লালমনিরহাট: বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের ৬ নং সেক্টরের অন্যতম সংগঠক, লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ আদিতমারী) -এর সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব করিম উদ্দিন আহমেদ এর ২৭তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে করিম উদ্দিন সরকারি কলেজ কর্তৃপক্ষের অায়োজনে স্মরণসভা, মিলাদ মাহফিল, আলোচনা, স্মৃতিচারণ ও দোয়ার অায়োজন করা হয়।
স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল আজ মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) সকাল থেকেই দুপুর পর্যন্ত কালীগঞ্জ উপজেলার করিম উদ্দিন পাবলিক কলেজ হলরুমে উক্ত কলেজের অধ্যাপক মিজানুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্টানের শুরুতে মরহুম করিম উদ্দিন আহমেদ এমপির কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি উপস্থিত মরহুমের জ্যেষ্ঠ পুত্র সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান অাহমেদ এমপি।
উক্ত দোয়া মাহফিল ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,মরহুমের পুত্র কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুজ্জামান আহমেদ, কন্যা রওশনারা চায়না চৌধুরী,মরহুমের ৫ম পুত্র খুরশীদুজ্জামান অাহমেদ, জেলা বিএনপির সহসভাপতি সাবেক সাংসদ সালেহ উদ্দিন আহৃেদ হেলাল।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল হাসান, মরহুমের জামাতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসার ড. অানিসুর রহমান জুয়েল। উপজেলা থানা ইনচার্জ মকবুল হোসেন, তুষভান্ডার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুর ইসলাম আহমেদ, মুক্তিযোদ্দা মহসিন টুলু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ রেশালুর নুর চৌধুরী।
করিম উদ্দিন আহমেদ ১৯ মার্চ ১৯২৩ সালে জন্ম গ্রহন করেন। ২৮ ( আগস্ট)১৯৯১সালে তিনি মৃত্যু বরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৮ বছর। তিনি লালমনিরহাট ২ আসনের ৭০, ৭৩ সালে দুই বার আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। স্মরন সভায় প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এমপি বলেন, মরহুম করিম উদ্দিন আহমেদ একটি আদর্শের প্রতীক, উন্নয়নের প্রতীক। তিনি অবহেলিত কালীগঞ্জের মানুষের আলোক বর্তিকাস্বরুপ। তার আদর্শে আগামী প্রজন্মকে ধারন করে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ড উল্লেখ করে, কালীগঞ্জকে শিক্ষাঞ্চল হিসাবে ঘোষণা করেন। আগামী দিনে কালীগঞ্জ আদিতমারীর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
শিবলী সাদিক এমপি'র জন্মদিন আজ
উত্তরাঞ্চল জন্মদিন দিনাজপুর শিবলী সাদিকদিনাজপুর: দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য দিনাজপুর-৬ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মো. শিবলী সাদিক এমপি’র শুভ জন্মদিন আজ। এমপির জন্মদিনে উপজেলা আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ, নবাবগঞ্জ, বিরামপুর, ঘোড়াঘাট, হাকিমপুর, উপজেলার শুভ আকাঙ্ক্ষীরা পৃথক পৃথকভাবে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ও সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।
শিবলী সাদিক ১৯৮২ সালের ২৮ শে আগস্ট নবাবগঞ্জ উপজেলার ৯ নং কুশদহ ইউনিয়নের ইসলাম পুর মৌজার আফতাবগঞ্জ বাজারের সম্ভ্রান্ত মুসলিম আফতাব পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।মাতা মৃত শাহানার বেগম পিতা মোস্তাফিজুর রহমান।
আফতাবগঞ্জের চান্দের হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় লেখাপড়া শুরু ১৯৯৮ সালে এস এসসি পাস করে, বিএনপি জোট সরকারের ক্লিনহার্ট অপারেশন সময় এমপির ছেলে হওয়ায় তার নামে ১৮ টি মামলা হয় । থেমে যায় লেখাপড়া পরে ২০১০ সালে বিএসএস পাস করেন।
১৯৯৬ সালে তার প্রয়াত পিতা মোস্তাফিজুর রহমান এমপি ছিলেন পিতার অকাল মৃত্যুতে রাজনীতির মাঠে পা রাখেন তিনি। ২০০৩ সালে নবাবগঞ্জ উপজেলা শাখার ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি, ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ২০১২ সালের ১৪ ই ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা শাখার আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হয় ।
বগুড়ায় যুব শ্রমিক লীগের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
বগুড়া যুব শ্রমিক লীগসভায় বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা যুব শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. রাকিব উদ্দিন প্রাং সিজার। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুব শ্রমিকলীগের যুগ্ম সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রহিত, রাকিব মাহমুদ রাখি, রবিউল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মো. রাসেল, মাসুদুর রহমান মাসুম, শ্রী জিতেন্দ্র দাস, জেলা শ্রমিকলীগের সদস্য আজিজুল শেখ, শিক্ষা সাহিত্য ও গবেষনা সম্পাদক রাকিবুল হাসান সোহাগ, শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক সোহানুর রহমান শিমুল, সদস্য লিখন মিয়া, জেলা জাতীয় রিক্সা-ভ্যান শ্রমিকলীগের সদস্য হেলাল উদ্দিন আকন্দ, যুব শ্রমিকলীগ শহর শাখার যুগ্ন আহবায়ক রায়হান উদ্দিন প্রাং পলাশ, সদস্য শাখিরুল প্রাং, নাহিরুল, ইন্তেজ, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সেভিট মণ্ডল, লিটন খান সহ ১৪ ও ১৫ নং ওয়ার্ড যুব শ্রমিকলীগের নেতৃবৃন্দ।
