ডিমলায় ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

ডিমলায় ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

admin August 31, 2018

নীলফামারী: নীলফামারীর ডিমলায় পারিবারিক কলহের ছোট ভাইয়ের হাতে বড়ভাই খুন হয়েছে।


আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের মধ্যম সুন্দরখাতা গ্রামে খড়ের পালা ও জমির সীমানায় বেড়া দেয়াকে কেন্দ্র করে ওই এলাকার মৃত তমিজ উদ্দিনের বড়ছেলে শামিম (৩৫) ও ছোটছেলে শাহিন(২৮)এর দ্বন্দ বাধে। এক পর্যায় ছোটভাই শাহিন বড়ভাই শামিম কে মারধর করলে ঘটনাস্থলেই বড়ভাই শামিমের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ডিমলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল হতে শামিমের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় বড়ভাইকে খুনের অপরাধে ছোটভাই শাহিনকে গ্রেফতার করা হয়।


ডিমলা থানার ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত শামিমের লাশ ময়না তদন্তের জন্য জেলার মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নীলফামারীতে শতাধিক বস্তা ভিজিএফ চালসহ আটক ২

নীলফামারীতে শতাধিক বস্তা ভিজিএফ চালসহ আটক ২

admin August 31, 2018

নীলফামারী: নীলফামারী সদর উপজেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নের বটতলী এলাকা থেকে এক ট্রাক্টর ভিজিএফের চাল আটক করা হয়েছে। এ সময় ট্রাক্টর চালক ও হেলপারকে আটক করে পুলিশ।


জানা যায়, আজ শুক্রবার সকালে ওই এলাকার চাল ব্যবসায়ী ময়নুল ইসলাম নয়ন তার বাড়ি থেকে একটি ট্রাক্টরে করে প্রায় শতাধিক বস্তা ভিজিএফের চাল নীলফামারী নিয়ে আসার পথে স্থানীয় লোকজন আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। নীলফামারী থানার এস আই হানিফ ঘটনাস্থল গিয়ে ট্রাক্টর সহ চাল থানায় নিয়ে আসেন। পরে পুলিশ ট্রাক্টরটি আটক করে এবং ট্রাক্টর চালক বিকাশ ও হেলাপার হামিদকে আটক করেন। চাল ব্যবসায়ী ময়নুল ইসলাম নয়নকে আটক করা না হলেও তাকে থানা চত্বরে ঘেরাঘুরি করতে দেখা গেছে।


ময়নুল ইসলাম নয়ন জানান, এই চালগুলো তার কেনা। একটি মাদ্রাসায় বিক্রির জন্য তিনি নিয়ে যাচ্ছিলেন। এদিকে স্থানীয় লোকজন জানান পবিত্র ঈদুল আজহার আগে প্রতিটি ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়। আটককৃত চাল গুলো গোড়গ্রাম ইউনিয়নের বলে তারা জানান।


নীলফামারী সদর থানার এসআই হানিফ জানান, ভিজিএফের চাল সন্দেহে আটক করা হয়েছে। চাল মালিকদের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে বলা হয়েছে। বৈধ কাগজ দেখাতে না পারলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

খিলি পান বিক্রি করে মাসে অর্ধ লক্ষাধিক টাকা আয়

খিলি পান বিক্রি করে মাসে অর্ধ লক্ষাধিক টাকা আয়

admin August 31, 2018

নওগাঁ: একেকটি খিলি পান বিক্রি হয় ৫ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। একই স্থানে দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ খিলি পানের ব্যবসা করছেন নওগাঁর আত্রাই বিহারীপুর বেইলী ব্রিজ সংলগ্ন রেল ঘুমটির মোড়ে সুপরিচিত মূর্খ বীর মুক্তি যোদ্ধা কাজী রুহুল ইসলামের সন্তান পান বিক্রেতা কাজী আজিজুল ইসলাম। এতে একদিকে যেমন তিনি স্বাবলম্বী হয়েছেন অন্য দিকে পান বিক্রি করে তার ভাগ্য বদল হয়েছে। প্রতি মাসে এখান থেকেই ৪০-৫০ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে তার। আজিজুলের পানের দোকানে গিয়ে দেখা যায়, তিনি হরেক রকম জর্দ্দা ও মসলা দিয়ে বিভিন্ন স্বাদের পান তৈরি করেন। বাহারি এ পান খেতে দূরদূরান্ত থেকে লোক আসে রেল ঘুমটির কাজী আজিজুলের দোকানে।
বিহারীপুর বেইলী ব্রিজ সংলগ্ন রেল ঘুমটি মোড়ের খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পান বিক্রি করেই স্বাবলম্বী হয়েছেন কাজী আজিজুল। নওগাঁর আত্রাই বিহারীপুর বেইলী ব্রিজ সংলগ্ন রেল ঘুমটি মোড়ের সকলের পরিচিত মূর্খ কাজী আজিজুল। শুধু আত্রাই নয় বিভিন্ন এলাকার মানুষরা সখের বসে পান খেথে আসেন রেল ঘুমটির মোড়ের এ দোকানে। আজিজুল প্রতিটি মিষ্টি পানের মূল্য ৫টাকা থেকে ২০টাকা পর্যন্ত নেন। মিষ্টি পান ক্রেতা আত্রাই সদরের সাহেবগঞ্জ এলাকার সরদার কালাম বলেন, আমি সাধারণত পান খাই না।তবে যখন কোনো প্রয়োজনে এদিকে আসি তখন আজিজুলের এ মিষ্টি পান খেতে আমি ভ’ল করি না। ৫টাকা করে দুই টা পান কিনেছি খাওয়ার জন্য।
অপর ক্রেতা স্থানীয় বাব মিঞা জানান, এ দোকানে সব সময় ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে শুক্রবার দুপুরে রেল ঘুমটি মোড় এলাকা যখন প্রায় জনশূন্য তখনও দেখা যায় আজিজুলের পানের দোকানে অনেক ভিড়। পুরোদমে চলছে তার দোকান পান বিক্রি।
পান বিক্রি করে স্বালম্বী হওয়া আজিজুলের সঙ্গে উপজেলা মডেল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকের এ প্রতিবেদকের কথা হয়। প্রতিবেদককে তিনি বলেন, প্রতিদিন ৫-৭হাজার টাকার পান বেচাকেনা হয়। ১০বছর ধরে পান বিক্রি করছি। এর বাহিরে অন্য কিছু করি না। আগে বাবা বীর মু্িক্ত যোদ্ধা কাজী রুহুল ইসলাম দোকানটি চালাতেন। এখন আমি চালাই। প্রতিমাসে এখান থেকেই ৪০/৫০ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে। এ দিয়ে খুব ভালো ভাবে আমার সংসার চলে। পান বিক্রি করে কিছু অর্থ সম্পদও কিনেছি। আমার কোনো াভাব নেই। অন্যান্যের তুলনায় অনেক ভাল আছি আমি।

এদেশে বার বার কেন শিশু হত্যা ?

