে আড়াই বিলিয়নের দ্বিপক্ষীয় চুক্তিসহ ৪০টি ওডিএ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।


এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী ‘ফিউচার ফর এশিয়া’বিষয়ক নিক্কেই সম্মেলনেও যোগ দেন। ওই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি জাপানের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও গোলটেবিল বৈঠক করেন। শেখ হাসিনা হলি আর্টিজান হামলায় হতাহতদের পরিবার এবং জাইকার প্রেসিডেন্ট শিনিচি কিতাওকার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।

বৃষ্টির কারণে পাকিস্তান-শ্রীলংকা ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা

বৃষ্টির কারণে পাকিস্তান-শ্রীলংকা ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা

admin June 08, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বৃষ্টির কারণে ব্রিস্টলে পাকিস্তান-শ্রীলংকা ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এতে দুই দলের মধ্যে পয়েন্ট ভাগাভাগি হয়েছে।


ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা ছিল শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে ৩টায় ব্রিস্টলের কাউন্টি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। কিন্তু বৃষ্টির কারণে মাঠ খেলার অনুপযুক্ত হওয়ায় প্রায় ছয় ঘণ্টা পর ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।


এর আগে আম্পায়াররা দুই দফা মাঠ পরিদর্শন করেন। মাঠের কয়েক জায়গায় পানি দেখা গেছে। গ্যালারিতে দর্শকরা অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন।


আম্পায়ার নাইজেল লং ও ইয়ন গোল্ড দ্বিতীয় দফা পরিদর্শন শেষে এমন সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। যদিও ইতিমধ্যে বৃষ্টি থেমে গেছে। কাজেই পাকিস্তান-শ্রীলংকার ম্যাচ শুরুর প্রস্তুতিও চলছিল।


ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর বিশ্বকাপে আজ মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল এশিয়ান ক্রিকেটের দুই পরাশক্তি পাকিস্তান ও শ্রীলংকা।


কিন্তু পাকিস্তান-শ্রীলংকা ম্যাচে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল বৃষ্টি। প্রথম ম্যাচে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে জয় পেয়েছে দুদলই।


প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৭ উইকেটে হারে পাকিস্তান। দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তারা জয় পায় ১৪ রানে।


অন্যদিকে শ্রীলংকা প্রথম ম্যাচে ১০ উইকেটে হারে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩৪ রানে জয় পায় তারা।


১৯৭৫ সালে যাত্রা করে বিশ্বকাপ। এখন পর্যন্ত বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে সাতবার মুখোমুখি হয়েছে শ্রীলংকা-পাকিস্তান। সব কটিতেই জয়ী হয়েছে তারকাচিহ্নিত নীল জার্সিধারীরা।

আমেরিকায় গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে বাংলাদেশি আটক

আমেরিকায় গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে বাংলাদেশি আটক

admin June 08, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
গ্রেনেড সংগ্রহ করে তা দিয়ে মিডটাউন ম্যানহাটনের সবচেয়ে জনাকীর্ণ সড়ক মোড় টাইম স্কয়ারে নিজেকে বিস্ফোরিত করে দেয়ার আলোচনার অভিযোগে নিউ ইয়র্কের এক বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে।


বৃহস্পতিবার আটক আশিকুল আলম (২২) নামের এই যুবক সেখানকার কুইন্স বারোর জ্যাকসন হাইটসে থাকেন। বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।


শুক্রবার তাকে ব্রুকলিনের ডিস্ট্রিক্ট আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে। কিন্তু তার বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ তোলা হবে, তা এখনো পরিষ্কার হওয়া যায়নি। একটি অস্ত্র কিনতে যাওয়ার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।


সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, আশিকুল আলাপচারিতায় টাইমস স্কয়ারে গ্রেনেড হামলা চালানোর ইচ্ছা প্রকাশের পর নজরদারিতে ছিলেন। ছদ্মবেশে একজন গোয়েন্দা তার পিছু নেয়।


