Showing posts with label 2019 Cricket World Cup. Show all posts
Showing posts with label 2019 Cricket World Cup. Show all posts
বিরাট কোহলির দলকে ঘাম ঝরিয়ে ছাড়লো আফগানরা

বিরাট কোহলির দলকে ঘাম ঝরিয়ে ছাড়লো আফগানরা

admin June 23, 2019

নিউজবিডি ডেস্ক:
বিরাট কোহলির ভারতকে রীতিমতো ঘাম ঝড়িয়ে ছাড়ল আফগানিস্তান। ব্যাট-বল দুদিক থেকেই লড়াকু অবস্থানে ছিল বিশ্বকাপের অন্যতম নবীন এই প্রতিপক্ষ। বিরাট কোহলি ও কেদার যাদবের হাফসেঞ্চুরি সত্বেও ভারত ৮ উইকেটে ২২৪ রানের বেশি করতে পারেনি।


জবাব দিতে নেমে আফগানিস্তান লড়াই করেছে শেষ পর্যন্ত। তবে ভারতের অভিজ্ঞতার কাছে হার মানতে হয়েছে আফগানদের। শেষ ওভারে সামির হ্যাটট্রিকে এক বল বাকি থাকতেই আফগানিস্তান অলআউট হয়েছে ২১৩ রানে। ১১ রানের জয়ে ভারত তাই কোনোমতো সম্মান রক্ষা করে।


আশা জাগিয়েও হেরে যাওয়ায় প্রথম ছয় ম্যাচেই পয়েন্ট বঞ্চিত থাকল আফগানিস্তান। স্বাভাবিকভাবেই তাদের অবস্থান তলানিতেই থাকল। অপরদিকে ভারত পাঁচ ম্যাচ থেকে চারটিতে জয় পেয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় তারা ৯ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে তৃতীয় স্থানে। ভারতের উন্নতিতে চারে নেমে গেছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড।


২২৫ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়েও শুরু থেকেই চাপে ছিল আফগানিস্তান। শুরু থেকেই দলটির নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতন হয়। দলীয় ২০ রানে মোহাম্মদ সামির বলে হযরতুল্লাহ বোল্ড হয়ে যান। আর দলীয় ৬৪ রানে গুলবাদিন নাইবকে (২৭) ফেরান হার্দিক পান্ডে। দলীয় ১০৬ রানে পরপর দুটি উইকেট পতন হয় আফানদের। রহমত শাহ ও হাসমতউল্লাহ শাহিদী। রহমত ৩৬ ও হাসমত ২১ রান করেন।


পরবর্তী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে মোহাম্মদ নবী লড়াই করেছেন শেষ পর্যন্ত। ৫৫ বল থেকে ৫২ রানের দারুণ ইনিংস খেলে শেষ পর্যন্ত আফগানিস্তানের আশাটা তিনিই বাঁচিয়ে রাখেন। এছাড়া নাজিবুল্লাহ জাদরান ২৩ বল থেকে ২১ এবং রশিদ খান ১৬ বল থেকে ১৪ রান করেন। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ সামি নেন চার উইকেট। এর মধ্যে শেষ ওভারে তিনি হ্যাটট্রিক করেন।


এর আগে সাউদাম্পটনে টস জিতে শুরুতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। পঞ্চম ওভারে এসে দলীয় ৭ রানে রোহিত শর্মা ফিরেন রানের খাতা খোলার পরই। দলীয় ৬৪ রানে এসে ভারতের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নিলেন মোহাম্মদ নবী। কিছুটা ধীরগতিতে খেলা লুকেশ রাহুল ৫৩ বল থেকে ৩০ রান করে এ সময় আউট হন। সেই ধারাবাহিকতায় দলীয় ১২২ রানে ফিরেন বিজয় শঙ্কর। রহমত শাহের বলে এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে পড়ে মাঠ ছাড়ার আগে তিনি ৪১ বল থেকে ২৯ রান করেন।


