বাসের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু, কাউন্টারে উপচেপড়া ভিড়

বাসের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু, কাউন্টারে উপচেপড়া ভিড়

admin May 17, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকাল থেকে বাসের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। রাজধানীর গাবতলী ও আশপাশ এলাকার কাউন্টার থেকে এসব টিকিট বিক্রি হচ্ছে। টিকিট কাটতে ভোর থেকেই বিভিন্ন কাউন্টারে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।


গত দুই বছরের মতো এবারও ঈদযাত্রায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) নির্ধারিত ভাড়া থাকছে। চাহিদা অনুযায়ী এবার বিভিন্ন রুটে নতুন বাস নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে।


এবার ৩০ মে পড়ছে বৃহস্পতিবার। ওই দিন রাতে টিকিটের জন্য চাপ অনেক বেশি। পরদিন শুক্রবার সকালের টিকিটের চাপও বেশি। এরপর ৩ জুনের টিকিটের চাহিদা বেশি। আবার কোনো কোনো কাউন্টারে ৩ জুনের টিকিট শেষ বলেও জানানো হচ্ছে।


অপরদিকে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে মোট সাতদিন পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে। গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, লঞ্চমালিকেরা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন ঈদের সময় তারা অতিরিক্ত যাত্রী বহন করবেন না। এ বিষয়ে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। আমরা একটি আনন্দপূর্ণ ঈদ উদযাপন করতে চাই।


বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান রমেশ চন্দ্র ঘোষ বলেন, রাজধানীর গাবতলী, মাজার রোড, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজগেট ও কলাবাগান এলাকায় বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রি হচ্ছে। যতক্ষণ টিকিট থাকবে ততক্ষণ বিক্রি চলবে। তবে আমরা প্রত্যেকটি গাড়ির দুটি টিকিট হাতে রেখে বাকি সব টিকিট বিক্রি করে দেবো।


রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল- এ চারটি বিভাগের বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাসের টিকিট বিক্রি হচ্ছে রাজধানীর গাবতলী ও আশপাশের এলাকা থেকে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

admin May 17, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
আজ ১৭ মে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর তার দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ছয় বছর প্রবাসে থাকতে বাধ্য হন। দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে ১৯৮১ সালের এই দিনে দেশে ফিরে আসেন তিনি।


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের হত্যার সময় স্বামীর চাকরিসুবাদে শেখ হাসিনা তখন জার্মানিতে অবস্থান করছিলেন। ছোট বোন শেখ রেহানাও সে সময় তার সঙ্গে জার্মানিতে অবস্থান করায় বেঁচে যান তারা। এরপর দীর্ঘ ছয় বছর বিদেশেই কাটান শেখ হাসিনা ও ড. ওয়াজেদ দম্পতি। আর শেখ রেহানা চলে যান লন্ডনে। ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে দলের সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর দেশে গণতন্ত্র আর প্রগতিশীলতার রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফিরে আসেন শেখ হাসিনা।


কিন্তু সেই দিনটি মোটেও নিষ্কলুষ-নির্ঝঞ্ঝাট বা মসৃণ ছিল না। রাজনীতির মতোই প্রকৃতিও সেদিন ছিল ঝঞ্ঝা-বিক্ষুব্ধ। দিনটি ছিল রবিবার। ছিল কালবৈশাখীর হাওয়া, ঝড়ের গতি ছিল ঘণ্টায় ৬৫ মাইল। প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টি আর দুর্যোগও সেদিন গণতন্ত্রকামী লাখ লাখ মানুষের মিছিলের গতিরোধ করতে পারেনি। গ্রাম-গঞ্জ-শহর-নগর-বন্দর থেকে অধিকারবঞ্চিত মুক্তিপাগল জনতা ছুটে এসেছিলেন রাজধানী ঢাকায়, তাদের একমাত্র আশার প্রদীপ বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকারী শেখ হাসিনাকে বরণ করতে। মুষলধারার বৃষ্টি-বাদল উপেক্ষা করে তারা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন নেত্রী কখন আসবেন, এই প্রতীক্ষায়। অবশেষে বিকাল চারটায় কুর্মিটোলা বিমানবন্দর দিয়ে জনসমুদ্রের জোয়ারে এসে পৌঁছান শেখ হাসিনা। দীর্ঘ সাড়ে ছয় বছর পর দেশের মাটিতে পা রাখেন তিনি। তাকে একনজর দেখার জন্য কুর্মিটোলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শেরেবাংলা নগর পর্যন্ত সব সড়ক জনসমুদ্রে পরিণত হয়।


দেশের মাটিতে পা দিয়ে লাখ লাখ জনতার সংবর্ধনার জবাবে শেখ হাসিনা সেদিন বলেছিলেন, `সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তার আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির জনকের হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণে আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই।' তার আগমন উপলক্ষে স্বাধীনতার অমর স্লোগান `জয় বাংলা' ধ্বনিতে প্রকম্পিত ছিল ঢাকার আকাশ-বাতাস। জনতার কণ্ঠে বজ্রনিনাদে ঘোষিত হয়েছিল `হাসিনা তোমায় কথা দিলাম পিতৃহত্যার বদলা নেবো।' সেদিন অবিরাম মুষলধারায় বারি-বর্ষণে যেন ধুয়ে-মুছে যাচ্ছিল বাংলার মাটিতে পিতৃহত্যার জমাটবাঁধা পাপ আর কলঙ্কের চিহ্ন।


শেখ হাসিনা দেশে প্রত্যাবর্তনের পর নেতারা তার হাতে তুলে দেন দেশের সর্ববৃহৎ ও ঐতিহ্যের সাফল্যগাথা মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের পতাকা। এরপর থেকে শেখ হাসিনা দলীয় কাউন্সিলে টানা আটবার নির্বাচিত হয়ে দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এবারসহ চারবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
কর্মী ও জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

কর্মসূচি: দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার (১৭ মে) বিকাল তিনটায় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা।
আরও ২৫ পণ্যের লাইসেন্স স্থগিত

আরও ২৫ পণ্যের লাইসেন্স স্থগিত

admin May 17, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
নিম্নমানের পণ্য হিসেবে চিহ্নিত হওয়া ৫২টি পণ্যের মধ্যে আরো ২৫টির লাইসেন্স স্থগিত করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। এছাড়া ২টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।


এর আগে ১৮টি পণ্যের লাইসেন্স স্থগিত ও ৭টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছিল। অর্থাৎ এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৪৩টি পণ্যের লাইসেন্স স্থগিত ও ৯টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হলো।


লাইসেন্স বাতিল করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- চট্টগ্রামের এস এস কনজ্যুমার প্রোডাক্টের পিওর হাটহাজারী ব্রান্ডের মরিচের গুড়া এবং নওগাঁর কিরণ ট্রেডার্সের ‘কিরণ’ ব্রান্ডের লাচ্ছা সেমাই।