সৈয়দপুরে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়
উত্তরাঞ্চল জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় নীলফামারীবক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সৈয়দপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও মটর শ্রমিক ইউনিয়নের রংপুর বিভাগীয় সভাপতি মো. আখতার হোসেন বাদল, পৌর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো: রফিকুল ইসলাম বাবু, বনিক সমিতির সভাপতি মো: ইদ্রিস আলী, সৈয়দপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর জোবায়দুর রহমান মিন্টু।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আবিদ হাসান লাড্ডান, আল-মামুন সরকার, জোসনা বেগম, জাহানারা বেগম, মিনারা বেগম, বোতলাগাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান হেলাল চৌধুরী, খাতামধুপুর ইউপি চেয়ারম্যান জুয়েল চৌধুরী, বাঙ্গালীপুর ইউপি চেয়ারম্যান শ্রী প্রণোবেশ চন্দ্র বাগচী, কাশিরাম ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক চৌধুরী, কামারপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান মো: রেজাউল করিম লোকমানসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, সরকারী বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধি, এনজিও ও বেসরকারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সংবাদকর্মীবৃন্দ।
কাউনিয়া উপজেলা মাসিক আইন-শৃংখলা ও সমন্বয় সভা
আইন-শৃংখলা ও সমন্বয় সভা উত্তরাঞ্চল রংপুরকাউনিয়া: রংপুরের কাউনিয়া উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটি এবং সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটির মাসিক সভা আজ মঙ্গলবার (২৮ আগষ্ট) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম নাজিয়া সুলতানা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাহাফুজার রহমান মিঠু, থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুন অর রশীদ, সারাই ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম, ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা বাবুল, পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম নিশীথ কুমার কর্মকার, স্বাস্থ্য ও প.প. দপ্তরের আরএমও ডা. গোলাম রব্বানী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক কাউনিয়া পত্রিকার সম্পাদক শাহ্ মোবাশ্বারুল ইসলাম রাজু, সাপ্তাহিক প্রত্যাশার আলো পত্রিকার সম্পাদক সারওয়ার আলম মুকুল প্রমূখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধিসহ সাংবাদিকবৃন্দ। এসময় উপজেলায় পল্লী বিদ্যুৎ ও টেলিফোন এর ভুতরে বিল ও ভ্রাম্যমান অভিযান. ছিচকে চুরি, ছিনতাই, ক্রিকেট জুয়া, বাল্যবিয়ে ও যৌন হয়রানী, মাদক সেবন ও বিক্রয় বৃদ্ধি, কসাই খানা ও শৌচাগার নির্মান, হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট ও অব্যবহারকৃর্ত যন্ত্রপাতি এবং সেবার মানসহ বিভিন্ন বিষয় বক্তব্যে উঠে আসে। পরে সভার সভাপতি উপজেলায় আইন-শৃংখলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রশাসনসহ সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
অপরদিকে কাউনিয়া উপজেলা পরিষদ মাসিক সভা উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাহাফুজার রহমান মিঠু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম নাজিয়া সুলতানাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিবৃন্দ। এছাড়াও পর্যায়ক্রমে উপজেলা গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটি ও উপজেলা আইসিটি কমিটি এর সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় গত সভার কার্যবিবরণী পাঠ ও অনুমোদন করা হয়।
হজ শেষে নিজ দেশে ফেরা শুরু হাজিদের
জাতীয় হজ হাজিরংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক: হজের সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সৌদি আরব থেকে হাজিদের দেশে ফেরাতে ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। সোমবার বিমানের প্রথম ফিরতি হজ ফ্লাইটে ৪২৯ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। এদিন রাত ১১টা ২০ মিনিটে বিজি-৪০১২ ফ্লাইটে হাজিরা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
এর আগে রোববার রাতে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ৪শ জন হাজি দেশে আসেন। ওই ফ্লাইটে ঘণ্টাখানেক বিলম্বে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেন হাজিরা। সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি-৮০২ ফ্লাইটটি গত রোববার দিনগত রাত ২ টায় ঢাকায় পৌঁছানোর কথা থাকলেও সেটি রাত ৩ টা ১৯ মিনিটে এসে পৌঁছায়। ফ্লাইটটিতে ছিলেন ৪শ জন হাজি। বছরের প্রথম ফিরতি হজ ফ্লাইটে যাত্রাপথে বিলম্ব ছাড়া অন্য কোনো অভিযোগ নেই হাজিদের।
ফাহাদ হোসেন নামে ওই ফ্লাইটের এক হাজি বলেন, সৌদি আরবের কিংস আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক বাংলাদেশি হাজি অসুস্থ হওয়ায় সোয়া এক ঘণ্টা দেরিতে প্লেন যাত্রা শুরু করে। আল্লাহর রহমতে হজ পালন শেষে দেশে ফিরে এসেছি তেমন কোনো সমস্যা হয়নি।
বিমানবন্দরে হাজিদের স্বাগত জানান বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এএম মোসাদ্দিক আহমেদ, মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ প্রমুখ। এ সময় হাজিদের পবিত্র জমজম কুয়ার পানি সরবরাহ করা হয়। বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজ বলেন, হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট নির্বিঘ্ন করতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সৌদি আরব ও ঢাকাস্থ অফিস সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। হজ ফ্লাইট শেষ হবে ২৭ সেপ্টেম্বর।