তার সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র কেনার বিষয়ে আলোচনা করেন আশিকুল। সিরিয়াল নম্বর নষ্ট করা আগ্নেয়াস্ত্র কিনতে চান তিনি। এফবিআই এজেন্ট ও নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের গোয়েন্দাদের সমন্বয়ে গঠিত জয়েন্ট টেররিজম টাস্ক ফোর্সের সদস্যরা তাকে গ্রেফতার করে।


এ বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকার করেছে নিউ ইয়র্কের পুলিশ বিভাগ। কথা বলার জন্য তারা কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের কথা উল্লেখ করলেও সেখান থেকেও মন্তব্য করতে অস্বীকার জানানো হয়েছে।


দ্য নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ওই যুবক গ্রেনেড কিনে তা দিয়ে টাইম স্কয়ারে হামলার বিষয়ে জানতে খোঁজখবর নিচ্ছেন দেশটির পুলিশ ও ফেডারেল কর্তৃপক্ষ তা জানতে পেরে তাকে আটক করে।

জুকারবার্গই থাকছেন ফেসবুকের হর্তাকর্তা

জুকারবার্গই থাকছেন ফেসবুকের হর্তাকর্তা

admin June 08, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বোর্ড চেয়ারম্যানের পদ থেকে মার্ক জুকারবার্গকে সরানোর দাবিতে আনা ভোটের ফল ফেসবুক প্রধানেরই পক্ষে গেছে। বৃহস্পতিবার ফেসবুকের বার্ষিক সাধারণ সভায় জুকারবার্গের নেতৃত্ব নিয়ে ভোট দেয়ার সুযোগ আসে শেয়ারধারীদের।


বর্তমানে প্রধান নির্বাহীর পাশাপাশি ফেসবুক বোর্ড চেয়ারম্যানেরও দায়িত্বে রয়েছেন জুকারবার্গ। চেয়ারম্যান পদ ছাড়তে যারা আহ্বান জানিয়েছেন তাদের দাবি, এতে সিইও হিসেবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় আরও বেশি নজর দিতে পারবেন তিনি।


ভোট হলেও এতে জুকারবার্গের হারার সম্ভাবনা সামান্য বলে আগেই ধারণা করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানের ৬০ শতাংশ শেয়ারের মালিক তিনি নিজেই। ফলে ৬০ শতাংশ ভোটও রয়েছে তার হাতে।


ফেসবুকের প্রায় ৭০ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের শেয়ার রয়েছে ট্রিলিয়াম অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের। এছাড়াও ফেসবুকের লাখো কোটি ডলার মূল্যের শেয়ারের মালিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ব্যবসা করে ট্রিলিয়াম অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট।


জুকারবার্গের পদত্যাগের দাবি করেছে এ প্রতিষ্ঠান। ট্রিলিয়ামের জ্যেষ্ঠ ভাইস-প্রেসিডেন্ট জোনাস ক্রোন বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে উচ্চমানের একটি প্রতিষ্ঠানের দুইটি পূর্ণকালীন পদ ধরে রেখেছেন তিনি। যদি তিনি প্রধান নির্বাহী হওয়ার দিকে নজর দেন এবং অন্য কাউকে স্বাধীন বোর্ড চেয়ার হওয়ার দিকে নজর দিতে দেন, সেটা অনেক ভালো ফল দেবে।’


‘তার কাছে উদাহরণ আছে ল্যারি পেইজ ও অ্যালফাবেট, বিল গেটস ও মাইক্রোসফট, যেখানে একজন প্রতিষ্ঠাতাকে বোর্ড চেয়ারম্যান হিসেবে দেখা হয় না।’ ‘আমি জানি এ পদক্ষেপ নেয়া সহজ হবে না, কিন্তু এটা গুরুত্বপূর্ণ একটা পদক্ষেপ, যাতে তার এবং শেয়ারধারীদের লাভ হবে।’


এক বছর ধরে গোপনীয়তা ও ডেটা কেলেঙ্কারির মধ্যেও আয়ের প্রত্যাশা ছাড়িয়েছে ফেসবুক। বার্ষিক সভায় ফেসবুক প্রধানকে প্রশ্ন করা হয় কেন তিনি একজন স্বাধীন বোর্ড চেয়ারম্যান নিয়োগ দেবেন না। প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি জুকারবার্গ।

ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছেন নরগরবাসী

ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছেন নরগরবাসী

admin June 08, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
ঈদ উদযাপন শেষে ধীরে ধীরে কর্মস্থল ও রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন নগরবাসী। একইভাবে ঈদের তৃতীয় দিনেও অনেকেই পরিবার পরিজন নিয়ে বাড়ি এবং অন্যান্য স্থানে যাচ্ছেন। ঈদের আগে যারা ঢাকা ছাড়তে পারেননি বা যাননি তাদের অনেকেই এখন প্রিয়জনের সান্নিধ্য পেতে বাড়ির পথ ধরছেন।


তবে রাজধানীতে শুক্রবারও ছিল ঈদের আমেজ। ঈদের সরকারি ছুটি বৃহস্পতিবার শেষ হলেও শুক্রবার ও শনিবার দুইদিন সাপ্তাহিক ছুটির কারণে চিরচেনা ঢাকার অচেনা চিত্রটিই থাকবে বলে অনেকে মনে করেন। যদিও বৃহস্পতিবারের তুলনায় ঢাকা শহরে যানবাহনের সংখ্যা একটু বেশি ছিল শুক্রবারে। যথারীতি দোকানপাট বেশির ভাগেই বন্ধ ছিল। কিছু কিছু কাঁচা বাজার খুললেও পণ্যসামগ্রী ছিল কম।


সেগুন বাগিচার কাঁচাবাজারের এক সবজি দোকানদার জানান, এ অবস্থা আরও কয়েকদিন থাকবে। ঢাকার ব্যাস্ততম এলাকা মতিঝিলের খাবারের দোকানগুলো এখনো বন্ধ দেখা গেছে। বিআইডব্লিওটিএর সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ১০০টিরও বেশি লঞ্চ সদর ঘাট থেকে ছেড়ে গেছে, যা স্বাভাবিকের চেয়েও বেশি। অন্যদিকে যে লঞ্চগুলো সদর ঘাটে এসেছে তাতে যাত্রী সংখ্যা ছিল কম।


কমলাপুর রেল স্টেশনে আসা বিভিন্ন আন্ত:নগর ট্রেনেও নগরবাসীদের ফেরার চিত্র দেখা গেছে। এবার স্বস্তির সঙ্গেই ফিরছেন বলে অনেকে জানিয়েছেন। দুপুরের আগে দুরপাল্লার যে বাসগুলো এসেছে, তাতে যাত্রী সংখ্যা মোটামুটি দেখা গেলেও একটা অংশ ছিল ঢাকায় বেড়াতে আসা।


অন্যদিকে ঈদের তৃতীয় দিনেও রাজধানীর বিনোদন কেন্দ্র গুলোতে ছিল উপচেপড়া ভিড়। ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে রাজধানীর চিড়িয়াখানা, শিশুমেলা, ফ্যান্টাসি কিংডম, বলধা গার্ডেন, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ কেল্লা, জাতীয় সংসদ ভবন চত্বর, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, যমুনা ফিউচার পার্ক, নন্দন পার্কসহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে দেখা গেছে বিপুল মানুষের উপস্থিতি।


গত দুই দিনের মতো শুক্রবারও সকাল থেকেই ঈদ আনন্দ উদযাপনে উল্লাসে মুখর ছিল রাজধানী ও আশেপাশের বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রগুলো। পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন নগরবাসী।

বাবার কোল থেকে বাসের চাকার নিচে শিশুকন্যা

বাবার কোল থেকে বাসের চাকার নিচে শিশুকন্যা

admin June 08, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
পিরোজপুরের নাজিরপুরে বাসের চাপায় দেড় বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশুর নাম ইসরাত জাহান। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার চৌঠাইমহল বাসষ্ট্যাণ্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ইসরাত উপজেলার শাখারিকাঠী ইউনিয়নের চালিতাবাড়ি গ্রামের ইসরাফিল বেপারীর মেয়ে।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাবা-মাসহ সঙ্গে ভ্যানে করে তারা গ্রামের বাড়ি যাচ্ছিল। এ সময় বেপারোয়া গতিতে ঢাকা থেকে আসা পিরোজপুরগামী গ্রিনলাইন পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৩৯৮৯) একটি বাস ভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়।