লাইসেন্স স্থগিত হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ঢাকার বাঘাবাড়ী স্পেশাল ঘি কোম্পানির ‘বাঘাবাড়ী স্পেশাল’ ব্রান্ডের ঘি, নিশিতা ব্র্যান্ডের সুজি, মজিল ব্র্যান্ডের হলুদেও গুঁড়া, গ্রিন ল্যান্ডসের মধু, শান এর হলুদের গুঁড়া, মধুমতি’র আয়োডিনযুক্ত লবণ, জেদ্দা ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই, নূও স্পেশালের আয়োডিনযুক্ত লবণ, অমৃত এর লাচ্ছা সেমাই, দাদা সুপার, তিন তীর, মদিনা, স্টারশীপ ও তাজ ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, ডলফিনের মরিচ ও হলুদের গুঁড়া, সূর্য ব্র্যান্ডের মরিচের গুঁড়া, মধুফুল ও মিঠাই’র লাচ্ছা সেমাই, কিং এর ময়দা, ওয়েল ফুডের লাচ্ছা সেমাই, রূপসা’র ফরমেন্টেড মিল্ক (দই), মেহেদীর বিস্কুট, মিষ্টি মেলার লাচ্ছা সেমাই, মক্কার চানাচুর ও মধুবনের লাচ্ছা সেমাই।


বৃহস্পতিবার বিএসটিআই’র এক বিজ্ঞপ্তিতে আলোচ্য পণ্যগুলো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশের কথা জানানো হয়। মানোন্নয়ন করে পুনরায় অনুমোদন ছাড়া উৎপাদন, সরবরাহ কিংবা বিপণন বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া পণ্যগুলো ক্রয় থেকে বিরত থাকতে ভোক্তাদের অনুরোধ জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণ

admin May 17, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ চলতি রমজানের শেষ নাগাদ মক্কায় অনুষ্ঠেয় ১৪তম ওআইসি (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন) সম্মেলনে যোগদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


তিনি জানান, ঢাকায় নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত আমের ওমর সালেম বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে বাদশাহর আমন্ত্রণ পত্রটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন। প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন এবং সম্মেলনে তার উপস্থিতির বিষয়ে রাষ্ট্রদূতকে আশ্বস্ত করেছেন।


সৌদি দূত প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, সৌদি বাদশাহ তাকে আন্তরিকতার সঙ্গে ওআইসি সম্মেলনে যোগদানের আমন্ত্রণ এবং একইসঙ্গে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য সৌদি বাদশাহের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।


বৈঠকে বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে এখন বাংলাদেশের একটি বিশেষ সম্পর্ক বজায় রয়েছে। তিনি বলেন, ‘সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ককে আমরা বিশেষ মূল্য দিয়ে থাকি।’


জবাবে ভারপ্রাপ্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, তার দেশও বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে মূল্য দেয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান।


এই পবিত্র মাহে রমজানের শেষ নাগাদ মক্কা নগরীতে ১৪তম ওআইসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে। সদস্যপদ স্থগিত করার কারণে সিরিয়া ছাড়া ৫৭টি দেশের রাষ্ট্র এবং সরকার প্রধানগণ এই সম্মেলনে যোগদান করবেন। সম্মেলনে ফিলিস্তিন ইস্যুসহ কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারে।


সম্মেলনের মক্কা ঘোষণায় ইসলামিক রাষ্ট্রগুলোর জন্য প্রযোজ্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী অর্ন্তভূক্ত হতে পারে এবং ওআইসি সদস্য রাষ্টগুলোর ঐক্য এবং সংহতি বজায় রাখার অঙ্গীকার অব্যাহত রাখার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হতে পারে।


পবিত্র মক্কা নগরীর দিকে তাক করে থাকা ব্যালেস্টিক মিসাইলের বিষয় নিয়ে ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি বৈঠকের তিন বছর পর এবারের ১৪তম ওআইসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ১৩ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৬ সালের এপ্রিলে তুরষ্কের ইস্তানবুলে। যাতে ৫০টি দেশ অংশগ্রহণ করে।


ওআইসি হচ্ছে জাতিসংঘের পরেই সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক সরকারি সংস্থা, চারটি মহাদেশের ৫৭টি দেশ যার সদস্য। এটি মুসলিম বিশ্বকে প্রতিনিধিত্ব করে এবং তাদের স্বার্থরক্ষা করে চলে।

ক্যাবল ছাড়াই টিভি দেখার ডিটিএইচ সেবার যাত্রা শুরু

ক্যাবল ছাড়াই টিভি দেখার ডিটিএইচ সেবার যাত্রা শুরু

admin May 16, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
দেশে প্রথমবারের মতো বিশ্বমানের ডিটিএইচ (ডিরেক্ট টু হোম) সেবা নিয়ে এসেছে বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স লিমিটেড। ‘আকাশ’ ব্র্যান্ড নামে এ সেবাপণ্য বাজারজাত করা হচ্ছে৷ বিশ্বে নিজস্ব স্যাটেলাইট থাকা ৫৭তম দেশ বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ থেকে ডিটিএইচ সেবা দেবে ‘আকাশ’।


বৃহস্পতিবার (১৬ মে) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ডিটিএইচ সেবা আকাশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স লিমিটেড জানায়, বিশ্বব্যাপী পে-টিভি শিল্পে ডিটিএইচ একটি উচ্চতর প্রযুক্তি। আগামী ১৯ মে থেকে সর্বোচ্চ মানের ছবি ও শব্দের নিশ্চয়তা দিয়ে প্রায় ১১০টি চ্যানেল ও ২০টি হাইডেফিনেশন চ্যানেল নিয়ে সেবা চালু করছে আকাশ ডিটিএইচ৷


ভ্যাটসহ মাসিক ৩৯৯ টাকার এ সেবা উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহক৷ শিগগিরই আরও নতুন চ্যানেল এবং ভিডিও অন ডিমান্ড ও প্রোগ্রাম রেকর্ডিংয়ের মতো নতুন সেবা-ফিচার যুক্ত করা হবে। বিদ্যমান ফিচারগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রোগ্রাম রিমাইন্ডার, ফেভারিট প্রোগ্রাম লিস্টিং ও প্যারেন্টাল কট্রোল।

এছাড়া আকাশ ডিটিএইচ এর এককালীন সংযোগ খরচ ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা। সংযোগ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক এইচডি সেট টপ বক্স, গ্রাহকবান্ধব ও বহুমুখী ব্যবহার উপযোগী রিমোট কট্রোল, তাপ ও বৃষ্টি প্রতিরোধী ইউনিভার্সাল কেইউ ব্যান্ড ডিশ এবং অন্যান্য উপকরণ৷ তাছাড়া সীমিত সময়ের জন্য বিনামূল্যে ইনস্টলেশন ও এক মাসের সাবক্রিপশন পাওয়া যাবে। সার্বক্ষণিক ২৪/৭ গ্রাহকসেবার জন্য কল সেন্টার এবং পেশাদার ইনস্টলেশন ও বিক্রয় পরবর্তী সেরা নিশ্চিত করবে আকাশ৷