এদেশে বার বার কেন শিশু হত্যা ?

admin August 31, 2018

ময়মনসিংহে আবারও এক কিশোরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আগের মতোই তাকে ‘চোর’ অপবাদ দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। অনেকে দাঁড়িয়ে তা দেখলেও শিশুটিকে রক্ষায় এগিয়ে আসেনি কেউ।


রংপুর এক্সপ্রেস: সিলেটে শিশু রাজন হত্যার ঘটনা এখনো দেশের মানুষ ভুলে যায়নি। তাকেও চোর অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। ওই ঘটনায় আসামিদের আটক এবং শাস্তির আওতায় আনা হলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হচ্ছে না। অপরাধজ্ঞানীরা বলছেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর বাংলাদেশে দুই থেকে আড়াইশ' মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তার মধ্যে একটি অংশ শিশু-কিশোর। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চোর অপবাদ দিয়ে এই পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটানো হয়। এর সঙ্গে জড়িত থাকে প্রাভাবশালীরা।


ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে চুরির অপবাদ দিয়ে রিয়াদ নামে ১৪ বছর বয়সি এক স্কুলছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বৃহস্পতিবার সকালে। উপজেলার উথুরী ঘাগড়া টাওয়ার মোড় বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। উথুরা ঘাগড়া টাওয়ার মোড় বাজারের আশরাফুলের মনোহারী দোকানের তালা ভেঙে চুরির চেষ্টার অপবাদ দিয়ে প্রথমে রিয়াদকে আটক করা হয়। তারপর বাজারের ব্যবসায়ী আশরাফুল, কামরুল, রশিদ ও তার সহযোগীরা তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে বেদম মারধর করে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় অনেকে সেখানে থাকলেও কেউ তাকে রক্ষার জন্য এগিয়ে আসেননি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তার মৃত্যু নিশ্চিত করেই দুর্বৃত্তরা সেখান থেকে চলে যায়।



[ভোট জালিয়াতির মাস্টারপ্ল্যানেই ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত -বিএনপি]

শিশুটির বাবার নাম সাইদুর রহমান। তিনি সৌদি প্রবাসী। তাঁর দু'টি বোন আছে। মা বাকপ্রতিবন্ধী। এলাকায় তাঁদের আর কোনো আত্মীয়-স্বজন নেই বলে ডয়চে ভেলেকে জানান গফরগাঁও সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শামসুল আলম খোকন। তিনি বলেন, ‘‘আমি সকাল আটটার দিকে খবর পাই। খবর পেয়েই গ্রাম পুলিশ পাঠাই। কিন্তু সে গিয়ে দেখে রিয়াদ মারা গেছে।''


আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘সেখানে অনেকে থাকলেও কেউ রক্ষায় এগিয়ে যায়নি। আর আমাকেও যদি আরো আগে খবর দেয়া হতো তাহলে আমি গিয়ে হয়তো রক্ষা করতে পারতাম। কিন্তু কেন যথাসময়ে খবর দিলো না সেটা আমারও প্রশ্ন।''


স্থানীয় সাংবাদিক আতাউর রহমান জুয়েল জানান, ‘‘শিশুটি মারা যায় আটটার দিকে। ঘটনা শুরু হয় সকাল ৬ টার দিকে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে গাছের সঙ্গে বেঁধে তাকে নির্মমভাবে পিটানো হয়। স্থানীয় কয়েকজন আমাকে জানিয়েছেন, তারা গাছের সঙ্গে বাঁধার পরপরই থানায় খবর দিয়েছেন। কিন্ত পুলিশ আসে সকাল ১০টার দিকে। শিশুটিকে হত্যার দুই ঘণ্টা পরে। কিন্তু গফরগাঁও থানা ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে। ঘটনাস্থল সদর ইউনিয়নে। পুলিশ সময়মতো এলে হয়তো শিশুটিকে প্রাণ দিতে হতো না।'' তিনি আরো বলেন, ‘‘শিশুটিকে পিটিয়ে হত্যার সময় সেখানে আরো ২০-২৫ জন লোক ছিল। তারা এগিয়ে গেলে তাদের হুমকি দেয়া হয়। যারা শিশুটিকে হত্যা করেছে, তারা এলাকায় প্রভাবশালী।''


এই ঘটনায় আশরাফুল, কামরুল, রশিদসহ ৯ জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল আহাদ খান ঘটনার দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে সকাল ৮টার দিকে খবর পাই, এক কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পরে তার লাশ উদ্ধার করি। ঘটনাস্থলে যেতে একটু দেরি হয়েছে, কারণ, ফোর্স অন্য ডিউটিতে ছিল। তাদের প্রস্তুত করতে এই দেরি হয়েছে। ঘটনার পর হত্যাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।''



[‘অভিযোগের সুযোগ না থাকায় বিএনপি ইভিএম চায় না’]

থানা সূত্র জানায়, চুরির অপবাদ দিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হলেও এর পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। এদিকে বাংলাদেশে শিশু হত্যার এই প্রবণতা সম্পর্কে মানবাধিকার কর্মী এবং বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী অ্যাডভোকেট এলিনা খান বলেন, ‘‘দু-একটি ঘটনার বিচার হলেও অধিকাংশ ঘটনায় বিচার হয় না। তাই অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। যারা এই সব ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তারা সমাজের প্রভাবশালী। ফলে তাদের বিরুদ্ধে কেউ সাক্ষী দিতেও সাহস পায় না।


আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের সাক্ষী সুরক্ষা আইন নেই। ফলে কেউ সাক্ষী দিলে তাকে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। কেউ কোনো অপরাধ প্রতিরোধ করতে গেলে তাকেই অনেক সময় আসামি হতে হয়।'' তিনি আরো বলেন, ‘‘মানুষের মধ্যে মূল্যবোধ বা মানবিকতা নেই, তা নয়। মানুষ বর্তমান সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় তার প্রকাশ ঘটাতে পারে না। কারণ, বিচারহীনতায় সে ভীত এবং নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছে। কোনো ভালো কাজ বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গেলে এখানে বিপদে পড়তে হয়।''


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও অপরাধ বিজ্ঞানের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন এমন হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘বাংলাদেশে প্রতি বছর দুই থেকে আড়াইশ' মানুষকে এভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এরমধ্যে একটি অংশ শিশু।'' তাঁর মতে, ‘‘এর দু'টি দিক আছে। প্রথমত, মানুষ বিচার না পেয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে। আর এই বিচারহীনতার সুযোগ নিয়ে আরেকটি গ্রুপ তাদের স্বার্থে শিশুদের হত্যা করছে, নানা ধরনের অপরাধ করছে।''


তিনি বলেনন, ‘‘আমাদের সমাজ শিশুবান্ধব নয়। যতই বলি না কেন গফরগাঁওয়ে যথন শিশুটিকে হত্যা করা হয়, দীর্ঘ সময় গাছের সঙ্গে বেঁধে পেটানো হয়, তখন সেখানে আরো অনেকে ছিলেন। তারা কোনো-না-কোনোভাবে শিশুটিকে রক্ষায় উদ্যোগ নিতে পারতেন। তাদের সে উদ্যোগ না নেয়া আমাদের সমাজের নির্মম নিষ্ঠুরতারই প্রকাশ।'' ডয়চে ভেলে

ভোট জালিয়াতির মাস্টারপ্ল্যানেই ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত -বিএনপি

ভোট জালিয়াতির মাস্টারপ্ল্যানেই ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত -বিএনপি

admin August 31, 2018

রংপুর এক্সপ্রেস: আগামী জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ভোটারবিহীন অবৈধ সরকারের বাকশালী বিবেকই সিইসি নিজের মধ্যে প্রোথিত করেছেন। এটা প্রমাণিত হলো যে, সব দিক থেকে বিরোধিতার পরও সিইসিসহ কয়েকজন কমিশনারের একতরফা ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত, আগামী নির্বাচন জালিয়াতি করারই চূড়ান্ত মাস্টারপ্ল্যান।


আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী আহমেদ এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, নিজের নেতৃত্বাধীন কমিশনে ভিন্নমত থাকার পরও ইভিএম ব্যবহারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে সুস্পষ্ট হলো, প্রধান নির্বাচন কমিশনার আগামী নির্বাচনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করতে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ। তিনি স্বাধীন বিবেক দ্বারা স্বায়ত্তশাসিত নন।


বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, একটি গোপন কোড জানা থাকলেই ইভিএমের গণনাপদ্ধতি সম্পূর্ণ পাল্টে ফেলা যায়। ভোটারবিহীন আওয়ামী জোটের সরকার জনগণের টাকায় জালিয়াতি করার মেশিন কিনে জালিয়াতির নির্বাচন করতে চায়। তবে এবার জনগণ সরকারের সব মাস্টারপ্ল্যান ডাস্টবিনে ফেলে দেবে। ভোট নিয়ে অনাচারের পুনরাবৃত্তি জনগণ রুখে দেবে।


প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত পরশু প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি ভোটের জন্য নয়, জনকল্যাণের জন্য রাজনীতি করেন। আসলে তিনি ঠিকই বলেছেন, শুধু জনকল্যাণের জায়গায় সংশোধনী হবে আওয়ামী কল্যাণ। ভোটের জন্য যে রাজনীতি করেন না, তাও স্পষ্ট। কারণ, জাতীয় নির্বাচন থেকে স্থানীয় সরকার কোনো নির্বাচনেই তার ভোটারদের প্রয়োজন হয়নি।


সংবাদ সম্মেলন বিএনপির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নেয়া কর্মসূচি আবারও তুলে ধরেন রিজভী। তিনি জানান, ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে সকাল ১০টায় দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে দলের সিনিয়র নেতারা ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বেলা ২টায় জনসভা হবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এসব কর্মসূচি সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান রিজভী আহমেদ।

‘অভিযোগের সুযোগ না থাকায় বিএনপি ইভিএম চায় না’

‘অভিযোগের সুযোগ না থাকায় বিএনপি ইভিএম চায় না’

admin August 31, 2018

রংপুর এক্সপ্রেস: নির্বাচনে হেরে গিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলতে পারবে না বলেই বিএনপি ইভিএম চায় না, এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ শুক্রবার সকালে সিলেট সার্কিট হাউজে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।


ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার করতেই আমরা ইভিএম সাপোর্ট করি। নির্বাচন সম্পর্কে মানুষের খারাপ ধারণা দূর করতে ইভিএম দরকার। ইভিএম হচ্ছে আধুনিক ভোটিং পদ্ধতি। সিলেট সিটি কর্পারেশন নির্বাচনে বিএনপি দু’টি ইভিএম কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে। তারা জিতলে মানবে আর হারলেই কারচুপির অভিযোগ তুলবে। আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হতে পারবে না বলেই তারা নানা অভিযোগ করছে।


ইভিএম নিয়ে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়ে কমিশন সভা বর্জন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একজন কমিশনার নোট অব ডিসেন্ট দিতেই পারেন। সিইসিসহ পাঁচজন কমিশনারের মধ্যে সবার মতামত এক হবে, এমন কোনো কথা নেই। এটাই গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য। একজন ভিন্ন মত দিতেই পারেন।


ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচন ২০১৮ সালে করার চেষ্টা করছে বিএনপি। তবে এই নীল নকশার নির্বাচন দেশে আর হতে দেয়া হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশে আর আসবে না। নির্দিষ্ট একটা দলের জন্য নির্বাচনও থেমে থাকবে না। গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপির অধিকার, সুযোগ নয়। কোনো গণতান্ত্রিক দেশে সরকার কোনো দলকে সুযোগ দেয় না।


তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালে নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন হয়েছে, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ফ্রি, ফেয়ার নির্বাচন করেছে। একটা দল নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনের ফাঁদ তৈরি করেছিল। সেটা তো সংবিধানের দোষ নয়। যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন, সেটা তাদের দোষ নয়। তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্যই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। বিএনপি সরে গেলে কার কি করার আছে?


আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, নিরপেক্ষ সরকারের চেয়েও বেশি দরকার নিরপেক্ষ ইলেকশন কমিশন। নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ থাকলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তাদের দরকার নির্বাচনটা নিরপেক্ষ হবে কি না? নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তাদের ভয় কোথায়? জনগণের ওপর যাদের আস্থা নেই, তারাই নানা অজুহাত খোঁজে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


এদিকে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আওয়ামী লীগ সব সময় জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। আর বিএনপি নির্বাচিত হয়েছে প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে। আজ শুক্রবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া উপজেলা গাজির বাজারে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, জনগণ সরাসরি ভোট দিক আর ইভিএম মেশিনের মাধ্যমেই দিক; যে কোনটাই আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য। আওয়ামী লীগ ইভিএম মেশিনের প্রতি নির্ভরশীল নয়, জনগণের আস্থা আর ভোটের ওপর নির্ভরশীল।

বিশ্বনেতাদের মানসিক রোগী বললেন সামোয়ার প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বনেতাদের মানসিক রোগী বললেন সামোয়ার প্রধানমন্ত্রী

admin August 31, 2018

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি অস্বীকারকারী বিশ্বনেতাদেরকে মানসিক হাসপাতালে পাঠানো উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সামোয়ার প্রধানমন্ত্রী তিউলিপা সাইলেলে। গত বৃহস্পতিবার রাতে সিডনি সফরের সময় দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন থেকে এ কথা জানা গেছে। কয়েক দিন পরই নাউরুতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্যাসিফিক আইল্যান্ডস ফোরাম। ওই সম্মেলনকে সামনে রেখে গত বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান লোয়ি ইন্সটিটিউটে বক্তব্য দেন তিউলিপা। সেসময় অস্ট্রেলিয়াকে জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাব কমাতে দেশটির প্রতিশ্রæতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। পাশাপাশি সকল দুর্যোগের জন্য ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রকে দাযী করেন তিনি। তিউলিপা বলেন, ‘এসব দেশের নেতাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস করেন জলবায়ু পরিবর্তন বলে কিছু নেই, আমি মনে করি তাদেরকে পাগলা গারদে পাঠাতে হবে। আক্ষরিক অর্থে তারা নির্বোধ। জলবায়ু পরিবর্তনকে অস্বীকারকারী যেকোনও নেতার ক্ষেত্রেই আমি একই কথাই বলব।’ জলবায়ু পরিবর্তনকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন-যাপন, নিরাপত্তা ও কল্যাণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় হুমকি বলে মনে করেন তিউলিপা।

ডব্লিউটিও থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের হুমকি ট্রাম্পের

ডব্লিউটিও থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের হুমকি ট্রাম্পের

admin August 31, 2018

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সংস্থাটির আচরণের পরিবর্তন না ঘটলে ওয়াশিংটন সেখান থেকে সরে দাঁড়াবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ হুমকি দেন। ট্রাম্প মনে করেন, ডব্লিউটিও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘অন্যায্য আচরণ’ করছে। ব্লুমবার্গ নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “যদি তারা সংস্কার না করে তবে আমি ডব্লিউটিও থেকে সরে যাব।”


