নিষিদ্ধ আরো ২২ পণ্য

নিষিদ্ধ আরো ২২ পণ্য

admin June 12, 2019

নিউজ ডেস্ক:
দ্বিতীয় দফায় ৯৩টি পণ্যের মান পরীক্ষা করে ২২টি ব্র্যান্ডের পণ্যকে ‘নিম্ন মানের বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এসব পণ্য আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বাজার থেকে তুলে নিতে কোম্পানিগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার জাতীয় মান নির্ধারণকারী সংস্থা বিএসটিআই এই নির্দেশ দেন।


এর মধ্যে রয়েছে- হাসেম ফুডসের কুলসন ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই এবং এস এ সল্টের মুসকান ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, প্রাণ ডেইরির প্রাণ প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডের ঘি, স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজের রাঁধুনী ব্র্যান্ডের ধনিয়া গুঁড়া ও জিয়ার গুঁড়া, চট্টগ্রামের যমুনা কেমিক্যাল ওয়ার্কসের এ-৭ ব্র্যান্ডের ঘি, চট্টগ্রামের কুইন কাউ ফুড প্রোডাক্টসের গ্রিন মাউন্টেন ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল, চট্টগ্রামের কনফিডেন্স সল্টের কনফিডেন্স ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, ঝালকাঠির জে কে ফুড প্রোডাক্টের মদিনা ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই, চাঁদপুরের বিসমিল্লাহ সল্ট ফ্যাক্টরির উট ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ এবং চাঁদপুরের জনতা সল্ট মিলসের নজরুল ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ।


এসব পণ্যের লাইসেন্স স্থগিত করেছে বিএসটিআই। তবে থ্রি স্টার ফ্লাওয়ার মিলের থ্রি স্টার ব্র্যান্ডের হলুদের গুঁড়া এবং এগ্রো অর্গানিকের খুশবু ব্র্যান্ডের ঘি নিম্নমানের হওয়ায় কোম্পানি দুটির লাইসেন্স বাতিল করেছে বিএসটিআই।


এছাড়া আরও ৮টি প্রতিষ্ঠান বিএসটিআইয়ের কোনো লাইসেন্স ছাড়াই পণ্য বাজারজাত করছিল। তাদের নাম প্রকাশ না করে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিয়োমিত মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএসটিআই।


এদিকে গত রোজাকে সামনে রেখে বাজার থেকে ৪০৬টি পণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে তার মান পরীক্ষা করে বিএসটিআই। গত ১ মে প্রথম ধাপে ৩১৩টি পণ্যের মান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে তারা। সেখানে ৫২টি ব্র্যান্ডের পণ্যকে নিম্নমানের বলে ঘোষণা করা হয়। তবে পরে কয়েকটি পণ্য মানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় বিএসটিআই। এরপর দ্বিতীয় ধাপে বাকি ৯৩টি পণ্যের মান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হল।

সংসদে যোগ দিয়েই উত্তাপ ছড়ালেন রুমিন ফারহানা

সংসদে যোগ দিয়েই উত্তাপ ছড়ালেন রুমিন ফারহানা

admin June 12, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
সংসদে যোগ দিয়েই উত্তাপ ছাড়িয়েছেন বিএনপি সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে উত্তপ্ত হয়ে উঠে সংসদ।


তিনি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়।’ এতে সংসদ কক্ষ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে তার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানালে স্পিকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আপত্তিকর কোনো কথা থাকলে তা এক্সপাঞ্জ করা হবে বলে জানান।


বিএনপির এই এমপি প্রায় আড়াই মিনিট বক্তব্য রাখলেও সরকারদলীয় মন্ত্রী-এমপিদের চিৎকার, চেঁচামেচি ও প্রতিবাদের কারণে সংসদ কক্ষে কেউ রুমিনের বক্তব্য ভালোভাবে শুনতে পাননি। এ সময় স্পিকার সরকারি দলের সদস্যদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানালেও কেউ কর্ণপাত করেননি।

শেরপুরে অন্তঃসত্ত্বাকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ!

শেরপুরে অন্তঃসত্ত্বাকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ!

admin June 12, 2019

নিউজ ডেস্ক:



শেরপুরের নকলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ডলি খানম (২২) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে গাছে বেঁধে বর্বরোচিত নির্যাতন করা হয়েছে। ওই নির্যাতনে গৃহবধূর গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়েছে বলে জানা গেছে। গত সোমবার রাতে ওই ঘটনার ভিডিওচিত্র ফাঁস হওয়ায় এলাকায় শুরু হয়েছে তোলপাড়।



 



ডলি খানম পৌর শহরের কায়দা এলাকার দরিদ্র কৃষক শফিউল্লাহর স্ত্রী ও স্থানীয় চন্দ্রকোনা কলেজের ডিগ্রি শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে ঘটনার হোতা নির্যাতিতা গৃহবধূর ভাসুর আবু সালেহসহ জড়িতরা এখনও বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এলাকায়।



 



এ ঘটনায় অসহায় শফিউল্লাহ গত ৩ জুন শেরপুরের আমলী আদালতে তার ভাই আবু সালেহসহ ৫ জনকে স্বনামে ও আরো অজ্ঞাতনামা ৫/৭ জনকে আসামি করে একটি নালিশী মামলা দায়ের করছেন। আদালতের বিচারিক হাকিম শরীফুল ইসলাম খান ভিকটিমের এমসি তলব (ডাক্তারি পরীক্ষার সনদ) সাপেক্ষে ঘটনার বিষয়ে তদন্তপূর্বক ১০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জামালপুর পিবিআই’র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রতি নির্দেশ প্রদান করেন।



 



মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, নকলা পৌর শহরের উপকণ্ঠ কায়দা গ্রামের মৃত হাতেম আলীর ছেলে মো. শফিউল্লাহর সঙ্গে এক খণ্ড জায়গা নিয়ে তার সহোদর বড়ভাই আবু সালেহ (৫২), নেছার উদ্দিন (৪৮) ও সলিম উল্লাহর (৪৪) বিরোধ ও মামলা চলে আসছিল। এর জের ধরে ১০ মে সকালে স্থানীয় গোরস্থান সংলগ্ন শফিউল্লাহর দখলীয় জমির ইরি-বোরো ধান আবু সালেহ ও তার লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে কাটতে গেলে শফিউল্লাহ বাধা দেন।



 



এতে তিনি প্রতিপক্ষের ধাওয়ার মুখে পিছু হটে নকলা থানায় ছুটে যান। ততক্ষণে আবু সালেহর নেতৃত্বে একদল লোক ধান কাটতে শুরু করে। পরে শফিউল্লাহর ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ডলি খানম ডাক-চিৎকার দিয়ে বাঁধা দিতে গেলে আবু সালেহর হুকুমে তার ছোটভাই সলিমউল্লাহ, ভাইবউ লাখী আক্তারসহ অন্যান্যরা তাকে ঘেরাও করে ফেলে।



 