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ আকাশের উদ্বোধন করেন। এসময় তিনি বলেন, দেশ ডিজিটালাইজেশনের পথে আরো একধাপ এগিয়ে গেলো। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আমাদের রাস্তার তারের জঞ্জাল কমবে। এছাড়া এই ব্যবস্থাপনায় স্যাটেলাইট চ্যানেল সরবরাহের ব্যবসায় সরকারের কর সঠিকভাবে আদায় করা আরো সহজ হবে। তাছাড়া টেলিভিশন সম্প্রচার আইন বাস্তবায়নেও যথেষ্ট সহযোগিতা পাওয়া যাবে।

বক্তব্য রাখছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদমন্ত্রী আরো বলেন, টেলিভিশন সম্প্রচারের ক্ষেত্রে আমরা শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কাজ করছি। বিজ্ঞাপন আইন অনুসারে অন্য কোনো দেশই বিদেশি চ্যানেল সম্প্রচারে বিজ্ঞাপন দেখাতে পারে না। আমাদের দেশে তা পারে। ২০০৬ সালে এই আইন পাস হলেও বাস্তবায়ন হয়নি। সেটা বাস্তবায়নের কাজ চলছে। আমাদের দেশেও বিদেশি চ্যানেলগুলো বিজ্ঞাপন না দেখিয়ে সম্প্রচার করতে পারবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের আকাশপথে বিচরণের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে, অর্থাৎ দেশ ডিজিটালাইজেশন হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য সারাদেশের জনগণকে উন্নয়ন কাজে সম্পৃক্ত করা। তাই গ্রামে এই সেবা সহজে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। পেমেন্ট ব্যবস্থাপনাকে আরো সহজ করতে হবে। তাছাড়া সব বিভাগে পৌঁছে দিতে হবে সেবা।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্সের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান, বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্সের চেয়ারম্যান শায়ান এফ রহমান একই কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ডিএস ফায়সাল হায়দার, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু প্রমুখ।

দেশের ২০টি জেলায় আকাশ ডিটিএইএচ বাণিজ্যিকভাবে পাওয়া যাবে। জেলাগুলো হলো- ঢাকা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সুনামগঞ্জ।


এছাড়া শিগগিরই দেশের অন্য জেলাগুলোতেও অনুমোদিত খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে এ ডিটিএইচ পাওয়া যাবে বলেও জানায় বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স।

৪৭৯২ চিকিৎসক নিয়োগ দেবে সরকার

৪৭৯২ চিকিৎসক নিয়োগ দেবে সরকার

admin May 16, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
দেশের হাসপাতালগুলোতে চার হাজার ৭৯২ জন চিকিৎসক নিয়োগের জন্য সুপারিশের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। চলতি বছরের মধ্যে এসব চিকিৎসক নিয়োগ শেষে আগামী বছর আরো প্রায় পাঁচ হাজার নিয়োগ দেওয়া হবে।


স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত ১০০ দিনের কর্মসূচির অগ্রগতি জানাতে বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।


মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। শিগগিরই নিয়োগ দেওয়া হবে। বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে থাকে। সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ডিপিডিসির কল সেন্টারে কল দিয়ে হতবাক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী!

ডিপিডিসির কল সেন্টারে কল দিয়ে হতবাক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী!

admin May 16, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) গ্রাহকসেবার জন্য একটি কল সেন্টার খুলে উদ্বোধনের দিনেই হতবাক হয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। তিনি কল সেন্টারে ফোন করে তথ্য জানতে চাইলে তাকে নয়-ছয় বুঝিয়ে মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছেন কল সেন্টারের প্রতিনিধিরা।


বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ ভবনে কল সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত পরশু দিন আমি সচিবালয়ে বসে কল সেন্টারে ফোন করি। আবদুল জলিল তালুকদার নামে একজন অপারেটর ফোনটি রিসিভ করেন।


তিনি শুরুতে আমার গ্রাহক নম্বর ও এলাকার কোড জানতে চান। আমি তাকে বলি- আমি এসব জানি না, ফতুল্লা পোস্ট অফিসের গলিতে বিদ্যুৎ নেই।


এর পর সঙ্গে সঙ্গেই তিনি আমাকে উত্তর দেন, ‘স্যার, ওখানকার কমপ্লেইন সুপারভাইজার মোবারক হোসেন জানিয়েছেন- সেখানে তার ছিঁড়ে গেছে, কিছুক্ষণের মধ্যেই বিদ্যুৎ চলে আসবে।’


আমি এর পর ফতুল্লা অভিযোগ কেন্দ্রে ফোন করি, সেখান থেকে আমাকে জানানো হয়, সেখানে মোবারক হোসেন নামে কেউ কাজ করে না। তারা আমাকে জানায়, ফতুল্লায় কোনো তার ছিঁড়ে যায়নি আর বিদ্যুৎও যায়নি।


এ ঘটনার পর দিন অর্থাৎ গতকাল আমি আমার পিএসকে (ব্যক্তিগত সহকারী) দিয়ে সচিবালয় থেকে আবার কল সেন্টারে ফোন করাই। তখন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালকও উপস্থিত ছিলেন।


পিএস আমার সামনে কল সেন্টারের প্রতিনিধিকে বলেন, ‘আমি চকবাজার থেকে বলছি- চকবাজারে বিদ্যুৎ নেই।’ তখন কল সেন্টার থেকে বলা হয়, ‘স্যার, সেখানে গ্রিডটি এইমাত্র ফেল করেছে। কিছু সময়ের মধ্যেই বিদ্যুৎ চলে আসবে।’


প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই হচ্ছে কল সেন্টারের অবস্থা। বিদ্যুৎ যায়নি, কিন্তু তারা বলে দিচ্ছে বিদ্যুৎ চলে গেছে। কিছু সময়ের মধ্যে চলে আসবে। তিনি একা ফোন করে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, একই অভিজ্ঞতা হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ভিডিও কনফারেন্সেও।


ভিডিও কনফারেন্সে ডিপিডিসির তরফ থেকে প্রতিমন্ত্রীকে কল সেন্টারের নম্বরে ফোন দিয়ে ধরিয়ে দেয়া হয়, এ সময় অন্য প্রান্তে থাকা খুশবু নামের একজন অপারেটর ফোনটি রিসিভ করেন।


প্রতিমন্ত্রী এ সময় তাকে বলেন, ‘আমি শাহবাগ থেকে বলছি- আমার এখানে বিদ্যুৎ নেই।’ খুশবু তাকে জানান, ‘স্যার, কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।’