বিশ্ব বাণিজ্যের নিয়মকানুন নির্ধারণ এবং বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ নিষ্পত্তিতে ডব্লিউটিও গঠন করা হয়। ট্রাম্পের দাবি, সংস্থাটি প্রায়ই যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। গত বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ১৯৯৪ সালে যে চুক্তির ভিত্তিতে ডব্লিউটিও প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে তা ‘এখন পর্যন্ত হওয়া বাণিজ্য চুক্তিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট’। এর আগে বছরের শুরুর দিকে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, “শুধু যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া বাকি সবার সুবিধার জন্য ডব্লিউটিও গঠন করা হয়েছে। আমরা সেখানে সব মামলায় হেরে যাই, আমরা ডব্লিউটিওতে যেসব বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গেছি তার প্রায় সবগুলোতে হেরে গেছি।” যদিও পরিসংখ্যান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র বাদী হয়ে ডব্লিটিওতে যতগুলো মামলা করেছে তার প্রায় ৯০ শতাংশতে জিতেছে। অন্য দিকে যতগুলো মামলায় বিবাদী ছিল তার প্রায় সবগুলোতেই হেরেছে বলে জানায় বিবিসি। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ সুরক্ষার’ বাণিজ্য নীতি গ্রহণ করেছেন। অন্যদিকে ডব্লিউটিও মুক্ত বাণিজ্য নীতির বিষয়গুলো দেখভাল করে।


সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউটিও’র বিরোধ নিষ্পত্তি বিভাগে নতুন বিচারক নিয়োগ আটকে দিয়েছে। যে কারণে সংস্থাটির বিচার করার ক্ষমতা অনেকটাই অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ডবিøউটিও তে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি রবার্ট লাইটথিজারও একই অভিযোগ করে বলেন, সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ করছে। গত কয়েক মাসে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন বাণিজ্য বিরোধে ‘উচিত জবাব’ দেওয়ার নীতি গ্রহণ করেছে; বিশেষ করে চীনের সঙ্গে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দুই দেশের মধ্যে এই বাণিজ্য বিরোধ বিশ্ববাজারকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র হাজার হাজার চীনা পণ্যের উপর শুল্কারোপ করেছে। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে চীনও যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু পণ্যের উপর শুল্কারোপ করে। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, চীনা পণ্যের উপর শুল্কারোপ ‘পরিষ্কারভাবে’ যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিও নীতি লঙ্ঘন। গত জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম দফা শুল্কারোপের পর চীন ডবিøউটিওতে প্রাথমিক অভিযোগ দায়ের করেছে।

মদ্রিচ রিয়ালেই সুখী

মদ্রিচ রিয়ালেই সুখী

admin August 31, 2018

খেলা ডেস্ক: ইতালির ক্লাব ইন্টার মিলানে যাবার সম্ভাবনা নিয়ে গুঞ্জনের মধ্যেই রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডার লুকা মদ্রিচ জানিয়েছেন, সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে থাকতে পেরে দারুণ খুশি তিনি।
বৃহস্পতিবার ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো উয়েফা বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জেতেন মদ্রিচ। চলতি বছরের গ্রীষ্মকালীন দল বদলের শেষ সময়ে তার ইন্টারে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে গুঞ্জন চলছে।
তবে ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক মদ্রিচ বলছেন, আর কোনো ক্লাবেই রিয়ালের মতো সুখী হবেন না তিনি। সাবেক ক্লাব সতীর্থ ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে পেছনে ফেলে উয়েফা বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার জয়ের পর সাংবাদিকদের বলেন, “আমি বিশ্বের সেরা ক্লাবে আছি। আমি এখানে থাকতে চাই।”
“এখানে থাকতে পেরে আমি শুধু খুশি না, দারুণ খুশি। গত ছয় বছরের মতো ভালো কিছু করতে আমি কাজ চালিয়ে যেতে চাই।”
রাশিয়া বিশ্বকাপে দলকে ফাইনালে তোলায় বড় অবদান রেখে জিতেছেন আসরের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল। চলতি বছরকে তাই ক্যারিয়ারের সেরা সময় মানছেন ৩২ বছর বয়সী মদ্রিচ।
“যতটা বেশি অর্জন করা সম্ভব আমি তার জন্য কাজ করছি। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে আমি এখানে আছি। দলগত ও ব্যক্তিগতভাবে এটা আমার ক্যারিয়ারের সেরা বছর। তাই আমি সত্যি উপভোগ করছি। আমাদের কাজ করাটা চালিয়ে যেতেই হবে।”

কোহলি আরও এক রেকর্ডে নাম লেখালেন

কোহলি আরও এক রেকর্ডে নাম লেখালেন

admin August 31, 2018

খেলা ডেস্ক: একের পর এক কীর্তি গড়েই চলেছেন ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চতুর্থ টেস্টে ব্যাটিং করতে নেমে আরও এক নতুন রেকর্ড গড়েছেন টেস্ট র‌্যাংকিংয়ের এক নম্বর ব্যাটসম্যান।
ভারতের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্রুততম ৬০০০ রানের মালফলকে পৌঁছানোর কীর্তিতে দ্বিতীয় স্থানটি এখন বিরাট কোহলির। তার আগের নামটি ব্যাটিং কিংবদন্তী সুনিল গাভাস্কারের। কোহলিকে জায়গা করে দিতে রেকর্ড বইয়ের তৃতীয় স্থানে নেমে গেছেন আরেক ব্যাটিং জিনিয়াস বীরেন্দ্র শেবাগ।
৭০ টেস্টের ১১৯ ইনিংসেই ছয় হাজার রানের মাইলফলক পার হয়েছেন কোহলি। শীর্ষে থাকা সুনিল গাভাস্কারের সমান রান করতে ৬৫ টেস্টের ১১৭ ইনিংস লেগেছিল। তৃতীয় স্থানে আছেন শেবাগ (৭২ টেস্ট, ১২৩ ইনিংস), চতুর্থ স্থানে আরেক নিজেন্ড রাহুল দ্রাবিড় (৭৩ টেস্ট, ১২৫ ইনিংস), চতুর্থ স্থানে আছেন শচীন (৭৬ টেস্ট, ১২০ ইনিংস)। শচীনের অবশ্য সবচেয়ে কম বয়সে (২৬ বছর) ছয় হাজার রানের রেকর্ড গড়ার রেকর্ডটি অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
আগের টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ১০৩ রানের ঝলমলে এক ইনিংস খেলার পর কোহলির রান ছিল ১১৮ ইনিংসে ৫৪.৪৯ গড়ে ৫ হাজার ৯৯৪। চতুর্থ টেস্টে ব্যাটিংয়ে নেমে সাউদাম্পটনের রোজ বুলে দারুণ এক কাভার ড্রাইভে রানের খাতা খোলেন কোহলি। ইনিংসের ২২তম ওভারে ইংলিশ পেসার জেমস অ্যান্ডারসনের করা ওভারের ৫ম বলে বাউন্ডারি হাকিয়ে রেকর্ড বইয়ে আরও একবার নিজের নাম নিশ্চিত করেন এই ড্যাশিং ব্যাটসম্যান।
সবমিলিয়ে টেস্টে দ্রুততম ছয় হাজার রানের রেকর্ডের মালিক অজি ক্রিকেট কিংবদন্তী স্যার ডন ব্র্যাডম্যান। মাত্র ৬৮ ইনিংসেই মাইলফলকে পৌঁছে যান তিনি। দ্বিতীয় স্থানে আছেন যৌথভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তী ব্যাটসম্যান স্যার গরফিল্ড সোবার্স ও সাময়িক নিষিদ্ধ সাবেক অজি অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ। ছয় হাজার রান করতে দু’জনেরই সমান ১১১ ইনিংস লেগেছিল।
কোহলি এখন নিজের আলাদা ইতিহাস গড়ায় ব্যস্ত। বিরুদ্ধ ইংলিশ কন্ডিশনেও প্রথম ও তৃতীয় টেস্টে গড়ে ২০০ রান করার পাশাপাশি দুই টেস্টেই সেঞ্চুরিও করেছেন তিনি। চলতি সিরিজে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০০ রান সংগ্রহ করেছেন কোহলি। সিরিজের এখনও চার ইনিংস ব্যাটিং করার সুযোগ আছে কোহলির সামনে। ফলে রাহুল দ্রাবিড়ের গড়া ইংল্যান্ডের মাটিতে এক টেস্ট সিরিজে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০২ রানের রেকর্ড ভাঙার দারুণ সুযোগ আছে তার সামনে।
কোহলির সামনে সুযোগ আছে আরও এক রেকর্ড গড়ার। ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ইংল্যান্ডের মাটিতে তিন টেস্ট সেঞ্চুরির রেকর্ডে রাহুল দ্রাবিড়ের নামের পাশে জায়গা করে নেওয়ার কিংবা তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার। ২০০২ ও ২০১১ সালের এই দু’বার এই কীর্তি গড়েছিলেন ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’।
ইংল্যান্ডের মাটিতে চার সেঞ্চুরির কীর্তিও আছে ইংলিশ ব্যাটসম্যান হার্ব সুটক্লিফ (১৯২৯), ডেনিস কম্পটন (১৯৪৭), অতুলনীয় ডন ব্র্যাডম্যানের (১৯৩০)। এই কীর্তিতেও ভাগ বসানোর সুযোগ থাকছে কোহলির সামনে।