প্রসঙ্গত, এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৯৮ জন হজ পালন করতে সৌদি আরব গেছেন।
মিয়ানমার সেনাপ্রধানসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের একাউন্ট মুছলো ফেসবুক
বিশ্বআন্তর্জাতিক ডেস্ক: রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যার দায়ে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রধান মিন অং হ্লেইং-সহ অন্য ছয় শীর্ষ সেনা জেনারেলকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলে জাতিসংঘ এক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিয়ানমারের সেনাপ্রধানসহ দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের অ্যাকাউন্ট মুছে দিয়েছে ফেসবুক।
ফেসবুক গত সোমবার এ উদ্যোগ নিয়েছে। অর্ধ শতাব্দীর সামরিক শাসনের বেড়াজাল থেকে সদ্য বেরিয়ে আসা মিয়ানমারে অনেকের কাছে সংবাদের প্রধান উৎস ফেসবুক। তবে রাখাইনের রাষ্ট্রহীন রোহিঙ্গা ও অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দেশটির সেনাবাহিনী এবং উগ্রপন্থী বৌদ্ধদের হিংসা ও বিদ্বেষ ছড়ানোর প্রধান প্ল্যাটফর্মেও পরিণত হয়েছে জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রযুক্তি জায়ান্ট এই প্রতিষ্ঠান ব্যাপক পরিসরে জনসংযোগ কার্যক্রম শুরু করেছে। ফেসবুক বলছে, উসকানিমূলক পোস্টগুলো সরিয়ে ফেলতে তারা কিছুক্ষেত্রে দেরি করেছে। মুসলিমবিরোধী প্রচারণা চালানোর দায়ে ইসলাম বিদ্বেষী ও উগ্র বৌদ্ধদের দুটি গ্রুপকেও নিষিদ্ধ করেছে ফেসবুক। তবে এবারই প্রথম মার্কিন এই অনলাইন স্যোসাল মিডিয়া জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলো।
ফেসবুক বলছে, আমরা মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লেইংসহ দেশটির ২০ নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানকে নিষিদ্ধ করছি। জাতিগত ও ধর্মীয় উত্তেজনা ঠেকাতে চায় ফেসবুক। ৫ কোটি ১০ লাখ মানুষের দেশ মিয়ানমারে ফেসবুকের ব্যবহারকারী রয়েছে প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ। যে কোনো ধরনের ঘোষণা দেয়ার জন্য দেশটির সরকার এই মাধ্যমটির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লেইংয়ের দু'টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সচল ছিল। এর মধ্যে একটিতে ফলোয়ার সংখ্যা প্রায় ১৩ লাখ এবং অন্যটিতে ২৮ লাখ। ইংলিশ এবং বার্মিজ ভাষায় দেয়া উভয় অ্যাকাউন্টের পোস্টে দেশটির সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের সবসময় বাঙালি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে সেদেশে যাওয়া অবৈধ অভিবাসী হিসেবে মনে করে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমার।
গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া দেশটির নৃশংস অভিযান ও গণহত্যার অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে মিয়ানমারের এই সেনাপ্রধান। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সমূলে উৎপাটনের জন্য সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়েছে বলে সাফাই গেয়ে আসছেন তিনি। রাখাইনে সেনাবাহিনীর নৃশংস অভিযানে এখন পর্যন্ত সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়েছে। এএফপি।
গরিবের চাল পঁচলো পুকুরে
গরিবের চাল ঝিনাইদহ পঁচলো পুকুরে ভিজিএফ চাল সারাদেশসারাদেশ: ঝিনাইদহ সদরে ৩ টি পুকুরে সরকারের দেয়া বিপুল পরিমাণ ভিজিএফ চাল পাওয়া গেছে। কিছুদিন ধরে পুকুরের পানিতে চাল থাকায় পঁচা দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভেসে উঠেছে পুকুরের মাছ।
সরেজমিনে সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের মাঝপাড়া মসজিদের পেছনের পুকুরে দেখা যায়, স্থানীয় সিরাজুল, আজিজুলসহ আরও তিনজনের পুকুরের পানিতে চালের পচা দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়েছে। পুকুরের পানির দুর্গন্ধ থেকে সাধারণ মানুষ ধারণা করছেন, আশেপাশের ৫ টি পুকুরে শত বস্তা চাল ফেলা হয়েছে। এই গন্ধ আশপাশে ছড়িয়ে পড়েছে।
[রাজশাহীতে ভাইরাস জ্বরের পাদুর্ভাব, ভোগান্তিতে শিশু ও বৃদ্ধরা]
খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, পুকুরগুলোর দুই পাশে দুই ইউপি সদস্যের বাড়ি। একজন হলেন মহিলা ইউপি সদস্য শাবানা বেগম আরেকজন আহাম্মদ আলী। গ্রামবাসীর ধারণা, সরকারের দেয়া ভিজিএফ চাল আত্মসাৎ করায় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের ভয়ে এই চাল পুকুরে ফেলে দেয়া হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য শাবানা বেগম। অপর ইউপি সদস্য আহাম্মদ আলীর সঙ্গে মোবাইলে কথা হলে তিনি বলেন, আমি কালীগঞ্জ আছি।
[কারণ ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে গিয়ে ধরা খেল পুলিশ ]
খবর পেয়ে মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি ইউনিয়ন পরিষদে চাল দেয়ার পর সবুজ নামে এক ব্যক্তি ২৬ শ' কেজি চাল কিনে আজিজুলের নিকট বিক্রি করেছে। বিভিন্ন তৎপরতার কারণে আজিজুল সেই চাল পুকুরে ফেলে দিয়েছে।
চাল কেনার কথা স্বীকার করে সবুজ বলেন, আমি ৬৫ হাজার টাকার চাল আজিজুলের কাছে বিক্রয় করেছি। আজিজুলের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি আত্মীয়ের বাড়িতে রয়েছেন বলে জানান।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথকে জানানো হলে তিনি বলেন, চাল চুরির ঘটনায় মামলা হয়েছে। আমি ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে পাঠিয়েছে সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে।