এর পর ভিডিওতে খুশবুকে অকারণে কিছু সময় ব্যয় করতে দেখা যায়। এ সময় তাকে বেশ অপ্রস্তুত মনে হচ্ছিল। খুশবু কিছু সময় পর প্রতিমন্ত্রীকে জানান, ‘আমি কলটি সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্থানান্তর করছি। আপনি সেখানে কথা বলতে পারেন।’


এর দুই তিন সেকেন্ড পর তিনি প্রতিমন্ত্রীকে বলেন, ‘আপনার এলাকায় দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।’


এর পর মন্ত্রী ফোনটি কেটে দিয়ে উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেন, ‘বুঝলেন তো, এই হচ্ছে কল সেন্টারের অবস্থা।’


প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে কিছু ভুলত্রুটি থাকবেই। আমি আপনাদের নিরুৎসাহিত করছি না। তবে স্মার্টসেবা দিতে স্মার্ট মানুষ দরকার।


এ সময় তিনি সব বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির জন্য একটি করে কল সেন্টার করার উদ্যোগ নিতে বলেন।


কল সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এখন থেকে ১৬১১৬ নম্বরে কল করলেই বিদ্যুৎসেবা পাবেন গ্রাহক।

সাগরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রবাহী নৌকা, আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র

সাগরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রবাহী নৌকা, আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র

admin May 16, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
পারস্য উপসাগরে ছোট ছোট নৌকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ছবি সাম্প্রতিক হোয়াইট হাউস কর্মকর্তাদের আসা হুঁশিয়ারির অন্যতম কারণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পারস্য উপসাগরে আকাশ থেকে তোলা ছবিতে ক্ষেপণাস্ত্র জড়ো করে রাখতে দেখা গেছে। ইরানি আধা সামরিক বাহিনী এসব ক্ষেপণাস্ত্র নৌকায় উঠাচ্ছেন।


এতে মার্কিন নৌজাহাজে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের বরাত দিয়ে রুশ সংবাদমাধ্যম স্পুটনিক এ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, গোয়েন্দারা বিভিন্ন ধরনের হুমকির কথা উপস্থাপন করেছেন, যা এর আগে ইরানের কাছ থেকে এসেছিল। কট্টরপন্থী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ও দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন ছবির এসব ক্ষেপণাস্ত্রকে হুমকির অজুহাত হিসেবে বিবেচনা করেছেন।


এছাড়াও বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে হুমকির বিষয়টি তুলে ধরে অতিরিক্ত গোয়েন্দা তথ্য জড়ো করা হয়েছে। এতে মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের মিত্র আরব মিলিশিয়াদের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা করা হয়েছে।


কিন্তু এই হুশিয়ারি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কীভাবে সতর্ক হওয়া উচিত তা নিয়ে হোয়াইট হাউস, পেন্টাগন, মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা(সিআইএ) ও দেশটির মিত্রদের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে।


ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্রের ছবিকে ট্রাম্পের প্রশাসনের কট্টরপন্থীরা হুমকি হিসেবে দেখলেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইরাক, কংগ্রেস ও রিপাবলিকান কর্মকর্তারা এটা প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করছে।


ছোট একটি নৌকায় ক্ষেপণাস্ত্র তোলার ওই ছবির ওপর ভিত্তি করে ইরান যে ক্রমাগত হুমকি হয়ে দেখা দিচ্ছে, তা প্রমাণ করতে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তবে পেন্টাগন এখনো ছবিটি প্রকাশ করেনি।


কিন্তু আমেরিকান আইনপ্রণেতা ও দেশটির জনগণের কাছে ইরানকে ক্রমবর্ধমান হুমকি হিসেবে উপস্থাপন করতে এই একটি ছবিই যথেষ্ট বলে মনে করছেন না মার্কিন মিত্ররা।


এর আগে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র জাহাজে ভরা হচ্ছে বলে দেখা গেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বের হয়ে আসা বিস্তারিত তথ্য বলছে, মার্কিন কর্মকর্তারা এমন সিদ্ধান্তে আসতে পেরেছেন যে বিদেশি মিলিশিয়াদের কাছে অস্ত্র হস্তান্তরের ইচ্ছা ইরানের নেই।


মার্কিন পররাষ্ট্র সম্পর্ক ও গোয়েন্দা কমিটির সদস্য মার্কো রুবিও গত সপ্তাহে বলেন, তিনি ইরানের সঙ্গে কোনো যুদ্ধে যেতে চান না। কেবল আক্রান্ত হলে যুক্তরাষ্ট্র অবশ্যই জবাব দেবে বলে তিনি মনে করেন।

ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস আজ

ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস আজ

admin May 16, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
আজ ১৬ মে, বৃহস্পতিবার। ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস। ১৯৭৬ সালের এই দিনে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দান থেকে মারণবাঁধ ফারাক্কা অভিমুখে লাখো মানুষের লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। ভারতের পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদে ওই দিন বাংলার সর্বস্তরের মানুষের বজ্রকণ্ঠ দিল্লির মসনদ পর্যন্ত কাঁপিয়ে দেয়। আধিপত্যবাদী শক্তি ভারতের পানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানী সেদিন ফারাক্কা বাঁধের বিরূপ প্রভাব ও এর বিভিন্ন ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে যে প্রতিবাদ করেছিলেন, তার সেই সাহসী উচ্চারণ বাংলাদেশের মানুষের অনুপ্রেরণার উৎস্য হয়ে আছে আজও।


জানা যায়, ওই দিন রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দান থেকে লংমার্চ শুরু হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে গিয়ে শেষ হয়। দিনটি ছিল রোববার। সকাল ১০টায় রাজশাহী থেকে শুরু হয় জনতার পদযাত্রা। হাতে ব্যানার আর ফেস্টুন নিয়ে অসংখ্য প্রতিবাদী মানুষের ঢল নামে রাজশাহীর রাজপথে। ভারতবিরোধী নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। বেলা ২টায় হাজার হাজার মানুষের স্রোত জেলার গোদাগাড়ীর প্রেমতলী গ্রামে গিয়ে পৌঁছায়। সেখানে মধ্যাহ্ন বিরতির পর আবার যাত্রা শুরু হয়। সন্ধ্যা ৬টায় লংমার্চ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গিয়ে রাত যাপনের জন্য সে দিনের মতো শেষ হয়। মাঠেই রাত যাপন করার পরদিন সোমবার সকাল ৮টায় আবার যাত্রা শুরু হয় শিবগঞ্জের কানসাট অভিমুখে।