অন্য ব্যাটসম্যানদের ধীরগিতর ব্যাটিংয়ের মধ্যেও ব্যতিক্রম ছিলেন বিরাট কোহলি। রানের চাকা ঘুরানোর চেষ্টা করেছেন। তবে মোহাম্মদ নবীর বলে রহমত শাহ’র হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরলে থামে কোহলির সেই প্রচেষ্টা। আউট হওয়ার আগে ৬৩ বল থেকে সাতটি চারের মারে ৬৭ রান করেন তিনি।


তখনও ভারতের ভরসা হিসেবে ছিলেন এমএস ধোনি। দলীয় ১৯২ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হয়ে যান তিনি। আউট হওয়ার আগে ৫২ বল থেকে ২৮ রান সংগ্রহ করেন তিনি। এরপর কেদার যাদব চেষ্টা করেছেন। ৬৮ বল থেকে ৫২ রান করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভার শেষে ভারত ৮ উইকেটে ২২৪ রান করতে সক্ষম হয়। মোহাম্মদ নবী ও গুলবাদিন নায়েব দুটি করে উইকেট নেন।

শ্রীলঙ্কার দেয়া সহজ লক্ষেও পৌছাতে পারলো না ইংল্যান্ড

শ্রীলঙ্কার দেয়া সহজ লক্ষেও পৌছাতে পারলো না ইংল্যান্ড

admin June 22, 2019

রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের পাঁচে উঠে এলো শ্রীলঙ্কা। চলতি বিশ্বকাপের ২৭তম ম্যাচে লিডসের হেডিংলিতে শুক্রবার ২০ রানে জিতেছে দিমুথ করুনারত্নের দল। ২৩৩ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ৪৭ ওভারে ২১২ রানে থামে ইংল্যান্ড। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে লঙ্কানরা তোলে ২৩২ রান। ২৩৩ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৭ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ইংলিশরা তোলে ২১২ রান।


লঙ্কান ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে দলীয় মাত্র ৩ রানের মাথায় জোফরা আর্চারের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান অধিনায়ক দিমুথ করুণারত্নে। আউট হওয়ার আগে করুণারত্নে করেন মাত্র ১ রান। পরের ওভারে ক্রিস ওকসের ২য় বলে বলে মঈন আলীর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান কুশল পেরেরা। পেরেরা করেন মাত্র ২ রান।


ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর লঙ্কানদের হাল ধরেন আভিস্কা ফার্নান্দো। মাত্র ৩৯ বলে ৪১ রান করে যখন ফেরেন দলীয় স্কোরবোর্ডে তখন রান সংখ্যা ১২ ওভার ৫ বলে ৬২ রান। ইনিংসের ৩০তম ওভারে আদিল রশিদ পর পর দুই বলে ফিরিয়ে দেন ৪৬ রান করা কুশল মেন্ডিস এবং জীবন মেন্ডিসকে। দলীয় ১৩৫ রানের মাথায় পঞ্চম উইকেট হারায় লঙ্কানরা। এরপর রানের চাকা ঘুরিয়ে ব্যক্তিগত ২৯ রানে ফেরেন ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা। দ্রুতই বিদায় নেন থিসারা পেরেরা (২)।


ইসুরু উদানা (৬), লাসিথ মালিঙ্গারা (১) বিদায় নিলেও উইকেটের এক প্রান্ত ধরে রাখেন সাবেক দলপতি অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। ১১৫ বলে পাঁচটি চার আর একটি ছক্কায় করেন অপরাজিত ৮৫ রান।


ইংলিশ স্পিনার আদিল রশিদ হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন। ১০ ওভারে ৪৫ রান দিয়ে তিনি নেন দুটি উইকেট। মার্ক উড ৮ ওভারে ৪০ রান দিয়ে নেন তিনটি উইকেট। জোফরা আর্চার ১০ ওভারে ৫২ রান খরচায় পান তিনটি উইকেট। ক্রিস ওকস ৫ ওভারে ২২ রান দিয়ে পান একটি উইকেট।


২৩৩ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ইংলিশ ওপেনার জনি বেয়ারস্টো ০ রানে সাজঘরের পথ ধরেন। আরেক ওপেনার জেমস ভিঞ্চ করেন ১৪ রান। তিন নম্বরে নামা জো রুট ৮৯ বলে করেন ৫৭ রান। দলপতি ইয়ন মরগানের ব্যাট থেকে আসে ২১ রান। জস বাটলার ১০, মঈন আলি ১৬, ক্রিস ওকস ২, আদিল রশিদ ১, জোফরা আর্চার ৩ রানে বিদায় নেন।