এক পর্যায়ে তার চোখে মুখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে দিয়ে তাকে টানা-হেঁচড়া করে পাশের ক্ষেতের আইলের থাকা একটি গাছের সঙ্গে পেছনে হাত রেখে বেঁধে ফেলে। একইসঙ্গে পাশের অন্য গাছের সঙ্গে টানা দিয়ে বেঁধে ফেলে তার ২ পা। এছাড়া তার গোপনাঙ্গসহ পেটে, বুকে, পিঠে উপুর্যপরি কিল-ঘুষি-লাথির আঘাতে তাকে নিস্তেজ করে ফেলে। ওই নির্যাতনের ভিডিওচিত্র ধারণ করে লাখী আক্তার।



 



এ ঘটনা দেখে শফিউল্লাহকে ওই নির্যাতনের খবর জানাতে ছুটে যায় থানায় এক প্রতিবেশী। পরে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর অবস্থায় ডলি খানমকে উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত আবু সালেহ ও তার ছোট ভাই বউ লাখী আক্তারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। কিন্তু চিকিৎসার কথা বলে ডলি খানমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানোর পর প্রভাবশালীদের তদবিরে ছাড়া পেয়ে যান আটক ২ জন।



 



অন্যদিকে বর্বর নির্যাতনে ডলি খানমের রক্তক্ষরণ শুরু হয় এবং তাকে ১৬ মে পর্যন্ত ৭ দিন চিকিৎসা দেয়ার পরও তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় জেলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানেও ২২ মে পর্যন্ত ৭ দিন চলে তার চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা গেছে, নির্যাতনের কারণে ডলি খানমের অকাল গর্ভপাত হয়েছে।



 



ওই ঘটনায় অসহায় শফিউল্লাহ ৩ জুন শেরপুরের আমলী আদালতে আবু সালেহসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ৫-৭ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা আমলে নিয়ে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শরীফুল ইসলাম খান ভিকটিমের এমসি তলব সাপেক্ষে ঘটনার বিষয়ে তদন্তপূর্বক ১০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জামালপুরের পিবিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রতি নির্দেশ প্রদান করেন।



 



মঙ্গলবার বিকালে নির্যাতিতা গৃহবধূর স্বামী শফিউল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তার বড়ভাই সেনাসদস্য নেছার উদ্দিনের ইন্ধনে তার স্ত্রী লাখী আক্তার এবং অপর ২ ভাই আবু সালেহ ও সলিমউল্লাহসহ তাদের ভাড়াটে লোকজন তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ডলি খানমকে বর্বরোচিত নির্যাতন চালিয়ে গর্ভের সন্তান নষ্ট করে দিয়েছে। এছাড়া তার প্রভাবেই থানা পুলিশের এসআই ওমর ফারুক মহিলা কনস্টেবলসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ডলি খানমকে উদ্ধারের পরও কোন প্রতিকার পাইনি।



 



এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্যাতনের ভিডিওটিও থানাতেই গায়েব করে দেয়া হয়েছে। তবে অনেক চেষ্টায় ঘটনার প্রায় এক মাস পরে হলেও সেই ভিডিওর কিছু অংশ এক প্রতিবেশির কাছ থেকে সংগ্রহ করেছি।



 



তিনি আরও বলেন, এমন বর্বর নির্যাতনের পরও তারা আজ বুক ফুলিয়ে ঘুরছে। আর আমি অসহায়। এজন্য আমি ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই।



 



বিষয়টি সম্পর্কে নকলা থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, জমি-জমার বিষয় নিয়ে ভাই-ভাইদের মধ্যে বিরোধ ও দাঙ্গা-হাঙ্গামার আশঙ্কার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে দুপক্ষকেই শান্ত করা হয়েছিল। গৃহবধূকে নির্যাতনের বিষয়ে কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি।



 



এ ব্যাপারে জামালপুর পিবিআইয়ের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সীমা রাণী সরকার বলেন, আদালতের কাগজপত্র এখনো হাতে পাইনি। পেলে অবশ্যই দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জোর করে বিয়ে দিতে চাওয়ায় কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা

জোর করে বিয়ে দিতে চাওয়ায় কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা

admin June 12, 2019

দিনাজপুর প্রতিনিধি:
হিলিতে কীটনাশক খেয়ে মেহেনাজ আক্তার (১৮) নামের এক কলেজ ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। সে হাকিমপুর ডিগ্রী কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের মানবিক বিভাগের ছাত্রী।


মঙ্গলবার (১১ জুন) বিকেলে উপজেলার বিশাপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।


পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মেহেনাজকে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে ফুফাতো ভাইয়ের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে ঠিক করায় সে অভিমানে কীটনাশক খেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জয়পুরহাট জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।


এদিকে একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। বার বার মুর্ছা যাচ্ছেন তার বাবা ও মা।

শঙ্কাই সত্যি, বাংলাদেশ-শ্রীলংকা ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা

শঙ্কাই সত্যি, বাংলাদেশ-শ্রীলংকা ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা

admin June 12, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
অবিরত বৃষ্টির কারণে ব্রিস্টলে বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার মধ্যে আজকের ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। মাঠে পানি জমে আছে। বলা হচ্ছে, যদি বৃষ্টি থেমেও যেত, তবুও খেলার জন্য মাঠ প্রস্তুত করা অসম্ভব হয়ে পড়তো।


এর মধ্যে বৃষ্টি মাথায় নিয়ে আম্পায়াররা মাঠ পরিদর্শন করেন। তারা মাঠের কর্মীদের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ে আলাপ করেন। পরে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। কাজেই খেলার পয়েন্ট দুই দলের মধ্যে ভাগাভাগি হয়ে গেছে।


ব্রিস্টলে বৈরী আবহাওয়ার শিকার দ্বিতীয় ম্যাচ এটি। এর আগে শুক্রবার শ্রীলংকার সঙ্গে পাকিস্তানের ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছিল।


এবারের আসরে এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে তিন ম্যাচ পরিত্যক্ত হলো বৃষ্টির বাধায়। গত সোমবার সাউথ্যাম্পটনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচে খেলা হয় মোটে ৭ ওভার ৩ বল।


চার ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে আছে বাংলাদেশ। ৪ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে আছে ১৯৯৬ আসরের চ্যাম্পিয়ন শ্রীলংকা।


বাংলাদেশ বনাম শ্রীলংকার ম্যাচটি না হওয়া নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগেই শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। কেউ কেউ হতাশ হয়ে মাঠ ছেড়ে বাড়ির পথ ধরেন।


এর আগে গ্যালারি থেকে মাহফুজুর রহমান নামের এক দর্শক জানান, আমরা চারজন মিলে খেলা দেখতে এসেছি। যারা ব্রিটেনের আবহাওয়ার সঙ্গে পরিচিত, তারা বলছেন- পরিস্থিতি ভালো হবে না। অবস্থা দেখে তাদের কাছে মনে হচ্ছে, খেলা না হওয়ার আশঙ্কা ৭৫ শতাংশ। তাই তারা চলে গেছেন।