ভারতীয় সীমান্তের অদূরে কানসাটে পৌঁছানোর আগে মহানন্দা নদী পার হতে হয়। হাজার হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেন এই লংমার্চে। তারা নিজেরাই নৌকা দিয়ে কৃত্রিম সেতু তৈরি করে মহানন্দা নদী পার হন। কানসাট হাইস্কুল মাঠে পৌঁছানোর পর সমবেত জনতার উদ্দেশে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী জ্বালাময়ী ভাষণ দেন। মওলানা ভাসানী ভারতের উদ্দেশে বলেন, ‘তাদের জানা উচিত বাংলার মানুষ এক আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে ভয় পায় না। কারো হুমকিকে পরোয়া করে না। তিনি বলেন, আজ রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও কানসাটে যে ইতিহাস শুরু হয়েছে তা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর নতুন অধ্যায়ের সৃষ্টি করবে।’ মওলানা ভাসানী এখানেই লংমার্চের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। বাংলাদেশ সীমানার মধ্যে লংমার্চ সমাপ্ত হলেও সেদিন জনতার ভয়ে ভীত ভারতীয়রা সীমান্তে বিপুলসংখ্যক সৈন্য মোতায়েন এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে।


ভারতের একতরফা ও আগ্রাসী মনোভাবের কারণে ফারাক্কা বাঁধের বিরূপ প্রভাবে বাংলাদেশের বৃহৎ একটি অঞ্চল মরুভূমিতে পরিণত হতে চলেছে। বিশেষ করে রাজশাহী অঞ্চল ভয়াবহ হুমকির সম্মুখীন। দেশের বৃহত্তম নদী পদ্মা আজ পানির অভাবে শুকিয়ে মরুভূমিতে পরিণত হতে চলেছে। উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের অন্তত ৩০টি নদী আজ বিলুপ্তির পথে। অন্য দিকে, ফারাক্কার বিরূপ প্রভাবে বরেন্দ্র অঞ্চলের ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর অস্বাভাবিক হারে নিচে নেমে যাচ্ছে। বরেন্দ্র অঞ্চলে এখন পানির স্তর স্থানভেদে ১০০ থেকে ১৩০ ফুট পর্যন্ত নিচে নেমে গেছে। আর নগরীতে ৫০ থেকে ৬০ ফুট পর্যন্ত নিচে নেমে গেছে।


সূত্র জানায়, যৌথ নদী কমিশনের বৈঠকে বিষয়টি বার বার উত্থাপন করা হলেও কোনো সুফল বয়ে আনতে পারেনি। দীর্ঘদিন ধরে শুধু আশ্বাসের বাণী শোনানো হয়। এ ব্যাপারে ভারতের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। ভারত চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তার পানির ন্যায্য হিস্যা প্রদান করছে না।


সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, রাজশাহীর পদ্মা নদীর বুকে বিশাল বিশাল বালু চর পড়েছে। সেখানে ফুটবল খেলা হচ্ছে, গরুর গাড়ি চলছে। আর ফল ও ফসলের আবাদ হচ্ছে। পায়ে হেঁটেই এখন নদী পার হওয়া যায়। পদ্মার মূল নদী রাজশাহী শহর থেকে অনেক দূরে (প্রায় পাঁচ কিলোমিটার) সরে গেছে। পদ্মার সেই অপরূপ যৌবন ও সৌন্দর্য আর নেই। এ ছাড়া জেলার বাঘা, চারঘাট ও গোদাগাড়ীতে পদ্মার শাখা নদীতেও একই চিত্র বিদ্যমান। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ অবস্থা চলতে থাকলে কিছু দিনের মধ্যে দেশের বৃহৎ এ অঞ্চলটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। মরুকরণ দেখা দেবে। অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ফারাক্কা লংমার্চের প্রস্তুতির সময় বিশ্ব নেতাদের এ সম্পর্কে অবহিত করে বার্তা পাঠান। তিনি জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব ড. কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ড, চীনের নেতা মাও সেতুং, সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী আলেক্সি কোসিগিন প্রমুখের কাছে তারবার্তা পাঠিয়ে ভারতের ওপর তাদের প্রভাব খাটিয়ে গঙ্গার পানি বণ্টনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা প্রাপ্তির ব্যাপারে সহযোগিতা কামনা করেন। এ ছাড়া মওলানা ভাসানী জনসভা থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে ফারাক্কার ফলে বাংলাদেশে এরই মধ্যে যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে তা সরেজমিন দেখতে আসার আহ্বান জানান।


স্থানীয়রা বলছেন, ফারাক্কা বাঁধের বিরূপ প্রভাবে দেশের উত্তরাঞ্চলসহ বৃহৎ একটি অংশ মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। আগ্রাসী ভারতের একগুঁয়েমি ও অপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের কারণে বাংলাদেশ আজ চরম ক্ষতির শিকার। এর ফলে এই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ জিইয়ে রয়েছে। বছর সাতেক আগে থেকে দাবি উঠেছে, ফারাক্কা বাঁধের কারণে দেশের যে ক্ষতি হয়েছে, সেই ক্ষতিপূরণ ভারতের কাছ থেকে আদায় করতে হবে। এ জন্য বাংলাদেশ সরকারকে সেই ক্ষতিপূরণ আদায়ে ভারত সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।


সূত্র জানায়, ফারাক্কা বাংলাদেশের কৃষি, শিল্প কারখানাসহ সব কিছুতেই মারাত্মক ক্ষতি করেছে। তবে এসব ক্ষতির বিষয়ে সরকারি- বেসরকারি পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান নেই। তবে বিভিন্ন সূত্রে এ সংক্রান্ত কিছু তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যায়। ২০১৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ‘নদী ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন- রাজশাহী’ আয়োজিত সাধারণ সভায় একটি ঘোষণাপত্র অনুমোদিত হয়। ওই ঘোষণাপত্রের একটি অংশে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি সমীক্ষার উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ফারাক্কায় বাঁধ দেয়ার কারণে বাংলাদেশের প্রায় ৯৩ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। প্রতি বছর ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। তবে এ ক্ষতির পরিমাণ বর্তমানে আরো বেশি হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।


এ ব্যাপারে নদী ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন বাংলাদেশের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এনামুল হক নয়া দিগন্তকে বলেন, জাতিসঙ্ঘের পানিপ্রবাহ আইন ১৯৯৭ এর বিধান অনুযায়ী এবং জাতিসঙ্ঘের মাধ্যমেই বিষয়টির সুরাহা করতে হবে। এ জন্য সরকারকে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে হবে। তিনি বলেন, ভারত চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে পানি দেবে না, এটা এখন অনেকটা পরিষ্কার। কারণ এত দিনেও তারা চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে পানির প্রাপ্যতা বুঝিয়ে দেয়নি। তিনি আরো বলেন, ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের যে ক্ষতি হয়েছে, সেই ক্ষতিপূরণ ভারতের কাছ থেকে আদায়ে বাংলাদেশ সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।