রাজশাহীতে ভাইরাস জ্বরের পাদুর্ভাব, ভোগান্তিতে শিশু ও বৃদ্ধরা
উত্তরাঞ্চল বৃদ্ধ ভাইরাস জ্বর ভোগান্তি রাজশাহী শিশুরাজশাহী: আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত কারণে রাজশাহীতে ঘরে ঘরে ভাইরাস জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। সবচেয়ে ভোগান্তিতে শিশু ও বৃদ্ধরা। গত তিনদিনে অন্তত আড়াইশ রোগী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়াও বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডিসপেনসারিতে কমপক্ষে তিন শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। তবে এ রোগে কোন মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ডাক্তার পার্থ মনি ভট্টাচার্য (মেডিসিন) বলেন, উপসর্গ হিসেবে এসব রোগীর কাঁপুনি দিয়ে জ¦র, সর্দি-কাশি, শরীরে ব্যথা, বমি বমি ভাব থাকবে। আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে এমন জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। সাত দিন পর্যন্ত এ রোগ স্থায়ী হয়। এ অসুখে প্যারাসিটামল জাতীয় গ্রুপের ওষুধ খেলে তাৎক্ষণিকভাবে রোগী আরাম পেলেও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। নয়তো, অন্য কোন কারণে এ জ্বর হয়ে থাকলে পরবর্তীতে সমস্যা আরও বেড়ে যাবে।
ডাক্তার পার্থ আরও বলেন, প্রতিবছর মৌসুম পরিবর্তনের সময় এ ধরনের রোগের আবির্ভাব ঘটে। সারাদিন ও সন্ধ্যার পর অতিরিক্ত গরম এবং শেষ রাতে ঠাণ্ডার কারণে মানুষ এ জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। এতে ভয়ের কিছু নেই। যে কোন বয়সের মানুষ এ জ্বরে আক্রান্ত হতে পারে। এছাড়াও যাদের অ্যাজমা ও হাঁপানি রয়েছে তাদের এই সময় একটু সতর্ক থাকতে হবে।
[কারণ ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে গিয়ে ধরা খেল পুলিশ]
এদিকে সম্প্রতি প্রতিটি ওষুধের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন দরিদ্র রোগীরা। রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার তারাপুর গ্রামের আশরাফ আলী গত রোববার (২৬ আগস্ট) বিকালে জানান, ঈদের দিন বিকাল থেকে তার স্ত্রী আলো হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একদিন রাখার পর সেখানকার চিকিৎসকরা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে রেফার্ড করে। সেখানে চিকিৎসক না থাকায় আলোর জ্বর ও বমির সাথে যুক্ত হয় ডায়রিয়া। একপর্যায়ে নগরীর লক্ষ্মীপুরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। রোববার পর্যন্ত সাড়ে ১০ হাজার টাকার ওষুধ কেনা হয়ে গেছে। তবে এখন রোগী অনেকটাই সুস্থ আছে বলেও জানান আশরাফ। তিনি বলেন, ছোট ব্যবসা করে সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হয়। বাড়ির ছাগল বিক্রি করে বর্তমানে স্ত্রীর চিকিৎসা করাচ্ছেন আশরাফ।
নগরীর বিনোদপুর এলাকার অ্যাডভোকেট পলাশ জানান, তার ৬ বছরের মেয়ে গত তিনদিন ধরে রামেক হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন। ঈদের কারণে অভিজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়ায় হাসপাতালে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। যে কারণে রোগীর স্বজনরাও ওষুধ ক্রয়ের ক্ষেত্রে হয়রানিতে পড়ছেন বলেও উল্লেখ করেন পলাশ।
কারণ ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে গিয়ে ধরা খেল পুলিশ
ঝিনাইদহ ধরা খেল পুলিশ সারাদেশসারাদেশ: ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ থানা পুলিশ সাধারন মানুষকে কোন কারণ ছাড়াই ধরে টাকা নিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে। এমন ঘটনা শুনে এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার গভীর রাতে মটর সাইকেল নিয়ে ছুটে জান পুলিশের এ কর্মকাণ্ড দেখতে। এমন ঘটনা ঘটেছে কালীগঞ্জ উপজেলার সিংদহ গ্রামে।
জানা যায়, গত শনিবার রাত ১ টার দিকে কালীগঞ্জ থানার অমিত, সমম্বিত, গাফ্ফার সাথে কয়েকজন কনস্টেবল একটি কালো রংয়ের মাইক্রো নিয়ে সিংদহ গ্রামে মোচিক শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা খুলতে বলে। এ সময় তিনি পুলিশের কথায় দরজা না খুলে এমপি আনোয়ারুল আনারের কাছে ফোন দেয়। একথা শুনে এমপি আনার রাত দেড় টার সময় সাংবাদিক মানিককে সাথে নিয়ে সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে দেখতে পায় পুলিশ জোর করে ঘরের দরজা খুলতে বলছে। পুলিশ এমপি আনারকে দেখে হতাশ হয়ে পড়ে এবং এমপি আনার পুলিশ দের কাছে জানতে চায় এতরাতে এখানে কি। পুলিশ আমতা আমতা করে বলে স্যার এমনি আসছি।
[পাবনায় আবাসিক হোটেলে থেকে ২৯ নারী-পুরুষ আটক]
ভুক্তভোগী সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমাকে ঘরের দরজা খুলতে বলছে ও নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করছে। দামোদরপুর গ্রামের আবুল কাশেম কে রাতে বাড়ি ধোরে কোলা ক্যাম্পে আটকিয়ে রাখে ২ দিন, পরে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়। বারবাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ি সবুজ হোসেন কে ধোরে এনে ১ লাখ টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকার মানুষ ও রাজনৈতিক ব্যাক্তিরা চাপাচাপি করলে টাকা ফেলতের কথা বলে পুলিশ রক্সা পায়। কিন্তু পুলিশ সবুজের টাকা ফেলত দেয়নি। এধরনের অসখ্য প্রমান রয়েছে নিরিহ মানুষ কে ধোরে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া।