তার মতে, এই ধরনের বৃষ্টি সাধারণত থামে না। কারণ গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। ব্রিটেনের বাস্তবতায় এই ধরনের বৃষ্টি সারাক্ষণ লেগেই থাকে।


বাংলাদেশ সময় ৫টা ১৫ মিনিটে আম্পায়ারদের মাঠ পরিদর্শনে যাওয়ার কথা ছিল। এরপর খেলার ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের সিদ্ধান্ত জানানোর কথা। কিন্তু বৃষ্টি হওয়ায় তারা মাঠ পরিদর্শন করতে পারেননি।


আগেও একবার বৃষ্টি ফিরে আসায় মাঠ পরিদর্শন স্থগিত করেছিলেন আম্পায়াররা। ব্রিস্টলের আবহাওয়া বুলেটিনে সোমবারই জানানো হয়েছিল, মঙ্গলবার সারাদিন বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস সত্যি হলো। বেরসিক বৃষ্টি হানা দিল বাংলাদেশ বনাম শ্রীলংকা ম্যাচে। বৃষ্টির সঙ্গে বয়ে যাচ্ছে ঠাণ্ডা বাতাস।


গতকাল পড়ন্ত বিকাল থেকেই শুরু হয় বৃষ্টি। তার পর আর মেলেনি সূর্যের দেখা, ঝিরঝিরে বৃষ্টি আর কনকনে বাতাসের সঙ্গে মেঘে ঢাকা আকাশ- ঠিক এ অবস্থায়ই পার হয়েছে রাত।


মঙ্গলবার ভোরেও ব্রিস্টলের আকাশে দেখা যায়নি সূর্যের উপস্থিতি। যেখানে ভোর সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যেই সূর্য উঠে যায়, সেখানে সকাল ৭টা পর্যন্তও আকাশ ছিল মেঘে ঢাকা।


পয়েন্ট ভাগাভাগিকে সান্ত্বনা পুরস্কার হিসেবে মেনে নিতে হচ্ছে মাশরাফিদের। কিন্তু এটা টাইগারদের জন্য ম্যাচ হারার মতোই ব্যাপার।


শ্রীলংকার বিপক্ষে সবশেষ তিন দেখায় জিতেছে বাংলাদেশ। নিদাহাস ট্রফিতে দুই ম্যাচে এবং এশিয়া কাপে লংকানদের হারিয়েছেন টাইগাররা।


তবে বিশ্বকাপে তিনবারের দেখায় একবারও জয় পাননি তারা। এ ম্যাচে জিততে হলে তাই রেকর্ড ব্রেক করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিনিয়র-জুনিয়রদের সম্মিলিত দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের বিকল্প নেই।

রাজশাহীতে পরিবহন শ্রমিক নেতার গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

রাজশাহীতে পরিবহন শ্রমিক নেতার গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

admin June 12, 2019

রাজশাহী প্রতিনিধি:
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় ইটভাটা থেকে এক পরিবহন শ্রমিক নেতার গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নুরুল ইসলাম উপজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি। মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।


পুঠিয়া থানার ওসি শাকিল উদ্দিন আহমেদ বলেন, গত সোমবার রাত ১১টার দিকে কে বা কারা তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। সকালে স্থানীয়রা ইটভাটার পাশে লাশ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়। তার পেটে গুলির চিহ্ন রয়েছে।
এ ঘটনায় বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন স্থানীয় শ্রমিকরা। পরে পুলিশ গিয়ে খুনি গ্রেফতার করে বিচারের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেন বলে জানান ওসি শাকিল উদ্দিন আহমেদ।
গাজীপুরে যাত্রীকে পিষে মারা সেই বাসের কন্ডাক্টরও গ্রেফতার


এফএনএস: গাজীপুরে এক যাত্রীকে লাথি মেরে নিচে ফেলে বাসের চাকায় পিষে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত বাসচালকের পর বাসটির কন্ডাক্টরকেও (চালকের সহযোগী) গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত সোমবার রাতে শেরপুরের নন্দীবাজার এলাকা থেকে বাস কন্ডাক্টর আনোয়ার হোসেনকে (৩০) গ্রেফতার করা হয়।


জয়দেবপুর থানার উপএসআই আবদুর রহমান ভুঁইয়া ও সাদেকুর রহমান জানান, প্রথমে গত সোমবার বিকেলে ভারত পালিয়ে যাওয়ার সময় ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া থানা সীমান্ত এলাকার কংস নদ থেকে অভিযুক্ত বাসচালক রোকন উদ্দিনকে (৩৫) গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাঁকে নিয়ে অভিযুক্ত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হয়। রাতে চালক রোকন উদ্দিনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে কৌশলে বাস কন্ডাক্টর আনোয়ারকে তাঁর বাড়ির পার্শ্ববর্তী নন্দীবাজার এলাকায় ডেকে আনা হয়। রাত ৯টার দিকে আনোয়ার পুলিশের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে বাজারসংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে পৌঁছায়। সে সময় ওত পেতে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাঁকে গ্রেফতার করে। পরে রাতেই সেখান থেকে গ্রেফতার চালক ও কন্ডাক্টরকে নিয়ে গাজীপুরের উদ্দেশে রওনা দেয় পুলিশ।


যাত্রীকে বাসের চাকার নিচে ফেলে পিষে মারা প্রসঙ্গে জয়দেবপুর থানার ওসি আসাদুজ্জামান, নিহতের স্ত্রী পারুল আক্তার ও ভাই জামাল উদ্দিন জানান, গত রোববার ঈদের ছুটি শেষে স্ত্রী পারুল আক্তারকে নিয়ে আলম এশিয়া পরিবহনের একটি বাসে করে ময়মনসিংহের শ্বশুরবাড়ি থেকে গাজীপুরের বাসায় ফিরছিলেন স্থানীয় স্কটেক্স অ্যাপারেলস পোশাক কারখানার গাড়িচালক সালাহ উদ্দিন (৩৫)। পথে বাড়তি ভাড়া আদায় নিয়ে বাসের সুপারভাইজার, কন্ডাক্টর, হেলপার ও চালকের সঙ্গে সালাহ উদ্দিনের বাগবিতণ্ডা হয়। নিজেকে গাড়িচালক পরিচয় দিয়ে সালাহ উদ্দিন মোট বাসভাড়া ৬০০ টাকার কিছু কম দিতে চাইলে ওই বাগবিতণ্ডার সূত্রপাত হয়। পরে তিনি ভাড়ার পুরো টাকাই পরিশোধ করেন। কিন্তু বিতণ্ডার জেরে বাসের সুপারভাইজার, কন্ডাক্টর ও হেলপার সালাহ উদ্দিনকে লাঞ্ছিত করেন এবং বাস থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন।