এনামুল হক বলেন, ১৯৭৬ সালের ১৬ মে বাংলাদেশের নদীগুলোর যে পরিস্থিতি ছিল আজ চার দশক পরে তা আরো ভয়াবহ অবস্থা দাঁড়িয়েছে। ফারাক্কার প্রতিক্রিয়া ও প্রভাবে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের গঙ্গা-পদ্মা ছাড়াও অন্যান্য ছোট ও মাঝারি ধরনের নদ-নদী শুকিয়ে গেছে। নদীর তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা এখন অনেকটাই মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। এর ফলে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয় অতি আসন্ন। শুধু গঙ্গা নয়- তিস্তা, মহানন্দা, বারাক নদীতে বাঁধ এবং আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্পের মাধ্যমে একতরফা পানি প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ভারত বলে আসছে যে, বাংলাদেশের ক্ষতি হয়- নদীকেন্দ্রিক এমন কোনো প্রকল্প তারা বাস্তবায়ন করবে না। কিন্তু পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি বলেন, ভয়াবহ এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সর্বস্তরের দেশপ্রেমিক মানুষকে সোচ্চার ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।


ইতঃপূর্বে রাজশাহীতে ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উদযাপন কমিটির এক তথ্যে ফারাক্কাজনিত কারণে বাংলাদেশে পানির অভাবে যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ৮ কোটি মানুষ এবং এক-তৃতীয়াংশ এলাকা সেচের পানির অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্পের ৬৫ শতাংশ এলাকায় সেচকার্যক্রম চালানো সম্ভব হচ্ছে না, অতিরিক্ত লবণাক্ততার জন্য জমির উর্বরাশক্তি কমে গিয়ে পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের প্রায় ১৭ ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় হাজার হাজার হস্তচালিত পাম্প অকেজো হয়ে গেছে, দেশের প্রায় ২১ শতাংশ অগভীর নলকূপ ও ৪২ শতাংশ গভীর নলকূপ ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না, ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের বিষাক্ত প্রভাবে পশ্চিমাঞ্চলের অনেক জেলায় টিউবওয়েলের পানি খাবার অযোগ্য হয়ে পড়েছে, নদী শুকিয়ে যাওয়ায় ভূগর্ভস্থ যে পানি উত্তোলন করা হয় সেটা পূরণ (রিচার্জ) হচ্ছে না, ফারাক্কার প্রভাবে নদীর জীবনচক্র ধ্বংস হয়ে গেছে, ইলিশের বিচরণক্ষেত্র পদ্মায় আর ইলিশ আসে না, নদীর বুকে জেগে উঠেছে বিশাল ধূধূ বালু চর, নদীর মূলধারা বিভক্ত হয়ে পড়েছে অসংখ্য সরু ও ক্ষীণ স্রোতধারায়, প্রায় ১৫০০ কিলোমিটার নৌপথ বন্ধ হয়ে গেছে।


রাজশাহীতে আলোচনা সভা : এ দিকে, ফারাক্কা লংমার্চের ৪৩তম বার্ষিকী উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহী নগরীর অনুরাগ কমিউনিটি সেন্টারে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। নদী ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন বাংলাদেশ এ কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এতে আলোচক থাকবেন বিশিষ্ট পানি ও নদী বিশেষজ্ঞগণ ও পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ। সভাপতিত্ব করবেন নদী ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের আহবায়ক অ্যাডভোকেট এনামুল হক।

রিকশাচালকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ

রিকশাচালকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ

admin May 16, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের এম-৫৫ ব্যাচের তৃতীয় বর্ষের এক নারী শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায় এক বখাটে রিকশাচালক। এর প্রতিবাদে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে কলেজের একাডেমিক ভবনের প্রধান গেটে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।


পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি দল নিয়ে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন কলেজ প্রশাসন। এতে প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. আনোয়ার হোসেন সভায় সভাপতিত্ব করছেন।


আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতরে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ইফতার কিনে ফেরার পথে এক নারী শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায় এক বখাটে রিকশাচালক। এরপর মেয়েটির চিৎকারে কেউ এগিয়ে আসার আগে ওই রিকশাচালক চম্পট দেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কলেজের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলনে নামে।


আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হাসান সরকার বলেন, ‘আমরা অবিলম্বে ওই রিকশাচালককে আটক, কলেজ হোস্টেলের গেটে সার্বক্ষণিক গার্ড, লেডিস হোস্টেলের গেটসহ পুরো ক্যাম্পাসে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, পর্যাপ্ত আনসার নিয়োগ ও পুলিশি টহল বাড়ানোর দাবি জানিয়েছি’।


এদিকে কলেজ প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দলের বৈঠক চললেও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা নিয়মতান্ত্রিকভাবেই একাডেমিক ভবনের প্রধান গেটে তালা ঝুলিয়ে দুপুর পর্যন্ত বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ফিতরা জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৭০, সর্বোচ্চ ১৯৮০ টাকা

ফিতরা জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৭০, সর্বোচ্চ ১৯৮০ টাকা

admin May 16, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
এ বছর জনপ্রতি ফিতরা সর্বনিম্ন ৭০ টাকা ও সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৮০ টাকা নির্ধারণ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। বৃহস্পতিবার সকালে বায়তুল মোকাররমে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


সভা শেষে ইসলামী ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক মুহম্মদ নিজাম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত বছর সর্বনিম্ন ৭০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩১০ টাকা ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছিল।


সভায় বলা হয়, ইসলামি শরিয়া মতে, আটা, খেজুর, কিশমিশ, পনির ও যব-এসব পণ্যের যেকোনো একটি দ্বারা ফিতরা দেওয়া যায়। ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম গম বা আটা অথবা খেজুর, কিশমিশ, পনির বা যবের মধ্যে সামর্থ্য অনুযায়ী যেকোনো একটি পণ্যের ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের বাজারমূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করা যায়।


সভায় বলা হয়, দেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিশমিশ ও পনিরের সর্বোচ্চ বাজারমূল্যের ভিত্তিতে এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে সাইবার নিরাপত্তায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে সাইবার নিরাপত্তায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা

admin May 16, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে ‘বিদেশী প্রতিপক্ষ’ থেকে রক্ষা করার জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট এই সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। যেটি মার্কিন কোম্পানি যারা বিদেশি টেলিকম ব্যবহার করেন তাদের জন্য কার্যকর হবে। খবর বিবিসির। ধারণা করা হচ্ছে, এর ফলে দেশটি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে নির্দিষ্টভাবে কোনো কোম্পানির নাম প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেননি।

কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সেনাসহ নিহত ৪

কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সেনাসহ নিহত ৪

admin May 16, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
ভারত শাসিত কাশ্মীরের পুলওয়ামায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে এক সেনা সদস্যসহ চারজন নিহত হয়েছে। নিহত বাকি তিনজন বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। আহত আরও দুই সেনা সদস্য ও এক স্থানীয় বাসিন্দা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বৃহস্পতিবার সকালে এই ঘটনা ঘটেছে।