উইকেটের আরেক প্রান্ত সামলে খেলতে থাকা বেন স্টোকস অপরাজিত থাকেন ৮২ রানে। তার ৮৯ বলের ইনিংসে ছিল ৭টি চার আর ৪টি ছক্কা। মার্ক উড ০ রানে আউট হওয়ার মধ্যদিয়ে ইংলিশদের ইনিংসের ইতি ঘটে। ৪৭ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে স্বাগতিকদের ইনিংস থামে ২১২ রানের মাথায়।


লঙ্কান পেসার লাসিথ মালিঙ্গা ১০ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে নেন চারটি উইকেট। ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা ৮ ওভারে ৩২ রান দিয়ে পান তিনটি উইকেট। ইসুরু উদানা ৮ ওভারে ৪১ রানের বিনিময়ে তুলে নেন দুটি উইকেট। নুয়ান প্রদীপ ১০ ওভারে ৩৮ রান খরচায় তুলে নেন একটি উইকেট।


বিশ্বকাপের ২৭ নম্বর ম্যাচটি শেষে টেবিলের শীর্ষে ৬ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট পাওয়া ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। ৫ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে গতবারের ফাইনালিস্ট নিউজিল্যান্ড। হারলেও তিনেই রইল ইয়ন মরগানের ইংল্যান্ড। ইংলিশরা ৬ ম্যাচে তুলে নিয়েছে ৮ পয়েন্ট। চারে থাকা ভারত ৪ ম্যাচে পেয়েছে ৭ পয়েন্ট। শ্রীলঙ্কা ৬ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পাঁচে উঠে আসলো। ৬ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট পাওয়া বাংলাদেশ নেমে গেল ছয় নম্বরে। সাতে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৫ ম্যাচে সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট। দক্ষিণ আফ্রিকা ৬ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে আটে। পাকিস্তান ৫ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে নয়ে আর ৫ ম্যাচের ৫টিতেই হারা আফগানিস্তান তলানিতে অবস্থান করছে।

২৩৩ রানের সহজ লক্ষে ব্যাট করছে ইংল্যান্ড

২৩৩ রানের সহজ লক্ষে ব্যাট করছে ইংল্যান্ড

admin June 22, 2019

২৩৩ রানের সহজ লক্ষে ব্যাট করছে ইংল্যান্ড। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১১ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৪১ রান করেছে ইংল্যান্ড। শুক্রবার ইংল্যান্ডের হেডিংলিতে টস জিতে শুরুতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন লঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুণারত্নে। তবে ব্যাট হাতে সহজভাবে ব্যাট করতে পারেনি তারা।


ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার মধ্যে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের লড়াকু ইনিংসে শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা ৯ উইকেটে ২৩২ রান করতে সক্ষম হয় লঙ্কানরা।


ব্যাট হাতে মাঠে নেমে মাত্র তিন রানে দুই উইকেট হারিয়ে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় শ্রীলঙ্কা। মাঝে একটু জ্বলে উঠার চেষ্টা করেও ৩৯ বল থেকে ৪৯ রান করে ফিরেন অভিস্কা ফার্নান্দো। এরপর দলীয় ১৩৩ রানে পরপর আউট হয়ে ফিরে যান কুশাল মেন্ডিস ও জীবন মেন্ডিস। কুশাল ৪৬ রান করেন।


এরপর একপ্রান্ত আগলে রাখেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস। অপরপ্রান্ত থেকে ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, থিসারা পেরেরা, ইসুরু উদানা ও লাসিথ মালিঙ্গা বিদায় নেন। তবে ম্যাথুস ১১৫ বল থেকে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৩৩ ওভারের খেলা শেষে লঙ্কানদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৪৬ রান। অন্য ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ধনঞ্জয়া ডি সিলভা (২৯) ছাড়া কেউ দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি।