এদিকে বাসকর্মীদের হাতে মারধরের আশঙ্কায় সালাহ উদ্দিন তাঁর ভাই জামাল উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে সংবাদ দিয়ে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গাজীপুরের বাঘেরবাজার বাসস্ট্যান্ডে আসতে বলেন। খবর পেয়ে জামাল বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে ভাই ও ভাবির জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। একপর্যায়ে বাসটি বাঘেরবাজার এলাকায় পৌঁছলে বাসের শ্রমিকরা লাথি মেরে সালাহ উদ্দিনকে বাস থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ফেলে দেন ও বাসের চালক তাঁর স্ত্রীকে না নামিয়ে বাসটি নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সে সময় সালাহ উদ্দিন ও জামাল উদ্দিন গতিরোধের চেষ্টায় বাসের সামনে দাঁড়ালে চালক সালাহ উদ্দিনকে চাপা দিয়ে বাসটি নিয়ে পালিয়ে যান। এতে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই সালাহ উদ্দিন নিহত হন। পরে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে মহাসড়কের আমতলা এলাকায় বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে সালাহ উদ্দিনের স্ত্রীকে ফেলে দেওয়া হয় ওই বাস থেকে। স্থানীয় হোতাপাড়া এলাকার ফুয়াং কারখানার সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে বাসটি ফেলে রেখে পালিয়ে যান বাসের চালক, কন্ডাক্টর ও হেলপার।


পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় বাসটি জব্দ করলেও চালক, সুপারভাইজার, কন্ডাক্টর ও হেলপারের খোঁজ পায়নি। এদিকে ওই ঘটনায় রাতে নিহতের ছোট ভাই জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তাতে বাসের চালক, কন্ডাক্টর, হেলপার ও সুপারভাইজারকে আসামি করা হয়। পুলিশ ঘটনার পর থেকেই পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। এরই একপর্যায়ে জব্দ হওয়া বাসের ভেতর থেকে একটি মামলার রসিদ উদ্ধার করে পুলিশ। তাতে চালকের তথ্য ও মোবাইল নম্বর পাওয়া যায়। পরে সেই সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জয়দেবপুর থানা পুলিশ গাজীপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন স্থানে চালক রোকন উদ্দিনকে গ্রেফতারে অভিযান চালায়। শেষমেশ গত সোমবার বিকেল ৪টার দিকে রোকন উদ্দিন তাঁর মাকে নিয়ে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে খবর পায় পুলিশ।


খবর পেয়ে জয়দেবপুর থানার এসআই আবদুর রহমানের নেতৃত্বে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সে সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রোকন উদ্দিন পাশের কংস নদীতে ঝাঁপ দেন। পুলিশও নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাঁকে গ্রেফতার করে। সে সময় কৌশলে রোকন উদ্দিনের মা সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সমর্থ হন। নিহত সালাহ উদ্দিন ঢাকার আলুবাজার এলাকার মৃত শাহাবউদ্দিনের ছেলে। তিনি চাকরির কারণে গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘেরবাজার এলাকার আতাউর রহমানের বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন।

কুষ্টিয়ায় ডোবা থেকে মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার

কুষ্টিয়ায় ডোবা থেকে মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার

admin June 12, 2019

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় ডোবা থেকে মসজিদের এক মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কুমারখালী থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে আলতাফ হোসেন (৭০) নামে এই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেন তারা। আলফাত উপজেলার গোবিন্দপুর জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন। একই এলকার বাসিন্দা ছিলেন তিনি।


ওসি মিজানুর রহমান বলেন, শনিবার সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে যান আলতাফ হোসেন। পরে আর ফিরে আসেননি। মঙ্গলবার দুপুরে মসজিদের কাছে একটি ডোবায় লাশ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর কারণ বলতে পারেনি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কৃষকদের কাছ থেকে আরও আড়াই লাখ টন ধান কেনার সিদ্ধান্ত

কৃষকদের কাছ থেকে আরও আড়াই লাখ টন ধান কেনার সিদ্ধান্ত

admin June 12, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
দাম পড়ে যাওয়ার কৃষকদের কাছ থেকে আরও আড়াই লাখ মেট্রিক টন বোরো ধান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান। কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন।


খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এবার বোরোর ফলন ‘অনেক উদ্বৃত্ত’ হয়ে গেছে। দেশের খাদ্য গুদামগুলোর ধারণ ক্ষমতা ১৯ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন। আর এখন গুদামে আছে ১৪ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশষ্য। গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী দিক নির্দেশনা দিয়েছেন, আমরা আরও আড়াই লাখ মেট্রিক টন ধান কৃষকের কাছ থেকে কিনব। এতেও বাজার না উঠলে (ধানের) পরিমাণ আরও বাড়াব, যেন কৃষক নায্যমূল্য পান।


এই আড়াই লাখ টনের বাইরে প্রয়োজনে আরও এক বা দুই লাখ মেট্রিক টন ধান কৃষকের কাছ থেকে কেনা হবে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী রাজ্জাক। এবছর বোরো মৌসুমে সরকার ১০ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, দেড় লাখ টন আতপ চাল এবং দেড় লাখ টন বোরো ধান এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। ঠিক হয়, ২৫ এপ্রিল থেকে প্রতিকেজি ধান ২৬ টাকা এবং প্রতি কেজি চাল ৩৬ টাকায় কিনবে সরকার। কিন্তু সরকারিভাবে ধান-চাল ক্রয় শুরু হতে দেরির কারণে ফড়িয়ারা সেই সুযোগ নেয়। তারা ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করলে ধান নিয়ে অসহায় অবস্থায় পড়েন কৃষকরা। উৎপাদন খরচ না ওঠায় অসন্তোষ থেকে পাকা ধানে কৃষকের আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।


এই পরিস্থিতিতে কৃষকদের বাঁচাতে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে মন্ত্রণালয়কে বেশি ধান কেনার ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করে খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। পাশাপাশি চাল আমদানি নিরুৎসাহিত করতে শুল্ক বাড়ানো হয়।


খাদ্যমন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত কৃষকের কাছ থেকে ৩০ হাজার টন বোরো ধান কেনা হয়েছে। এক লাখ ২০ হাজার টন ধান কেনা এখনও বাকি আছে। আরও দেড় লাখ টন ধান কেনার সিদ্ধান্ত হওয়ায় এবার সব মিলিয়ে মোট চার লাখ টন বোরো ধান কৃষকের কাছ থেকে কিনবে সরকার।

ডিআইজি মিজানের ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার দুদক কর্মকর্তার

ডিআইজি মিজানের ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার দুদক কর্মকর্তার

admin June 12, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
পুলিশের উপ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার কথা অস্বীকার করে দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির বলেছেন- ‘সব বানোয়াট’। মঙ্গলবার দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণে জর্জরিত বাছির বলেন, যে অভিযোগ করেছে তাকে (ডিআইজি মিজান) প্রমাণ করতে বলুন। চালানোর অভিযোগ ওঠায় গত বছরের জানুয়ারিতে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মিজানকে। এর চার মাস পর তার সম্পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক; এক হাত ঘুরে সেই অনুসন্ধানের দায়িত্ব পান এনামুল বাছির।