[জামাই-শ্বাশুড়ির পরকীয়ার পর বিয়ে, জামাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু]
সাদিকপুর গ্রামের বাবুল হোসেনের পুত্র হাফিজুর ও একই গ্রামের রিপন হোসেন জানায়, গভীর শুক্রবার রাতে একটি সিএনজিতে ৪/৫ জন কালীগঞ্জ থানার পুলিশ তাদের বাড়িতে যায়। এরপর তাদেরকে ঘুম থেকে তুলে মাদক ব্যাবসার অভিযোগ আছে বলে হাতকড়া পরিয়ে থানায় না এনে আমবাগান নামকস্থানে নিয়ে আসে। সেখানে রেখে পুলিশ আটক রিপনের মোবাইল থেকে তার বাবার মোবাইলে ফোন দিয়ে গ্রামের মেম্বরকে নিয়ে দেখা করতে বলে। রাত ৩ টার দিকে মেম্বর ঝুন্টসহ পরিবারের লোকজন আমবাগানে আসে। আটককৃতদের নামে কোন মামলা না থাকলেও পুলিশ ভয় দেখিয়ে পরিবারের নিকট ৪০ হাজার টাকা দাবি করে। পরে ৮ হাজার টাকা নিয়ে পুলিশ তাদেরকে ছেড়ে দেয়।
[দুদক কারো অনুমতি নিয়ে কাজ করবে না -ইকবাল মাহমুদ]
ভুক্তভোগী রিপন আরও জানায়, পুলিশ তাকে আটকের পরই তার মোবাইল কেড়ে নিয়ে তাতে কিছু মাদকের ছবি পোস্ট দেয়। তবে ছেড়ে দেবার আগে তা ডিলিট করে দেয়। বর্তমানে কালীগঞ্জের মানুষ থানা পুলিশের গ্রেপ্তারের ভয়ে চরম আতঙ্কগ্রস্থ রয়েছে।
এ বিষয়ে সাদিকপুর গ্রামের ইউপি সদস্য ঝন্টু মিয়া জানায়, তিনি রাতে আমবাগানে গিয়েছিলেন। তবে পুলিশ কত টাকা নিয়ে তাদেরকে ছেড়েছেন তা তিনি জানেন না। এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, রাতের ওই ঘটনাটি তিনি জানেন না। তবে খোঁজ খবর নিয়ে বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।
নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের ৪০ কি.মি এখন মরণ ফাঁদ, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল
উত্তরাঞ্চল দূর্ঘটনা নাটোর নাটোর-বগুড়া মহাসড়ক মরণ ফাঁদনাটোর: নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের বেহাল দশায় প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দূর্ঘটনা। সংস্কারের কারণে প্রায় ৪০ কিলো মিটার দীর্ঘ এই সড়কটি যেন এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। মহাসড়কের নাটোর-টু-সিংড়া-জামতলী বাঁশের ব্রিজ পর্যন্ত ৪০ কিলো মিটার এলাকায় রাস্তা দেবে উচু-নিচু ও কার্পেটিং উঠে ছোট-বড় হাজারো গর্তের কারণে যেমন জনগণের ভোগান্তি বেড়েছে তেমনিভাবে প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা। তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়েই যাত্রী সাধারণের চলাচল করতে হচ্ছে। আর প্রায় ৪০ কিলো মিটার দীর্ঘ এই রাস্তা পার হলে যেন হাঁক ছাড়ছে সবাই। প্রতিদিন সহশ্রাধিক বাস, ট্রাক, মাইক্রো, পিকআপসহ বিভিন্ন ছোট বড় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে সিংড়া বাসষ্ট্যান্ডের ফেরিঘাট এলাকায় ব্রিজের দু’পাশে মহাসড়কে ৩ টি ভাংগন (গর্ত) যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এই গর্তে বড় ধরণের দূর্ঘটনার আশংখাও রয়েছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
[কারণ ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে গিয়ে ধরা খেল পুলিশ]
জানা গেছে, নাটোর-বগুড়া মহাসড়কটি উত্তরাঞ্চলের বগুড়া, রংপুর, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, গাইবান্ধা ও পঞ্চগড় জেলা গুলোর সাথে যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা। মহাসড়কটির বেহাল দশার কারণে বিভিন্ন সময় দূর্ঘটনা ঘটছে। পুরো এলাকা জুড়ে সড়কে হাজারো গর্তের কারণে চলনবিলের কৃষকসহ রাস্তায় চলাচলকারী যাত্রীদের বেড়েই চলেছে ভোগান্তি। বিশেষ করে আত্রাই নদীর উপর নির্মিত সিংড়া ফেরিঘাট ব্রিজের পশ্চিম পার্শ্বে গরু হাট এলাকায় ও পূর্ব পার্শ্বে ধান হাট এলাকায় মহাসড়ক সংলগ্ন ৩টি ভাংগন (গর্ত) ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আর এই জনবহুল পূর্ণ এলাকায় মহাসড়কের দু’পাশে গর্তে যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরণের দূর্ঘটনা বলে আশংখা করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। এছাড়াও মহাসড়কের সিংড়া বাসষ্ট্যান্ড এলাকা থেকে শুরু করে চৌগ্রাম, জামতলী ও বাঁশের ব্রিজ এলাকা পর্যন্ত ছোট-বড় হাজারো গর্তে যাত্রী চলাচলে যেমন দুর্ভোগ বেড়েছে তেমনি ভাবে প্রতিনিয়তই ঘটছে দূর্ঘটনা। আর খালা-খন্দে ভরা নাটোর থেকে বগুড়া পর্যন্ত ৭০ কিলো মিটার পথ পাড়ি দিতে যাত্রীদের প্রায় ডবল সময় গুনতে হচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী আবদুল মতিন, আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, প্রতিদিনই ব্যবসায়ী কাজে জীবনের ঝুকি নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে তাদের চলাচল করতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এ অঞ্চলের বাসিন্দারা। অতি দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান।
[জামাই-শ্বাশুড়ির পরকীয়ার পর বিয়ে, জামাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু]
পাটকোল গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, ব্রিজের দু’পার্শ্বের এই ভয়াবহ গর্তে প্রায়ই ঘটছে দূর্ঘটনা। এ বিষয়ে রাস্তার ছোট ছোট গর্ত সংস্কার কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের বার বার ওই ব্রিজের পার্শ্বের গর্তের কথা বলা হলেও তারা কোন কর্ণপাত করেন না।
স্থানীয় ভ্যান চালক জাহিদুল ইসলাম বলেন, তুলেন ভাই বেশী করে ছবি তোলেন। এটা কোন রাস্তা নয়, জনগণের মরণ ফাঁদ। আর এই রাস্তায় চলাচলকারী গাড়ীর চাকা সাত দিনেই শেষ।