দুই নায়ক নিয়ে অধরা

দুই নায়ক নিয়ে অধরা

admin August 31, 2018

বিনোদন ডেস্ক: এবারের ঈদের আগে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ‘ড্রিমগার্ল’ নামে একটি ছবির ঘোষণা দেয়া হয়। সেখানে জানানো হয় এ ছবিতে ‘ড্রিমগার্ল’ এর চরিত্রে অভিনয় করবেন অধরা খান এবং ছবিটি পরিচালনা করবেন ইস্পাহানি আরিফ জাহান। ইস্পাহানি এ ছবি প্রসঙ্গে বলেন, ছবির নাম প্রাথমিকভাবে ‘ড্রিমগার্ল’ রাখা হয়েছে। নাম পরিবর্তনও হতে পারে। এ ছবিতে বাপ্পি, সাইমন ও অধরা খানকে নিয়ে কথাবার্তা হয়েছে। সব ঠিক থাকলে এই তিনজনকে নিয়ে ডিসেম্বরের শুরুতে ছবিটির শুটিং শুরু করবো।
দারুণ একটি গল্পের ছবি হতে যাচ্ছে এটি। আশা করি, দর্শকরা এটি পছন্দ করবেন। একই পরিচালকের ‘নায়ক’ নামে একটি ছবিতেও অভিনয় করেছেন অধরা খান। এ ছবিতে তার নায়ক বাপ্পি চৌধুরী। এবার একই পরিচালকের নতুন ছবিতে বাপ্পির সঙ্গে সাইমন সাদিকও যোগ দেবেন। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এর ঘোষণা দেয়া হবে।
ইস্পাহানি আরিফ জাহানের নতুন এ ছবির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো পর্দায় একসঙ্গে সাইমন ও বাপ্পির অভিনয় দর্শকরা দেখতে পাবেন। উল্লেখ্য, চিত্রনায়ক বাপ্পি চৌধুরী বর্তমানে বেশকিছু ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আর অন্যদিকে সাইমন সাদিক অভিনীত ‘জান্নাত’ ছবিটি এবারের ঈদে মুক্তি পায়।

আবারো ব্যাপক খোলামেলা রুপে নিতু

আবারো ব্যাপক খোলামেলা রুপে নিতু

admin August 31, 2018

বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের বেশ কিছু ছবিতে খোলামেলা হয়ে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন নিতু চন্দ্রা। এর বাইরে তামিল, তেলেগু ভাষার ছবিতেও কাজ করেছেন তিনি। অভিয়ের পাশাপাশি নগ্ন ফটোশুট করেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে অতীতে পড়েছেন তিনি। এ অভিনেত্রী বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন নিউ ইয়র্কে। এরইমধ্যে হলিউডের একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। সেটার শুটিং হবে কিছুদিন পরেই।
তবে তার আগে নতুন একটি গানের মিউজিক ভিডিওর শুটিংয়ে সেখানে অংশ নিচ্ছেন তিনি। রেখা ভরতবাজের গাওয়া ‘হু মে তুমহারি’ শীর্ষক এ গানের ভিডিওর শুটিং করছেন তিনি। আর এর ভিডিওতে ব্যাপক খোলামেলা রুপে দেখা যাবে নায়িকাকে। বিকিনি ও সুইমস্যুট পড়ে কয়েকটি দৃশ্যে অংশ নিয়েছেন নিতু। পাশাপাশি চুম্বন দৃশ্যও থাকবে। এ প্রসঙ্গে নিতু বলেন, যার যেমন ইমেজ তার এমন কাজই আসলে করা উচিত। আমার হট ইমেজ। তাই আমি সুপারহট রুপেই এ ভিডিওতে ক্যামেরাবন্দি হয়েছি। আমার মনে আমার ভক্ত-দর্শক বেশ উপভোগ করবেন এটি। তার জন্য আর কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