সেই অনুসন্ধান চলার মধ্যেই ডিআইজি মিজান রোববার দাবি করেন, তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা বাছির। এর সপক্ষে তাদের কথপোকথনের কয়েকটি অডিও ক্লিপ একটি টেলিভিশনকে দেন তিনি। ওই অডিও প্রচার হওয়ার পর দেশজুড়ে শুরু হয় আলোচনা। এই পরিস্থিতিতে গত সোমবার তদন্ত কমিটি গঠনের পাশাপাশি বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করে দুদক। তবে ঘুষ দেওয়াও যে ফৌজদারি অপরাধের মধ্যে পড়ে, সে কথাও মনে করিয়ে দেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।


ডিআইজি মিজান বলেন, সব জেনেশুনেই তিনি কাজটি করেছেন ‘বাধ্য হয়ে’। তিনি যে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত, তা প্রমাণ করতে, তাকে ফাঁসানোর জন্য করেছি এবং নিজের সেইফটির জন্য করেছি। মঙ্গলবার দুদক কার্যালয়ে নিজের কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের তোপে পড়ে দুদক পরিচালক বাছির অসহায় ভঙ্গিতে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি দপ্তর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও সাংবাদিকরা তাকে ঘিরে ধরে ঘুষের অভিযোগ নিয়ে বার বার প্রশ্ন করতে থাকেন।


এক পর্যায়ে সাংবাদিকরা ওই অডিওর বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এটা বানোয়াট একটা অভিযোগ। আপনারা যত প্রকারের এক্সপার্ট নিয়ে পারেন প্রমাণ করেন। যেইভাবে পারেন প্রমাণ করেন। তাকে প্রমাণ নিয়ে আসতে বলেন। মিথ্যার কোনো প্রমাণ থাকে না। ডিআইজি মিজান মিথ্যা অভিযোগ করে থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেবেন কিনা- সেই প্রশ্ন বাছিরকে করেন সাংবাদিকরা। এই দুদক কর্মকর্তা উত্তরে বলেন, আমার নিজেরই চাকরি নাই। মামলা করবো কি? মামলার প্রশ্ন অবান্তর।


সব রেকর্ড আছে, দাবি ডিআইজি মিজানের: দুর্নীতি দমন কমিশনের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট বললেও অভিযোগকারী ডিআইজি মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তার কাছে সব রেকর্ড আছে। কমিশন থেকে ডাকা হলে তিনি তা উপস্থাপন করবেন। মঙ্গলবার দুপুরে বেইলি রোডের বাসায় সাংবাদিকদের এসব কথা জানান পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত ডিআইজি মিজানুর রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে ডিআইজি মিজানুর রহমান বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন কমিটি করে অডিওটির সত্যতা যাচাই করুক, সংশ্লিষ্ট কমিশনে পাঠাক। এই ভোকালটা ওঁর (এনামুল বাছিরের) কিনা দেখুক। তাহলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।


অডিও ফাঁসের বিষয়ে তিনি বলেন, নিজেকে সেভ করার জন্য এটা করেছি। আমার কাছে সব রেকর্ড আছে। আমাকে যখন ডাকবে তখন সব দেখাবো। কেন তিনি ঘুষ দিয়েছেন -এই প্রশ্নের উত্তরে মিজানুর রহমান বলেন, বিভিন্নভাবে আমাকে প্রেশার ক্রিয়েট করে। বারবার দেখা করতে চায়। আমি দেখা করলাম। যখন দেখলাম যে এই লোকটা নিজেই দুর্নীতিবাজ, তখন সেটা তো প্রমাণ করতে হবে। আমি এই বিষয়টাই প্রমাণ করেছি। আমি ব্যাংক থেকে টাকা উঠিয়েছি। আমার স্বজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছি তার সব তথ্য আছে। আমি যথাসময়ে অনুসন্ধান কমিটিকে প্রমাণ দেবো।


দুদকের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি কমিশনের কাছে অন্যায় কিছু চাচ্ছি না। আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার চাচ্ছি। ওঁরা যদি সেটা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমাকে আইনি আশ্রয় নিতে হবে। আমি আশা করবো তদন্ত কর্মকর্তা কোনও রাগ-অনুরাগের বশবর্তী হয়ে নয়, স্বাধীন নিরপেক্ষ কমিশনের একজন সদস্য হিসেবে আমার ওপর জাস্টিস অ্যাপ্লাই করবেন। জিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছিলেন দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির।


অনুসন্ধানকালে তিনি কয়েক দফায় ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন ডিআইজি মিজানুর রহমান। তিনি একটি অডিও ফাঁস করেন। যেখানে ডিআইজি মিজান ও এনামুল বাছিরের কথোপকথন রয়েছে। এ অভিযোগের পর কমিশন থেকে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশে এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ঘুষ লেনদেনের বিষয়ে আলাদা তদন্ত হবে বলে রোববার সাংবাদিকদের জানান দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

নেত্রকোণায় কুপিয়ে মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা, যুবক আটক

নেত্রকোণায় কুপিয়ে মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা, যুবক আটক

admin June 12, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
নেত্রকোণার সদর উপজেলায় দা দিয়ে কুপিয়ে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে; এ ঘটনায় এক জড়িত অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।


উপজেলা সাকুয়া এলাকায় মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা বলে নেত্রকোণা মডেল থানার ওসি তাজুল ইসলাম জানান। নিহত উপজেলার গন্ধবপুর গ্রামের বিষ্ণু বর্মণ (৬০)। আটক তাসকিন (৩০) ওই এলাকার এমএ ওয়াহেদের ছেলে।


ওসি বলেন, দুপুরে বিু বাড়িতে একা বসে ছিলেন। এ সময় তাসকিন তার বাড়িতে ঢুকে দা দিয়ে কুপিয়ে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে বিুকে হত্যা করে।


ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাকুয়া বাজার এলাকা থেকে তাসকিনকে আটক করে বলে জানান ওসি। এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি দা ও রক্তমাখা শার্ট জব্দ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে নেত্রকোণা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা: রাস্তায় মৎস্যজীবীরা

সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা: রাস্তায় মৎস্যজীবীরা

admin June 12, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
সাগরে মাছ ধরায় ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারের দাবিতে সীতাকুণ্ডে রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখিয়েছে মৎস্যজীবীদের একটি সংগঠন। মঙ্গলবার দুপুরে শাহ আমানত সেতু এলাকায় সোনালী যান্ত্রিক মৎস্য শিল্প সমবায় সমিতির ২০ মিনিটের সড়ক অবরোধ কর্মসূচির সময় সেতু ও আশপাশের এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। এর আগে গত রোববার উত্তর চট্টলা উপক‚লীয় জলদাস সমবায় কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে জেলেরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন।


মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ফিশারিঘাট এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে কয়েকশ মানুষ শাহ আমানত সেতু এলাকায় অবস্থান নেয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সোনালী যান্ত্রিক মৎস্য শিল্প সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বাবুল সরকার। বক্তব্য দেন সমিতির নেতারা। সমাবেশে আমিনুল ইসলাম বলেন, অন্য বছর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা ছিল না। এটা নতুন করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বুঝিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। আমরা ৭২ ঘণ্টা সময় দিচ্ছি। দাবি না মানলে, আবার আমরা রাজপথে নামব। মৎস্যজীবীদের সবার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আন্দোলন করা হবে।


দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা ভাসান জাল ব্যবহার করি। আমাদের জালে ছোট মাছ ধরা পড়ে না। তাই এই নিষেধাজ্ঞায় আমাদের অন্তর্ভূক্ত করা অযৌক্তিক। ইলিশের প্রজনন মৌসুমেও ২২ দিন মাছ ধরা বন্ধ থাকে, সেটা আমরা মেনে নিয়েছি। আষাঢ় মাসে ইলিশ ধরার মৌসুম শুরু। এখন আমাদের সব বোট বসে আছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে চাল বরাদ্দের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই বরাদ্দ আমাদের মৎস্যজীবীরা নেবে না। এতে তাদের পরিবার চলবে না।


বাকলিয়া থানার ওসি মো. নেজাম উদ্দিন জানান, মৎস্যজীবীরা ১৫ মিনিটের মত সড়কে ছিল। পরে তাদের আশ্বস্ত করে সরিয়ে দেওয়া হয়। আন্দোলনকারীরা সরে যাওয়ার পর বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সড়কে যানজট লেগে ছিল। এ সময় শাহ আমানত সেতুর ওপর যানবাহনের লম্বা লাইন সৃষ্টি হয়। দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে আসা যাত্রীরা অনেকে হেঁটে সেতু পার হন। গত ২০ মে থেকে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। আগামি ২৩ জুলাই পর্যন্ত সব ধরনের নৌযানের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।


বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রজনন মৌসুমে ডিমওয়ালা মাছ ও কাঁকড়াসহ কঠিন আবরণযুক্ত জলজ প্রাণীর (ক্রাস্টাসিয়ান্স) জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং মাছের মজুদ সংরক্ষণ, সুষ্ঠু ও সহনশীল আহরণ নিশ্চিত করার স্বার্থে ২০১৫ সাল থেকে প্রতিবছর এ সময় মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। তবে ২০১৫ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা ছিল ৪৫ দিন। এ বছর তা বাড়িয়ে ৬৫ দিন করা হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালককে কারণ দর্শানোর নোটিশ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালককে কারণ দর্শানোর নোটিশ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের

admin June 12, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
একজন পরিচালককে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ করে সাময়িক বরখাস্ত করার অভিযোগে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজালকে কারণ দর্শাতে বলেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। দুর্নীতির অভিযোগে কেন সাময়িক বরখাস্ত করা হবে না এবং তার নিয়োগ কেন বাতিল করা হবে না- সাত কার্যদিবসের মধ্যে তার জবাব দিতে বলা হয়েছে মহাপরিচালককে। পাশাপাশি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদ ও মার্কেট বিভাগের পরিচালক মুহাম্মদ মহীউদ্দিন মজুমদারকে সাময়িক বরখাস্ত করার আদেশও বাতিল করা হয়েছে।


গত ৩০ মে মহীউদ্দিন মজুমদারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিলেন মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল। গত রোববার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব (সংস্থা) মো. জিয়া উদ্দিন ভ‚ঞা বলেন, ক্ষমতা বহির্ভূত, বেআইনি, অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে করা সাময়িক বরখাস্তের আদেশটি বাতিল করা হল। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজালের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে নিয়োগ, পদোন্নতি, ক্রয় কার্যক্রমসহ নানা কাজে দুর্নীতির অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।


এছাড়া তার বিরুদ্ধে কিছু ‘সুর্নিদিষ্ট’ অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে দুদক গত ৭ মে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায়। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদ ও মার্কেট শাখার পরিচালক মুহাম্মদ মহীউদ্দিন মজুমদারের বিরুদ্ধে কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্মসচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি করা হয়েছিল। সেসব অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার যৌক্তিকতা নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে। ওই বরখাস্তের আদেশ বাতিল করতে গত ৩ জুন ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন মহীউদ্দিন। সেই আবেদনের পর সাময়িক বরখাস্তের আদেশ পর্যালোচনা করে কিছু ‘অনিয়ম’ এবং ‘বেআইনি’ বিষয় নজরে আসে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।


সেখানে বলা হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরস ধর্ম প্রতিমন্ত্রী। মহীউদ্দিন মজুমদারকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশের ব্যাপারে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। এ ছাড়া ওই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার আগে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মৌখিক সম্মিতিও নেওয়া হয়নি। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগও মহীউদ্দিন মজুমদার পাননি। এ কারণে মহাপরিচালকের দেওয়া সাময়িক বরখাস্তের আদেশটি ‘বে-আইনি, অসৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও অকার্যকর’ বলে চিঠিতে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হিসেবে যোগ দেন জুডিসিয়াল সার্ভিসের সাবেক কর্মকর্তা সামীম মোহাম্মদ আফজাল। মন্ত্রণালয়ের চিঠি ও অভিযেগের বিষয়ে কথা বলতে বেশ কয়েক বার তাকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মুহাম্মদ মহীউদ্দিন মজুমদার বলেন, মহাপরিচালক ‘নিজের দোষ ঢাকতেই’ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিলেন।


গত বছর অক্টোবরে বায়তুল মোকাররমের একটি পিলার ভেঙে একটি দোকান বড় করা হয়। এ বিষয়ে ব্যব্স্থা নেওয়ায় মহাপরিচালক ক্ষুব্ধ হন। ওই ঘটনায় আমি থানায় জিডি করি, ওই দোকান বন্ধ করে দিই। ওই দোকানদার দুদিন পর তালা খুলে ফেলে। পরে আবার আমি পুলিশ আনাই। সেই দোকানদার আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।


মহীউদ্দিন মজুমদার বলেন, ওই ঘটনার পর তিনি চারটি ফাইল তৈরি করে মহাপরিচালকের কাছে দেন। কিন্তু তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। পরে মে মাসে এ বিষয়ে পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর নজরে আসে। ডিজি মহোদয় তখন বলেন, তার কাছে এ বিষয়ে কোনো ফাইল যায়নি। তখন আমি বলি চারটি ফাইল তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে তিনি আমার ওপর ক্ষুব্ধ। আমি দুর্নীতি করে থাকলে সেটার জন্য যথাযথ নিয়ম আছে। বিচারের আগে তো আমাকে মৃত্যুদণ্ড দিতে পারেন না।

আদালত স্থানান্তর: খালেদার রিটের শুনানি নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশ

আদালত স্থানান্তর: খালেদার রিটের শুনানি নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশ

admin June 12, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
নাইকো দুর্নীতি মামলার আদালত স্থানান্তরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে খালেদা জিয়ার করা রিট আবেদনের শুনানি হবে হাই কোর্টের নিয়মিত বেঞ্চে। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের অবকাশকালীন হাই কোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এই আদেশ দেয়। এ সময় খালেদা জিয়ার পক্ষে আদালতে ছিলেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও মওদুদ আহমদ; রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা।


নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদার বিচারের জন্য বিশেষ আদালত পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কারাগার থেকে সরিয়ে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়ার সরকারি আদেশের বিরুদ্ধে গত ২৬ মে হাই কোর্টে এই রিট আবেদন করা হয়। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের অবকাশকালীন হাই কোর্ট বেঞ্চ ওই রিট আবেদনের শুনানিতে নাইকো মামলা আমলে নেওয়ার আদেশ এবং আদালত স্থানান্তরের গেজেটের কপি হলফনামা আকারে জমা দিতে বলেছিল খালেদার আইনজীবীদের। এর ধারাবাহিকতায় এ জে মোহাম্মদ আলী মঙ্গলবার নাইকো মামলা আমলে নেওয়ার আদেশের কপি হলফনামা আকারে জমা দেন।


কিন্তু আদালত স্থানান্তরের গেজেটের কপি পাননি জানিয়ে বলেন, এ বিষয়ে বিশদ শুনানি প্রয়োজন। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ সময় বলেন, আজ এই ভ্যাকেশন বেঞ্চের শেষ কার্যদিবস। আপনাদের অবস্থান স্পষ্ট করুন। মওদুদ আহমদ এ সময় বলেন, চাইলে আপনারা রুল দিতে পারেন। পরে আদালত এই রিট মামলা শুনানির জন্য হাই কোর্টের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানোর আদেশ দেয়। নিয়ম অনুযায়ী এই বেঞ্চের আদেশসহ মামলার নথি এখন হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় যাবে। আদালতের নিয়মিত বেঞ্চের কার্যক্রম শুরু হলে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা কোনো একটি বেঞ্চে তা শুনানির জন্য উপস্থাপন করবেন।


আদেশের পর বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী মওদুদ সাংবাদিকদের বলেন, এটা (আদালত স্থানান্তর) এখন বিচারাধীন বিষয়। সুতরাং এর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিচারিক আদালতে মামলার কার্যব্ক্রম চলতে পারে না। অন্যদিকে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা বলেন, এটা সাবজুডিস মেটার কীভাবে, রুলও তো হয়নি। বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত না হলে কোনো মামলার বিচারই বন্ধ থাকে না। আমি মনে করি বিচারিক কার্যক্রম চলতে কোনো বাধা নেই।


তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা ইতোমধ্যে আগের আদালতে দুই দিন শুনানি করেছেন। অথচ তারা এটা তারা উচ্চতর আদালতে গোপন করেছেন। দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়াকে রাখা হয়েছিল পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন সড়কের পরিত্যক্ত কারাগারে। তার বিরুদ্ধে নাইকোসহ অন্য কয়েকটি মামলার বিচারও সেখানেই চলছিল। চিকিৎসার জন্য তাকে গত ১ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


পরে সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়, সুস্থ হলে খালেদাকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হবে। এরপর খালেদার বিচারে আদালত স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত জানিয়ে মে মাসের মাঝামাঝি গেজেট জারি হলে প্রথমে উকিল নোটিস পাঠিয়ে পরে হাই কোর্টে আসেন খালেদার আইনজীবীরা। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর হাতে তুলে দিয়ে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি করার অভিযোগে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় নাইকো দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক।


খালেদা জিয়া ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক মন্ত্রী মওদুদ আহমদ, সাবেক প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, সাবেক সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভ‚ঁইয়া এবং নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ। ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। মামলাটি বর্তমানে অভিযোগ গঠনের শুনানি পর্যায়ে আটকে আছে।

আন্দোলনের মুখে বিএসএমএমইউতে মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত

আন্দোলনের মুখে বিএসএমএমইউতে মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত

admin June 12, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে চিকিৎসকদের আন্দোলনের মুখে মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।


বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া মঙ্গলবার বলেন, ভাইভা স্থগিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে সিন্ডিকেট বোর্ডে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিএসএমএমইউতে ১৮০ জন মেডিকেল কর্মকর্তা ও ২০ জন ডেন্টাল চিকিৎসক নিয়োগে ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত ২০ মার্চ।
পরীক্ষায় অংশ নেন আট হাজার ৫৫৭ জন চিকিৎসক। কিন্তু ১২ মে নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরপরই তাতে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ শুরু করেন শতাধিক চিকিৎসক।


তাদের অভিযোগ, ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে নজিরবিহীন অনিয়ম হয়েছে। উপাচার্য ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ তাদের স্বজনদের নিয়োগ দিতে ফলাফল টেম্পারিং করা হয়েছে। ঈদের পর গত ৯ জুন আন্দোলনকারীদের কয়েকজন উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের লাঠিপেটার শিকার হন বলে অভিযোগ ওঠে।


আন্দোলনকারীরা ভাষ্য, ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কিনা, তা জানতেই তারা সেখানে গিয়েছিলেন। তবে ওইদিন চিকিৎসকদের লাঠিপেটার কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছেন উপাচার্য। পুলিশের পক্ষ থেকেও অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।

পীরগঞ্জে মোবাইল ফোন তুলতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে নিহত ২

পীরগঞ্জে মোবাইল ফোন তুলতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে নিহত ২

admin June 12, 2019

স্টাফ রিপোর্টার:
রংপুরের পীরগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে গিয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে; এ ঘটনায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও একজন। উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের বড়ঘোলা গ্রামে গত সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে পীরগঞ্জ থানার ওসি শরেস চন্দ্র দাস জানান।


মৃতরা হলেন- বড়ঘোলা গ্রামের মসের উদ্দিনের ছেলে দুলু মিয়া ও প্রতিবেশী আজহার আলীর ছেলে এনামুল হক। এ ঘটনায় আহত শাহীন মিয়াকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।


রামনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহীদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর বলেন, দুলু মিয়া রাতে টয়লেটে যায়। এ সময় অসাবধানতায় তার হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যায়। ফোনটি উদ্ধার করতে একটি বাঁশ বেয়ে সেপটিক ট্যাংকে নামেন দুলু। এরপর অনেকক্ষণ পর্যন্ত দুলুর কোনো সাড়া না পেয়ে এনামুল ট্যাংকে নামেন।


একপর্যায়ে দুই জনের সাড়া না পেয়ে শাহীনও নামেন সেপটিক ট্যাংকে। পরে স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তিনজনকে উদ্ধার করেন বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান জানান।


ওসি বলেন, এর মধ্যে সেপটিক ট্যাংকে শ্বাসকষ্টে এনামুলের মৃত্যু হয় এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে দুলু মারা যান।