এতে ওই ভ্যানে বাবার কোলে থাকা শিশুসহ তারা রাস্তায় ছিটকে পড়েন। এ সময় ওই গাড়ি শিশুটিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলের তার মৃত্যু হয়। পিরোজপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সরোয়ার জানান, বাসটি আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

পাইলটের পাসপোর্টকাণ্ড: তদন্তে মন্ত্রিপরিষদের কমিটি গঠন

পাইলটের পাসপোর্টকাণ্ড: তদন্তে মন্ত্রিপরিষদের কমিটি গঠন

admin June 08, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি ফ্লাইটের ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আনতে পাসপোর্ট ছাড়াই তিনি গত বুধবার রাতে ফিনল্যান্ডের উদ্দেশে রওয়ানা দিলে দোহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে আটক করা হয়।


এ ঘটনা তদন্তে শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাসিমা বেগমকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কর্ম দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।


কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের (রাজনৈতিক-১) যুগ্ম সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব (রাজনৈতিক-৪) মো. হেলাল মাহমুদ শরীফ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মুস্তাকিম বিল্লাহ ফারুকী।


জানা গেছে, এই ঘটনার পর ফজল মাহমুদকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিমানের ভিভিআইপি ফ্লাইটটি দোহা থেকে ঢাকায় নিয়ে আসার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ক্যাপ্টেন আমিনুল ইসলামকে। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় বিমানের দোহাগামী নিয়মিত ফ্লাইটে (বিজি-০২৫) তিনি ঢাকা ত্যাগ করেছেন।


এর আগে ফিনল্যান্ড সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আনতে গত বুধবার (৫ জুন) রাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের (বিজি-০২৫) নিয়মিত ফ্লাইটে ৩ জন ককপিট ক্রু ও ১২ জন কেবিন ক্রু ঢাকা ছেড়ে কাতারের উদ্দেশে রওনা দেন। ফ্লাইটটি ওইদিন স্থানীয় সময় রাত ১২টায় দোহা পৌছে। এই ফ্লাইটে ছিলেন পাইলট ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ।


অন্যদের কাছে পাসপোর্ট থাকলেও ফজল মাহমুদের কাছে তার পাসপোর্ট ছিল না। দোহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তা ধরা পড়ে। পাসপোর্ট না থাকায় ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদকে বিমানবন্দর থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বের হতে দেয়নি। কিন্তু বাকী ১৪জন বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে দোহা নগরীর ক্রাউন প্লাজা হোটেলে চলে যান। ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ বিমানবন্দরে থেকে যান।


এ সময় ফজল মাহমুদ কাতার ইমিগ্রেশনকে জানান, তার পাসপোর্ট বিমানের ফ্লাইট অপারেশন রুমের লকারে রেখে এসেছেন। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। এদিকে পাসপোর্টটি দোহাতে পাঠানোর জন্য ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ ঢাকায় বিমান কর্তৃপক্ষকে ফোনে অনুরোধ জানান। পরে একটি ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে ফ্লাইট অপারেশনের অফিস খুলে ফজল মাহমুদের পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয় এবং বৃহষ্পতিবার বিমান কর্তৃপক্ষ তার পাসপোর্টটি ঢাকা থেকে দোহাগামী কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে পাঠানোর চেস্টা করেন। কিন্তু কাতার এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষ পররাস্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফরোয়ার্ডিং ছাড়া কোন বিদেশি নাগরিকের পাসপোর্ট বহন করতে অস্বৃকৃতি জানান।


এরপর বৃহষ্পতিবার রাতে রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে ক্রুদের মাধ্যমে সেই পাসপোর্টটি দোহায় পাঠানো হয়। তারা বিমানবন্দরে ফজল মাহমুদের হাতে পাসপোর্টটি পৌছে দেন। পাসপোর্টটি হাতে পেয়ে তিনি তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রদর্শন করে ২৪ঘন্টা পর বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে শহরে বিমান নির্ধারিত ক্রাউন প্লাজা হোটেলে উঠেন।