এ বিষয়ে এলাকার বিশিষ্টজনদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নাটোর-বগুড়া মহাসড়কটি উত্তরাঞ্চলের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ও একমাত্র সড়ক হওয়ায় উন্নত সড়কের আওতায় আনা উচিত বলে মনে করেন তারা। নতুবা এ অঞ্চলে ব্যবসা বাণিজ্যের ও ভাঁটা পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। আর অতিদ্রুত সিংড়া ফেরিঘাট ব্রিজের দু’পার্শ্বের গর্ত ভরাট করে সংস্কারের জন্য সড়ক ও জনপদ বিভাগের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।
নাটোর সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিক বলেন, এই রাস্তাটি খারাপ হয়েছে। আর তাদের মোবাইল গাড়ীর মাধ্যমে রাস্তার গর্তগুলো সংস্কারও করা হচ্ছে। কিন্তু ঈদের ছুটির কারণে কয়েকদিন কাজ করতে না পারায় সমস্যা কিছুটা বেড়েছে। আর সিংড়া ফেরিঘাট ব্রিজের দু’পার্শ্বের গর্তগুলো ফান্ড স্বল্পতার কারণে সমাধান করা সম্ভব হয়নি। তবে খুব তাড়াতাড়ি এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
পাবনায় আবাসিক হোটেলে থেকে ২৯ নারী-পুরুষ আটক
আবাসিক হোটেল উত্তরাঞ্চল পাবনাপাবনা: পাবনার ফরিদপুর শহরের দুটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জরিত থাকার অপরাধে ১২ যুবতীসহ মোট ২৯ জনকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে। সোমবার বিকেলে শহরের পুরাতন বাসষ্টান্ডে অবস্থিত আলবেগ হোটেল ও নতুন বাসষ্টান্ড এলাকায় অবস্থিত হোটেল নিউ গার্ডেন সিটিতে এ অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) পারভেজ মল্লিক ও সহকারী কমিশনার সজল কুমার।
[জামাই-শ্বাশুড়ির পরকীয়ার পর বিয়ে, জামাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু]
এ ব্যাপারে সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) পারভেজ মল্লিক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের পুরাতন বাসষ্টান্ডে অবস্থিত আলবেগ হোটেল ও নতুন বাসষ্টান্ড এলাকায় অবস্থিত হোটেল নিউ গার্ডেন সিটিতে যৌথভাবে অভিযান চালায় আমরা দুইজন। এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে জরিত থাকার অপরাধে ১২ যুবতীসহ মোট ২৯ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে দণ্ডবিধির ১৮৬০/২৯৪ ধারায় ১২ জন যুবতী ও ১৫ জন খদ্দেরকে ৭ দিন করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া একই ধারায় হোটেল নিউ গার্ডেন সিটি হোটেলের দুই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীকে এক মাসের কারাদণ্ড প্রধান করা হয়েছে। আটককৃতদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বগুড়ায় শিশুকে ধর্ষন চেষ্টা, আটক ১
উত্তরাঞ্চল ধর্ষন বগুড়া শিশু ধর্ষন চেষ্টাবগুড়া: বগুড়ার শেরপুরে আম্বইল গ্রামে গত ২৬ আগস্ট, রোববার সকালে ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষনের চেষ্টার ঘটনায় আবদুর রশিদ (৩৭)নামের এক লম্পট কে আটক করেছে শেরপুর থানা পুলিশ। লাঞ্ছিত শিশুটি আম্বইল গ্রামের সুকুমারের মেয়ে।
[চাকরির খোঁজে এসে গণধর্ষণের শিকার যুবতী]
জানা যায়, উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের আম্বইল গ্রামের মৃত রহিম বক্সের ছেলে আবদুর রশিদ (৩৭) এর স্ত্রী ব্র্যাক স্কুলের শিক্ষিকা শায়েলা বেগম ঈদ উল আযহার ছুটি কাটাতে তার বাবার বাড়িতে চলে যায়। ঈদের ছুটি শেষ হওয়ায় সে সরাসরি স্কুলে যাওয়ার কথা ভাবে। সেজন্য সুকুমারের মেয়েকে তার বাড়ি থেকে স্কুলের ব্যাগ ও খাতাপত্র আনতে বলে। এ সময় ওই বাড়িতে আবদুর রশিদ ছাড়া আর কেউ ছিলনা। রশিদের কাছে মেয়েটি ব্যাগ ও খাতাপত্র চাইতে গেলে সেই সুযোগে লম্পট রশিদ তাকে জোরপূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা করে। সেখান থেকে পালিয়ে বাড়িতে এসে এই ঘটনা মেয়েটি তার বাবাকে বললে সে ক্ষিপ্ত হয়ে লম্পট রশিদকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে। পরে বিষয়টি থানা পুলিশকে জানালে লম্পট রশিদকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
[জামাই-শ্বাশুড়ির পরকীয়ার পর বিয়ে, জামাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু]
এ ব্যাপারে শেরপুর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (সার্বিক) মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, ঘটনাটি শোনার পর পরই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(শেরপুর-ধুনট সার্কেল)এর নের্ততে আমি সঙ্গীয় ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে গিয়ে লম্পট রশিদকে আটক করি। সে আহত হওয়ায় তাকে হাসপাতালে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বীরগঞ্জে স্লুইস গেটে প্রাণহানী রোধে সচেনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এসএবিডির স্মারকলিপি
উত্তরাঞ্চল এসএবিডি দিনাজপুর প্রাণহানী রোধ বীরগঞ্জ সচেনতা সৃষ্টি স্লুইস গেটদিনাজপুর: দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ঢেপা নদী স্লুইস গেটে প্রাণহানীর কারণ উদঘাটন এবং প্রতিকারের পাশাপাশি সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। স্লুইস গেটে প্রাণহানীর কারণ উদঘাটন এবং প্রতিকারের পাশাপাশি সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন স্টুডেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশন অব বীরগঞ্জ (এসএবিডি)।
[চাকরির খোঁজে এসে গণধর্ষণের শিকার যুবতী]