গাইবান্ধায় সাবেক সাংসদ লিটন হত্যায় কাদের খানের যাবজ্জীবন

গাইবান্ধায় সাবেক সাংসদ লিটন হত্যায় কাদের খানের যাবজ্জীবন

admin June 11, 2019

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যার ঘটনায় করা অস্ত্র মামলায় সাবেক এমপি ও অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আবদুল কাদের খানকে পৃথক দুটি ধারায় একটিতে যাবজ্জীবন ও অপরটিতে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।


মঙ্গলবার গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


তিনি জানান, সকালে মামলার একমাত্র আসামি জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি আবদুল কাদের খানকে কারাগার থেকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়।তার উপস্থিতিতেই আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচারক।


২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের উত্তর শাহবাজ মাস্টারপাড়ায় নিজ বাসভবনের সামনে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।


লিটন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার ছোট বোন ফাহমিদা বুলবুল কাকলী পর দিন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা করেন।


২০১৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় সাবেক এমপি ও অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আবদুল কাদের খানকে বগুড়ার নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে কাদের খানের দেয়া তথ্যানুযায়ী তার বাড়ির উঠানের মাটির নিচ থেকে ছয় রাউন্ড গুলি ও একটি পিস্তল উদ্ধার করে পুলিশ।


মামলার তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৫ এপ্রিল তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে লিটন হত্যা মামলায় সাবেক এমপি (অব.) কর্নেল ডা. আবদুল কাদের খানকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি গাইবান্ধা জেলা কারাগারে রয়েছেন।

নুসরাত হত্যা: ১৬ আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ৫ জনকে অব্যাহতি

নুসরাত হত্যা: ১৬ আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ৫ জনকে অব্যাহতি

admin June 11, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার শুনানির প্রথম দিনে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতারকৃত ৫ আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে নুসরাত হত্যাকাণ্ডের ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ এ আদেশ দেন।


নুসরাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ঘটনার পর বিভিন্ন সময়ে তাদের গ্রেফতার করেছিল পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তবে অভিযোগপত্রে (চার্জশিট) তাদের নাম উল্লেখ করা হয়নি।


অব্যাহতিপ্রাপ্তরা হলেন নুসরাতের সহপাঠী আরিফুল ইসলাম, যুবলীগ কর্মী নূর হোসেন হোনা ও মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, প্রাক্তন ছাত্র ব্যাংক কর্মকর্তা কেফায়াত উল্লাহ জনি এবং প্রাক্তন ছাত্র ও ছাত্রলীগ কর্মী সাইদুল ইসলাম।


জেলা জজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের সরকারী কৌঁসুলি (এপিপি) হাফেজ আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘তাদের নাম চার্জশিটে না থাকায় মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।’


এর আগে একই আদালত পিবিআইয়ের দাখিল করা ১৬ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে দেয়া চার্জশিট আমলে নেন। আগামী ২০ জুন চার্জ গঠনের দিন ধার্য করা করা হয়েছে।


এপিপি হাফেজ আহমেদ আরও জানান, ‘নুসরাত হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন, কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, প্রভাষক আবসার উদ্দিন, মো. শামিম, ইফতেখার উদ্দিন, নূর উদ্দিন জামিন চাইলে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’


বিভিন্ন সময়ে এ মামলায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা, নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, উম্মে সুলতানা পপি, কামরুন নাহার মনি, জাবেদ হোসেন, আবদুর রহিম ওরফে শরীফ, হাফেজ আবদুল কাদের ও জোবায়ের আহমেদ, এমরান হোসেন মামুন, ইফতেখার হোসেন রানা ও মহিউদ্দিন শাকিলসহ ১২ জন আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।


প্রসঙ্গত, গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে একই মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাতকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন নুসরাতের মা শিরিন আক্তার। ভয়ভীতি দেখানোর পরও মামলাটি তুলে না নেয়ায় গত ৬ এপ্রিল পরীক্ষার হল থেকে কৌঁশলে ডেকে নিয়ে মাদ্রাসার ছাদের উপর সিরাজ উদদৌলার সহযোগীরা নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত।


এ ঘটনায় তার বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ১০ এপ্রিল মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে দায়িত্ব দেন আদালত। ২৯ মে ফেনীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম জাকির হোসাইনের আদালতে মামলার এজাহারভুক্ত ৮ জনসহ ১৬ জনকে আসামি করে ৮০৮ পৃষ্ঠার চার্জশিট দাখিল করেন পিবিআই কর্মকর্তারা।

এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেল খেলাপি ঋণ

এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেল খেলাপি ঋণ

admin June 11, 2019

রংপুর এক্সপ্রেস ডেস্ক:
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৮৭৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এর ফলে প্রথমবারের মতো অবলোপনের হিসাব বাদে খেলাপি ঋণ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল। এর আগে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত খেলাপি ঋণ ছিল ৯৩ হাজার ৯১১ কোটি টাকা।


চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) দেশে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৬ হাজার ৯৬২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এছাড়া গত ডিসেম্বর পর্যন্ত অবলোপনের মাধ্যমে ব্যাংকের হিসাবের খাতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে নীট ৪০ হাজার ১০১ কোটি টাকা। এ ঋণ যোগ করলে দেশে খেলাপি ঋণের প্রকৃত পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৭৪ কোটি টাকা।


ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, ডিসেম্বরের চূড়ান্ত হিসাব তৈরির আগে ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের বিভিন্ন নিয়মে ছাড় দিয়ে ঋণ পুনঃ তফসিল করেছে। এ ছাড়া জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেও অনেকে ঋণ পুনঃ তফসিল করেছিলেন। ওই সময়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়মিত করা হয়। এসব ঋণ এখন নতুন করে খেলাপি হয়ে পড়েছে। যে কারণে খেলাপি ঋণ বেড়ে গেছে।


জানা যায়, মহাজোট সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় ২০০৯ সালের শুরুতে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। আর এখন তা বেড়ে হলো প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ১০ বছর ৩ মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৪ গুণ।


এটা বাংলাদেশ ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক তথ্য। তবে ব্যাংক কর্মকর্তারাই বলছেন, প্রকৃত খেলাপি ঋণ আরও অনেক বেশি। অনেক ব্যাংক বড় অঙ্কের ঋণ আদায় করতে পারছে না, আবার তা খেলাপি হিসেবেও চিহ্নিত করছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকও এতে নজর দিচ্ছে না। এ ছাড়া শেয়ারবাজারের অজুহাতে প্রতিবছরই ব্যাংকগুলো নানা ছাড় নিচ্ছে। এতে খেলাপি ঋণের প্রকৃত তথ্যও বেরিয়ে আসছে না। পাওয়া যাচ্ছে না ব্যাংকগুলোর প্রকৃত চিত্র।

Image Gallary

 
1 / 3
   
Caption Text
 
2 / 3
   
Caption Two
 
3 / 3
   
Caption Three