ইংল্যান্ড ৫ ম্যাচে ৪ জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে আছে। এখন পর্যন্ত উড়ন্ত পারফরম্যান্স করে চলেছে তারা। অন্য দিকে শ্রীলঙ্কা ৫ ম্যাচে একটি মাত্র জয় পেয়েছে। তাদের দুটি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় পয়েন্ট হয়েছে ৪।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লড়াই করে ৪৮ রানে হারলো টাইগাররা

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লড়াই করে ৪৮ রানে হারলো টাইগাররা

admin June 21, 2019

লক্ষ্যটা জানা বা শোনার পরই বেশিরভাগ দর্শক মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন টেলিভিশনের সামনে থেকে। এই ম্যাচে বিন্দুমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলা সম্ভব তাও ধারণা করেননি অনেকে। কিন্তু তখনও হাল ছাড়েননি টাইগাররা। লক্ষ্যের প্রতি ছুটেছেন প্রতিটা ক্ষণ। ৩৮২ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৪৮ রানে হারলেন বটে, তবে তার আগে ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান শিবিরের। ম্যাচে কয়েকবার জয়ের স্বপ্নও জাগিয়েছেন টাইগাররা। শতরানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন মুশফিকুর রহিম। ৩৩৩ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি টাইগারদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ।


বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের নটিংহামে প্রথমে ব্যাট করে ডেভিড ওয়ার্নারের সেঞ্চুরি (১৬৬), উসমান খাজা ও অ্যারন ফিঞ্চের ঝড়ো ফিফটিতে ৩৮১ রানের পাহাড় গড়ে অস্ট্রেলিয়া।


টার্গেট তাড়া করতে নেমে মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরি ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ-তামিম ইকবালের ঝড়ো ফিফটিতে ৩৩৩ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০২ রান করেন মুশফিক। ৬৯ রান করেন মাহমুদউল্লাহ। এছাড়া ৬২ রান করেন তামিম ইকবাল। ৪১ রান করেন সাকিব।


অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩৮২ রানের পাহাড় ডিঙাতে নেমে তামিম ইকবালের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন সৌম্য সরকার। দলীয় ২৩ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙে টাইগারদের। ওয়ান ডাউনে খেলতে নেমে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন সাকিব আল হাসান। আগের চার ম্যাচে দুই ফিফটির পর ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরি করা সাকিব এদিন ফেরেন ৪১ বলে ৪১ রান করে আউট হন।


ইনিংসের শুরু থেকে অসাধারণ ব্যাটিং করেন তামিম ইকবাল। ভালো শুরুর পরও নিজের ইনিংসটা লম্বা করতে পারেননি এ ওপেনার। ফিফটি তুলে নেয়ার পর মারমুখি ভঙিতে খেলে যাওয়া তামিম মিসেল স্টার্কের ভুল শটে আউট হন। তার আগে ৭৪ বলে ৬টি চারের সাহায্যে ৬২ রান করেন তামিম।


আগের ম্যাচে ৬৯ বলে ৯৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আশা জাগিয়ে ছিলেন লিটন দাস। কিন্তু আজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হতাশ করেন লিটন। অজিদের বিপক্ষে ১৭ বলে ২০ রান করে ফেরেন এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।


লিটন দাসের বিদায়ের পর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে জুটি বেধে অনবদ্য ব্যাটিং করে যান মুশফিকুর রহিম। পঞ্চম উইকেটে তারা ১২৭ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখান। শেষ দিকে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ২৮ বলে ৮০ রান। খেলার এমন অবস্থায় নাথান কোল্টার নিলের তোপের মুখে পড়ে দুই বলে মাহমুদউল্লাহ ও সাব্বির রহমানের উইকেট হারায় বাংলাদেশ।


মাহমুদউল্লাহর বিদায়ের মধ্য দিয়ে জয়ের স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায় টাইগারদের। শেষ দিকে মুশফিকুর রহিমের একার লড়াইয়ে পরাজয়ের ব্যবধান কমলেও হার এড়াতে পারেনি বাংলাদেশ।