পুরো এলাকা ঘিরে রেখে তল্লাশি চালাচ্ছে সেনা ও পুলিশের যৌথ বাহিনী। গোটা এলাকায় কার্ফিও জারি করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট সেবা।


স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদীদের লুকিয়ে থাকার খবরে বৃহস্পতিবার ভোরে সেনাবাহিনী, সিআরপিএফ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস এবং স্পেশাল অপারেশনস গ্রুপের যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলিতে তিন বিচ্ছিন্নতাবাদী ও এক সেনা সদস্য নিহত হয়।


গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় আত্মঘাতী হামলায় ভারতীয় নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর প্রায় অর্ধশত সদস্য নিহত হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন পাক-ভারত যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছিল।

নিজের কবরের স্থান খুঁজছেন এরশাদ

নিজের কবরের স্থান খুঁজছেন এরশাদ

admin May 16, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
নিজের জন্য কবরের জায়গা খুঁজছেন জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা এইচএম এরশাদ। অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে যাওয়া এরশাদের পরামর্শে তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন গত কয়েকদিনে রাজধানী ও আশপাশে কবরের জন্য একাধিক সম্ভাব্য স্থান সরেজমিনে দেখেছেন।


কবরের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনে যাওয়া একাধিকজন জানান, এরশাদের ইচ্ছা মৃত্যুর পর যেন ঢাকায় তাকে সমাহিত করা হয়। সেক্ষেত্রে কবরের কাছে যেন মসজিদ, মাদ্রাসা থাকে। এরকম উপযুক্ত স্থান পাওয়া না গেলে রংপুরে সমাহিত করার কথা জানিয়ে রেখেছেন তিনি।


এরশাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ইতোমধ্যে বনানী কবরস্থানে স্থায়ী জায়গা কেনার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে রাজধানীর বারিধারায় আমেরিকান সেন্টারের কয়েকশ গজ উত্তরে একটি মাদ্রাসা ও এতিম খানার কাছে জায়গা দেখা হয়েছে। এছাড়া পূর্বাচলের কাছেও একটি জায়গা দেখে এসেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে কোনোটিই এখনও চূড়ান্ত হয়নি।


এদিকে রাজধানীর বনানীতে ভাড়ায় নেওয়া নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়টিও ছেড়ে দিচ্ছেন এরশাদ। বাড়ির মালিকও বাড়িটি খালি করে দিতে এরশাদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের নোটিস পাঠিয়েছেন।


এরশাদের ব্যক্তিগত সচিব ও জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অব.) খালেদ আখতার জানান, এরশাদ সাহেব অফিসটি ছেড়ে দিতে চাচ্ছেন। তাছাড়া বাড়ির মালিকের সঙ্গেও চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। সেই কারণে অফিসটি ছাড়ার প্রস্তুতি চলছে।

সাগরে লঘুচাপ: বৃষ্টির পর বাড়তে তাপমাত্রা

সাগরে লঘুচাপ: বৃষ্টির পর বাড়তে তাপমাত্রা

admin May 16, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। বুধবার (১৫ মে) সারাদেশে কমবেশি বৃষ্টি হয়েছে। একই প্রবণতা থাকবে আজ বৃহস্পতিবারও। তার পর আবার আসতে পারে ঘাম ঝরানো গরম। বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ বিরাজ করছে।


বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। খুলনা, যশোর ও মোংলা অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রশমিত হতে পারে বিরাজমান মৃদু তাপপ্রবাহ। এ ছাড়া সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।


এদিকে আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল অতিক্রম করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।


দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।


আবহাওয়াবিদ আবদুর রহমান খান জানান, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের কিছু কিছু এলাকায় বৃহস্পতিবারও সামান্য বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের কয়েকটি এলাকায় বিরাজমান তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে। বুধবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে খুলনা ও পটুয়াখালীতে, ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল রংপুরে, ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

কঙ্গনা রনৌতের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

কঙ্গনা রনৌতের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

admin May 16, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
বলিউড তারকা আদিত্য পাঞ্চোলির বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তোলায় কুইনখ্যাত অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌতের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা হয়েছে। মামলাটি করেছেন পাঞ্চোলি ও তার স্ত্রী জরিনা ওয়াহাব।


জানা গেছে, কঙ্গনা রনৌত আর তার বোন রাঙ্গোলি চান্দেলের বিরুদ্ধে মুম্বাইর আন্ধেরির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মানহানির মামলা করেছেন আদিত্য পাঞ্চোলি ও তাঁর স্ত্রী জরিনা ওয়াহাব।


ভারতীয় সংবাদমাধ্যম মিড-ডে খবরটি নিশ্চিত করেছে। সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আদিত্য পাঞ্চোলি ও তার স্ত্রী অভিনেত্রী কঙ্গনা আর তার বোন রাঙ্গোলির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন। পাশাপাশি দেওয়ানি মামলা করার অপশনও খোলা রেখেছেন তারা।


মাত্র ১৭ বছর বয়সেই বলিউড তারকা আদিত্য পাঞ্চোলির যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ জানিয়েছিলেন কঙ্গনা। ২০১৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ‘ইন্ডিয়া টুডে’র প্রতিবেদনে বিষয়টি সামনে আসে। কঙ্গনা আরও বলেছিলেন, ওই সময় আদিত্যর যৌন নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে তার স্ত্রী জরিনা ওয়াহাবের কাছে সাহায্য চাইতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে কোনো সহযোগিতা তিনি পাননি।


মিড-ডে’কে আদিত্য পাঞ্চোলি বলেন, ‘কঙ্গনা রনৌত অনেক দিন ধরে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন। এমনকি এই বিষয় নিয়ে টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানেও নানা আপত্তিকর কথা বলেছেন। এর সঙ্গে আমার স্ত্রী আর সন্তানদেরও জড়িত করেছেন। এত দিন কঙ্গনা যেসব অভিযোগ করেছেন, এবার পারলে তা প্রমাণ করুক।’


তিনি বলেন, ‘কঙ্গনা রনৌতের আইনজীবী আমাকে হুমকি দিয়েছেন, মানহানির মামলা তুলে না নিলে তারা নাকি আমার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনবে। আমি এই আইনজীবীর সঙ্গে ১৮ মিনিটের কথোপকথনের ভিডিও ভারসোভা পুলিশ স্টেশনে জমা দিয়েছি।’


এই মানহানির মামলা দায়ের করার আগে কঙ্গনা আর রঙ্গোলিকে ক্ষমা চাওয়ার জন্য আইনি নোটিশ পাঠান আদিত্য পাঞ্চোলির স্ত্রী জরিন ওয়াহাব। তবে চিঠির কোনো জবাব দেননি কঙ্গনা রনৌত ও রাঙ্গোলি।