প্রায় প্রতি বছর বীরগঞ্জ পৌর শহরের ঢেপা নদী স্লুইস গেটে গোসল করতে গিয়ে সচেতনতার অভাবে বেশ কিছু শিশু ও তরুণের প্রাণহানী হয়েছে। এদের বেশির ভাগ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। এসব শিক্ষার্থীর অকাল মৃত্যুর সাথে অনেক পরিবারের সন্তানকে নিয়ে দেখা স্বপ্নের সমাধি হয়েছে। সঙ্গত কারণেই বিষয়টি সকলকেই ভাবিয়ে তুলেছে। একারণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্লুইজ গেটে প্রাণহানীর কারণ উদঘাটন এবং প্রতিকারের পাশাপাশি সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথা উল্লেখ করে ওই স্মারকলিপি প্রদান করেছেন স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বীরগঞ্জ।
[জামাই-শ্বাশুড়ির পরকীয়ার পর বিয়ে, জামাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু]
এ সময় বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মো. নুর ইসলামা নুর, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব বিষয়ক সম্পাদক মো. ইয়াছিন আলী, এসএবিডির সভাপতি মোঃ আল-মামুন, অর্থ সম্পাদক মোঃ মেহেদী হাসান সুজন, সদস্য মো. শামীম রানা, মোঃ জাকির হোসেন, আল-মামুন ও ফারুক হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ, এ পর্যন্ত পৌর শহরের ঢেপা নদী স্লুইস গেটে গোসল করতে গিয়ে আনুমানিক ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের বেশির ভাগ বিভিন্ন স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। সর্বশেষ চলতি বছরের গত ২১ জুলাই গোসল করতে গিয়ে মো. রাজু (১৬) এবং মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (১৭) নামে দুই শিক্ষার্থী অকাল মৃত্যু বরণ করেন।
জামাই-শ্বাশুড়ির পরকীয়ার পর বিয়ে, জামাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু
পরকীয়া সারাদেশসারাদেশ: মেয়ের জামাতা ও শ্বাশুড়ির পরকীয়া প্রেমের কারণে জামাতা তালাক দিয়েছিল তার স্ত্রীকে আর শ্বাশুড়ি তালাক দিয়েছিল তার স্বামীকে। অতঃপর জামাতা ও শ্বাশুড়ি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করছিলেন বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডস্থ মসজিদ সড়কের একটি ভাড়াটিয়া বাসায়। গত রবিবার রাতে রহস্যজনক ভাবে জামাতার মৃত্যু হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ মৃত জামাতা মাসুম খানের (৩৩) লাশ উদ্ধার করে সোমবার (২৭ আগস্ট) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছেন। একইসাথে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মৃতের সাবেক শ্বাশুড়ি (বর্তমান স্ত্রী) জাকিয়া বেগমকে থানায় নিয়ে এসেছেন। কোতোয়ালী মডেল থানার ডিউটি কর্মকর্তা এএসআই মহসিন জানান, বিষয়টি রহস্যজনক বিধায় মৃতের স্ত্রী জাকিয়া বেগম ও তার ছেলে রাবিক গাজীকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। থানার ওসি নুরুল ইসলাম পিপিএম বলেন, প্রাথমিকভাবে বিষয়টি রহস্যজনক মনে হওয়ায় লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
[চাকরির খোঁজে এসে গণধর্ষণের শিকার যুবতী]
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, কয়েক বছর পূর্বে জাকিয়া বেগমের (৪৬) কন্যা তানজিলা আক্তারের সাথে সামাজিকভাবে প্রতিবেশী মাসুম খানের বিয়ে হয়। বিয়ের পর মাসুম ও তার শ্বাশুড়ি জাকিয়া বেগম পরকীয়ায় জড়িয়ে পরেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর মাসুম খান জাকিয়া বেগমের কন্যা তানজিলাকে ও জাকিয়া তার স্বামী তানজিলার পিতা আবু গাজীকে তালাক দেয়। এরপর পরকীয়া প্রেমিক মেয়ে জামাতা মাসুম খানকে বিয়ে করে জাকিয়া বেগম একসাথে বসবাস করে আসছিলো। এরইমধ্যে রবিবার রাতে রহস্যজনকভাবে মাসুম খানের মৃত্যু হয়। অভিযোগ উঠেছে, পরকীয়ার কারণে পরিবারের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে মাসুমকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করতে পারে। এ অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ মৃত মাসুম খানের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জাকিয়া বেগম ও তার পুত্র রাকিবকে আটক করেছে।
কর্মীরাই আওয়ামী লীগের প্রাণ -রমেশ চন্দ্র সেন
আওয়ামী লীগ উত্তরাঞ্চল ঠাকুরগাঁওঠাকুরগাঁও: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন বলেছেন, কর্মীরাই হচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রাণ ও শক্তি। কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দলের যে কোন কাজ সম্পন্ন করতে হবে। সেই সাথে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে কর্মীসহ দলের নেতাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
[চাকরির খোঁজে এসে গণধর্ষণের শিকার যুবতী]
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সোমবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেন্টার কমিটি গঠন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, আপনাদের জন্য একটা খুশির সংবাদ আছে; সেটি হলো ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষিভিত্তিক ইপিজেড হচ্ছে। আর সেটি হবে সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নে। ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি চলে এসেছে ইপিজেড নির্মাণ করার জন্য। জমি অধিগ্রহণের কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। প্রায় ২শ একর জমির মধ্যে এই ইপিজেড নির্মাণ করা হবে। আর এটি হলে ঠাকুরগাঁওয়ে বেকারত্ব দুর হবে; অসংখ্য মানুষ এখানে চাকুরি করবে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ব্যাপক পরিমাণে উন্নয়নের কাজ হয়েছে। যা আগামী ১শ বছরে কেউ করতে পারত না। এ সরকার ক্ষমতায় আসার কারণ একটাই ; তা হলো দেশের উন্নয়ন। আর সেই উন্নয়নের ধারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটি এলাকায় চলমান। আওয়ামী লীগের উন্নয়ন দৃশ্যমান।