অস্ট্রেলিয়া ৩৮১/৫


ডেভিড ওয়ার্নারের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ৩৮১ রানের পাহাড় গড়েছে অস্ট্রেলিয়া। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৬৬ রান করেন ওয়ার্নার। এছাড়া ৮৯ রান করেন উসমান খাজা। ৫৩ রান করেন অ্যারন ফিঞ্চ।


বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের নটিংহামে বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে অস্ট্রেলিয়া। ৯.৩ ওভারে স্কোরবোর্ডে ৫০ রান যোগ করেন দুই ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ ও ডেভিড ওয়ার্নার। উইকেটে থিতু হওয়ার পর থেকেই একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকান ওয়ার্নার-ফিঞ্চ।


উদ্বোধনী জুটিতে ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে ১২১ রানের জুটি গড়েন অ্যারন ফিঞ্চ। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা তাদের এই জুটি ভাঙেন সৌম্য সরকার। মাশরাফি, মোস্তাফিজ, সাকিব, রুবেল মিরাজরা ইনিংসের প্রথম ২০ ওভার বল করেও দলকে ব্রেক থ্রু এনে দিতে ব্যর্থ হন।


টুকটাক বোলিং করা জাতীয় দলের ওপেনার সৌম্য সরকার ২১তম ওভারে বোলিংয়ে এসেই অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে ক্যাচ তুলতে বাধ্য করেন। রুবেলের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরার আগে ৫১ বলে ৫টি চার ও দুই ছক্কায় ৫৩ রান করেন ফিঞ্চ।


এরপর দ্বিতীয় উইকেটে উসমান খাজাকে সঙ্গে নিয়ে ১৯২ রানের জুটি গড়েন ডেভিড ওয়ার্নার। এই জুটিতেই শতরানের মাইলফলক স্পর্শ করেন অস্ট্রেলিয়ান এ ওপেনার। বিশ্বকাপে তৃতীয় সেঞ্চুরি করার পর একেরপর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দেড়শ পূর্ণ করেন ওয়ার্নার। তার ব্যাটে ভর করে রানের পাহাড় গড়ার পুঁজি পায় অস্ট্রেলিয়া।


উইকেটে অনবদ্য ব্যাটিং করে যাওয়া ওয়ার্নারকে শেষ পর্যন্ত সাজঘরে ফেরান সৌম্য সরকার। সৌম্যর বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে রুবেলের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন ওয়ার্নার। তার আগে ১৪৭ বলে ১৬৬ রান করেন অস্ট্রেলিয়ান এ তারকা ব্যাটসম্যান।


এরপর চার নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রীতিমতো তাণ্ডব চালান গ্ল্যান ম্যাক্সওয়েল। মাত্র ১০ বলে তিনটি ছক্কা ও দুটি চারের সাহায্যে ৩২ রান করা অস্ট্রেলিয়ান এ খুনে ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরান রুবেল হোসেন। তার দুর্দান্ত থ্রোতে স্ট্যাম্প ভেঙে যায় ম্যাক্সওয়েলের।


তবে সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন উসমান খাজা। অনবদ্য ব্যাটিং করে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ান এ মুসলিম ক্রিকেটারকে তৃতীয় শিকারে পরিণত করেন সৌম্য সরকার। তার আগে ৭২ বলে ১০টি চারের সাহায্যে ৮৯ রান করেন উসমান খাজা। ছয় নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রানের খাতা খুলতে না খুলতেই মোস্তাফিজুর রহমানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন স্টিভ স্মিথ।


৪৯ ওভারে দলীয় ৩৬৮/৫ রানের সময় বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টির কারণে খেলা আধা ঘণ্টা বন্ধ থাকে। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের শেষ ওভারে মোস্তাফিজের করা ওভারে ১৩ রান আদায় করে নেন মার্কু স্টইনিস ও অ্যালেক্স ক্যারি। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ৩৮১ রানে ইনিংস সমাপ্ত করে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশ দলের হয়ে ৮ ওভারে ৫৮ রানে ৩ উইকেট নেন সৌম্য সরকার।