উল্লেখ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৮ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টোকিও সফর করেন। সেখান থেকে তিনদিনের সফরে সৌদিআরব যান। ৩জুন সৌদিআরব থেকে ফিনল্যন্ড সফরে যান তিনি।


ফিনল্যন্ড থেকে রওনা হয়ে শুক্রবার দিবাগত রাতে দোহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি। এরপর দোহা থেকে বিমানের ভিভিআইপি ফ্লাইট ড্রিমলাইনারে আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা আসবেন প্রধানমন্ত্রী।

বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১১ : পাকিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কা

বিশ্বকাপ ম্যাচ হাইলাইটস-১১ : পাকিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কা

admin June 08, 2019

ভিডিও দেখতে স্ক্রল করে নিচে ⇓ যান অথবা এখানে ক্লিক করুন


বিশ্বকাপ ডেস্ক:
০৭ জুন ২০১৯, শুক্রবার, ব্রিস্টল। এটি ছিলো বিশ্বকাপের ১২তম আসরের ১১তম ম্যাচ এবং প্রথম পরিত্যক্ত ম্যাচ। এদিন ‍বৃষ্টির কারণে পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। ফলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় দু'দলকে।


দু'দলই শুরুর ম্যাচ হেরে পরে জয়ে ফিরেছে। তাই এই ম্যাচ জিতলে পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী হতো। উপমহাদেশের দু'দলের মধ্যে এই ম্যাচটি নিয়ে ছিল খুব আগ্রহ। তবে বৃষ্টি নিভিয়ে দিল সেই আগ্রহ।


শ্রীলঙ্কার আগের ম্যাচটিতেও ছিল বৃষ্টির হানা। তবে যতটুকু খেলা হয়েছে তাতে দুর্দান্ত বোলিংয়ের সুবাদে আফগানদের বিপক্ষে জয় পেয়েছিল তারা। আজ সে সুযোগও হয়নি। তবে আজ বৃষ্টির কারণে টস পর্যন্ত হয়নি।


দুপুরের পর বৃষ্টি বন্ধ হলেও মাঠের অবস্থা ভালো না হওয়ায় ম্যাচ অফিসিয়ালরা আর খেলার সিদ্ধান্ত নেননি। ম্যাচ শুরুর জন্য সর্বশেষ নির্ধারিত সময় ছিল স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ১৯ মিনিট। তবে আম্পায়াররা প্রায় আধা ঘণ্টা আগেই জানিয়ে দেন ম্যাচ পরিত্যক্তের সিদ্ধান্তের কথা।



Pakistan vs Sri Lanka Match Preview:


[embed]https://www.youtube.com/watch?v=0mukDuTPU2g[/embed]
ভাইরাল সুহানার সেলফি, এটিএম কার্ড নিয়ে আলোচনা!

ভাইরাল সুহানার সেলফি, এটিএম কার্ড নিয়ে আলোচনা!

admin June 08, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
সুহানা খান, তার বড় পরিচয় তিনি শাহরুখ খানের মেয়ে। কিন্তু তার বাইরে গিয়েও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন তিনি।


সুহানার ভক্তের সংখ্যাও কম নয়। তার বিভিন্ন ছবি বহু ক্ষেত্রে ভাইরাল হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি সুহানার একটি সেলফি নিয়ে প্রবল আলোচনা শুরু হয়েছে ওয়েব ওয়ার্ল্ডে। কিন্তু কেন?


আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলেছেন সুহানা। তার ফোনের কভারে রয়েছে এটিএম কার্ড। ফলে সেই সেলফি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই দেখা যাচ্ছে তার এটিএম কার্ডও।


সেই ছবি দেখে কেউ লিখেছেন, ‘ওই কার্ডটা আমাকে দিয়ে দাও।’ আবার অন্য একজন লিখেছেন, ‘এই কার্ডে নিশ্চয় কোটি কোটি টাকা আছে। প্রতিদিনের খরচের জন্য নিশ্চয়ই অনেকবার ব্যবহার হয় ওই কার্ড। ভাগ্যবতী মেয়ে…।’


সুহানার বয়স এখন ১৯। কিন্তু যাই করেন, তাতেই লাইমলাইটে চলে আসেন। যদিও এই চলতি সেলফি নিয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।

বিয়ে না করে বান্ধবীকে নিয়ে ঘর-সংসারের অভিযোগ ইউএনও’র বিরুদ্ধে

বিয়ে না করে বান্ধবীকে নিয়ে ঘর-সংসারের অভিযোগ ইউএনও’র বিরুদ্ধে

admin June 08, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বিয়ে না করে বান্ধবীকে নিয়ে সংসার করার অভিযোগ উঠেছে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসিফ ইমতিয়াজের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পর্যন্ত গড়িয়েছে। সর্বশেষ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশে অভিযোগ তদন্ত করে দেখছে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন।


জানা যায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ময়মনসিংহের ভুক্তভোগী এক নারী। এতে তিনি বলেছেন, বান্ধবীর মাধ্যমে গত বছর এপ্রিল মাসে আসিফ ইমতিয়াজের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সেই সূত্র ধরে কয়েক দিন ফোনে কথা হয়। এরপর বিয়ের কথা বলে ইমতিয়াজ ভাড়া বাসা, হোটেলসহ বিভিন্ন স্থানে তাকে নিয়ে থাকেন। এরই মধ্যে তার নামে অ্যাকাউন্ড খুলে সেখানে এক মাসেই ২০ লাখ টাকা লেনদেন করেন ইমতিয়াজ।


ভোক্তভোগী নারী আরও বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনি গর্ভবতী হন। এটা ইমতিয়াজকে জানানোর পরই আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ শুরু করেন। সন্তান নষ্ট করার জন্য প্রচণ্ড চাপ দেন। এক সপ্তাহ পরই তিনি আমাকে ফেসবুকসহ সব যোগাযোগমাধ্যমে ব্লক করে দেন। চট্টগ্রাম গিয়ে (আগের কর্মস্থল) তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করেও পারিনি।


পরে ডিসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ঘটনা বলার পর তিনি বিষয়টি দেখার আশ্বাস দেন এবং একজন এডিসিকে দায়িত্ব দেন। এডিসি তার কাছে জানতে চাইলে বিষয়টি অস্বীকার করেন ইমতিয়াজ। আমি সব ডকুমেন্ট দেয়ার পর এডিসি তাকে চট্টগ্রাম থেকে বদলি করার সুপারিশ করেন। সুপারিশ মতে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ইমতিয়াজকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে বদলি করা হয়। এখন তিনি আমাকে নানাভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।


এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল আহাদ বলেন, আমি ইউএনওকে ডেকে অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাওয়ার পর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে (উপপরিচালক স্থানীয় সরকার) তদন্তভার দেয়া হয়েছে।


অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ ইমতিয়াজের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হয়। এরপর তিনি প্রত্যুত্তরে লিখেন- অভিযোগের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। এখন মিটিংয়ে ব্যস্ত আছি। এ বিষয়ে আপনার সঙ্গে পরে কথা বলব। -যুগান্তর

যেভাবে ভাইরাল ‘ঢাকাইয়া গল্লিবয়’ রানা

admin June 08, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক: স্যোস্যাল মিডিয়ায় ‘ঢাকাইয়া গল্লিবয়’ খ্যাত রানা মৃধা থাকে রাজধানীর কামরাঙ্গীর চর এলাকায়। ঢাবির টিএসসি এলাকায় ঘুরে বেড়ানো আর দশটা পথশিশুর মতো রানাও একজন। তবে ক্যাম্পাস এলাকাতেই সারাদিন ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় তাকে। ক্যাম্পাসে ঘুরে ঘুরে গান শোনানোর বিনিমেয়ে ২-৫ টাকা চেয়ে নেয় মানুষের কাছ থেকে।