[জামাই-শ্বাশুড়ির পরকীয়ার পর বিয়ে, জামাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু]
রমেশ সেন বলেন, বিএনপি-জামায়াত বাংলাদেশের উন্নয়ন চায় না। তারা দেশের ক্ষতি করার জন্য বার বার ক্ষমতায় আসতে চায়। অতীতে দেখুন তাদের আমলে বাংলাদেশের কী উন্নয়ন হয়েছে; উন্নয়ন হয়নি। উল্টো বাংলাদেশের সম্পদ লুটপাট করেছে বিএনপি-জামায়াত।
গত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত ঠাকুরগাঁওসহ সারা দেশে ব্যাপক পরিমাণ সহিংসতা চালিয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ে হত্যা করা হয়েছিল প্রিজাইডিং অফিসারকে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল পুরো বাংলাদেশ। আমরা সেইসব কথা ভুলে যায়নি।
বাংলাদেশের চলমান উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে হলে আওয়ামী লীগ ছাড়া বিকল্প কোন পথ নেই। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন।
আউলিয়াপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবোধ চন্দ্র সেনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাইফুল রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম স্বপন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নজমুল হুদা শাহ এ্যাপালো, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াফু তপু, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার পারভেজ পুলক, আউলিয়াপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম, আউলিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান নজরুল প্রমুখ।
চাকরির খোঁজে এসে গণধর্ষণের শিকার যুবতী
গণধর্ষণ গণধর্ষণে জাতীয়ঢাকা: চাকরির খোঁজে ঢাকায় এসে গণধর্ষণের শিকার এক যুবতীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার সকালে জরুরি বিভাগের সামনে মেয়েটিকে চাদর মোড়ানো বিধ্বস্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে হাসপাতাল ফাঁড়ির এএসআই বাবুল মিয়া জানিয়েছেন।
মেয়েটি পুলিশকে জানিয়েছে, চাকরির খোঁজে গত রোববার লঞ্চে করে সে সদরঘাট আসে। পরে গুলিস্তানে তার সৎবোনের বাসায় ওঠে। সেখানে তার সৎবোনের সহযোগিতায় চার-পাঁচজন সারা রাত তাকে ধর্ষণ করে। পরে ধর্ষকদের একজন তাকে সঙ্গে করে নিয়ে এসে বিবস্ত্র অবস্থায় হাসপাতালে ফেলে যায়। ওই মেয়েটি চাকরির জন্য সৎবোনের বাসায় আসে। মেয়েটির সঙ্গে কথা বলে মনে হয়নি সে মানসিক রোগী।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের (ওসিসি) সমন্বয়কারী বিলকিস বলেন, মেয়েটির যৌনাঙ্গ থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে গাইনি ওয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, মেয়েটির উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এএসআই বাবুল মিয়া আরেও জানান, বর্তমানে শাহবাগ ও চকবাজার থানা পুলিশের টিম ঢামেকে আছে। ধর্ষণের ঘটনাস্থল কোথায় সেটি খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
দুদক কারো অনুমতি নিয়ে কাজ করবে না -ইকবাল মাহমুদ
ইকবাল মাহমুদ জাতীয় দুদক দুর্নীতি দমন কমিশনরংপুর এক্সপ্রেস: স্বাধীন সংস্থা হিসেবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কারো অনুমতি নিয়ে কাজ করবে না বলে জানিয়েছেন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। গতকাল সোমবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদিত সরকারি কর্মচারী আইন নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন। ইকবাল মাহমুদ বলেন, আইন যা-ই হোক, সরকারি দুর্নীতিবাজ কর্মচারীদের উচ্ছ¡সিত হওয়ার কিছু নেই।
দুদক চেয়ারম্যান আরো বলেন, দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করার কোনো আইন কিন্তু হয় না। যেসব অসৎ এবং দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা রয়েছে, তাদের কিন্তু উচ্ছ¡সিত হওয়ার কোনো কারণ নেই এবং তাদের আইনের আওতায় আনা দুর্নীতি দমন কমিশনের কোনো অসুবিধা হবে না- যে আইনই পাস হোক। দুর্নীতিবাজদের গ্রেফতার করতে কোনো সমস্যা হবে না। তিনি বলেন, আপনাদের স্পষ্টভাবে বলতে চাই, যতক্ষণ পর্যন্ত একটি স্বাধীন সংস্থা হিসেবে রয়েছে, তত দিন দুদক কারুর অনুমতি নিয়ে কোনো কাজ করবে না। গত ২০ আগস্ট মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।
[পাবনায় পিতা ও সৎ ভাইয়ের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রীর গর্ভপাত, এরপর… ]
এতে বলা হয়েছে, ফৌজদারি ও দুর্নীতির মামলায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গ্রেফতার করতে সরকারের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সেদিন বলেছিলেন, ছয়টি বিধিমালা দ্বারা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নতি, পদায়ন, শৃঙ্খলাবিধিসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এ-সংক্রান্ত কোনো পূর্ণাঙ্গ আইন নেই। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও পূর্ণাঙ্গ আইনের প্রয়োজনীয়তার সাপেক্ষে নতুন আইনটি করা হচ্ছে।
প্রস্তাবিত আইনের ৪১ ধারা উল্লেখ করে শফিউল আলম জানান, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হলে অভিযোগপত্র দেওয়ার আগে সরকারের অনুমোদন ছাড়া তাকে গ্রেফতার করা যাবে না। সচিব আরো জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন আইনেও কারো বিরুদ্ধে মামলা হলে অভিযোগপত্র দেওয়ার আগে সরকারের অনুমোদন লাগবে।