সংক্ষিপ্ত স্কোর অস্ট্রেলিয়া: ৫০ ওভারে ৩৮১/৫ (ওয়ার্নার ১৬৬, উসমান ৮৯, ফিঞ্চ ৫৩, ম্যাক্সওয়েল ৩২, স্টইনিস ১৭*, অ্যালেক্স ক্যারি ১১*, স্মিথ ১; সৌম্য ৩/৫৮, মোস্তাফিজ ১/৬৯)।


বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ৩৩৩/১০ (মুশফিক ১০২,মাহমুদউল্লাহ ৬৯, তামিম ৬২, সাকিব ৪১)।


ফল: অস্ট্রেলিয়া ৪৮ রানে জয়ী।

অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ ম্যাচেও বৃষ্টির বাগড়া

অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ ম্যাচেও বৃষ্টির বাগড়া

admin June 21, 2019

এবারের বিশ্বকাপ জুড়েই বৃষ্টির বাগড়া। বৃষ্টির কারণে চারটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচেও বৃষ্টির হানা। বৃষ্টির কারণে খেলা আপতত বন্ধ রয়েছে। তার আগে ৪৯ ওভারে ৫ উইকেটে ৩৬৮ রান সংগ্রহ করেছে অস্ট্রেলিয়া।


বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের নটিংহামে বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে অস্ট্রেলিয়া। ৯.৩ ওভারে স্কোরবোর্ডে ৫০ রান যোগ করেন দুই ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ ও ডেভিড ওয়ার্নার। উইকেটে থিতু হওয়ার পর থেকেই একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকান ওয়ার্নার-ফিঞ্চ।


উদ্বোধনীতে জুটিতে ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে ১২১ রানের জুটি গড়েন অ্যারন ফিঞ্চ। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা তাদের এই জুটি ভাঙেন সৌম্য সরকার। মাশরাফি, মোস্তাফিজ, সাকিব, রুবেল মিরাজরা ইনিংসের প্রথম ২০ ওভার বল করেও দলকে ব্রেক থ্রু এনে দিতে ব্যর্থ হন।


টুকটাক বোলিং করা জাতীয় দলের ওপেনার সৌম্য সরকার বোলিংয়ে এসেই অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে ক্যাচ তুলতে বাধ্য করেন। রুবেলের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরার আগে ৫১ বলে ৫টি চার ও দুই ছক্কায় ৫৩ রান করেন ফিঞ্চ।


এরপর দ্বিতীয় উইকেটে উসমান খাজাকে সঙ্গে নিয়ে ১৯২ রানের জুটি গড়েন ডেভিড ওয়ার্নার। এই জুটিতেই শতরানের মাইলফলক স্পর্শ করেন অস্ট্রেলিয়ান এ ওপেনার। বিশ্বকাপে তৃতীয় সেঞ্চুরি করার পর একেরপর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দেড়শ পূর্ণ করেন ওয়ার্নার। তার ব্যাটে ভর করে রানের পাহাড় গড়ার পুঁজি পায় অস্ট্রেলিয়া।


উইকেটে অনবদ্য ব্যাটিং করে যাওয়া ওয়ার্নারকে শেষ পর্যন্ত সাজঘরে ফেরান সৌম্য সরকার। সৌম্যর বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে রুবেলের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন ওয়ার্নার। তার আগে ১৪৭ বলে ১৬৬ রান করেন অস্ট্রেলিয়ান এ তারকা ব্যাটসম্যান। ৪৮.২ ওভারে দলীয় ৩১৩ রানে আউট হন ওয়ার্নার।


এরপর চার নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে ব্যাটিং তাণ্ডব চালান গ্ল্যান ম্যাক্সওয়েল। মাত্র ১০ বলে তিনটি ছক্কা ও দুটি চারের সাহায্যে ৩২ রান করা অস্ট্রেলিয়ান এ খুনে ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরান রুবেল হোসেন। তার দুর্দান্ত থ্রোতে স্ট্যাম্প ভেঙে যায় ম্যাক্সওয়েলের।


তবে সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন উসমান খাজা। অনবদ্য ব্যাটিং করে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ান এ মুসলিম ক্রিকেটারকে তৃতীয় শিকারে পরিণত করেন সৌম্য সরকার। তার আগে ৭২ বলে ১০টি চারের সাহায্যে ৮৯ রান করেন উসমান খাজা। ছয় নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন স্টিভ স্মিথ।