প্রাণের ৩ টিসহ ৭ পণ্যের লাইসেন্স বাতিল, ১৮টির স্থগিত

প্রাণের ৩ টিসহ ৭ পণ্যের লাইসেন্স বাতিল, ১৮টির স্থগিত

admin May 16, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
খাদ্যে ভেজালের দায়ে ৭ টি খাদ্যপণ্যের লাইসেন্স (সনদ) বাতিল করেছে জাতীয় মান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)। এছাড়া প্রাণের ৩ টিসহ আরও ১৮টি পণ্যের সনদ স্থগিত করা হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এসব পণ্য বাজার থেকে তুলে নিতেও বলা হয়েছে।


বুধবার বিকালে বিএসইটির পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশে নিষিদ্ধ ৫২টি খাদ্যপণ্যের তালিকা থেকে ২৫টির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক এ ব্যবস্থা নেয়া হল। পর্যায়ক্রমে আরও ২৭টি পণ্যের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। জানতে চাইলে বিএসটিআইর পরিচালক প্রকৌশলী এসএম ইসহাক আলী যুগান্তরকে বলেন, ভেজাল চিহ্নিত হওয়া ৫২টি পণ্যের সব ঢাকায় নয়। ঢাকার বাইরেও রয়েছে। তবে যেগুলো ঢাকায়, সেগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল।


এর মধ্যে ৭টি কোম্পানি নোটিশের জবাবই দেয়নি। তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। আর ১৮টি কোম্পানি যে জবাব দিয়েছে, তাদের জবাবে আমরা সন্তুষ্ট নই। যে কারণে আপাতত তাদের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


এসব পণ্য ক্রয় না করার জন্য বিজ্ঞাপন দেয়া হবে। যেসব পণ্যের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে- বনলতা সুইটসের ঘি, জাহাঙ্গীর ফুড প্রডাক্টসের সফট ড্রিংক পাউডার, শান্ত ফুড প্রোডাক্টের সফট ড্রিংক পাউডার, আরআরকিউ পিউরি ফাইড, মর্ন ডিউ শাহারী অ্যান্ড ব্রাদার্স এবং আলসাফির বোতলজাত পানি। লাইসেন্স স্থগিত করা পণ্যগুলো হচ্ছে- প্রাণের গুঁড়া হলুদ, কারি পাউডার এবং লাচ্ছা সেমাই।


এছাড়াও সিটি গ্রুপের তীর ব্র্যান্ডের সরিয়ার তেল, গ্রীন ব্লিসিং ভেজিটেবল অয়েলের জিবি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, শবনম ভেজিটেবলের পুষ্টি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, বাংলাদেশ এডিবল ওয়েলের রূপচাঁদা ব্র্যান্ডের সরিষার তেল, আররা ফুড অ্যান্ড বেভারেজের বোতলজাত পানি, ডানকানের মিনারেল ওয়াটার, দিঘী ড্রিংকিং ওয়াটারের বোতলজাত পানি, ড্যানিশ ফুডের হলুদের গুঁড়া ও কারি পাউডার, তানভীর ফুডের হলুদের গুঁড়া, মোল্লা সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজের আয়োডিনযুক্ত লবণ, এসিআই ফুডের ধনিয়া গুঁড়া ও আয়োডিন যুক্ত লবণ, নিউজিল্যান্ড ডেইরি প্রোডাক্টের নুডুলস (স্টিক) এবং কাশেম ফুড প্রোডাক্টের সান ব্র্যান্ডের চিপস।


বিএসটিআইর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এসব পণ্যের মানোন্নয়ন করে পুনঃঅনুমোদন নেয়ার আগে এসব পণ্য বিক্রি, বিতরণ, সংরক্ষণ ও বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে না। একইসঙ্গে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে আগামী ৪৮ ঘণ্টা অর্থাৎ শুক্রবারের মধ্যে এসব পণ্য বাজার থেকে তুলে নিতে হবে। এছাড়া ভোক্তাদের এসব পণ্য না কেনার ব্যাপারে বিএসটিআইর পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।


বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় নিুমানের প্রমাণিত হওয়ায় প্রাণের গুঁড়া হলুদ, কারি পাউডার, লাচ্ছা সেমাইসহ বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্র্যান্ডের ৫২টি খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এসব খাদ্যপণ্য বিক্রি ও সরবরাহে জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়েছে।


সংস্থা দুটিকে ১০ দিনের মধ্যে নির্দেশ বাস্তবায়ন করে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্ব^য়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে রোববার রুলসহ ওই আদেশ দেন।

রাজধানীতে মশা-বায়ুদূষণ-জলাবদ্ধতা সমস্যায় হাইকোর্টের ক্ষোভ

রাজধানীতে মশা-বায়ুদূষণ-জলাবদ্ধতা সমস্যায় হাইকোর্টের ক্ষোভ

admin May 15, 2019

অনলাইন ডেস্ক:
রাজধানীতে মশা, বায়ুদূষণ ও জলাবদ্ধতার সমস্যায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি এসব সমস্যা রোধে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবহেলা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন হাইকোর্ট। বুধবার বায়ুদূষণ রোধে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রধান দুই নির্বাহীর ব্যাখ্যা শেষে বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহসান এবং বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।


আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। এ ছাড়া আদালতের তলব আদেশের ব্যাখ্যা দিতে হাজির হয়েছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী মো. আবদুল হাই এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী মোস্তাফিজুর রহমান। তাদের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী ড. নুরুন্নাহার নূপুর। শুনানির শুরুতে দুই সিটির নির্বাহীরা বায়ুদূষণ রোধে গৃহীত পদক্ষেপগুলো প্রতিবেদন আকারে আদালতে দাখিল করেন।


দুই সিটির নির্বাহীরা আদালতকে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন, সরকার মেট্রোরেলসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প হাতে নেয়ায় বায়ুদূষণ রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। তখন আদালত বলেন, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রোজেক্টের কাজের সময় আপনাদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা যায় না কেন? আপনারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় খোঁড়াখুঁড়ি করেন। তাই সমন্বিতভাবে কাজ করবেন। এ ছাড়া নাগরিক যেসব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, তাও আপনারা নিশ্চিত করবেন। পয়োনিষ্কাশন, জলাবদ্ধতা ও মশা নিধনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।


আদালত আরও বলেন, জনগণ ট্যাক্স দিচ্ছেন। তাই নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পাওয়া তাদের অধিকার। তাই সব অনিয়ম ও প্রতিবন্ধকতা থেকে বেরিয়ে অচিরেই সব সমস্যা সমাধান করতে হবে। এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে রিট আবেদনটি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

Image Gallary

 
1 / 3
   
Caption Text
 
2 / 3
   
Caption Two
 
3 / 3
   
Caption Three