ঈদের ছুটিতে সড়কে প্রাণ হারিয়েছেন ২৫৯ জন -যাত্রী কল্যাণ সমিতি

ঈদের ছুটিতে সড়কে প্রাণ হারিয়েছেন ২৫৯ জন -যাত্রী কল্যাণ সমিতি

admin August 31, 2018

রংপুর এক্সপ্রেস: এবার কোরবানির ঈদের মওসুমে দেশের সড়ক-মহাসড়কে ২৩৭টি দুর্ঘটনায় ২৫৯ জন নিহত এবং ৯৬০ জন আহত হয়েছে বলে তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
আজ শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ঈদ যাত্রার শুরুর দিন ১৬ অগাস্ট থেকে ঈদের পর ২৮ অগাস্ট পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই হিসাবে গত রোজার ঈদের চেয়ে কোরবানির ঈদের সময় সড়ক দ্র্ঘুটনায় হতাহতের ঘটনা কমেছে। সেজন্য সরকারের বিভিন্ন সংস্থাকে কৃতিত্ব দিচ্ছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। মোজাম্মেল বলেন, ঈদুল ফিতরের তুলনায় দুর্ঘটনা ১৪.৪৪ শতাংশ, প্রাণহানি ২৩.৫৯ শতাংশ এবং আহতের সংখ্যা ২৪.১১ শতাংশ কমেছে। তবে গতবছরের ঈদুল আজহার তুলনায় নিহত ১৩.৫০ শতাংশ এবং আহত ১১.৬৭ শতাংশ বেড়েছে। সাবেক তত্ত¡াবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান, বিআরটিএর সাবেক চেয়ারম্যান আয়ুবুর রহমান খান ও আইনজীবী জোতির্ময় বড়ুয়াও উপস্থিত ছিলেন এ সংবাদ সম্মেলনে।
‘জবাবদিহিতার অভাবকে’ সড়কের মূল সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনা পৃথিবীর সব দেশেই হয়। কিন্তু আমাদের এখানে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে বেশি কথা বলার কারণ আমাদের এখানে এমন কিছু দুর্ঘটনা ঘটেছে যেগুলোর অর্ধেক চাইলে এড়ানো যেত। সরকারের দুজন মন্ত্রীর পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতির শীর্ষ পদে থাকার বিষয়ে ইঙ্গিত করে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে যারা নীতি নির্ধারণ করেন, তিনিই আবার মালিক শ্রমিক প্রতিনিধি। জবাবদিহিতার ব্যাপারে যে অনাগ্রহ এর মূলে রয়েছে এই কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট। বাংলাদেশে দুই ঈদের মওসুমে নগর থেকে গ্রামের বাড়িতে যায় কোটি মানুষ। ফলে ওই সময় সড়ক মহাসড়কে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি চাপ থাকে। ফিটনেসহীন যানবাহন, বেপরোয়া চালনার পাশাপাশি সড়কের দুরবস্থার কারণেও ওই সময় দুর্ঘটনা ও প্রাণহানী অনেক বেড়ে যায়।
গত রোজার ঈদের পর বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি ২৭৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৩৯ জন নিহত এবং ১২৬৫ জন আহতের তথ্য দিয়েছিল। কিন্তু ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সংগঠনটির বিরুদ্ধে ‘মনগড়া তথ্য’ প্রকাশের অভিযোগ আনেন এবং সমিতির নেতাদের ভ‚মিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। গত ১০ জুলাই জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী বলেন, একটা ভুয়া জনকল্যাণ সমিতি বাংলাদেশে আছে, যাদের কোনো রেজিস্ট্রেশন নেই। সা¤প্রদায়িক রাজনীতি করে এরকম একটি লোক ওই সংগঠনের নেতৃত্ব দেয়। সময়ে সময়ে তাকে মতলবি মহল আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়। আমি দেখি সমাজের অনেক বিশিষ্টজনও এই লোকটির সংবাদ সম্মেলনে এসে হাজির হয়।

রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বরিশালে ৬ জেএমবি সদস্য গ্রেফতার

রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বরিশালে ৬ জেএমবি সদস্য গ্রেফতার

admin August 31, 2018

সারাদেশ: রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বরিশাল থেকে ছয় জেএমবি সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব সদস্যরা। এরমধ্যে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে অভিযান চালিয়ে পাঁচ জেএমবি সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।


র‌্যাব ৫-এর উপ-অধিনায়ক মেজর আশরাফুল ইসলাম জানান, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বারইপাড়া গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে আমিনুল ইসলাম (৩২), চর বোয়ালমারী আদর্শ গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে মোশারফ হোসেন মুরসালিন (২২), চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার পশ্চিম কোদালকাটি মধ্যচর এলাকার গোলাম রাব্বানীর ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩২), রুস্তম আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪০) ও আইনুদ্দিন মণ্ডলের ছেলে আবদুল মতিন (৪০)।


র‌্যাব কর্মকর্তা আশরাফুল বলেন, জেএমবি সদস্যরা সীমান্ত এলাকার চরে সংঘবদ্ধ হয়ে নাশকতার পরিকল্পনা করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। তাদের কাছ থেকে ২০০ গ্রাম গানপাউডারসহ বোমা তৈরির সরঞ্জাম, একটি বিদেশি পিস্তাল, একটি ম্যাগাজিনসহ চারটি গুলি ও চারটি জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে, বরিশালে নিষিদ্ধ জঙ্গি দল জেএমবির সন্দেহভাজন এক সদস্যকে অস্ত্রসহ আটক করার কথা জানিয়েছে র‌্যাব।


র‌্যাব-৮ এর উপ অধিনায়ক মেজর সজীব বলেন, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নগরীর দড়গা বাড়ি এলাকা থেকে আব্দুল্লাহ আল মিরাজ নামে ২৫ বছর বয়সী ওই যুবককে আটক করা হয়। আটক মিরাজ বরগুনা সদরের মনশাতলী এলাকার ইব্রাহিম খলিলের ছেলে। তাকে জেএমবি সদস্য বলা হলেও তার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি র‌্যাবের পক্ষ থেকে। মেজর সজীব বলেন, মিরাজের কাছ থেকে একটি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, ১৫টি ইলেকট্রনিক সার্কিট, একটি তাঁতাল, দুটি হেক্সো বেøড, ১৬টি উগ্র মতবাদের বই, একটি সিডি, একটি টেবিল ঘড়ি, একটি মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি উদ্ধার করেছেন তারা।

মেয়াদ বাড়াতে অ্যাকর্ড কূটনীতিকদের কাছে ধরনা দিলেও রাজি নয় সরকার

মেয়াদ বাড়াতে অ্যাকর্ড কূটনীতিকদের কাছে ধরনা দিলেও রাজি নয় সরকার

admin August 31, 2018

রংপুর এক্সপ্রেস: বাাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে মেয়াদ বাড়াতে দৌড়ঝাঁপ করছে ইউরোপের ক্রেতাজোট অ্যাকর্ড। কিন্তু সরকার রাজি নয়। সরকারকে রাজি করাতে ক্রেতাজোটের নেতারা উন্নয়ন সহযোগী এবং কূটনীতিকদের কাছে ধরনা দিয়ে যাচ্ছেন। অ্যাকর্ডের মেয়াদ আর না বাড়াতে আদালতের প্রথম দফা নিষেধাজ্ঞার পর ওই বিষয়ে প্রভাব খাটাতে সরকারকে সরাসরি অনুরোধ করা হয়েছে। তবে সব অনুরোধ আমলে নেয়নি সরকার। এমন অবস্থায় আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই বাংলাদেশে শেষ হচ্ছে অ্যাকর্ডপর্ব। এর ফলে ২শ ব্র্যান্ডের জোট অ্যাকর্ডের এদেশে অধিককাল কাজ করার ইচ্ছা থাকলেও কার্যক্রম গুটিয়ে নিতে হতে পারে। পোশাক খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।