ইংল্যান্ডের কাছে দেড়শ’ রানের হার আফগানদের

ইংল্যান্ডের কাছে দেড়শ’ রানের হার আফগানদের

admin June 19, 2019

আফগানিস্তানের জন্য লক্ষ্যটা ছিল স্বপ্ন ছোঁয়ার মতো। ইংল্যান্ডের দেয়া ৩৯৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জিততে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস তৈরি করতে হতো দলটিকে। সেই বাস্তবতা উপলব্ধি করেই খেলে আফগানিস্তান। তাই জয়ের চিন্তা বাদ দিয়ে হারের ব্যবধান কমানোর লক্ষ্য নেয় তারা। সেই লক্ষ্য মোটামুটি সফল হয়েছে। শেষ পর্যন্ত আফগানিস্তান নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেটে ২৪৭ রান করে। তাই ইংল্যান্ড ১৫০ রানের বড় জয় পায়।


চলতি বিশ্বকাপে ৩৯৭ রানের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলে ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপে ইংলিশদের এটা সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এর আগে চলতি বিশ্বকাপেই বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬ উইকেটে ৩৮৬ রান করেছিল ইয়ন মরগানের নেতৃত্বাধীন দল। তবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে আফগানিস্তানের বিপক্ষে গত আসরে সর্বোচ্চ ৪১৭/৬ রানের রেকর্ড গড়া ইনিংস খেলেছে অস্ট্রেলিয়া।


মঙ্গলবার ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারে প্রথমে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ৩৯৭ রানের পাহাড় গড়ে ইংল্যান্ড। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৮ উইকেটে ২৪৭ রান তুলতে সক্ষম হয় আফগানিস্তান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন হাসমতউল্লাহ শহীদি। এছাড়া ৪৬ রান করেন রহমত শাহ। ৪৪ ও ৩৭ রান করেন সাবেক ও বর্তমান অধিনায়ক আসগর আফগান ও গুলবাদিন নাইব।


ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৯৮ রানের পাহাড় ডিঙাতে নেমে ভরকে যায়নি আফগানিস্তান। রানের পাহাড়ে চাপা পড়েও অসাধারণ ব্যাটিং করেন হাসমতউল্লাহ শহীদি ও আসগর আফগানরা। দলীয় ৪ রানে ওপেনার নুর আলী জাদরান আউট হলে দলের হাল ধরেন গুলবাদিন নাইব ও রহমত শাহ।


দ্বিতীয় উইকেটে তারা ৪৮ রানের জুটি গড়েন। ২৮ বলে ৩৭ রান করে ফেরেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব। এরপর তৃতীয় উইকেটে হাসমতউল্লাহর সঙ্গে ৫২ রানের জুটি গড়তেই বিপদে পড়ে যান রহমত শাহ। ৭৪ বলে ৪৬ রান করে ফেরেন তিনি।


২৪.৫ ওভারে দলীয় ১০৪ রানে তিন ব্যাটসম্যানের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন হাসমতউল্লাহ ও আসগর আফগান। চতুর্থ উইকেটে তারা ৯৪ রানের জুটি গড়েন। ৪৮ বলে তিনটি চার ও ২টি ছক্কায় ৪৪ রান করে ফেরেন সাবেক অধিনায়ক আসগর আফগান। মাত্র ৯ রানে আউট হন মোহাম্মদ নবী।


ব্যাটসম্যানদের এই আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যতিক্রম ছিলেন হাসমতউল্লাহ। ইনিসের শেষ দিকে জফরা আর্চারের গতির বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১০০ বলে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কায় ৭৬ রান করে ফেরেন হাসমত। তার বিদায়ের পর ১৩ বলে ১৫ রান করে ফেরেন নজিবুল্লাহ জাদরান। শেষ দিকে রশিদ খান ও ইকরাম আলিখিনরা দলের পরাজয়ের ব্যবধান কিছুটা কমালেও হারা এড়াতে পারেননি।