রানা নামের এই ছেলের গাওয়া একটি ব়্যাপ গান সম্প্রতি ফেসবুকে প্রকাশ করা হলে সেটি ভাইরাল হয়ে যায়। ‘ঢাবি মেট্রো - ১৯২১' নামের ফেসবুক পাতায় ভিডিওটি ৩১ মে আপলোড করা হয়। এখন পর্যন্ত তা ১৪ লাখের বেশিবার দেখা হয়েছে।


ঈদের পরদিন রাতে ‘ঢাবি মেট্রো - ১৯২১' নামের ফেসবুক পাতায় রানার গাওয়া র‌্যাপগান ঢাকাইয়া গল্লিবয় ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে। কয়েক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বসে রানার গানটি ভিডিও করে ফেসবুকে ছাড়ে। এরপর মুহূর্তেই রানার প্রতিভার প্রশংসা ছড়িয়ে পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অনেকেই রানার প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে তার সন্ধান করতে শুরু করেছেন। অনেকেই জানতে চেয়েছেন ‘কোথায় পাওয়া যাবে গল্লিবয় রানাকে?’


 

ঈদের পরদিনই রাত সাড়ে দশটার দিকে গানটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জান্নাতুন নুজহাত ঐশি ফেসবুকে ছাড়েন। এর পরপরই গানটি ছড়িয়ে পরতে থাকে বিভিন্ন পেইজে গ্রুপে এবং ওয়ালে ওয়ালে। তখনো গল্লিবয় খ্যাত রানার পরিচয় জানা যায়নি। এমনকি তার নামই যে ‘রানা’ তাও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি তখনো।


ভাইরাল হওয়ার কয়েক ঘণ্টার ভেতরই বেড়িয়ে আসে এই ঢাকাইয়া গল্লিবয়ের পরিচয়। তার নাম রানা। থাকে কামরাঙ্গীর চরের একটি বস্তিতে। মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাতেই ঘুরে বেড়ায় রানা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তাকে এখানেই পাওয়া যায়। ঢাকাইয়া গল্লিবয় গানটি তার জীবনের কথা দিয়েই বানানো। পথ শিশু হিসেবে পরিচিত রানার ‘গল্লিবয়’ খ্যাত রানা হয়ে ওঠার পেছনে ছিলেন আরেকজন- মাহমুদ হাসান তবীব। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থীই রানার গান শুনে মুগ্ধ হয়ে তার জীবন নিয়েই লিখেন- ‘ঢাকাইয়্যা গল্লিবয়’ খ্যাত গানটি।


তারপর রানাকে দিয়ে গানটি অনুশীলন করিয়ে এর ভিডিও চিত্রও ধারন করেন। তৈরি করে ফেলেন একটি মিউজিক ভিডিও। সেখানে রানার সাথে মাহমুদ হাসান তবীব নিজেও মিউজিক ভিডিওতে অংশ নেন। গানের পাশাপাশি এর মিউজিক ভিডিওটিও পরিচালনা করেন তবীব। মাহমুদ হাসান তবীব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। ভালো লাগা ভালোবাসা থেকে তিনি গান করেন।


তবীব বলেন, ‘গত সাত আটদিন আগে প্রথম রানার সাথে আমার দেখা হয়। ওর গান শুনে আমি মুগ্ধ। ছেলেটির ভেতর টেলেন্ট আছে। আমি ওর গান শুনে ওর জীবন সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়ে উঠি। দরিদ্র রানার জীবন সংগ্রামের গল্প শুনে সেই রাতেই ওকে নিয়ে গানটি লিখি। এরপর রানাকে অল্প সময়ের যতটুকু সম্ভব গানটি অনুশীলন করিয়ে আমার এক বন্ধুর হোম স্টুডিওতে রের্কড করি। ও খুব অল্প সময়েই সব কিছু নিজের আয়ত্তে নিয়ে নিতে পারে। রেকর্ডিং এবং ভিডিও ধারণ শেষে গতকাল রাতে (বৃহস্পতিবার) কাজটি শেষ হয়। এরপর আমি ফেসবুকে ছাড়ি।’

Image Gallary

 
1 / 3
   
Caption Text
 
2 / 3
   
Caption Two
 
3 / 3
   
Caption Three