সূত্রমতে, বিগত ২০১৩ সালে সাভারে রানা প্লাজা ধসের পর একই বছরের ১৫ মে ইউরোপের ২০টি দেশসহ উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার ২শ ব্র্যান্ড এবং খুচরা ক্রেতা ও কয়েকটি ট্রেড ইউনিয়নের সমন্বয়ে অ্যাকর্ড গঠিত হয়। সরকারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ওই জোটটির ৫ বছরের নির্ধারিত মেয়াদ গত মে মাসে শেষ হয়েছে। যদিও সরকারের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত ৬ মাস সময় এদেশে কাজ করার সুযোগ দেয়া হয়েছে অ্যাকর্ড এবং অপর ক্রেতাজোট উত্তর আমেরিকার অ্যালায়েন্সকে। বর্ধিত ওই মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী নভেম্বরে। ইতিমধ্যে গত ৯ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশন বাংলাদেশে অ্যাকর্ডের কার্যক্রম নিয়ে চূড়ান্ত রায় দিয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে নিতে অ্যাকর্ডকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ওই সময় পর্যন্ত তাদের সরকার গঠিত ট্রানজিশন মনিটরিং কমিটির (টিএমও) তত্ত¡াবধানে কাজ করতে বলা হয়েছে। তাছাড়া অ্যাকর্ডের ওয়েবসাইটে দেয়া আগামী ৩ বছরের বর্ধিত মেয়াদের বিষয়ে সরকারের অনুমোদন থাকার তথ্যও আমলে নিয়েছেন আদালত। তাতে বলা হয়, আদালত খবর নিয়ে জেনেছেন এ-সংক্রান্ত কোনো অনুমোদন সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া হয়নি। অ্যাকর্ডের পক্ষে আইনজীবী আদালতে এ বিষয়ে কোনো কাগজপত্রও দেখাতে পারেননি। গত ২৬ অক্টোবর অ্যাকর্ড তাদের ওয়েবসাইটে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, আগের সপ্তাহে অর্থাৎ ১৯ অক্টোবর সরকার অ্যাকর্ডের ৩ বছরের বর্ধিত মেয়াদ অনুমোদন করেছে।


সূত্র জানায়, বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় মেয়াদে সেকেন্ড অ্যাকর্ড নামে ইউরোপীয় ক্রেতাজোটটি আগের মতোই এদেশের পোশাক খাতে স্বাধীনভাবে সংস্কার কাজ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতবছরের ২৭ অক্টোবর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে অ্যাকর্ডের অংশীদারদের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়। তবে জোটের অনেক অংশীদার এখনো তাতে সই করেনি। যদিও ২০০ ব্র্যান্ডের মধ্যে ১৪০টি ব্র্যান্ড মেয়াদ বাড়াতে সম্মত বলে দাবি করেছে অ্যাকর্ড। ওই জোটের দাবি, তাতেই ১২০০ কারখানায় বর্ধিত মেয়াদে কার্যক্রম চালানো সম্ভব হবে। তবে দ্বিতীয় মেয়াদে কাজ চালিয়ে নিতে সরকারের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এখন পর্যন্ত সরকারের সঙ্গে এ ধরনের কোনো চুক্তি হয়নি।


সূত্র আরো জানায়, অ্যাকর্ডের কার্যক্রম নিয়ে অস্বস্তিতে আছে তৈরি পোশাক খাতের সর্ববৃহৎ সংগঠন বিজিএমইএ। সরকারের কাছে অ্যাকর্ডের কার্যক্রম নিয়ে বিজিএমইএ কয়েক দফা অভিযোগও করেছে। তারা কিছুতেই অ্যাকর্ডের অতিরিক্ত সময় কার্যক্রম চালানোর পক্ষপাতি নয়। অ্যাকর্ডভুক্ত ক্রেতারা যেসব কারখানা থেকে পোশাক নেয় ওই রকম ২ হাজার ৯৬টি কারখানাকে প্রাথমিক পরিদর্শনের জন্য বাছাই করা হয়। তারমধ্যে এক হাজার ৬৩১টি কারখানার প্রাথমিক পরিদর্শন শেষ হয়েছে। নতুন করে পরিদর্শনের কথা রয়েছে ৭৪টির। ৪৯টিকে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার আওতায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ রয়েছে ৮৮টি। আর সংস্কার অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থতার অভিযোগে ৯৬টির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা হয়েছে। তবে স্থানান্তর আবশ্যক হওয়া বাকি ৫৮টি কারখানা এখন আর অ্যাকর্ডের আওতায় নেই। অ্যাকর্ডের তত্ত্বাবধানে প্রাথমিক পরিদর্শনে চিহ্নিত ভবনের কাঠামো, অগ্নি নিরাপত্তা ও বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা-সংক্রান্ত ত্রুটির ৮৪ ভাগ ইতিমধ্যে সংশোধন হয়েছে।


এদিকে অ্যাকর্ডের মেয়াদ বাড়ানো প্রসঙ্গে বিজিএমইএর সহ-সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু জানান, অ্যাকর্ডের মেয়াদ বাড়ানোর প্রশ্নই আসে না। বরং সরকার গঠিত রিমিডিয়েশন কোঅর্ডিনেশন সেলে (আরসিসি) তারা কীভাবে সহযোগিতা করতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। অ্যাকর্ডের প্রয়োজনীয়তা থাকলে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে মেয়াদ বৃদ্ধির কথা বিবেচনা করা যেত। কিন্তু তাদের আর প্রয়োজন নেই। কারণ অ্যাকর্ডভুক্ত কারখানার সংস্কার প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তাছাড়া নেদারল্যান্ডসের আইনে একটা স্বাধীন দেশে তারা কার্যক্রম চালিয়ে যাবে সেটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

নাগরিকপঞ্জি ইস্যুতে বিক্ষোভে উত্তাল কলকাতা, ‘বিজেপি হটাও’ স্লোগান

নাগরিকপঞ্জি ইস্যুতে বিক্ষোভে উত্তাল কলকাতা, ‘বিজেপি হটাও’ স্লোগান

admin August 31, 2018

আন্তর্জাতিক: গতকাল ভারতের অাসামে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) থেকে চল্লিশ লাখ লোকের নাম বাদ যাওয়ার প্রতিবাদে ‘বিজেপি হটাও’ স্লোগানে বিক্ষোভ-মিছিলে উত্তাল হয়ে ওঠে কলকাতা। এসময় ত্রুটিপূর্ণ এনআরসি বাতিল করার দাবি জানায় ক্ষুব্ধ জনতা। এছাড়াও প্রতিবাদী জনতা বিভিন্ন দাবি সম্বলিত ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও পোস্টার বহন করে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদে ফেটে পড়েন।


এনআরসির নামে বাঙালিদের হয়রানি করা চলবে না’, ‘সাম্প্রদায়িক রাজনীতি বন্ধ করো, দেশে কল্যাণের জন্য কাজ করো’, ‘নিরপেক্ষভাবে তথ্য যাচাই করে নাগরিক অধিকার সুরক্ষিত করতে হবে’, ‘এনআরসি ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করতে হবে’ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার হাতে নিয়ে মানুষজন বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভ মিছিল শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুশপুতল পুড়িয়ে প্রতিবাদী মানুষজন ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিক্ষোভ সমাবেশে মুসলিমদের পাশপাশি দলিত, আদিবাসী ও অন্যান্য পিছিয়ে পড়া মানুষজনের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।


পরে এক জমায়েতে সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘অনেক আদিবাসী ভাইবোনেরা এখানে আছেন, যাদের কোনো নথি নেই, তাহলে তাদের কী বাংলাদেশে পার করে দেবে মোদি সরকার? আমরা মুসলিম হয়ে ওয়াদা করছি যে, আমরা আদিবাসী ভাইবোনেদের পাশি আছি। কোনোভাবেই তাদের বিরুদ্ধে অত্যাচার, জুলুম, তাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়ার কোনরকম ষড়যন্ত্রকে আমরা বরদাস্ত করব না, মেনে নেবো না।’


অসমের করিমগঞ্জ উত্তরের বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ তার ভাষণে বলেন, ‘আমার খুব দুঃখ হয় যে, ২০১৪ সালের ভোটার লিস্ট অনুযায়ী আমারা ভোট দিয়েছি, ২০১৬ সালের ভোটার লিস্টে নাম আছে, ২০১৮ সালের ভোটার লিস্টেও নাম আছে। কিন্তু সেই মানুষদেরও আবার নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হয়! বারবার অসমের বাঙালিদের এভাবে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হচ্ছে। নথিপত্র কেবল বাঙালিদের জন্য দরকার, কিন্তু কিছু মানুষের জন্য নথির কোনো দরকার হয় না। যাদের নাম নেই তারা যখন এনআরসি কেন্দ্রে কারণ জানতে যাচ্ছেন তাদেরকে বলা হচ্ছে, ‘টেকনিক্যাল এরর’, ‘নো রিজন’ ইত্যাদি। কিন্তু এসব তো তাদের সমস্যা আমাদের কেন সেজন্য দুর্ভোগে পড়তে হবে?’


জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি ফর বাঙালি রিফিউজিস-এর সর্বভারতীয় সভাপতি সুকৃতিরঞ্জন বিশ্বাস বলেন, ‘দলিত ও মুসলিমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হয় তাহলে কে কী আইন করল তা নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। সেজন্য দলিত ও মুসলিমদের একে অন্যের সমস্যায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করার অঙ্গীকার গ্রহণ করতে হবে।’


বিক্ষোভ সমাবেশে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, জামায়াতে ইসলামী হিন্দের রাজ্য সভাপতি মুহাম্মদ নূরুদ্দিন, অসমের করিমগঞ্জ উত্তরের বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ, জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি ফর বাঙালি রিফিউজিস-এর সর্বভারতীয় সভাপতি সুকৃতিরঞ্জন বিশ্বাস,স্টুডেন্টস ইসলামিক অর্গানাইজেশন (এসআইও) পশ্চিমবঙ্গের সংগঠন সম্পাদক শেখ খালিদ আলী, এসআইও’র জনসংযোগ সম্পাদক সুজাউদ্দিন আহমেদ, ‘সদ্ভাবনা মঞ্চ’-এর রাজ্য আহ্বায়ক মুহাম্মদ তাহেরুদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দেশে সেবাখাতে দুর্নীতিতে শীর্ষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

দেশে সেবাখাতে দুর্নীতিতে শীর্ষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

admin August 31, 2018

রংপুর এক্সপ্রেস: ২০১৭ সালে সার্বিকভাবে বাংলাদেশের ৬৬.৫ শতাংশ মানুষ সেবাখাতগুলোতে দুর্নীতির শিকার হয়েছেন। সর্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্ত সেবা খাত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাসপোর্ট অফিস, তৃতীয়- বিআরটিএ এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে বিচারিক ব্যবস্থা। দেশের সেবাখাতের দুর্নীতি নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) পরিচালিত জাতীয় খানা জরিপ ২০১৭- এর ফলাফলে এ তথ্য উঠে এসেছে।


গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। তিনি জানান, “দেশজুড়ে একটি খানা জরিপ পরিচালনা করে টিআইবি। এতে সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট প্রশ্নের ভিত্তিতে জনগণের মতামত জানতে চাওয়া হয়। যেখানে ২০১৭ সালে সার্বিকভাবে ৬৬.৫ শতাংশ মানুষ সেবাখাতগুলোতে দুর্নীতির শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৭২.৫ শতাংশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, পাসপোর্ট অফিস ৬৭.৩ শতাংশ এবং বিআরটিএ-তে ৬৫.৪ শতাংশ দুর্নীতি হয়েছে।”


জরিপে বলা হয়, “বাংলাদেশে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রাক্কলিত ঘুষের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ৬৮৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ এবং জাতীয় বাজেটের ৩ দশমিক ৪ শতাংশ।”




[caption id="" align="aligncenter" width="750"]বক্তব্য রাখেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।[/caption]

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, “২০১৭ সালে টিআইবি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকার প্রশাসন, ভূমি সেবা, কৃষি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, বিচারিক সেবা, বিদ্যুৎ, ব্যাকিং, বিআটিএ, কর ও শুল্ক, এনজিও, পাসপোর্ট, বীমা, গ্যাস সেবা খাতে জরিপ করে টিআইবি। এর মধ্যে নিম্ন আয়ের মানুষই বেশি দুর্নীতির শিকার ও ঘুষ দিতে বাধ্য হয়। এর পেছনে একটা বড় কারণ হলো, ঘুষ না দিলে সেবা পাওয়া যায় না এমন একটা পরিবেশ ও ধারণা।”


‘সেবা খাতে দুর্নীতি, জাতীয় খানা জরিপ ২০১৭’ শীর্ষ ওই গবেষণা জরিপে প্রধানত ১৫টি সেবা খাতে সেবা গ্রহণের দুর্নীতির শিকার হওয়ার বিষয় নিয়ে জরিপ চালানো হয়। সেবা খাতে দুর্নীতি হ্রাসে ১২ দফা সুপারিশও পেশ করে টিআইবি। অনুষ্ঠানে টিআইবির চেয়ারপারসন সুলতানা কামাল, উপ-নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের উপস্থিত ছিলেন।

রংপুরে ধর্ষিত মাদ্রাসা শিক্ষিকার মামলা

রংপুরে ধর্ষিত মাদ্রাসা শিক্ষিকার মামলা

admin August 31, 2018

রংপুর: রংপুরের তারাগঞ্জে এক মাদ্রাসা শিক্ষিকাকে (৩০) ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত বুধবার রাতে তারাগঞ্জ থানায় ওই শিক্ষিকা আনোয়ার নামে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র মেকানিকের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।


পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, তারাগঞ্জ উপজেলার হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের কিসামত মেনানগর বড়বাড়ি গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র মেকানিক আনোয়ার হোসেন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ২৬ আগস্ট সন্ধ্যায় উপজেলার দৌলতপুরের একটি বাসায় তারাগঞ্জে হাড়িয়ারকুঠি দাখিল মাদ্রাসার ওই শিক্ষিকাকে ধর্ষণ করেন। এরপর ওই শিক্ষিকা আনোয়ারকে বিয়ের কথা বললে তিনি বিয়ে করতে অস্বীকার করেন।


ওই শিক্ষিকা অভিযোগ করেন, দেড় বছর আগে মুঠোফোনে আনোয়ারের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২৬ আগস্ট আনোয়ার দৌলতপুরের একটি বাসায় আমাকে ডেকে নেন। একপর্যায় সেখানে আমাকে ধর্ষণ করেন। এখন বিয়ের কথা বললে আনোয়ার অসম্মতি জানান। বাধ্য হয়ে আমি আনোয়ারের বিরুদ্ধে মামলা করি। মামলা করার পর আনোয়ার আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে।


উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোস্তফা জামান চৌধুরী বলেন, আমি এ বিষয়ে তেমন কিছু জানিনা তবে আনোয়ার দুই দিন থেকে হাসপাতালে অনুপস্থিত আছে বলে জানান তিনি। তারাগঞ্জ থানার ওসি জিন্নাত আলী বলেন, শিক্ষিকার অভিযোগ পেয়ে থানায় তা নথিভুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ওই কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হবে।

Image Gallary

 
1 / 3
   
Caption Text
 
2 / 3
   
Caption Two
 
3 / 3
   
Caption Three