ইংল্যান্ড ৩৯৭/৬


ইয়ন মরগানের চতুর্থ দ্রুততম সেঞ্চুরি এবং জনি বেয়ারস্টো-জো রুটের ঝড়ো ফিফটিতে রানের পাহাড় গড়েছে ইংল্যান্ড। মঙ্গলবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৬ উইকেটে ৩৯৭ রানের বিশাল সংগ্রহ করে ইংলিশরা। চলতি বিশ্বকাপে এটাই দলীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।


বিশ্বকাপে এটা তাদের দলীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এর আগে চলতি বিশ্বকাপেই বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬ উইকেটে ৩৮৬ রান করেছিল ইয়ন মরগানের দল।


তবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে দলীয় সর্বোচ্চ ৪১৭/৬ রানের রেকর্ড গড়া ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়া। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে এই আফগানিস্তানের বিপক্ষেই এই রেকর্ড গড়েছিল মাইকেল ক্লার্কের নেতৃত্বাধীন দল।


মঙ্গলবার ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করে ইংল্যান্ড।আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমে রীতিমতো ব্যাটিং তাণ্ডব চালান জনি বেয়ারস্টো, ইয়ন মরগান ও জো রুট।


মাত্র ৫৭ বলে সেঞ্চুরি করেন ইংলিশ অধিনায়ক ইয়ন মরগান। তিনি ৭১ বলে ১৭টি ছক্কা ও চারটি চারের সাহায্যে ১৪৮ রান করে আউট হন। এছাড়া ৯৯ বলে ৯০ রান করেন বেয়ারস্টো। ৮২ বলে ৮৮ রান করেন জো রুট।


প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে জনি বেয়ারস্টোর সঙ্গে উদ্বোধনীতে নেমে ৯.৩ ওভারে ৪৪ রানের জুটি গড়েন জেমস ভিন্স। দৌলত জাদরানের বলে ক্যাচ তুলে দেয়ার আগে ৩১ বলে ২৬ রান করে ফেরেন জেমস ভিন্স।


ওয়ান ডাউনে ব্যাটিংয়ে নামে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা জো রুট। দ্বিতীয় উইকেটে রুটকে সঙ্গে নিয়ে ১২০ রানের জুটি গড়েন বেয়ারস্টো। এই জুটিতেই অনবদ্য ব্যাটিং করে ৬১ বলে ফিফটি পূর্ণ করে সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন তিনি।


কিন্তু ৯৯ বলে ৮টি চার ও তিন ছক্কায় ৯০ রান করে গুলবাদিন নাইবের গতির মুখে পড়ে সাজঘরে ফেরেন বেয়ারস্টো। তার বিদায়ে ২৯.৫ ওভারে ১৬৪ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ইংল্যান্ড।


এরপর তৃতীয় উইকেটে জো রুটের সঙ্গে ১৮৯ রানের জুটি গড়েন ইয়ন মরগান। আর এই জুটিতেই ৫৭ বলে শতরানের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন তিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটা চতুর্থ দ্রুততম সেঞ্চুরি।


এর আগে ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ৫০ বলে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেটার কেভিন ওব্রায়েন। ৫১ বলে সেঞ্চুরি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার তারকা ক্রিকেটার গ্ল্যান ম্যাক্সওয়েল। আর ৫২ বলে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স।


ইয়ন মরগানের মতো সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন জো রুট। গুলবাদিন নাইবের শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ৮২ বলে পাঁচটি চার ও এক ছক্বায় ৮৮ রান করে ফেরেন রুট। এর আগের ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি।


জো রুট বিদায় নেয়ার পর পরই আউট হয়ে যান ইয়ন মরগান। গুলবাদিন নাইবের তৃতীয় শিকার পরিণত হওয়ার আগে মাত্র ৭১ বলে ১৭টি ছক্কা ও ৪টি চারের সাহায্যে ১৪৮ রান করেন মরগান। শেষ দিকে মঈন আলীর ৯ বলের অপরাজিত ৩১ রানের ঝড়ো ইনিংসে ৬ উইকেটে ৩৯৭ রানের পাহাড় গড়ে ইংল্যান্ড।

Image Gallary

 
1 / 3
   
Caption Text
 
2 / 3
   
Caption Two
 
3 / 3
   
Caption Three